Subscribe:
Showing posts with label আন্তজাতিক. Show all posts
Showing posts with label আন্তজাতিক. Show all posts

যে ভাবে ভিসা ছাড়াই দুই বাংলাদেশি হজ যাত্রী জেদ্দায়।


দুই বাংলাদেশি হজযাত্রী ভিসা ছাড়াই সৌদি আরবের জেদ্দা বিমানবন্দরে পৌঁছেছে। জেদ্দা ইমিগ্রেশন কর্তৃপক্ষ বিষয়টি সনাক্ত করেছে। জেদ্দা ইমিগ্রেশন কর্তৃপক্ষ ওই দুই বাংলাদেশি হজযাত্রীকে প্রায় ১৬ ঘণ্টা বিমানবন্দরে বসিয়ে রাখে। পরবর্তীতে সৌদি কর্তৃপক্ষের উদ্যোগে ভিসার ব্যবস্থা করে তাদের টার্মিনাল ছাড়তে হয়েছে।
ভিসা ছাড়া দুই হজযাত্রী কীভাবে ইমিগ্রেশন পার হয়ে সৌদি এয়ারলাইন্সের একটি বিমানে কওে জেদ্দায় পৌঁছলেন তা খতিয়ে দেখার নির্দেশ দিয়েছেন ধর্ম মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. আব্দুল জলিল। স্থানীয় সময় শুক্রবার এ নির্দেশ দেন ধর্ম মন্ত্রণালয়ের সচিব।
বাংলাদেশ হজ মিশন জেদ্দা বিমানবন্দরে কর্মরত আনোয়ার হোসেন জানান, গত ২৭ জুলাই ‘শাবান এয়ার ইন্টারন্যাশনাল (লাইসেন্স নম্বর ১৪৫৭)’-এর হজযাত্রী নাসিমা আক্তার, পিআইডি নম্বর-১৪৫৭০৭২, একটি ফ্লাইটে জেদ্দার হজ টার্মিনালে অবতরণ করেন।
তিনি আরও জানান, ‘আমিন ট্যুরস এন্ড ট্রাভেলস ইন্টারন্যাশনাল (লাইসেন্স নম্বর ০১৮৪)’-এর মালিক আমিনুল হকও হজ ভিসা ছাড়া সৌদি এয়ারলাইন্স (এসভি ৮০৪)-এর একটি ফ্লাইটে সৌদি আরবে আসেন। সৌদি ইমিগ্রেশন পুলিশ দেখতে পায় যে, তারা ভিসা ছাড়াই সৌদি আরবে হজের জন্য এসেছেন।
এ বিষয়ে আনোয়ার হোসেন ধর্ম মন্ত্রণালয়ে একটি চিঠি পাঠান। চিঠিতে উল্লেখ করেন, ‘ভিসা ছাড়া আগত ওই দুই বাংলাদেশিকে প্রায় ১৬ ঘণ্টা হজ টার্মিনালে অপেক্ষা করতে হয়। শেষ পর্যন্ত সৌদি কর্তৃপক্ষের উদ্যোগে ভিসা পেয়ে টার্মিনাল থেকে ছাড়া পায় তারা।’
ধর্ম মন্ত্রণালয়ে পাঠানো চিঠিতে আনোয়ার হোসেন আরও উল্লেখ করেন, ‘ভিসা ছাড়া দুইজন হজযাত্রী কীভাবে বিমানে অরোহণ করতে পারলেন, এ বিষয়ে জেদ্দা হজ টার্মিনালের ইমিগ্রেশন কর্তৃপক্ষ বাংলাদেশের সমালোচনা করে। বিষয়টি হজ অফিস জেদ্দার জন্য বিব্রতকর এবং বাংলাদেশের সুষ্ঠু হজ ব্যবস্থাপনার পরিপন্থী।’


অবৈধ সম্পর্কে শীর্ষে যেসব দেশ


বিবাহবহির্ভূত সম্পর্ক নিয়ে কথা উঠলেই সবাই পশ্চিমা বিশ্বের দিকে ইঙ্গিত করেন। এই ধারণা কিছুটা হলেও ভুল। কারণ বিবাহবহির্ভূত অবৈধ সম্পর্কের শীর্ষে এশিয়ার দেশ থাইল্যান্ড। দেশটির ৫৬ শতাংশ বিবাহিত দম্পতিই অবৈধ সম্পর্ক রাখেন। যুক্তরাজ্যের দৈনিক ইনডিপেনডেন্ট সম্প্রতি এক সমীক্ষায় বিবাহবহির্ভূত সম্পর্কের তালিকার কথা জানিয়েছে।
তালিকার শীর্ষ দেশ থাইল্যান্ড হলেও অপর নয়টি দেশ ইউরোপের। শীর্ষ দশে যুক্তরাজ্য থাকলেও যুক্তরাষ্ট্র নেই। বিশ্বের বিভিন্ন দেশের বিবাহিত দম্পতিদের মধ্যে সমীক্ষাটি চালায় দ্য রিচেস্ট ও ম্যাচ ডটকম।
সমীক্ষার শীর্ষ দশে যুক্তরাষ্ট্রের স্থান না হওয়া বিষয়ে রিচেস্ট ডটকমের প্রতিবেদনে বলা হয়, ৮০ শতাংশ যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিক বিবাহবহির্ভূত সম্পর্ককে মানব ক্লোনিং, আত্মহত্যা ও বহুগামিতার চেয়েও খারাপ মনে করেন। তাই যুক্তরাষ্ট্রে একে বলা হয় প্রতারণা। অবৈধ সম্পর্কের তালিকা নিম্নক্রম অনুসারে শীর্ষ দশটি দেশের তালিকা ও তালিকায় স্থান হওয়ার কারণ দেওয়া হলো।
১০. ফিনল্যান্ড : ৩৬ শতাংশ: ২০১০ সালের পর থেকে ফিনল্যান্ডে বিবাহিতদের মধ্যে অবৈধ সম্পর্কের হার দ্রুত বাড়ছে। অনেকের মতে, ফিনল্যান্ডে অনেক সময় অবৈধ সম্পর্ককে অভিজ্ঞতা হিসেবে দেখা হয়। অনেক সময় সামাজিকভাবেও স্বীকৃতি দেওয়া হয়। ম্যাচ ডটকমের সমীক্ষা অনুযায়ী, প্রতি পাঁচজন পুরুষের অন্তত একজনের সঙ্গে ১০ নারীর সম্পর্ক দেখা যায়। নারীদের মধ্যে অবৈধ সম্পর্কের হার এর চেয়েও বেশি।
৯. যুক্তরাজ্য : ৩৬ শতাংশ: যুক্তরাজ্যে অবৈধ সম্পর্কের হার ফিনল্যান্ডের সমান। তবে যুক্তরাজ্যবাসীর মধ্যে সম্পর্কের কারণে অনুশোচনা দেখা যায়। অবৈধ সম্পর্কের কথা স্বীকার করা অর্ধেক ব্যক্তি এজন্য অনুশোচনায় ভোগেন। এই অনুশোচনা বোধের হার ফরাসিদের দ্বিগুণ। অনেকে মনে করেন, সমীক্ষায় রাজপরিবারকে যুক্ত হলে যুক্তরাজ্যের অবস্থান আরো ওপরে হতো।
৮. স্পেন : ৩৯ শতাংশ: ঐতিহ্যগতভাবেই স্পেনে ক্যাথলিক প্রভাব বেশি। তাই সামাজিকভাবে অবৈধ সম্পর্ককে খারাপ দৃষ্টিতেই দেখা হয়। তবে বিবাহবিচ্ছেদের হার এখানে ৬০ শতাংশ। বিচ্ছেদের আগেই অন্য সম্পর্কে যুক্ত হওয়ার কারণেই অবৈধ সম্পর্কের হার বেশি হতে পারে।
৭. বেলজিয়াম : ৪০ শতাংশ: বেলজিয়ামের সঙ্গে ফ্রান্সের ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক। মানুষের চিন্তাধারায়ও মিল পাওয়া যায়। দেশটিতে বিবাহিত দম্পতিদের মধ্যে অনলাইট ডেটিং সাইটের বেশ জনপ্রিয়তা দেখা যায়। দেশটির একটি শীর্ষ ডেটিং সাইটে এই সংখ্যা ১০ লাখ। অর্থাৎ, দেশের জনসংখ্যার ১০ শতাংশই অবৈধ সম্পর্কে যুক্ত।
৬. নরওয়ে : ৪১ শতাংশ: নরওয়ের আবহাওয়া পরিবর্তনের সঙ্গে সঙ্গে বিবাহবহির্ভূত অবৈধ সম্পর্কের হার পরিবর্তন হয়। গ্রীষ্মকালে অনলাইনে অবৈধ সম্পর্ক স্থাপনের অনেক ওয়েবসাইটে গ্রাহকের সংখ্যা ৭৮ শতাংশ বেড়ে যায়। কিন্তু শীতকালে নরওয়েবাসী অবৈধ সম্পর্কের চেয়ে নিজের বাড়িতে থাকাকেই প্রাধান্য দেন।
৫. ফ্রান্স : ৪৩ শতাংশ: বিশ্বের অনেক দেশেই বিবাহবহির্ভূত সম্পর্ককে অতটা খারাপ ধরা হয় না। ফ্রান্সের কথাই ধরা যাক। ফ্রান্সের প্রেসিডেন্টের সঙ্গে এক তরুণীর সম্পর্ক প্রকাশ পেলে বিশ্বজুড়েই তা নিয়ে বেশ আলোচনা হয়। তবে ফ্রান্সে বিষয়টি ততটা আলোচিত হয়নি। তবে ফ্রান্সের ক্ষেত্রে আরেকটি বিষয় মাথায় রাখতে হবে, এখানে ‘ফিফটি শেডস অব গ্রে’র মতো অতিমাত্রায় রগরগে চলচ্চিত্রকেও ১২ বছর বা তদূর্ধ্বদের জন্য উপযুক্ত ঘোষণা করেছে।
বিবাহবহির্ভূত সম্পর্কের ক্ষেত্রে ফরাসিদের প্রথম না হওয়াকে অনেকেই বিস্ময় প্রকাশ করেন। অধিকাংশ ফরাসি মনে করে, বিবাহবহির্ভূত সম্পর্ক থাকা খারাপ কিছু নয়। ৬৩ শতাংশ ফরাসি মনে করেন, সম্পর্কের বিষয়ে সৎ না থেকেও একজনকে ভালোবাসা সম্ভব। অবৈধ সম্পর্কের বিষয় স্বীকার করে অনুশোচনা করার হার মাত্র ২৮ শতাংশ।
৪. জার্মানি : ৪৫ শতাংশ: বিবাহিত সম্পর্ককে ফরাসিদের চেয়ে গুরুত্ব দেন জার্মানরা। তবে তাদের মধ্যে অবৈধ সম্পর্কের হারও বেশি। অবৈধ সম্পর্কের কথা স্বীকার করা ৪০ শতাংশ পুরুষ এ জন্য অনুশোচনা করেন। জার্মান নারীদের ক্ষেত্রে এই সংখ্যা ৪৩ শতাংশ।
৩. ইতালি : ৪৫ শতাংশ: ইতালির সাবেক প্রধানমন্ত্রীই অবৈধ সম্পর্কের জন্য বিশ্বজুড়ে সমালোচিত। অষ্টাদশ শতাব্দীতে অবৈধ সম্পর্কের জন্য আলোচিত ক্যাসানোভা কাহিনীও ইতালিরই। সেই দেশের মানুষ বিশ্বতালিকায় বৈধ সম্পর্কে তৃতীয় হওয়া অতি অস্বাভাবিক কিছু নয়। কিন্তু ইতালিতে বিবাহ বিচ্ছেদের হার বেশ কম। অর্থাৎ, অনেক ক্ষেত্রেই অবৈধ সম্পর্ককে সামাজিকভাবে মেনে নেওয়া হয়।
২. ডেনমার্ক : ৪৬ শতাংশ: দীর্ঘদিন ধরেই ইউরোপের বিবাহবহির্ভূত অবৈধ সম্পর্কের রাজধানী হিসেবে পরিচিত ছিল ডেনমার্কের কোপেনহেগেন। তবে, সম্প্রতি শহরটি এই গৌরব (?) হারিয়েছে। ডেনমার্কের অনলাইন ডেটিংয়ে বিবাহিত নারীদের সংখ্যা বাড়ছে বলে জানা গেছে।
১. থাইল্যান্ড : ৫৬ শতাংশ: থাইল্যান্ডের ব্যাংককে রেড লাইট ডিস্ট্রিক্টের (যৌনপল্লী) সংখ্যা বিশ্বের মধ্যে সর্বোচ্চ। দেশটির অর্থনীতির একটি বড় আয় আসে এই খাত থেকে। থাই বিবাহিত নারী-পুরুষের মধ্যে অবৈধ সম্পর্কে জড়িয়ে পড়ার হার বিশ্বের সর্বোচ্চ ৫৬ শতাংশ। থাইল্যান্ডের অনেক সমাজে পুরুষের সঙ্গে স্ত্রী ব্যতীত সম্পর্ককে খারাপ চোখে দেখা হয় না। এ ছাড়া ধনীদের মধ্যে মিয়া নোয়িস নামক একটি প্রথার মাধ্যমে স্ত্রী ব্যতীত অন্য নারীর সঙ্গে সম্পর্ককে গ্রহণযোগ্য করা হয়েছে।

জানেন কি, সৌদির বাদশাহ সালমানের একদিনের খরচ কত?? না জানলে জেনে নিন


বার্ষিক ছুটি কাটাতে বর্তমানে মরক্কোর তানজা শহরে দিন কাটছে সৌদি বাদশাহ সালমান বিন আবদুল আজিজের। তাঁর সঙ্গে রয়েছেন রাজপরিবারের সদস্য, আমির-ওমরাহ ও উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারা।
মাসব্যাপী এই অবকাশ যাপনে বাদশাহর প্রতিনিধিদলের হোটেল কক্ষ ও গাড়িভাড়া বাবদ প্রতিদিন খরচ হচ্ছে ৩ লাখ ১২ হাজার মার্কিন ডলার। মরক্কোর আল আখবার নামের একটি দৈনিক পত্রিকায় প্রকাশিত খবরে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
পত্রিকায় প্রকাশিত খবরে বলা হয়, তানজা শহরের আসকার সৈকতে নিজের মালিকানাধীন প্রাসাদে থাকছেন বাদশাহ সালমান। তাঁর সঙ্গে আসা সফরসঙ্গীদের জন্য বরাদ্দ করা হয়েছে তানজা শহরের পাঁচটি হোটেলের মোট ৮০০টি কক্ষ। প্রতি রাতের জন্য এসব কক্ষের গড় ভাড়া ৩০০ মার্কিন ডলার। ৮০০ কক্ষের জন্য প্রতি রাতে ব্যয় হচ্ছে ২ লাখ ৪০ হাজার মার্কিন ডলার।
এ ছাড়া বাদশাহর সফরসঙ্গীদের ঘোরাফেরার জন্য ভাড়ায় নেওয়া হয়েছে ১৭০টি দামি গাড়ি। প্রতিটি গাড়ি বাবদ প্রতিদিন গুনতে হচ্ছে ৪২৩ ডলার করে। ফলে প্রতিদিনের মোট গাড়িভাড়া ৭২ হাজার মার্কিন ডলার।
খবরের তথ্যমতে, কেবল গাড়ি ও হোটেলের কক্ষ বাবদ সৌদি বাদশাহর সফরসঙ্গীদের প্রতিদিন খরচ ৩ লাখ ১২ হাজার মার্কিন ডলার। ফলে এক মাসে এই দুটি খাতে তাঁদের মোট খরচ ৯৩ লাখ ৬০ হাজার মার্কিন ডলার। এর বাইরে নিরাপত্তা, খাবারদাবার, কেনাকাটা, সেবক-সেবিকাসহ অন্যান্য খরচ তো রয়েছেই।
গত ২৪ জুলাই সৌদি বাদশাহ তানজা শহরে পৌঁছান। কয়েক বছর ধরে তিনি বার্ষিক অবকাশ যাপনের জন্য এই শহরকে বেছে নিচ্ছেন। মরক্কোয় প্রাকৃতিক ঐশ্বর্য আর সাগরতীরের সৌন্দর্যে চমৎকার আবহাওয়ার শহর তানজা পর্যটকদের কাছে আকর্ষণীয় স্থান।
সাম্প্রতিক সময়ে সৌদি আরবের অর্থনীতি আগের যেকোনো সময়ের চেয়ে মন্দা। জাতীয় আয় বাড়ায় অভিবাসীদের স্ত্রী, পুত্র ও কন্যাদের ওপর আরোপ করা হয়েছে বার্ষিক ফি। অর্থনৈতিক এই মন্দা পরিস্থিতিতেও বাদশাহ সালমানের বিপুল ব্যয় নিয়ে সমালোচনা করছেন উপসাগরীয় অঞ্চলের নাগরিকেরা।বার্ষিক ছুটি কাটাতে বর্তমানে মরক্কোর তানজা শহরে দিন কাটছে সৌদি বাদশাহ সালমান বিন আবদুল আজিজের। তাঁর সঙ্গে রয়েছেন রাজপরিবারের সদস্য, আমির-ওমরাহ ও উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারা।
মাসব্যাপী এই অবকাশ যাপনে বাদশাহর প্রতিনিধিদলের হোটেল কক্ষ ও গাড়িভাড়া বাবদ প্রতিদিন খরচ হচ্ছে ৩ লাখ ১২ হাজার মার্কিন ডলার। মরক্কোর আল আখবার নামের একটি দৈনিক পত্রিকায় প্রকাশিত খবরে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
পত্রিকায় প্রকাশিত খবরে বলা হয়, তানজা শহরের আসকার সৈকতে নিজের মালিকানাধীন প্রাসাদে থাকছেন বাদশাহ সালমান। তাঁর সঙ্গে আসা সফরসঙ্গীদের জন্য বরাদ্দ করা হয়েছে তানজা শহরের পাঁচটি হোটেলের মোট ৮০০টি কক্ষ। প্রতি রাতের জন্য এসব কক্ষের গড় ভাড়া ৩০০ মার্কিন ডলার। ৮০০ কক্ষের জন্য প্রতি রাতে ব্যয় হচ্ছে ২ লাখ ৪০ হাজার মার্কিন ডলার।
এ ছাড়া বাদশাহর সফরসঙ্গীদের ঘোরাফেরার জন্য ভাড়ায় নেওয়া হয়েছে ১৭০টি দামি গাড়ি। প্রতিটি গাড়ি বাবদ প্রতিদিন গুনতে হচ্ছে ৪২৩ ডলার করে। ফলে প্রতিদিনের মোট গাড়িভাড়া ৭২ হাজার মার্কিন ডলার।
খবরের তথ্যমতে, কেবল গাড়ি ও হোটেলের কক্ষ বাবদ সৌদি বাদশাহর সফরসঙ্গীদের প্রতিদিন খরচ ৩ লাখ ১২ হাজার মার্কিন ডলার। ফলে এক মাসে এই দুটি খাতে তাঁদের মোট খরচ ৯৩ লাখ ৬০ হাজার মার্কিন ডলার। এর বাইরে নিরাপত্তা, খাবারদাবার, কেনাকাটা, সেবক-সেবিকাসহ অন্যান্য খরচ তো রয়েছেই।
গত ২৪ জুলাই সৌদি বাদশাহ তানজা শহরে পৌঁছান। কয়েক বছর ধরে তিনি বার্ষিক অবকাশ যাপনের জন্য এই শহরকে বেছে নিচ্ছেন। মরক্কোয় প্রাকৃতিক ঐশ্বর্য আর সাগরতীরের সৌন্দর্যে চমৎকার আবহাওয়ার শহর তানজা পর্যটকদের কাছে আকর্ষণীয় স্থান।
সাম্প্রতিক সময়ে সৌদি আরবের অর্থনীতি আগের যেকোনো সময়ের চেয়ে মন্দা। জাতীয় আয় বাড়ায় অভিবাসীদের স্ত্রী, পুত্র ও কন্যাদের ওপর আরোপ করা হয়েছে বার্ষিক ফি। অর্থনৈতিক এই মন্দা পরিস্থিতিতেও বাদশাহ সালমানের বিপুল ব্যয় নিয়ে সমালোচনা করছেন উপসাগরীয় অঞ্চলের নাগরিকেরা।


দু:সংবাদ :এবার যে পেশার প্রবাসীদেরকে তাড়ানোর পরিকল্পনা করছে সৌদি সরকার !


বেশ কিছু দিন থেকেই সৌদি সরকার সেদেশে কাজ করা প্রবাসীদের বাদ দিয়ে সৌদি নাগরিকদের চাকরির ব্যবস্থা করছে। এর আগে মোবাইল সহ আরো বেশ কিছু পেশায় এই সৌদিকরন প্রক্রিয়া কার্যকর করা হয়।
সম্প্রতি আরব নিউজ সূত্রে খবর পাওয়া গেছে,আগামী ২১ অক্টোবার হতে মহিলাদের পন্য সামগ্রি বিক্রয়কারী দোকানসমূহে অভিযান শুরু হবে।
কারন সৌদি সরকার মহিলাদের জন্য পারফিউম, জামা কাপড়, ব্যাগ, জুতা, মোজা এবং মেকআপ বিক্রয় পুরুষদের জন্য নিষিদ্ধ। মূল কারন হচ্ছে এসব দোকানগুলোতে সৌদি মহিলাদের চাকুরি নিশ্চিত করতে এই অভিযান পরিচালনা করা হবে।
সূত্র: আরব নিউজ

দিনাজপুরের সেই ভিক্ষুকের মেয়ে এখন জার্মানির এমপি!


পশ্চিমবঙ্গর রাজ্যের উত্তর দিরাজপুরের দিনাজপুর জেলার এক হত দরিদ্র ভিক্ষুকের মেয়ে নন্দিনী এখন জার্মানির প্রভাবশালী সংসদ সদস্য (এমপি)। আবারও প্রমাণিত হলো- দারিদ্রতা কখনও চলার পথের বাঁধা হতে পারে না।
হ্যাঁ, ভারতের পশ্চিম বঙ্গের উত্তর দিরাজপুরের এক বাঙালি মেয়ের সাফল্যগাঁথা এখানে তুলে ধরা হয়েছে। বাবা ভিক্ষুক হওয়া সত্ত্বেও নিজের ইস্পাত কঠিন ইচ্ছাশক্তির জোরে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেছেন। তিনি ভারতের উত্তর দিনাজপুরের রায়গঞ্জের মেয়ে হলেও তার পূর্বপূরুষ ছিলেন বাংলাদেশের দিনাজপুরের বাসিন্দা।
তিনি ভিক্ষুক বাবার পরিবারে দারিদ্র্যতাকে নিত্য সঙ্গী করে বেড়ে উঠেছেন রায়গঞ্জ আর দূর্গাপুরে। তার বাবা ফকির ছিলেন স্থানীয় একটি মন্দিরের দায়িত্বে। প্রতিদিন মন্দিরের আশেপাশের বাড়িগুলো থেকে চাউল তুলতেন মন্দিরের জন্য, সে চাউলের একটি অংশ মন্দিরে দিতেন আর একটি অংশ তিনি নিজে রাখতেন। মাঝেমধ্যে নন্দিনীও তার বাবার সাথে গ্রামে গ্রামে ঘুরতেন চাউল সংগ্রহ করার জন্য। তার বয়স যখন ৬ বছর তখন তিনি ভর্তি হন দুর্গাপুর স্কুলে।
ভালো ফলাফল করে নন্দিনী আসেন
রায়গঞ্জ কলেজে। তার বয়স যখন ১৮ বছর তখন হরিনাথ ফকির মারা যান। যদিও নন্দিনীর আর কোন ভাই বোন ছিলেন না তবুও তার মাকে নিয়ে খুব বেকায়দায় পড়েন তিনি। কিন্তু হাল ছাড়েননি। প্রতিকূলতার মাঝে নন্দিনী কোলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে বাংলা সাহিত্যে ভর্তি হন।
সেখানে পড়াকালীন তিনি একটি ছোট্ট পত্রিকায় খন্ডকালীন চাকরি পান মডারেটর হিসেবে। নন্দিনী বেশ সফলতার সঙ্গে তার পড়াশোনা চালিয়ে যেতে থাকেন। কিন্তু নিয়তির নির্মম পরিহাসে আবারো বাধ সাধে বিধাতা। নন্দিনীর একমাত্র ভরসা তার মা পৃথিবী থেকে স্বর্গে চলে যান। মা হারানোর শোকে তখন তিনি দিশেহারা হয়ে পড়েন।
এরপর কোলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে সবাইকে অবাক করে অভাবনীয় ফলাফল করেন নন্দিনী। ইতিহাস ঐতিহ্য এবং ভাষা ও সংস্কৃতিতে উচ্চতর গবেষণার জন্য কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বৃত্তি নিয়ে পাড়ি জমান সুদূর জার্মানিতে। সেখানে সারলান্ড বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হন।
একসময় বিশ্ববিদ্যালয়ে যখন বিদেশী শিক্ষার্থীরা তাদের ফান্ড বৃদ্ধির জন্য আন্দোলন করেন নন্দিনী সে আন্দোলনের অগ্রভাগে ছিলেন। সবার দৃষ্টি পড়ে নন্দিনীর উপর। এই বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াকালীন নন্দিনী জড়িয়ে পড়েন রাজনীতিতে।
সোস্যাল ডেমোক্রেটিক পার্টি অফ জার্মানি দলের সাথে নন্দিনীর সখ্যতা ক্রমেই বাড়তে থাকে। একসময় এ পার্টিতে নন্দিনীর অবস্থান হয় আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক হিসেবে (এশীয় অঞ্চল)।
একই সাথে ওই পার্টি থেকে প্রকাশিত পত্রিকার মূল সম্পাদনার দায়িত্বে নিয়োজিত আছেন অদ্যবধি। গতবছরের নভেম্বরে সারলান্ডের আনাট্রপলি অঞ্চলের উপনির্বাচনে নন্দিনী তার পার্টি থেকে নমিনেশন পান এবং সিডিএফের প্রার্থী জন্টসকে ৩০২ ভোটের ব্যাবধানে হারান।
প্রায় ১০ বছর হলো কোলকাতা থেকে নন্দিনী জার্মানিতে রয়েছেন। তবে এরমধ্যে দেশে এসেছেন মাত্র ২ বার। নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন জার্মানিতে অবস্থানরত প্রবাসী শিক্ষার্থীদের জন্য। নন্দিনী বিয়ে করেছেন সারলান্ড অঞ্চলের স্বনামধন্য ব্যাবসায়ী বেঞ্জামিনকে।
নন্দিনী-বেঞ্জামিন দম্পতির বর্তমানে ২ ছেলে রয়েছে। আসছে মার্চে কোলকাতা আসবেন দারিদ্র্যকে জয় করা এ কৃতী নারী। সময় পেলে পূর্ব পুরুষের ভিটা বাংলাদেশেও একবার ঢুঁ মারবেন। নিবেন বুক ভরে সজীব নিঃশ্বাস।