Subscribe:
Showing posts with label পাঁচমিশালী. Show all posts
Showing posts with label পাঁচমিশালী. Show all posts

আজীবন ফ্রি ইন্টারনেট সুবিধা নিয়ে বাজারে মোবাইল ‘WE’



আর চিন্তা নেই। মোবাইল কিনলেই পাচ্ছেন আজীবন ফ্রি ইন্টারনেট সুবিধা। সাথে রয়েছে ১০০ জিবি পর্যন্ত ডাটা স্টোরেজের সুযোগ।
রাজধানীর বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে (বিআইসিসি) তিনদিনব্যাপী স্মার্টফোন ও ট্যাব এক্সপোতে গিয়ে এ তথ্য জানা গেছে।
মোবাইল ফোন প্রতিষ্ঠানটি সম্পূর্ণ দেশীয়। এরা দেশের বাজারে আসার আগেই বিদেশে রফতানি শুরু করেছে। বর্তমানে চায়না থেকেই এরা তাদের মোবাইল এসেমব্লিঙ করছে। তবে, অদূর ভবিষ্যতে কালিয়াকৈর এবং যশোরের হাইটেক পার্কে উৎপাদনে যাবে।
WE বাজারে বিভিন্ন মডেলের ৩ হাজার টাকা থেকে ১২ হাজার টাকা মূল্যের ফোন এনেছে। আর প্রত্যেক মোবাইলের সাথেই রয়েছে ফ্রি ইন্টারনেট সুবিধা। এজন্য তারা দেশের বিভিন্ন প্রান্তে ৮শ’টি ওয়াইফাই জোন স্থাপন করেছে। আর এদের মোবাইলে দেওয়া হয়েছে একটি অ্যাপ। যেটাতে ক্লিক করলেই ইন্টারনেট সংযোগ হয়ে যাবে।
এক্সপোতে দু’টি মডেলের ওপর ব্যাপক ছাড় দিচ্ছে। এক্ষেত্রে X2 এবং B2 মডেলের ওপর একটি কিনলে একটি ফ্রি মোবাইল সেট দিচ্ছে। দাম জানতে হলে অবশ্যই আপনাকে যেতে হবে এক্সপোতে।
এদিকে, মোবাইল কেনার পর র‌্যাফেল ড্রয়ের মাধ্যমে ক্রেতার জন্য এরা ফ্রি মালয়েশিয়া ভ্রমণের সুযোগও দিচ্ছে।
প্রতিষ্ঠানটির জেনারেল ম্যানেজার (অপারেশনস) এএম এহসান-উল হক বাংলানিউজকে বলেন, মোবাইল কেনার পর অনেকেই ডাটা ম্যানেজমেন্ট নিয়ে সমস্যায় ভোগেন। বিশেষ করে ফোন হারিয়ে গেলে বা নষ্ট হয়ে গেলে সমস্যাটা বেশি হয়। এক্ষেত্রে আমরাই ক্লাউড সুবিধা দিচ্ছি।
এক্ষেত্রে গ্রাহক তার মোবাইলের মাধ্যমে যেকোনো ডাটা স্টোরেজ করতে পারেন। তার জন্য ১০০ জিবি (গিগাবাইট) পর্যন্ত ক্লাউড স্পেস রাখা আছে। এতে ফোন হারিয়ে গেলেও ক্লাউডে সংরক্ষিত ডাটা রক্ষিত থাকবে। যা নতুন ফোন নিয়ে আবার ব্যবহার করতে পারবেন।
জোন রয়েছে দেশের ৮শ’টি স্থানে। সব জেলা সদরসহ দেশের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোকে এক্ষেত্রে প্রাধান্য দেওয়া হচ্ছে। প্রতিদিন ওপেন করা হচ্ছে ১১টি ওয়াইফাই জোন। ফলে, শিক্ষার্থীরা কোনো সিম কার্ড ব্যবহার ছাড়াই এই ফোনে ইন্টারনেট ব্যবহার করতে পারবেন।
এক্সপো মেকার আয়োজিত স্মার্টফোন ও ট্যাব এক্সপো প্রতিদিন সকাল ১০টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত বিকিকিনি চলে। শনিবার (২৮ জানুয়ারি) রাতে মেলার পর্দা নামবে।

চেক লিখতে এ ভুল করলে ফাঁকা হয়ে যাবে অ্যাকাউন্ট!


টাকা পয়সার বড় বড় সব লেনদেন হয় চেকের মাধ্যমে। সরাসরি লেনদেনের ক্ষেত্রে এটাই নিরাপদ পন্থা হিসেবে ধরা হয়। কিন্তু প্রযুক্তি এমনভাবে উন্নতি হচ্ছে, তাতে চেকের মাধ্যমেও ফাঁকা হয়ে যেতে পারে আপনার অ্যাকাউন্ট।

টাকার লেনদেনের জন্য যে জিনিসটি সবথেকে বেশি বিশ্বাসযোগ্য এবং নিরাপদ বলে মনে করা হয়, সেটি হল চেক। যতই নিরাপদ হোক, চেক সই করে কাউকে দেওয়ার সময়ে কিছু সাবধানতা অবলম্বন করা উচিত। না হলে সেই চেক বাতিল পর্যন্ত হয়ে যেতে পারে।

• যাঁকে টাকা দেবেন তাঁর নাম চেক-এ লিখতে হয়। কিন্তু সেই নাম লেখার সময়েও খুব সাবধানতা বজায় রাখা উচিত। ধরুন অমিত রায় নামক কারোর নাম লিখলেন। নাম ও পদবীর মধ্যে বুঝে ফাঁকা জায়গা রাখুন। না হলে অমিত-কে অমিতা বানিয়ে ফেলতে খুব একটা সমস্যা হবে না। এই ধরনের জালিয়াতি থেকে বাঁচতে, যাঁকে টাকা দিচ্ছেন তাঁর নামের পাশে তাঁর অ্যাকাউন্ট নম্বরটিও যুক্ত করে দিন।

• পেয়ি-র বা যাঁকে টাকা দেবেন তাঁর নাম লেখা হলে, তাঁর নামের পাশে একটি লাইন টেনে দিন।

• ‘বেয়ারার চেক’ কাউকে দিলে অবশ্যই ‘বেয়ারার’ অপশনে টিক দিয়ে দিন। ধরুন আপনি কারোকে ‘বেয়ারার চেক’ দিচ্ছেন, যদি সেই চেক-এ যদি ‘বেয়ারার’ অপশনে টিক না দেন তা হলে ওই চেক থেকে যে কেউ টাকা তুলে নিতে পারবেন।

• চেক-এর অ্যামাউন্ট বসানোর পরে অবশ্যই ‘/-’ এই চিহ্ন দেবেন। তাতে কোনও ভাবেই অতিরিক্ত কোনও সংখ্যা বসিয়ে কেউ জালিয়াতি করতে পারবেন না। প্রতিটি সংখ্যার মধ্যে যেন কোনও ফাঁকা জায়গা না থাকে।

• ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট খোলার সময়ে যে স্বাক্ষর করছেন, সেই স্বাক্ষরটিই চেক দেওয়ার সময়ে করবেন। আপনি যদি কোনও কোম্পানির হয়ে টাকা দেন, তা হলে কোম্পানির সিলের ছাপ দিয়ে দিন।

• চেক-এ যদি ভুল কিছু লিখে থাকেন, তা হলে সেই ভুল লেখার উপরে বা নীচে স্বাক্ষর করে দিন।

• রিজার্ভ ব্যাঙ্ক অফ ইন্ডিয়ার নিয়ম অনুযায়ী, একটি চেক তিন মাসের জন্য বৈধ থাকে। তাই অবশ্যই চেক-এ তারিখ লিখুন। না হলে কেউ অনায়াসে তারিখ বসিয়ে সেই চেক ব্যবহার করতে পারবেন।

• অনেক সময়েই অনেক চেক বাতিল হয়ে যায়। সেই ক্ষেত্রে চেকটি ছিঁড়ে ফেলুন। আর না হলে চেকটিতে ‘ক্যানসেলড’ লিখে দিন।

মাত্র ১০ হাজার টাকায় হেলিকপ্টারে ভ্রমন করা যায়; জেনে নিন কোথায় পাবেন?


তরুণ ব্যবসায়ী আরিয়ান আহমেদ তার নববধূ তানিয়া আহমেদের ২৫তম জন্মদিনে চমকে দেওয়ার জন্য একটু ভিন্ন আয়োজন করলেন। জন্মদিনের সকালে স্ত্রীকে নিয়ে তিনি শাহজালাল বিমানবন্দরে চলে গেলেন। সেখানে তাদের জন্য অপেক্ষায় ছিল একটি হেলিকপ্টার; যার সামনে লেখা ‘হ্যাপি বার্থডে তানিয়া’। এর পরের ১০ মিনিট যেন ঘোরেই কেটে গেল তানিয়া-আরিয়ান দম্পতির। হেলিকপ্টার তাদের নামিয়ে দিল বঙ্গবন্ধু সাফারি পার্কে। আর ১০ মিনিটের এই হেলিকপ্টারের আনন্দ ভ্রমণের জন্য তাদের খরচ হলো মাত্র ১০ হাজার টাকা।
 একসময় শুধু উচ্চবিত্তরা দ্রুত গন্তব্যে যেতে হেলিকপ্টার ব্যবহার করতেন। কিন্তু এখন প্রয়োজন ছাড়াও আনন্দ ভ্রমণের জন্য অনেকে এ বাহনটি ব্যবহার করছেন। ফলে মধ্যবিত্তের হেলিকপ্টারে আকাশে বেড়ানোর স্বপ্ন এখন বাস্তব ঘটনা।
সাধারণত ঘণ্টাব্যাপী রিজার্ভ হেলিকপ্টারের ভাড়া ১ লাখের কম নয়। কিন্তু প্রিয়জনকে নিয়ে কেউ চাইলে ঢাকার কাছাকাছি থেকে আধ ঘণ্টার মধ্যে কোথাও ঘুরে আসতে মাত্র ১০ হাজার টাকায়ই এ স্বপ্ন পূরণ করতে পারবেন।
হেলিকপ্টার ব্যবসার সঙ্গে জড়িতরা জানান, যানজটের ঝামেলা এড়াতে এবং দ্রুত ঢাকার বাইরে মিটিংয়ে যেতে অনেক ব্যবসায়ী এখন হেলিকপ্টার ব্যবহার করেন। এ ছাড়া রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব কিংবা সেলিব্রেটিরাও ঢাকার বাইরে যেতে বেছে নেন হেলিকপ্টার। শুটিংয়ের কাজে তারকারা প্রায়ই হেলিকপ্টারে কক্সবাজার, গাজীপুর যাতায়াত করছেন। এ ছাড়া গার্মেন্ট ব্যবসায়ীরা ঢাকার বাইরে গাজীপুর ও চট্টগ্রামে বিদেশি ক্রেতাদের নিয়ে কারখানা ভ্রমণের জন্য হেলিকপ্টারের ওপর নির্ভর করেন।
বেসরকারি প্রতিষ্ঠান ফ্লাই হেলিকপ্টার বিডির সিইও এম আর হক বলেন, শাহজালাল বিমানবন্দর থেকে যাত্রীরা আধ ঘণ্টার জন্য নির্দিষ্ট কিছু গন্তব্যে মাত্র ১০ হাজার টাকায় হেলিকপ্টারে ঘুরে বেড়াতে পারবেন।
তিনি জানান, সপ্তাহে কখনো পরপর দু-তিন বার তারা ফ্লাই করেন। আবার অনেকে রিজার্ভে ঘোরেন। তিনি বলেন, মূলত তাদের মূল টার্গেট মধ্যবিত্ত শ্রেণির যাত্রী।
হেলিকপ্টার ব্যবসার সঙ্গে জড়িতরা আরও জানান, সাধারণত বিয়ে বাড়ির বরযাত্রী, ভিআইপি যাত্রী বহনে হেলিকপ্টারের রিজার্ভ বেশি হয়। এ ছাড়া দেশের বিভিন্ন স্থানে ঘুরে বেড়ানো, লিফলেট বিতরণ, রোগী বহন, শুটিং, বাণিজ্যিক কাজে ঢাকার বাইরে গমন, লাশ বহনসহ বিভিন্ন কাজে এখন হেলিকপ্টারের ব্যবহার হচ্ছে। তবে হেলিকপ্টারের ব্যবসা বৃদ্ধি পেলেও এর রক্ষণাবেক্ষণ বেশ ব্যয়বহুল।
তারা জানান, শাহজালাল বিমানবন্দর থেকে তাদের হেলিকপ্টার ওড়াতে হয়। শুধু এই বিমানবন্দর থেকে ওড়ানোর অনুমতি থাকায় তারা প্রায়ই ঝামেলায় পড়েন। এয়ারফোর্সের প্রশিক্ষণ থাকাকালে তারা হেলিকপ্টার ওড়াতে পারেন না। এ ছাড়া ভিআইপি এলে তাদের অপেক্ষা করতে হয়। এজন্য হেলিকপ্টারের জন্য আলাদা একটি হেলিপ্যাড দাবি করেন তারা।
তারা জানান, সাধারণত প্রতিরক্ষাবাহিনীর অবসরপ্রাপ্ত কর্মকর্তারা হেলিকপ্টারের পাইলট হিসেবে কাজ করেন। আর জ্বালানি তেল, রক্ষণাবেক্ষণ, পাইলটসহ একটি হেলিকপ্টারের পেছনে মাসে ২০ থেকে ২২ লাখ টাকা খরচ হয়।
বেসরকারি বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ (বেবিচক) সূত্রে জানা যায়, দেশে হেলিকপ্টার ব্যবসার সঙ্গে বর্তমানে জড়িত ৯টি কোম্পানি। তাদের ১৮টি হেলিকপ্টার যাত্রী বহন করছে।
এর মধ্যে আছে বাংলা ইন্টারন্যাশনাল এয়ারলাইনস লিমিটেড। তাদের বেল-৪০৭ মডেলের হেলিকপ্টারে প্রতি ঘণ্টার ভ্রমণমূল্য ১ লাখ টাকা আর রবিনসন আর-৪৪ মডেলের হেলিকপ্টারে প্রতি ঘণ্টার মূল্য ৬০ হাজার টাকা। স্কয়ার এয়ার লিমিটেডের বেল-৪০৭ হেলিকপ্টারে প্রতি ঘণ্টার ভ্রমণমূল্য ১ লাখ ১৫ হাজার টাকা আর রবিনসন আর-৬৬-এর প্রতি ঘণ্টার ভ্রমণমূল্য ৭৫ হাজার টাকা। এর সঙ্গে ১৫ শতাংশ ভ্যাট যোগ করতে হবে।
সিকদার গ্রুপের বেল-৪০৭-এর ঘণ্টাপ্রতি ভ্রমণমূল্য ১ লাখ ১৫ হাজার টাকা, রবিনসন আর-৪-এর ৭২ হাজার টাকা। এ ছাড়া হেলিকপ্টার ব্যবসার সঙ্গে আরও জড়িত আছে সাউথ এশিয়ান এয়ারলাইনস, ইমপ্রেস এভিয়েশন লিমিটেড, পারটেক্স এভিয়েশন, বিআরবি এয়ার লিমিটেড। প্রতিটি কোম্পানির নির্দিষ্ট ভ্রমণমূল্যের সঙ্গে ১৫ শতাংশ ভ্যাট যুক্ত করতে হবে। ক্ষেত্রবিশেষ এ যানগুলোয় ৩ থেকে ৬টি করে সিট থাকে।
বেবিচকের একজন কর্মকর্তা বলেন, ব্যবসা শুরুর আগে সিভিল এভিয়েশন কর্তৃপক্ষ থেকে অনুমতি নিতে হবে। বেসরকারিভাবে হেলিকপ্টার পরিচালনার জন্য বেবিচকের কিছু নীতিমালা আছে। আন্তর্জাতিক সিভিল এভিয়েশন সংস্থার আন্তর্জাতিক আইন অনুযায়ী সেগুলো তদারকি করে বেবিচক। হেলিকপ্টার কোম্পানিগুলোকে এগুলো মেনে চলতে হয়। অন্যথায় লাইসেন্স বাতিল ও স্থগিত করার ব্যবস্থা আছে।
নিয়ম অনুযায়ী হেলিকপ্টার আকাশে ওড়ার কমপক্ষে ৬ ঘণ্টা আগে বেবিচকের অনুমতি নিতে হয়।
তবে সংশ্লিষ্টরা বলেন, এই ব্যবসার মধ্যে নজরদারি আরও বৃদ্ধি করা উচিত। কারণ এগুলোর পর্যবেক্ষণে ফ্লাইট অপারেশন ইন্সপেক্টর আছেন মাত্র একজন। বিশেষ করে ১৬ অক্টোবর কক্সবাজারের উখিয়ায় মেঘনা এভিয়েশনের আর সিক্স সিক্স হেলিকপ্টারটি বিধ্বস্ত হওয়ার পর জানা যায় যে, হেলিকপ্টারটির সেই রুটে যাওয়ার অনুমতি ছিল না। এ ছাড়া নজরদারির অভাবে বেশকিছু হেলিকপ্টার রাতে চালানোর অনুমতি না থাকা সত্ত্বেও আইন ভঙ্গ করছে। এতে এই ব্যবসায় নজরদারির বিষয়টি গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। দেশে ১৯৯৯ সালে বেসরকারি উদ্যোগে প্রথম বাণিজ্যিক হেলিকপ্টার সেবা চালু করে সাউথ এশিয়ান এয়ারলাইনস।
২০০৮ সাল পর্যন্ত মাত্র ২টি বেসরকারি প্রতিষ্ঠান এ সেবা প্রদান করত। বর্তমানে লাইসেন্স পাওয়ার অপেক্ষায় আছে আরও বেশ কয়েকটি কোম্পানি।
সূত্র: বাংলাদেশ প্রতিদিন

কোন বয়সে আপনার জীবনে সাফল্য আসবে জন্ম তারিখই বলে দিবে,জানুন বিস্তারিত।


তারিখে জন্মগ্রহনকারী ব্যক্তিদের জন্য ভাগ্যবান জন্মের বছর ২২৷ যখন আপনার বয়স ২২ বছর হবে তখন আপনি আর্থিক ও ব্যক্তিগত দিক থেকে সাফল্য অর্জন করবেন
আপনার ভাগ্য কেমন হতে পারে তা আপনি জানেন না৷ ধরুণ আপনি আর আপনার সহকর্মী একই কাজ করছেন কর্মক্ষেত্রে, তবে সাফল্য যেন আপনার সহকর্মীকে ধাপে ধাপে উন্নতির শিখরে পৌঁছে দিচ্ছে খুবই সহজেই৷ আর এর ফলে আসতেই পারে আপনার জীবনে হতাশা৷
তবে হতাশ হওয়ার কোনও কারণ নেই, জ্যোতিষ বিজ্ঞানের মতে আপনার জন্ম তারিখই বলে দিবে আপনার সাফল্যের রহস্য৷ তাহলে আর দেরি কেন, চলুন দেখে নেওয়া যাক কোন তারিখে জন্মালে আপনার জীবনে কিভাবে আসবে সাফল্য৷
সংখ্যা ১:
১ তারিখে জন্মগ্রহনকারী ব্যক্তিদের জন্য ভাগ্যবান জন্মের বছর ২২৷ যখন আপনার বয়স ২২ বছর হবে তখন আপনি আর্থিক ও ব্যক্তিগত দিক থেকে সাফল্য অর্জন করবেন৷ জ্যোতিষ বিজ্ঞানের মতে এই বয়সের থেকেই আপনি অনেক টাকা অর্জন করতে পারবেন৷
সংখ্যা ২:
যাদের ২,১১ , ২০ এবং ২৯ তারিখে জন্ম তাদের সংখ্যা ২৷ এই তারিখে জন্ম হলে তাদের ভাগ্যবান বছর ২৪ বছর৷ এই সময় থেকেই আপনি আপনার শ্রমের ফল উপভোগ করবেন৷ ফলে হতাশ হওয়ার কোনও কারণ নেই , কর্মের মাধ্যমেই ফল লাভ হবে এই তারিখে জন্মগ্রহন করা ব্যক্তিদের৷
সংখ্যা ৩:
৩ বছর বয়সী ছেলেমেয়েদের জন্য তাদের ভাগ্যবান বছর ৩২৷ এই সময় থেকেই আপনি আপনার জীবনে সাফল্য লাভ করতে পারবেন খুব সহদেই৷
সংখ্যা ৪:
যে সকল ব্যক্তিরা ৪ সংখ্যার অন্তর্গত তাদের জন্য ভাগ্যবান জন্মের বছর ৩৬ থেকে ৪২ বছর৷ এই বছরের মধ্যেই তারা সাফল্য অর্জন করবে৷ প্রচার মূলক ভাবে এবং আর্থিক দিক থেকে সাফল্য আসবে আপনার জীবনে৷
সংখ্যা ৫:
৫ তারিখে জন্ম গ্রহন করলে ৩২ বছর বয়স আপনার জন্য খুবই লাকি৷ তবে জাদের জন্ম ১৪ ও ২৩ তারিখে তাদের জন্ম সংখ্যাও ৫৷ তাই তারাও একই ভাবে ঐ বছরেই ভাগ্যের সাফলতা লাভ করে থাকবে৷
সংখ্যা ৬:
সংখ্যা ৬ ব্যক্তিদের জন্য, বছরের ২৫ তম ভাগ্যবান বছর৷ এই বছরের মধ্যে,তারা তাদের স্বপ্নের কাজ অর্জন করে সকলের কাছে প্রশংসনীয় হয়ে থাকতে পারে৷
সংখ্যা ৭:
যাদের জন্মের সংখ্যা ৭, সে সকল ব্যক্তিদের কঠর পরিশ্রমের দ্বারাই ৩৮ থেকে ৪৪ বছর বয়সে ভাগ্যউন্নতি লাভ হয়ে থাকে৷
সংখ্যা ৮:
সংখ্যা ৮ একটি জটিল সংখ্যা৷ এই সংখ্যায় জন্মগ্রহন করলে সেই ব্যক্তিদের জীবনে অনেক চড়াই উৎড়াই এর মধ্য দিয়ে যায়৷ ৩৬ থেকে ৪২ বছর বয়সে এদের উন্নতি আসে জীবনে৷ এই বছরের মধ্যেই তারা ভাগ্যবান এবং আর্থিক লাভ করে থাকে৷
সংখ্যা ৯:
৯ সংখ্যার ব্যক্তিদের ভাগ্যবান বছর ২৪৷ এই বছরে তারা খ্যাতি এবং অর্থ উপার্জন করতে পারে৷

ফলকে ফরমালিনমুক্ত করার সঠিক উপায়… জেনে রাখুন কাজে লাগবে!


দোকানে সাজানো তরতাজা বাহারি সব ফলের দিকে তাকালেই মনে হয় হাতছানি দিয়ে ডাকছে। কিন্তু মনের ভেতর থাকা ফরমালিন আতঙ্ক মুখ ফিরিয়ে নিতে বাধ্য করে। কেউ কেউ সে ভয়কে উপেক্ষা করেন বটে, তবে নানা রোগে আক্রান্ত হওয়াকে নিশ্চিত করেন। সাদা পাউডারের মতো দেখতে ফর্মালডিহাইড পানিতে সহজেই দ্রবণীয়। শতকরা ৩০ থেকে ৪০ ভাগ ফর্মালিনের জলীয় দ্রবণকে ফর্মালিন হিসাবে ধরা হয়।
ফর্মালিন সাধারনত টেক্সটাইল, প্লাষ্টিক, পেপার, রঙ, কনস্ট্রাকশন ও মৃতদেহ সংরক্ষণের কাজে ব্যবহৃত হয়। ফরমালিনে ফরমালডিহাইড ছাড়াও মিথানল থাকে। মানবদেহের জন্য এই মিথানল খুব ক্ষতিকর। লিভার বা যকৃতে মিথানল এনজাইমের উপস্থিতিতে প্রথমে ফরমালডিহাইড এবং পরে ফরমিক অ্যাসিডে রূপান্তরিত হয়। ফলে দুটি উপাদানই শরীরের জন্য মারাত্মক ক্ষতিকর। অথচ ক্ষতিকারক এই উপাদান বর্তমানে দেদারসে ব্যবহার হচ্ছে মৌসুমী ফল সংরক্ষণে।
ফরমালডিহাইড চোখের রেটিনাকে আক্রান্ত করে কোষ ধ্বংস করে। দীর্ঘদিন ধরে ফরমালিনযুক্ত খাবার খাওয়ার অভ্যাস মানুষকে অন্ধ করে দিতে পারে। তাৎক্ষণিকভাবে ফরমালিন পেটের পীড়া, হাঁচি, কাশি, শ্বাসকষ্ট, বদহজম, ডায়রিয়া, আলসার, চর্মরোগসহ নানা রোগে ভোগাতে পারে। শরীরে উপস্থিত এসব রাসায়নিক পদার্থ ধীরে ধীরে লিভার, কিডনি, হার্ট, ব্রেনকে ধ্বংস করে দেয়। লিভার ও কিডনি অকেজো হয়ে যায়। হার্টকে দুর্বল করে দেয়। স্মৃতিশক্তিও লোপ পায়। গর্ভবতী মা আর শিশুদের জন্য ফরমালিনযুক্ত খাবার বেশি ক্ষতিকারক। ফরমালিনযুক্ত খাদ্য গ্রহণ করার ফলে পাকস্থলী, ফুসফুস ও শ্বাসনালিতে ক্যানসার হতে পারে। অস্থিমজ্জা আক্রান্ত হওয়ার ফলে রক্তশূন্যতাসহ ব্লাড ক্যানসারও হতে পারে। অর্থাৎ মৃত্যু অনিবার্য।
আসছে ফলের মাস জৈষ্ঠ্য। দেশীয় নানা ফলের রসে মন ডুবাতে উন্মুখ হয়ে থাকে মন। সুস্বাদু সেসব ফলের সঙ্গে আসে ফরমালিনের ত্রাশ। তাই বলে কি লোভনীয় এসব ফল খাওয়া থেকে বিরত থাকবেন? মোটেও না। কিছু সচেতনতা থাকলে এসব ফল খাওয়া যাবে নির্ভয়ে। আর তাই-
– বাজার থেকে আম বা লিচু যে ফলই আনুন না কেন, খাওয়ার আগে ধৈর্য্য ধরুন এক ঘণ্টা বা তার চেয়ে একটু বেশি সময়। এই সময় জুড়ে ফলগুলো পানিতে ডুবিয়ে রাখতে হবে। এতে করে ফরমালিনের মাত্রা কমবে ৬১শতাংশ। মনে রাখতে হবে লিচুর রঙ টকটকে লাল বা মেজেন্টা করতে গাছেই রাসায়নিক স্প্রে করা হয়। তাই গাঢ় রঙের এসব মনোমুগ্ধকর লিচু না কেনায় ভালো।
– লবণাক্ত পানিতে ১ ঘণ্টা ভিজিয়ে রাখলে ফরমালিনের মাত্রা প্রায় ৯০শতাংশ কমে যায়।
– এক লিটার পানিতে ১০০ গ্রাম ভিনেগার মিশিয়ে যেকোনো ফল আধা ঘণ্টা ভিজিয়ে রাখলে প্রায় ১০০ ভাগ ফরমালিন দূর হয়।
– খাওয়ার আগে ১০ মিনিট হালকা গরম লবণ মিশ্রিত পানিতে ফল ও সবজি ভিজিয়ে রাখলে প্রায় ১০০ ভাগ ফরমালিন দূর হয়।

দাঁত দিয়ে নখ কাটেন! তা হলে এই বিরল গুণ রয়েছে আপনার মধ্যে


যাঁরা এই কাণ্ডটির মধ্যে থাকেন, তাঁদের খেয়ালই থাকে না বিষয়টা। তাঁরা আত্মমগ্ন হয়ে কেটেই চলেন নখ। কেবল এই কুট-কুট চালাতে চালাতে যখন নখের চামড়া উঠে যায়, তখন মালুম পান, ব্যাড হ্যাবিটের ঠেলা।
বদ অভ্যাসের তালিকার গোড়ার দিকেই রয়েছে দাঁত দিয় নখ কাটা। ইস্কুলে মাস্টারমশাই-দিদিমণিরা বকে বকে হেদিয়ে গিয়েছিলেন, মনে পড়ে?
বাড়িতে মা প্রয়াশই চড়টা-চাপড়টা লাগাতেন। কিন্তু এসবে কোনও কাজ হয়নি। আজও সময় পেলেই হাত নিজে নিজেই চলে যায় দাঁতে। আর তার পরে কুট-কুট-কুট।
এই স্বভাবের জন্য কারোর কারোর প্রেমিকা পালিয়েছে, কেউ বয়ফ্রেন্ড পর্যন্ত গড়াতেই পারেনি। আপিস-কাছারিতে ‘নখ খাওয়া’ পাবলিকরা মার্কড হয়ে থাকেন। কিন্তু যাঁরা এই কাণ্ডটির মধ্যে থাকেন, তাঁদের খেয়ালই
থাকে না বিষয়টা। তাঁরা আত্মমগ্ন হয়ে কেটেই চলেন নখ। কেবল এই কুট-কুট চালাতে চালাতে যখন নখের চামড়া উঠে যায়, তখন মালুম পান, ব্যাড হ্যাবিটের ঠেলা।
এত খারাপ দিক থাকা সত্ত্বেও, দাঁত দিয়ে নখ কাটার এক অতি সুলক্ষণকে ব্যক্ত করলেন মন্ট্রিল বিশ্ববিদ্যালয়ের এক দল মনোবিজ্ঞানী।
‘জার্নাল অফ বিহেভিয়র থেরাপি অ্যান্ড এক্সপেরিমেন্টাল সাইকিয়াট্রি’-তে প্রকাশিত একটি নিবন্ধে তাঁরা দেখিয়েছেন, এই বিশেষ স্বভাবটি যাঁরা বয়ে চলেছেন, তাঁরা এক বিরল গুণের অধিকারী।
এতদিন পর্যন্ত মনোবিজ্ঞান এটাই জানিয়েছে যে, মূলত উদ্বেগজনিত কারণেই মানুষ দাঁত দিয়ে নখ কাটে।
কিন্তু মনোবিজ্ঞানী কিয়েরোন ও’কনর উপরোক্ত নিবন্ধে জানিয়েছেন, দাঁত দিয়ে নখ কাটার পিছনে রয়েছে আরও গভীর এক কারণ।
তাঁর মতে, যেসব মানুষ অতিরিক্ত মাত্রায় খুঁতখুঁতে, তাঁরাই বেশি মাত্রায় এই কাণ্ডটি করে থাকেন।
আর একটু তলিয়ে ভাবলে এক প্রকার অতৃপ্তিই দাঁত দিয়ে নখ কাটার পিছনে কাজ করে। আসলে এটা পার্ফেকশনিস্ট মানুষের লক্ষণ।
সৃজনশীল মানুষের মধ্যে দাঁত দিয়ে নখ কাটা, চুলে বার বার আঙুল চালানো, ভুরু অথবা চোখের পাতা ছেঁড়া ইত্যাদি মুদ্রাদোষ প্রায়শই দেখা যায়। সত্যজিৎ রায় দাঁত দিয়ে রুমাল কাটতেন।
দিনে একটা নতুন রুমাল লাগত তাঁর। একথা স্বয়ং বিজয়া রায় তাঁর স্মৃতিকাথায় জানিয়েছিলেন।
পারফেকশনের জন্য খুঁতখুঁতেপনাই এক উদ্বেগের সৃষ্টি করে এবং তারই বহিঃপ্রকাশ দেখা যায় এই ধরনের মুদ্রাদোষের মধ্য দিয়ে, এমন কথাই জানিয়েছেন ও’কনর ও তাঁর সহগামী মনোবিজ্ঞানীরা।-এবেলা

যে গ্রামের মানুষকে বিয়ে করতে চায় না কেউ! কারণ জানলে অবাক হবেন!!


আজব এক গ্রাম। গ্রামজুড়ে অনেক শিক্ষিত বিবাহযোগ্য নারী-পুরুষ। তবে বেশির ভাগেরই বিয়ের পিঁড়িতে বসার সৌভাগ্য হয়নি। বয়স বাড়লেও পাত্র কিংবা পাত্রী জোটে না অনেকের ভাগ্যে। কারণ একটাই, এখানকার বাসিন্দাদের সঙ্গে বিয়ে দিতে চান না বাইরের গ্রামের কেউই।
চরমেঘনা নামের গ্রামটির অবস্থান ভারতের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যে। নদিয়া জেলার করিমপুরের এক নম্বর ব্লকের হোগলবেড়িয়া পঞ্চায়েতের গ্রামটির তিনপাশ জুড়ে বাংলাদেশ। চরমেঘনার পূর্ব, পশ্চিম ও দক্ষিণে যথাক্রমে বাংলাদেশের তিন গ্রাম মায়ারামপুর, জামালপুর ও বিল গেরুয়া। গ্রামটির একদিকে শুধু ভারত। ফলে নিরাপত্তার স্বার্থেই চরমেঘনা গ্রামে বিনা প্রমাণপত্রে কাউকে ঢুকতে বা বের হতে দেয় না ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিএসএফ।
চরমেঘনা গ্রামে যাওয়া-আসার জন্য নির্দিষ্ট সময় বেঁধে দেওয়া আছে। বাইরের লোকদের বিএসএফের কাছে রীতিমতো কৈফিয়ত দিয়েই চরমেঘনা গ্রামে ঢোকার অনুমতি মেলে। প্রতিদিন সকাল ৬টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত চরমেঘনা গ্রামে ঢুকতে বা বের হতে গেলে বিএসএফের কাছে ভোটার কার্ড জমা রাখতে হয়।
নিরাপত্তার কড়াকড়ির কারণেই চরমেঘনা গ্রামে সচরাচর বাইরের কেউ ঢুকতে চান না। গ্রামের বাসিন্দাদের রোগ-সংক্রান্ত কিছু শিথিলতা থাকলেও বিয়ে-থার ব্যাপারে কোনো ছাড় নেই। কোথায়, কী কারণে, কে, কেন গ্রামে ঢুকতে চান তার বিস্তারিত তথ্য বিএসএফের কাছে লিপিবদ্ধ করে তবেই ছাড়পত্র মেলে। যে কারণে বাইরের কাউকে এ গ্রামে মেয়ে দেখা বা ছেলে দেখার জন্য ঢুকতে বা বের হতে গেলে গুচ্ছের হ্যাপা পোহাতেই হয়। আর এ কারণেই ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তের এই চরমেঘনা গ্রামে বাইরের কেউই তাঁদের ছেলেমেয়ের বিয়ে দিতে চান না।
চরমেঘনা গ্রামে মোট জনসংখ্যা প্রায় ৮৫০, এর মধ্যে ভোটার ৫৪৫ জন। বাসিন্দাদের মধ্যে একটি বড় অংশই শিক্ষিত এবং বিবাহযোগ্য যুবক-যুবতী। কিন্তু নিরাপত্তার কড়াকড়ির কারণে অনেকে আজও অবিবাহিত হয়ে রয়ে গেছেন ।

‘স্পর্শ করলেই বিষ খাব’ বাসর রাতে বরকে হুমকি বউয়ের! কেন এমন হুমকি দিলো বউ? জানলে চমকে যাবেন!


সাধারণত ফুলশয্যার রাত যে কোনও দম্পতির জীবনে সবচেয়ে স্মরণীয় মুহূর্তগুলির একটি হয়ে থাকে। তেমনটাই ভেবেছিলেন উত্তরপ্রদেশের গাজিয়াবাদের বাসিন্দা মুকেশ যাদবও। নিজের ফুলশয্যার রাতটি তাঁর কাছেও হয়তো চিরস্মরণীয় হয়েই থাকবে, কিন্তু সম্পূর্ণ অন্য কারণে।
দিন কয়েক আগে ২৪ বছর বয়সি মুকেশের বিয়ে হয় গ্রামেরই মেয়ে সোনাক্ষীর সঙ্গে। দুই পরিবারের বড়রা দেখাশুনো করেই বিয়ে দিয়েছিলেন দু’জনের। সোনাক্ষীকে দেখেশুনে পছন্দ হয়েছিল মুকেশেরও। আপাতদৃষ্টিতে শান্তশিষ্ট সোনাক্ষীকে বিয়ের আগে থেকেই ভালবেসে ফেলেছিলেন মুকেশ। কিন্তু নিজের পছন্দের মানুষটি সম্পর্কে তাঁর সমস্ত ধারণা বদলে যায় বিয়ের পরে ফুলশয্যার রাতে।
স্ত্রীর সঙ্গে কিছু প্রেমনিবিড় মুহূর্ত কাটাবেন, এমনটা আশা করেই মুকেশ সেদিন শয্যাকক্ষে ঢুকেছিলেন। কিন্তু সদ্যবিবাহিত স্ত্রীয়ের পাশে খাটে গিয়ে বসতেই স্ত্রী যেন আক্ষরিক অর্থেই ‘ফোঁস’ করে ওঠেন। হুমকির সুরেই নিজের স্বামীকে সোনাক্ষী বলেন, ‘তুমি আমার গায়ে হাত দেওয়ার ভেবোও না।’ বিহ্বল মুকেশ কিছু বলার চেষ্টা করতেই সোনাক্ষী বলেন, ‘তুমি আমাকে স্পর্শ করার চেষ্টা করলেও আমি বিষ খেয়ে মরব।’
মুকেশের বিড়ম্বনার এখানেই শেষ নয়। ফুলশয্যার রাতটি কোনোক্রমে সোনাক্ষীর সঙ্গে একঘরে কাটানোর পরদিন সকাল থেকেই নাকি সোনাক্ষীর মোবাইলে কোনও এক অজানা নম্বর থেকে এক যুবকের ফোন আসা শুরু হয়। মুকেশ এই নিয়ে প্রশ্ন করলে চেঁচামেচি করতেন সোনাক্ষী। পরিবারে অশান্তি দিনে দিনে বাড়ছিল। শেষমেশ নিজের জিনিসপত্র গুছিয়ে নিয়ে বাপের বাড়ি চলে যান সোনাক্ষী।
মুকেশের পরিবারের লোকজন এতটাই ক্ষুব্ধ যে, তাঁরা সোনাক্ষীর নামে গাজিয়াবাদ থানায় অভিযোগ দায়ের করেছেন। সংবাদমাধ্যমের তরফে মুকেশের বাবার সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, নববধূর আচরণে তাঁরা সকলেই বিস্মিত ও আহত হয়েছেন। তাঁদের অনুমান, অন্য কোনও পুরুষের সঙ্গে বিয়ের আগে থেকেই সম্পর্ক ছিল সোনাক্ষীর। সেই কারণেই পরিকল্পিতভাবে তিনি মুকেশের সংসার ছেড়ে চলে গিয়েছেন। পুলিশ জানিয়েছে, তারা বিষয়টি খতিয়ে দেখছে, এবং দুই পরিবারের মধ্যে যাতে মিটমাট হয়ে যায়, সে ব্যাপারে চেষ্টা করছে।

বাংলাদেশি কোন টাকা তৈরি করতে কত খরচ জেনে নিন


অর্থনীতির প্রধান বাহন টাকা। এই টাকা তৈরি করতেও প্রয়োজন টাকা। মানুষের হাতে হাতে ঘোরে কাগজের তৈরি এ পণ্যটি। ব্যবহারকারীদের ইচ্ছা বা অনিচ্ছায় টাকা ছেঁড়ে, পোড়ে কিংবা রং পরিবর্তন করে। ফলে একসময় তা ব্যবহারের অযোগ্য হয়ে পড়ে। তখন বাংলাদেশ ব্যাংক সেসব টাকা পুড়িয়ে ফেলে। এরপর নতুন করে সে টাকা ছাপতে সরকারকে খরচ করতে হয় মোটা অঙ্কের টাকা।
বাংলাদেশ ব্যাংকের হিসাবে ১ টাকার একটি কয়েন তৈরি করতে ৯৫ পয়সা খরচ হয়। ২ টাকা কয়েনে ১ টাকা ২০ পয়সা খরচ হয়। আর ৫ টাকার একটি কয়েন তৈরিতে খরচ পড়ে ১ টাকা ৯৫ পয়সা। কয়েনের মান বেশি হলে সে তুলনায় খরচ অনেক কম পড়ে। বাজারে প্রচলিত সবচেয়ে বড় নোট ১ হাজার টাকা। এই মূল্যমানের একটি নোট ছাপাতে প্রায় ৭ টাকা খরচ হয়। ৫০০ টাকার নোট ছাপাতে খরচ পড়ে ৬ টাকার মতো। ১০০ টাকার নোট ছাপাতে খরচ পড়ে সাড়ে ৪ টাকা।
এছাড়া ৫০ টাকা ও ২০ টাকার একটি নোট ছাপাতে আড়াই টাকা, ১০ টাকার নোট ছাপাতে ২ টাকা ২০ পয়সা এবং ৫ টাকার নোট ছাপাতে খরচ হয় ২ টাকার মতো। আর আনুষ্ঠানিক ঘোষণা ছাড়াই সবচেয়ে ছোট কাগুজে নোটে পরিণত হওয়া ২ টাকার নোট ছাপানোতে খরচ পড়ে দেড় টাকা।
কাগুজে নোটগুলো বাংলাদেশ ব্যাংকের সহযোগী প্রতিষ্ঠান টাঁকশাল বা দ্য সিকিউরিটি প্রিন্টিং করপোরেশন (বাংলাদেশ) লিমিটেড থেকে ছাপানো হয়। এই টাঁকশাল গাজীপুরে অবস্থিত। তবে নোট ছাপানোর যাবতীয় উপকরণ কাগজ, কালি, রঙ, নিরাপত্তা সুতা ইত্যাদি বিদেশ থেকে আমদানি করা হয়।
বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র নির্বাহী পরিচালক শুভঙ্কর সাহা জানান, ব্যবহারকারীদের ইচ্ছা বা অনিচ্ছায় টাকা ছেঁড়ে, পোড়ে কিংবা রঙ পরিবর্তন করে। ফলে এক সময় তা ব্যবহারের অযোগ্য হয়ে পড়ে। তখন বাংলাদেশ ব্যাংক সেসব টাকা পুড়িয়ে ফেলে। এরপর নতুন করে সে টাকা ছাপতে সরকারকে খরচ করতে হয় মোটা অঙ্কের টাকা।
বিশ্বের অন্যান্য দেশের মূল্যবান মুদ্রার বান্ডিলে পিন কিংবা সুতা লাগানো হয় না। কিন্তু বাংলাদেশে প্রতিনিয়ত এই পদ্ধতি অবলম্বন করায় রাষ্ট্রের অনেক টাকা গচ্চা যাচ্ছে বলে মনে করেন সংশ্লিষ্টরা।
দি সিকিউরিটি প্রিন্টিং করপোরেশনের ব্যবস্থাপনা পরিচালক জিয়াউদ্দীন আহমেদ বলেন, ‘প্রতিবছরই টাকা তৈরিতে খরচ বাড়ছে। এর অধিকাংশ কাঁচামালই আমদানি করতে হয়। কাঁচামালের দাম বাড়ায় উৎপাদন খরচ বেড়ে যায়। একই সঙ্গে অন্যান্য খরচও বাড়ছে।’
তিনি আরো বলেন, ‘মানুষের অসচেতনতার কারণে অপচয় হচ্ছে দেশের কোটি কোটি টাকা । বহনকারীরা একটু সচেতন হলেও আমাদের অনেক টাকা বেঁচে যায়।’অর্থনীতির প্রধান বাহন টাকা। এই টাকা তৈরি করতেও প্রয়োজন টাকা। মানুষের হাতে হাতে ঘোরে কাগজের তৈরি এ পণ্যটি। ব্যবহারকারীদের ইচ্ছা বা অনিচ্ছায় টাকা ছেঁড়ে, পোড়ে কিংবা রং পরিবর্তন করে। ফলে একসময় তা ব্যবহারের অযোগ্য হয়ে পড়ে। তখন বাংলাদেশ ব্যাংক সেসব টাকা পুড়িয়ে ফেলে। এরপর নতুন করে সে টাকা ছাপতে সরকারকে খরচ করতে হয় মোটা অঙ্কের টাকা।
বাংলাদেশ ব্যাংকের হিসাবে ১ টাকার একটি কয়েন তৈরি করতে ৯৫ পয়সা খরচ হয়। ২ টাকা কয়েনে ১ টাকা ২০ পয়সা খরচ হয়। আর ৫ টাকার একটি কয়েন তৈরিতে খরচ পড়ে ১ টাকা ৯৫ পয়সা। কয়েনের মান বেশি হলে সে তুলনায় খরচ অনেক কম পড়ে। বাজারে প্রচলিত সবচেয়ে বড় নোট ১ হাজার টাকা। এই মূল্যমানের একটি নোট ছাপাতে প্রায় ৭ টাকা খরচ হয়। ৫০০ টাকার নোট ছাপাতে খরচ পড়ে ৬ টাকার মতো। ১০০ টাকার নোট ছাপাতে খরচ পড়ে সাড়ে ৪ টাকা।
এছাড়া ৫০ টাকা ও ২০ টাকার একটি নোট ছাপাতে আড়াই টাকা, ১০ টাকার নোট ছাপাতে ২ টাকা ২০ পয়সা এবং ৫ টাকার নোট ছাপাতে খরচ হয় ২ টাকার মতো। আর আনুষ্ঠানিক ঘোষণা ছাড়াই সবচেয়ে ছোট কাগুজে নোটে পরিণত হওয়া ২ টাকার নোট ছাপানোতে খরচ পড়ে দেড় টাকা।
কাগুজে নোটগুলো বাংলাদেশ ব্যাংকের সহযোগী প্রতিষ্ঠান টাঁকশাল বা দ্য সিকিউরিটি প্রিন্টিং করপোরেশন (বাংলাদেশ) লিমিটেড থেকে ছাপানো হয়। এই টাঁকশাল গাজীপুরে অবস্থিত। তবে নোট ছাপানোর যাবতীয় উপকরণ কাগজ, কালি, রঙ, নিরাপত্তা সুতা ইত্যাদি বিদেশ থেকে আমদানি করা হয়।
বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র নির্বাহী পরিচালক শুভঙ্কর সাহা জানান, ব্যবহারকারীদের ইচ্ছা বা অনিচ্ছায় টাকা ছেঁড়ে, পোড়ে কিংবা রঙ পরিবর্তন করে। ফলে এক সময় তা ব্যবহারের অযোগ্য হয়ে পড়ে। তখন বাংলাদেশ ব্যাংক সেসব টাকা পুড়িয়ে ফেলে। এরপর নতুন করে সে টাকা ছাপতে সরকারকে খরচ করতে হয় মোটা অঙ্কের টাকা।
বিশ্বের অন্যান্য দেশের মূল্যবান মুদ্রার বান্ডিলে পিন কিংবা সুতা লাগানো হয় না। কিন্তু বাংলাদেশে প্রতিনিয়ত এই পদ্ধতি অবলম্বন করায় রাষ্ট্রের অনেক টাকা গচ্চা যাচ্ছে বলে মনে করেন সংশ্লিষ্টরা।
দি সিকিউরিটি প্রিন্টিং করপোরেশনের ব্যবস্থাপনা পরিচালক জিয়াউদ্দীন আহমেদ বলেন, ‘প্রতিবছরই টাকা তৈরিতে খরচ বাড়ছে। এর অধিকাংশ কাঁচামালই আমদানি করতে হয়। কাঁচামালের দাম বাড়ায় উৎপাদন খরচ বেড়ে যায়। একই সঙ্গে অন্যান্য খরচও বাড়ছে।’
তিনি আরো বলেন, ‘মানুষের অসচেতনতার কারণে অপচয় হচ্ছে দেশের কোটি কোটি টাকা । বহনকারীরা একটু সচেতন হলেও আমাদের অনেক টাকা বেঁচে যায়।’

দেশে আসছে নতুন যে কোম্পানির সিম


গত কয়েকবছর দরেই গুঞ্জন ছিল দেশে ৭ম মোবাইল অপারেটর হিসেবে ভোডাফোন বাজারে আসছে। তবে সেই গুঞ্জনের আর সত্যতা পাওয়া যায়নি। তবে এবার বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রন কমিশন (বিটিআরসি) আগামী স্পেকট্রাম (তরঙ্গ) নিলামের সময় নতুন একটি মোবাইল অপারেটর কোম্পানি আনার চেষ্টা চালাচ্ছে বলে খবরে প্রকাশ।
গত বছরেই রবি আজিয়াটা লিমিটেড ও এয়ারটেল বাংলাদেশ লিমিটেড একীভূত হয়েছে। তাদের এই একীভূত হওয়া এবং অন্য একটি মোবাইল অপারেটর অর্থাভাবে বন্ধ হয়ে যাওয়ায় বর্তমানে চালু আছে মাত্র চারটি।
এছাড়া দেশের সবচেয়ে পুরোনো মোবাইল ফোন অপারেটর সিটিসেল গত আট মাস ধরে বন্ধ রয়েছে। এমনকি সিটিসেলের সিইও মেহবুব চৌধুরীকে গত ১ জুলাই গ্রেপ্তারও করা হয়েছে।
বিটিআরসির তথ্যমতে, এখন গ্রামীণফোন, রবি এবং বাংলালিংকের মোট মার্কেট শেয়ার ৯৭.৩ শতাংশ। আর অবশিষ্ট ২.৭ শতাংশ মার্কেট শেয়ার রয়েছে সরকারি মোবাইল ফোন অপারেটর টেলিটকের। দেশে সর্বশেষ ২০০৫ সালে এয়ারটেলকে লাইসেন্স দেওয়া হয়েছিল।
বিটিআরসির চেয়ারম্যান শাহজাহান মাহমুদ বলছেন, অন্তত একটি নতুন মোবাইল ফোন অপারেটরকে আগামী স্পেকট্রাম নিলামে অংশগ্রহণের প্রত্যাশা করছি। তিনি বলেন, আমরা নতুন একটি মোবাইল ফোন অপারেটরের জন্য অপেক্ষা করছি।
তিনি জানান, পরবর্তী স্পেকট্রাম নিলাম অনুষ্ঠিত হবে আগামী তিন মাসের মধ্যেই। এ সময়ের মধ্যেই নতুন অপারেটর আসতে পারে।
তবে টেলিকম বিশেষজ্ঞ আবু সাঈদ খান বলছেন, বাংলাদেশে নতুন মোবাইল ফোন অপারেটরকে বিনিয়োগ করানোর বিষয়টি সহজ হবে না। এ খাতের ভবিষ্যৎ-বাণী করা সহজ নয়। তবে এজন্য রেগুলেটরকে অবশ্যই নতুন বিনিয়োগে আকর্ষণ করানোর জন্য কাজ করতে হবে। নতুন অপারেটর আসার ক্ষেত্রে রেগুলেটর যদি কোনো ইনসেন্টিভ দেয় তাহলে হয়তো এ পথ সুগম হবে।

দ্বিতীয় বউ নিয়ে বাড়িতে এসে দেখেন বাসর ঘরে বসে আছে প্রথম স্ত্রী।অতঃপর যা হল…


দ্বিতীয় বউ নিয়ে বাড়িতে এসে দেখেন বাসর ঘরে বসে আছে প্রথম স্ত্রী – প্রথমে প্রেম করে গোপনে বিয়ে। এরপর ২৪ ঘণ্টা ব্যবধানে পারিবারিকভাবে দ্বিতীয় বিয়ে। দ্বিতীয় বউ নিয়ে বাড়িতে এসে দেখেন বাসর ঘরে বসে আছে প্রথম স্ত্রী। অবস্থা বেগতিক দেখে বাড়ি ছেড়ে পালিয়েছে স্বামী। তারপর দুই স্ত্রীই স্বামীর অধিকার দাবিতে অবস্থান নেয় বরের বাড়িতে। এভাবে গেল ছয়দিন। ঘটনাটি ঘটেছে মানিকগঞ্জের সাটুরিয়া উপজেলার ইনাম সাফুল্লি গ্রামে। এ নিয়ে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।
জানা গেছে, শাহিনুর মিয়া নামে এক যুবকের সাথে টাঙ্গাইলের মির্জাপুর উপজেলার দাতপাড়া গ্রামের মৃত: আব্দুল ছালামের কন্যা ছালমার (২৬) সাথে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। তাদের সম্পর্ক শাহিনের পরিবার মেনে না নিয়ে তার বিয়ে ঠিক করে ৩ অক্টোবর। অন্যদিকে শাহীন তার প্রেমিকা ছালমাকে গত ২ অক্টোবর কাজী অফিসে নিয়ে বিয়ে করে। কিন্তু বিষয়টি তার পরিবার মেনে না নেয়ায় নির্ধারিত তারিখ ৩ অক্টোবর শনিবার শাহিন তার পরিবার ও পাড়া-প্রতিবেশীকে সাথে নিয়ে টাঙ্গাইল জেলার নাগরপুরের রাথুরা গ্রামের আব্দুল আলীমের কন্যা রোনা আক্তারকে (১৮) বিয়ে করে নিজ বাড়িতে নিয়ে আসে। দুই পরিবারের সম্মতিক্রমে পাকুটিয়া ইউনিয়নের দায়িত্বপ্রাপ্ত কাজী আবু বক্করের অফিসে ৪ লাখ টাকা দেনমোহর ধার্য করা হয় এ বিয়েতে।
ইতোমধ্যে শাহিনুর বিয়ে করছে এমন খবর জানতে পেরে মাত্র একদিন আগে বিয়ে করা স্ত্রী মির্জাপুরের আব্দুল ছালামের কন্যা ছালমা স্ত্রীর স্বীকৃতির দাবিতে শাহীনের বাড়িতে ওঠে। আর শাহিন নতুন স্ত্রীকে নিয়ে এসে দেখে বাসরঘরে বসে আছে তার প্রথম স্ত্রী ছালমা।
ঘটনা জানাজানি হলে মুহূর্তেই গ্রামের মানুষ জড়ো হয় বিয়ে বাড়িতে। আনন্দ রূপ নেই বিষাদে। অবস্থা বেগতিক দেখে স্বামী শাহীনুর বাড়ি ছেড়ে পালিয়ে যায়। এ ঘটনায় পুরো সাটুরিয়ায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।
এ দিকে শাহীনুর তার প্রেমিকা ছালমাকেই স্ত্রীর মর্যাদা দিতে অনড় থাকায়, তার পরিবার প্রথম স্ত্রীকেই মেনে নেয়। তাই দ্বিতীয় স্ত্রী রোনা আক্তারকে দেন-মোহরের চার লাখ টাকা দিয়ে তালাক দিতে গতকাল বুধবার সন্ধায় গ্রাম্য সালিশ বসে। সালিশে পাকুটিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান সিদ্দিকুর রহমান, সাফুল্লির স্থানীয় ইউপি সদস্য আমীর আলী, সাবেক ইউপি সদস্য পাত্তা মেম্বার, আওয়ামীলীগ নেতা মতিউর রহমান দ্বিতীয় স্ত্রীর দেন মোহরের চার লাখ টাকা ফেরত দিয়ে তাকে তালাক দেয়ার রায় দেন।
দ্বিতীয় স্ত্রী রোনার ভগ্নিপতি উজ্জল হোসেন জানান, শাহীন ২ অক্টোবর ছালমাকে বিয়ের কথা গোপন রেখে পরদিন ৩ অক্টোবর আমার শালিকা রোনাকে বিয়ে করে তার নিজ বাড়িতে নেয়। এরপর আমরা জানতে পারি কার আরেক স্ত্রী বাসর ঘরে বসে আছে। পরে বুধবার সন্ধ্যায় বিষয়টি নিয়ে স্থানীয় সালিশের মাধ্যমে রোনাকে ৪ লাখ টাকা দিয়ে তালাক করানোর সিদ্ধান্ত হয়েছে। তবে আজ বৃহস্পতিবার সকালে তিন লাখ টাকা দেয়া হয়েছে। বাকি এক লাখ টাকা স্থানীয় মাতবর ও আওয়ামীলীগ নেতারা ভাগবাটোয়ারা করেছে।
ইনাম সাফুল্লি গ্রামের পাত্তা মেম্বার ও ইউপি সদস্য আমীর আলী ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, দ্বিতীয় স্ত্রীর ৪ লাখ টাকা আজ বৃহস্পতিবার সকালে রোনার পরিবারকে দিয়ে দিয়েছে। তবে ১ লাখ টাকা ভাগবাটোয়ারার কথা অস্বীকার করেন তারা।

ষষ্ঠবারের মতো বিয়ে করতে গিয়ে ঘটে গেল বিপত্তি!


চুপিচুপি পাঁচটি বিয়ে সেরে ফেলেছিলেন মুম্বাইয়ের এক ব্যক্তি। কাক-পক্ষীতেও টের পায়নি। আত্মীয় পরিজনরা একেবারেই অন্ধকারে ছিলেন। দিব্যি পাঁচ স্ত্রীকে নিয়ে পাঁচটি সংসার পেতেছিলেন তিনি।
তবে, ষষ্ঠবার বিয়ের পিঁড়িতে বসতে গিয়েই ঘটল বিপত্তি। ৩২ বয়সি ওই ব্যক্তির হাতে পড়ল হাতকড়া। মুমব্রা থেকে আটক করা হয় তাকে। রোববার পুলিশ তাকে গ্রেফতার করে।
থানে পুলিশ সূত্রে জানানো হয়েছে, ওই ব্যক্তি এবং তার মায়ের বিরুদ্ধে ভারতীয় দণ্ডবিধির ৪২০ (প্রতারণা) ও ৩৪ (ইচ্ছাকৃত ক্ষতি) নম্বর ধারায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। তবে এখনও
পর্যন্ত কাউকে গ্রেপ্তার করা হয়নি বলে খবর। পুলিশ জানায়, মুমব্রার এক পরিবার বাড়ির মেয়ের বিয়ের জন্য পাত্র খুঁজছিল। এই খবর পেয়ে সেই পরিবারের সঙ্গে দেখা করেন অভিযুক্ত।
জানান, একটি জনপ্রিয় কোম্পানিতে তিনি চাকরি করেন। তার একটি নিজস্ব ট্রাভেল এজেন্সিও রয়েছে। পাত্রকে পছন্দও হয়ে যায় পরিবারের। গত বছর ডিসেম্বরে বাগদান পর্ব সেরে ফেলেন তারা। কিন্তু আর্থিক কারণে বিয়ের তারিখ পিছিয়ে দিয়েছিলেন কনের বাড়ির লোকজনেরা। আর তাতেই প্রতারকের হাত থেকে রক্ষা পেয়ে যান মহিলা।
এক ব্যক্তি ফোনে কনের পরিবারকে অভিযুক্তের আসল পরিচয় ফাঁস করেন। জানান, তার আরও পাঁচ স্ত্রী রয়েছে। এই খবর সত্যি কিনা জানতে হবু জামাইকে সরাসরি প্রশ্ন করা হয়। কিন্তু প্রতারক তা অস্বীকার করেন। তবে প্রতারকের মুখোশে বেশিদিন নিজেকে গোপন রাখতে পারেননি। গত ২২ জুলাই চারজন মহিলা নিজেদের ওই ব্যক্তির স্ত্রী বলে দাবি করেন।
গোটা ঘটনায় হতবাক মুমব্রার পরিবার। গত শুক্রবার ওই ব্যক্তির বিরুদ্ধে থানে থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন তারা। তার ভিত্তিতেই সেদিনই তাকে আটক করা হয়। কীভাবে আইনের চোখে ধুলো দিয়ে দিনের পর দিন পাঁচ স্ত্রী নিয়ে সংসার করছিলেন তিনি, তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ।

সিনেমার শুটিংয়ের পর পোশাক গুলো কি করে! জানেন?


সিনেমার শুটিংয়ের পর পোশাক গুলো কি করে!জানেন?
অসাধারণ উপত্যকা। দূর পাহাড়ের কোল ঘেছে বয়ে যাচ্ছে পাহাড়ি নদী। সেখানেই নায়ক-নায়িকার প্রণয়দৃশ্য। নাচে-গানে তখন আকুল অবস্থা। গান মুখড়া থেকে অন্তরায় প্রবেশ করতেই হঠাৎ বদলে গেল নায়ক-নায়িকার জামা কাপড়! কি এমনটাই তো হয়!
বলিউড ফিল্মের ভেটেরান দর্শক বদলে যাওয়ার এই অবাস্তবতায় তিলমাত্র বিচলিত হন না। কারণ তারা জানেন, এমনটাই হওয়ার কথা। কিন্তু একটু তলিয়ে দেখলে টের পাওয়া যায়, ঠিক কী পরিমাণ পোশাক এক একটা সিনেমায় ব্যবহৃত হয়। মুভি বোদ্ধারা বলবেন, এগুলোই তো সমাজে ফ্যাশন ট্রেন্ড সেট করে। ছবির ভালমন্দের সঙ্গে জড়িয়ে
যায় গণরুচি নির্ধারণের প্রসঙ্গও। এইখানেই বলিউড হলিউডকে টেক্কা দেয়। ‘শোলে শার্ট’, ‘ববি ফ্রক’, ‘সাগর স্কার্ট’— এসব শব্দ অনেকেরই স্মৃতিরেখায় টান দেবে। সেই জামা-কাপড় অভিনেতারা পরে অভিনয় করার পর কোথায় যায়? কী হয় এই বিপুল পরিমাণ পরিধেয়র?
বলিউড-বিশেষজ্ঞরা জানাচ্ছেন—
১. ছবির শ্যুটিং শেষ হলে প্রোডাকশন হাউস কস্টিউমগুলিকে বাক্সবন্দি করে। পরে অন্য কোনও প্রোডাকশনে তা কাজে লাগায়।
২. সব কস্টিউম সমান নয়। কিছু পোশাক দিব্য চলে দৈনন্দিনে। কিছু একেবারে চিত্রনাট্যের আবদার মেনেই বানানো। কিছু আবার এতটাই উৎকট যে, তাদের বাক্সবন্দি হয়েই থেকে যাওয়া ছাড়া গতি থাকে না।
৩. কোনও কোনও কস্টিউম অভিনেতারা পছন্দ করে ফেলেন। তিনি সেটা কিনে নেন। কখনও আবার ডিজাইনার নিজে তার ডিজাইন করা পোশাকটিই নিয়ে নেন। ছবি হিট হলে ডিজাইনার সেই পোশাককে তার বিজ্ঞাপন হিসেবে ব্যবহার করেন।
৪. টিভি সিরিয়ালের ক্ষেত্রে শাড়ি-লেহেঙ্গা ইত্যাদি রিসাইক্‌লড হতেই থাকে। সাস-বহু সিরিয়ালে বার বার ব্যবহৃত হয় একই পোশাক। আবার বেশ কিছু পোশাক নিলাম হয়। স্যুভেনির হিসেবে তার সংগ্রহ-মূল্য রয়েছে। নিলাম থেকে প্রাপ্ত আয় প্রায়শই দান করা হয়।

স্বামীর ছোট ভাইয়ের সাথে বিয়ে হওয়া সুমির গল্প ..!


সিরাজগঞ্জের রায়গঞ্জ পৌরসভার ১নং ওয়ার্ডের বাসিন্দা মেধাবী ছাত্রী সুমি। পারিবারিক সমস্যা থাকার কারণে ৯ম শ্রেণিতেই বিয়ের পিঁড়িতে বসতে হয় তাকে। বিদেশ ফেরত ভালো পাত্র জেনে পরিবারের অভিভাবকরা বিয়ে দিয়ে দেন সুমিকে। কিন্তু কয়েক মাসের মাথায় এক সড়ক দুর্ঘটনায় মারা যায় সুমির বর।
একদিকে পড়ালেখা বন্ধ অন্যদিকে শিশু বয়সেই বিধবা হওয়া। সুমির চোখে মুখে তখন শুধুই অন্ধকার। বাবার বাড়িতে চলে আসলেও উভয় পরিবারের সম্মতিতে আবারো বিয়ে হয় ঐ একই পরিবারের ছোট ছেলে (সুমির দেবর) সঙ্গে। দুই মাসের মাথায় সে সংসারও ভেঙে যায়। ভেজা চোখ নিয়ে বাবার বাড়িতে আবারো ফিরে আসতে হয় তাকে। সেই থেকে জীবনযুদ্ধ মেধাবী সুমির। সময়ের ব্যবধানে বাল্যবিয়ের পিঁড়িতে বসা স্বামী হারা সুমি বন্ধ হয়ে যাওয়া পড়ালেখাটা আবারো শুরু করে।
জেএসসিতে জিপিএ-৫ পাওয়া সুমি ছিন্ন হওয়া সংসার জীবন ত্যাগ করে এবার এইচএসসিতে জিপিএ-৫ পেয়ে তাক লাগিয়েছে সবাইকে। একটা অভাবী সংসারের মেধাবী মেয়ে সুমির গল্পটা সত্যিই আলাদা যা অন্যকেও আলোকিত করতে পারে। ধানগড়া সদর মহিলা কলেজের মেধাবী মুখ এখন সুমি।
এবার এইচএসসি পরীক্ষায় পৌর এলাকায় ৩ জন জিপিএ-৫ এর মধ্যে সুমি একজন। অভাবী সংসারে বাবা মায়ের কাজের সঙ্গে হাত রেখে সুমি তার স্বপ্নের দিকে এগিয়ে চলছে। বাবা আবদুল্লাহ্‌ চপ বিক্রেতা ভাই মুদি দোকানি। সংসারের সদস্য সংখ্যা ৬ জন। প্রাইভেট পড়তে না পারলেও সুমি মানবিক বিভাগ থেকে মেধার স্বাক্ষর রেখেছে। উজ্জ্বল করেছে বাবা মায়ের স্বপ্ন। তার এই কৃতিত্বের জন্য বাবা-মা আর শিক্ষকদের সহযোগিতার কথা বারবার স্মরণ করেন।

প্রথম সন্তান মেয়ে হলে সে কিভাবে সৌভাগ্য বয়ে আনে ??


সাম্প্রতিক কিছু পরিসংখ্যান এর উপর ভিত্তি করে দেখা যায়, পরিবারের প্রথম সন্তান যদি মেয়ে হয় তবে সে অনেক বেশি যোগ্যতাসম্পন্ন হয়। কারণ তার অনেক উচ্চাকাঙ্ক্ষা থাকে। এসেক্স বিশ্ববিদ্যালয় দ্বারা সম্পন্ন একটি সমীক্ষা অনুযায়ী, একজন বড় ছেলে একজন প্রথমজাত মেয়ের তুলনায় ১৩ শতাংশ কম উচ্চাভিলাষী হয়। আপনি যদি ভালভাবে লক্ষ্য করেন তাহলে দেখতে পাবেন পরিবারের বড় মেয়েরা অনেক সাফল্যের অধিকারী হয় কিন্তু ছেলেরা এ ক্ষেত্রে অনেক পিছিয়ে।
বিজ্ঞানীরা এখন এ বিষয় নিয়ে অনেক গবেষণা করছেন। কেন ঘরের বড় মেয়েরা এগিয়ে যেতে পারে এর পেছনে তারা কিছু তথ্য সংযোগ করেছেন। আসুন জেনে নেয়া যাক সে সকল তথ্য-
১. তারা স্বাভাবিকভাবে বেশি অর্জন করেন:
একই পরিবারের ছেলেমেয়ের মধ্যে মাধ্যমিক বিদ্যালয় থেকে শুরু করে সকল ক্ষেত্রে ছেলেদের তুলনায় মেয়েদের ফলাফল ভাল দেখা যায়। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ও নোবেল পুরষ্কার-প্রাপ্তদের মাঝে অর্ধেকের বেশি মানুষ পরিবারের বড় সন্তান। তবে এক্ষেত্রে ছেলেরা এগিয়ে থাকলেও ঘরের বড় মেয়েরা উচ্চাকাঙ্ক্ষী হয়। মেয়েদের মাঝে সবসময় একটি চাহিদা বিরাজ করে। তারা সবসময় একটি নির্দিষ্ট লক্ষ্যে এগিয়ে যায়।
২. তারা শীর্ষ বিজ্ঞানী হন:
আপনি বিজ্ঞানীদের একটু খোঁজ করলেই জানতে পারবেন যে নারী বিজ্ঞানীদের মাঝে অধিকাংশ তাদের পরিবারের প্রথম সন্তান। তারা বিভিন্ন
কৃতিত্বের অধিকারী। বিজ্ঞানী জেন গুডঅল এর কথাই নেয়া যাক। তিনি একটি গরিলাকে রক্ষা করার জন্য নিজের জীবনকে ঝুঁকিতে ফেলে দেন।
৩. তারা অভিভাবকের ভালবাসা বেশি পায়:
প্রথম সন্তানের প্রতি সকল বাবা-মায়ের একটু বেশি ভালবাসা থাকে। তারা অনেক বেশি যত্নের অধিকারী হন। প্রথম সন্তান তার পরবর্তী ভাইবোনের তুলনায় ৭ শতাংশ বেশি পড়াশোনা করতে পারেন। তাদের আগ্রহও বেশি থাকে।
৪. তারা বিশ্বের সবচেয়ে ক্ষমতাধর নারী:
ফোর্বসের তথ্যানুযায়ী, প্রথম সন্তান নারী হলে তারা বিশ্বের সবচেয়ে ক্ষমতাধর নারী হিসেবে পরিচিতি লাভ করেন। অ্যাঞ্জেলা মার্কেল, খ্রীস্টিন লাগারদে, শেরিল সান্ডবার্গ থেকে শুরু করে অপরাহ উইনফ্রে এবং বেওন্স এরা সবাই ফোর্বস তালিকায় বিশ্বের সবচেয়ে ক্ষমতাশালী মহিলাদের তালিকায় অন্তর্ভুক্ত। এরা সবাই তাদের প্রত্যেকের পরিবারের জ্যেষ্ঠ কন্যা।
৫. তাদের সাফল্য লাভের সম্ভাবনা বেশি:
এসেক্স বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সমাজ ও অর্থনৈতিক গবেষণা ইন্সটিটিউট ফেইফেই বু একটি গবেষণার পর ফলাফলে জানান, পরিসংখ্যানগত হিসেবে জ্যেষ্ঠ কন্যারা তার ভাইবোনের চেয়ে আরও ভাল, উচ্চাকাঙ্ক্ষী এবং নিজেকে যোগ্য হিসেবে গড়ে তোলে।
গবেষণায় আরও দেখা গেছে ভাইবোনের মধ্যে চার বছরের ব্যবধান থাকলে, শিক্ষাগত যোগ্যতায় কনিষ্ঠ সহোদর এর স্তর উন্নতি হতে পারে। জ্যেষ্ঠ কন্যারা তার ভাইবোন এর চেয়ে কৃতিত্বের উচ্চ স্তর কেন ছুঁয়েছে সে হিসাবে অনেক ব্যাখ্যা আছে।

সোমবার চন্দ্রগ্রহণ : গর্ভবতী মহিলাদের উপর নাকি চন্দ্রগ্রহণের প্রভাব পড়ে! কতটুকু সত্যি?


আগামী সোমবার চন্দ্রগ্রহণ। আর এই গ্রহণকে ঘিরে রয়েছে নানান সংস্কার। এমনকি রয়েছে নানান ধরণের কুসংস্কার। অনেকেই গ্রহণকে অপবিত্র বলে মনে করেন। তাদের মতে, চন্দ্রগ্রহণ কিংবা সূর্যগ্রহণ নাকি অপবিত্রতা।
এই সময়ে অশুভ শক্তির প্রভাব বেড়ে যায় বলে মনে করেন। আর তাতে নাকি বাড়ি, উপসনালয় সর্বত্রই এর প্রভাব পড়ে। ফলে গ্রহণের সময় প্রার্থনাও
বন্ধ রাখা হয়। গ্রহণ শেষ হলে ঘরবাড়ি পরিষ্কারও করেন অনেকে। এছাড়াও অনেকে গ্রহণ চলাকালীন বাড়ির রান্না ফেলে দেন। গ্রহণ শেষ হওয়ার পরে শুরু করেন রান্নাবান্না।
শুধু তাই নয় অনেকে বলেন, গ্রহণ চলাকালীন প্রচুর বিকিরণ পৃথিবীতে চলে আসে। যা নাকি মানব দেহের জন্যে খারাপ। তাই গ্রহণের সময় চাঁদের দিকে নাকি সরাসরি তাকানো উচিত নয়। তবে সুর্যগ্রহণ অপেক্ষা চন্দ্রগ্রহণে বিকিরণ অনেক কম। কিন্তু বিকিরণ তো হয়। একটি এক্সরের চেয়ে অনেক বেশী বিকিরণ ঘটে চন্দ্রগ্রহণে।
এখানেই শেষ নয়, গর্ভবতী মহিলাদের জন্যেও নাকি ক্ষতির কারণ আছে চন্দ্রগ্রহণ। কুসংস্কার বলছে, গর্ভবতী মহিলাদের উপর নাকি সবথেকে বেশি পড়ে গ্রহণের এফেক্ট। যদিও অনেকে বিষয়টিকে উড়িয়ে দেয়। যে বা যাহারা এমন ভাবে, সেটা তাদের অজ্ঞতা।

বিনা টাকায় ঢাকা শহরে দুপুরের খাবার!


পৃথিবীতে গরীবের কেউ নেই- কথাটিকে ভুল প্রমাণ করার চেষ্টা থেকেই দুই বছর আগে আমিন মোহাম্মদ গ্রুপের প্রতিষ্ঠাতা এম এম এনামুল শুরু করেছিলেন এক ব্যতিক্রমী প্রচেষ্টা। দীর্ঘদিন ধরে নিম্ন আয়ের মানুষদের এক বেলা খাবারের জোগান দিচ্ছে আমিন মোহাম্মদ মেহমানখানা। এটি আমিন মোহাম্মদ ফাউন্ডেশনের একটি সেবামূলক প্রতিষ্ঠান এটি।
হাল আমলে বাঙালি তার অনেক স্বকীয়তাই ভুলতে বসলেও কিছু মানুষের এখনো ভালো লাগে মেহমানদারি করতে। এখনো বাঙালির আন্তরিকতা ও মানবিকতার প্রমাণ মেলে। আগের যুগে মানবসেবার নিদর্শন হিসেবে মুসাফিরখানা চালু করতেন ধনাঢ্য ব্যক্তিরা। বাংলাদেশী ভূমিতেও অনেক মুসাফিরখানা চালু ছিল। দূর-দূরান্ত থেকে আসা মানুষের মেহমানদারি হতো সেখানে। হাল আমলে তা আর দেখা যায় না। তবে কিছু মানুষ এখনো ব্যতিক্রম- যারা মানুষ নিয়ে ভাবেন, সমাজ নিয়ে ভাবেন।
সে রকম ভাবনা থেকেই পথচলা শুরু হয়েছে ঢাকাই মেহমানখানার। এ মেহমানখানার মেহমান হতে কোনো বাধা নেই। কোনো নিয়ম নেই। যে-কেউ চাইলেই মেহমান হতে পারেন। ঢাকার বাসিন্দা হলেও ঢাকাতেই হবে আয়েশি পেটপুজো। এ জন্য যেতে হবে আপনাকে বাড়ির পাশে ধানমন্ডিতে। আমিন মোহাম্মদ মেহমানখানায়। সমাজসেবা ও মানবসেবার উদাহরণ বহু দেখা যায়। তবে অতিথিপরায়ণ বাঙালি ঐতিহ্যের নতুন সংযোজন এই ব্যতিক্রমী মেহমানখানা। এতে নেই কোনো বিনিময় আদান-প্রদান, নেই মেহমানের শ্রেণিবিন্যাস। সব শ্রেণিপেশার মানুষই এখানে সমান মর্যাদার অতিথি।
ধানমন্ডি ১৫ নম্বরে সাত মসজিদ রোডে অবস্থিত এই মেহমানখানা প্রতিদিন ২২০০-২৫০০ জন মানুষের দুপুরের খাবার পরিবেশন করে থাকে। তাই প্রতিদিন এখানে একবেলা খাবারের জন্য ভিড় করেন হাজার হাজার নিম্ন আয়ের মানুষ। রিকশাচালক, দিনমজুর, পথশিশু এমনকি অল্প আয়ের কর্মচারীও আসেন একবেলা খাবারের জন্য।
১৬ টি বিশাল সাইজের পাতিলে বাবুর্চি দিয়ে রান্না করা হয় এসব খাবার। প্রতিদিন দুপুরে সাড়ে ১২টা থেকে সিরিয়াল শুরু হয় এখানে। দূর থেকেই দেখা যায় কয়েকশ’ রিকশা মেহমানখানার সামনে সারিবদ্ধ ভাবে দাঁড়ানো। খাবারের হাড়ি নিয়ে বসে থাকেন মেহমানখানার কর্মচারী। একে একে প্লেটে করে দেন খাবার। মেহমানখানায় আসা মানুষ ছাড়াও এই প্রতিষ্ঠানের কর্মচারীরাও এ খাবার খান।
নারীর সংখ্যাও কম নয়। বাচ্চাকাচ্চা নিয়েও কয়েকজন এসেছে। ভরপেট আয়োজন। কোনো কমতি নেই। যত খুশি ততবার নেয়া যায় খিচুরি। মেহমানখানায় কোনো মেহমানকেই আধপেটা থাকতে হবে না। আগেই শুনেছিলাম তবু খেয়াল করে দেখা গেল অনেকেই টিফিন বক্স, হাঁড়ি, বাটি, ছোট বালতি নিয়ে এসেছেন। কারণ তারা খেয়ে নিয়ে যাবেন পরিবারের অন্য সদস্যদের জন্য। কতটা পরিমাণ পার্সেল দেয়া হয় জানতে চাইলে বিতরণকারীরা বললেন- যার পাত্রে যতটা ধরে!
এখানে প্রতিদিন মূলত পাতলা খিচুড়ি খাওয়ানো হয়। খিচুড়ির মধ্যে মুরগি এবং সবজিও থাকে। মেহমানখানায় গেলে দেখা যায় দুপুরে তৃপ্তি নিয়ে খাচ্ছেন সবাই। স্বাদ এবং মানের কথা বেশ ভালো বলে জানান অতিথিরা। প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তাদের সাথে কথা বলে জানা যায় কঠোর তদারকিতে বাজার থেকে শুরু করে রান্না এবং খাবার বিতরণ সবই সম্পন্ন করা হয়। প্রচারণা নয়, বরং একবেলা মানুষকে তৃপ্তি করে খাওয়ানোই মেহমানখানার মূল লক্ষ্য।
চার পাশ খিচুরির সুগন্ধে ম ম করছিল। বোঝাই যাচ্ছিল যথেষ্ট যত্ন নিয়ে রান্না করা হয়। তবুও কথা হলো কয়েকজন মেহমানের সাথে। খাওয়া শেষে রিকশায় বসেই বিশ্রাম নিচ্ছিলেন মনির। বললেন, তিনি হঠাৎই জানতে পারেন এই আয়োজনের কথা। এখন দুপুর হলেই এখানে চলে আসেন। এতে খাবার খরচটা বেঁচে যায়। আর খুবই স্বাদের খিচুড়ি। তার মতো অনেকেই এখন অন্য কোথাও আর খান না এবং তাদের মতো আরো যারা আছেন তাদের মধ্যে যারা জানেন না তাদেরও জানান। এভাবেই কোনো প্রচারণা ছাড়াই শুধু লোকমুখেই দিন দিন বাড়ছে মেহমানখানার প্রসার।
কথা বলেছিলাম এ মেহমানদারি আয়োজনের প্রধান তদারককারী গাজী আহমাদ উল্লাহর সাথে। হেড অব মিডিয়া, আমিন মোহাম্মদ গ্রুপ। কেন এই আয়োজন? তিনি জানালেন একমাত্র আল্লাহর সন্তুষ্টির উদ্দেশে মানবতার সেবার লক্ষ্যেই এই আয়োজন। মানবসেবার মাধ্যমেই আল্লাহর নৈকট্য লাভের সুযোগ বাড়ে। সে চিন্তা থেকেই এ আয়োজন। মানুষকে পেট পুরে খাওয়ানোর মাধ্যমেই তাদের তৃপ্তি।
ভাবনাটা প্রতিষ্ঠানপ্রধানের হলেও এ কাজে সংশ্লিষ্ট সবাই এখন কাজটাকে ভালোবেসে ফেলেছেন। নিজ তাগিদেই তারা সুচারুভাবে সম্পন্ন করার চেষ্টা করেন মেহমানদারি। এ বছর মার্চ মাস থেকে শুরু হয়েছে মেহমানদারি। এখনো শুধু লোকমুখেই প্রচার হচ্ছে। কারণটা কী? জানালেন, কর্তৃপক্ষ কোনো রকম প্রচারণা চান না। নেক নিয়তে প্রচারণা ছাড়াই কাজ করতে চান।
কত দিন চলবে এ আয়োজন? সাথে সাথেই উত্তর দিলেন আল্লাহ যত দিন সামর্থ্য দেবেন। প্রতিদিন দুই থেকে আড়াই হাজার মেহমান খাচ্ছেন। চাইলে আপনিও যে কোনো দিন হতে পারেন মেহমান। আপনাকে সাদরে অভ্যর্থনা জানাতে ভুলবে না মেহমানখানার লোকেরা।

চলন্ত গাড়ির পিছনে যে কারনে ধাওয়া করে কুকুর! জেনে নিন কারন


দৃশ্যটা প্রায় সকলেরই চেনা। প্রতিদিনের যাতায়াতে প্রায়শই চোখে পড়ে। কোনও চলন্ত গাড়ির পিছনে ধাওয়া করছে কুকুর। কখনও বা দল বেঁধে তাদের দৌড়তে দেখা যায়। কিন্তু কেন? গাড়ি দেখলেই কেন মেজাজ হারায় কুকুররা?
অনেকেই ভাবেন, গাড়ির গতির সঙ্গে প্রতিযোগিতায় নামে কুকুররা। এটা তাদের স্বাভাবিক একটা অভ্যাস। ছোটবেলা থেকেই কুকুররা এরকম দৌড়ের খেলায় মেতে থাকে। সেটা একটা কারণ হতে পারে। কিন্তু শুধু এরকমটা ভাবলে ভুল হয়ে যাবে। কেননা অপর ব্যাখ্যাটিও বেশ মজার। আসলে কুকুররাও নিজেদের এলাকা ভাগ করে রাখে। আস্তানায় ফেরার জন্য চিনে রাখে তার বাসস্থান ও আশেপাশের এলাকা। এবং এই চিনে রাখার উপায়টিও বেশ অভিনব। আসলে প্রস্রাবের গন্ধেই এলাকা চিনে রাখে কুকুররা। এ কারণে যে এলাকায় তাদের বাস সে এলাকার আশেপাশের গাড়ির চাকায় প্রস্রাব করে রাখে তারা। অন্য এলাকা থেকে গাড়ি ঢুকলে অচেনা গন্ধ টের পায় কুকুররা। তাতেই বুঝতে পারে অচেনা কেউ তাদের এলাকায় ঢুকে পড়েছে। ঠিক সে কারণেই গাড়ির পিছনে ধাওয়া করে।
তবে কুকুর যে বুদ্ধিমান প্রাণী তা তো বলার অপেক্ষা রাখে না। তাই প্রশিক্ষকরা ঠিকঠাক বুঝিয়ে দিলে এ ভুল তারা আর দ্বিতীয়বার করে না। তবে রাস্তা বা পাড়ার কুকুরের ক্ষেত্রে প্রশিক্ষণের বালাই নেই। তাই এই কাজটি করতে মূলত তাদেরই দেখা যায়। তবে এতে মানুষের উপকার বই অপকার নেই। কেননা এই কারণটি জেনে রাখলে, এলাকায় অচেনা কেউ যে ঢুকছে তা কুকুরের ধাওয়া করে দেখেই বুঝতে পারবে মানুষ। আর সতর্কবার্তা হিসেবে কুকুরের ডাক তো থাকলই।

ইত্যাদির সেই সিডরম্যান’ খ্যাত জয়দেবের পচা গলা মরদেহ উদ্ধার


সিডরম্যান’ খ্যাত বরগুনার তালতলী উপজেলার বড় বগী ইউনিয়নের ঘূর্ণিঝড় প্রস্তুতি কর্মসূচির (সিপিপি) ইউনিট প্রধান ও ওয়্যারলেস অপারেটর জয়দেব দত্তের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। শনিবার বেলা ১১টার দিকে তালতলীর বড়বগী ইউনিয়ন পরিষদের সিপিসির ওয়্যারলেস অপারেটর কক্ষ থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়। এ সময় কক্ষটি ভেতর থেকে বন্ধ ছিল।
বড়বগী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. আলম মুন্সি বলেন, সকালে ইউনিয়ন পরিষদে আসা সাধারণ মানুষ পচা দুর্গন্ধ পেয়ে পুলিশে খবর দেয়। পরে পুলিশ এসে ভেতর থেকে বন্ধ দরজা ভেঙে জয়দেবের মরদেহ উদ্ধার করে।
এ বিষয়ে তালতলী থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কমলেশ চন্দ্র হালদার বলেন, জেলা পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। এটি হত্যা না আত্মহত্যা সেটি উদঘাটনের চেষ্টা চলছে। ওসি আরও বলেন, মরদেহ দেখে মনে হয়েছে দু’তিনদিন আগে তার মৃত্যু হয়েছে। তিনি নিখোঁজ থাকলেও পরিবারের পক্ষ থেকে তা পুলিশকে অবহিত করা হয়নি।
প্রসংঙ্গত, ২০০৭ সালের প্রলয়ংকারী ঘূর্ণিঝড় সিডরের সময় তালতলীর নদী ও সমুদ্র তীরবর্তী এলাকায় জীবনের ঝুঁকি নিয়ে আগাম সতর্কতা সংকেত প্রচার করে শত শত মানুষের জীবন রক্ষা করেছিলেন জয়দেব দত্ত। এ খবর গণমাধ্যমে প্রকাশ হলে বিশ্বজুড়ে প্রশংসিত হন তিনি। পরে জনপ্রিয় বিনোদনমূলক অনুষ্ঠান ‘ইত্যাদি’র পক্ষ থেকে তাকে পুরস্কৃত করা হয়। এ সময় ইত্যাদির পক্ষ থেকে তাকে ‘সিডরম্যান’ উপাধি দেয়া হয়।

ছেলেরা বয়সে বড় নারীদের বেশি পছন্দ করে, এটি কেন হয়?


প্রায়ই দেখা যায় টিনএজ ছেলেরা তাদের থেকে বয়সে বড় আপুদের বেশ পছন্দ করে থাকে, এটি কেন হয়?
আসলে টিনএজ বয়সটাতে বেশিরভাগ ছেলেদের এই সমস্যাটি হয়ে থাকে। বয়সে বড় কোনো আপুকে প্রচন্ডভাবে ভালোলেগে যায়। আপুর কথা বলার ঢঙ, চলার ভঙ্গি সবকিছুতেই মোহিত করতে থাকে টিনএজ ছেলেদের। বয়সের কারণে এটি খুবই স্বাভাবিক একটি ঘটনা। আসুন জেনে নিই এর পিছনে কারণ কী কী থাকতে পারে।
কারণ :
– টিনএজ বয়সটা ভালোলাগার একটি বয়স। এসময়ে ভালোলাগার এক ধরনের বাতাস তাদের উড়িয়ে নিয়ে যায়। ফলে বয়সে বড় হোক বা ছোট হোক মেয়েদের প্রতি এক ধরনের আকর্ষণ অনুভব করতে থাকে ছেলেরা।
– টিনএজ বয়সের শারীরিক পরিবর্তনে ছেলেরা অনেক বেশি চিন্তিত হয়ে পড়ে। এ সময় শারীরিক এক ধরনের আকর্ষণ তাদের দুর্বল করে তোলে। ফলে খুব সহজেই আপুদের প্রতি ভালোলাগা তৈরি হয়।
– একই বয়সের মেয়েদের শারীরিক পরিবর্তনটি ওভাবে টিনএজ ছেলেদের চোখে পড়ে না। ফলে সুন্দর গাঠনিক বৈশিষ্ট্যের অধিকারী আপুদেরকেই তাদের বেশি ভালোলাগে।
– এ সময়টাতে বয়সে বড় আপুরাই তাদের চারপাশে বেশি থাকার ফলেও এই আকর্ষণটি অনুভূত হতে পারে। ধন্যবাদ