Subscribe:
Showing posts with label জাতীয়. Show all posts
Showing posts with label জাতীয়. Show all posts

নায়করাজ রাজ্জাক আর নেই!!



চলচ্চিত্রের জনপ্রিয় অভিনয়শিল্পী নায়করাজ রাজ্জাক আর নেই। আজ সোমবার সন্ধ্যা ৬টা ১৩ মিনিটে তিনি ইন্তেকাল করেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। তাঁর বয়স হয়েছিল ৭৬ বছর।

বেসরকারি ইউনাইটেড হাসপাতাল সূত্র জানায়, সোমবার বিকেল ৫টা ২০ মিনিটে হার্ট অ্যাটাক হওয়া অবস্থায় নায়ক রাজ্জাককে হাসপাতালে আনা হয়। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ সব ধরনের চেষ্টা করেও ব্যর্থ হয়। ৬টা ১৩ মিনিটে তিনি মৃত্যুবরণ করেন।

মৃত্যুকালে নায়করাজ স্ত্রী, সন্তানসহ অসংখ্য আত্মীয়স্বজন ও গুণগ্রাহী রেখে গেছেন। ২০১৪ সালে মেরিল-প্রথম আলো আজীবন সম্মাননা পাওয়া এ অভিনেতার মৃত্যুসংবাদ শুনে তাঁকে শেষবারের মতো দেখতে হাসপাতালে ছুটে গেছেন দীর্ঘদিনের সহকর্মীরা।

১৯৬৬ সালে ‘বেহুলা’ চলচ্চিত্রে নায়ক হিসেবে অভিনয়ের মধ্য দিয়ে ঢাকাই ছবিতে দর্শকনন্দিত হন কিংবদন্তি এ অভিনেতা।

নায়করাজ রাজ্জাক প্রথম জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার অর্জন করেন ‘কি যে করি’ ছবিতে অভিনয় করে। পাঁচবার তিনি জাতীয় সম্মাননা পান। ২০১৩ সালের জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারে তিনি আজীবন সম্মাননা অর্জন করেন। এ ছাড়া বাংলাদেশ চলচ্চিত্র সাংবাদিক সমিতি (বাচসাস) পুরস্কার পেয়েছেন অসংখ্যবার।

বর্তমান সময়ে চলচ্চিত্রে খুব কমই অভিনয় করছেন নায়করাজ রাজ্জাক। শুধু নায়ক হিসেবেই নয়, পরিচালক হিসেবেও বেশ সফল। ‘আয়না কাহিনী’ ছবিটি নির্মাণ করেন রাজ্জাক। নায়ক হিসেবে নায়করাজ প্রথম অভিনয় করেন জহির রায়হান পরিচালিত ‘বেহুলা’ ছবিতে। এতে তাঁর বিপরীতে ছিলেন সুচন্দা।

‘অবুঝ মন’, ‘আলোর মিছিল’ ‘ছুটির ঘণ্টা’, ‘রংবাজ’, ‘বাবা কেন চাকর’, ‘নীল আকাশের নিচে’, ‘জীবন থেকে নেওয়া’ ‘পিচঢালা পথ’, ‘অশিক্ষিত’, ‘বড় ভালো লোক ছিল’সহ অসংখ্য ছবিতে অভিনয় করা রাজ্জাক সর্বশেষ অভিনয় করেছেন ছেলে বাপ্পারাজ পরিচালিত ‘কার্তুজ’ ছবিতে।

ষাটের দশকের মাঝের দিকে রাজ্জাক চলচ্চিত্র অভিনেতা হিসেবে পরিচিতি লাভ করেন। সত্তরের দশকেও বাংলাদেশের চলচ্চিত্রশিল্পের প্রধান অভিনেতা হিসেবে বিবেচনা করা হতো। তিনি একাধারে অভিনেতা, প্রযোজক, পরিচালক হিসেবে সুনাম অর্জন করেন।

চলচ্চিত্রের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট কেউ ডাকলে তাতে সাড়া দিতেন ‘বেহুলা’, ‘আগুন নিয়ে খেলা’, ‘এতটুকু আশা’, ‘অশ্রু দিয়ে লেখা’, ‘ওরা ১১ জন’, ‘অবুঝ মন’-এ অভিনয় করা রাজ্জাক। আমৃত্যু এই শিল্পের সঙ্গেই থাকতে চাওয়ার কথা জানিয়ে একসময় বলছিলেন, ‘আমি রাজ্জাক হয়তো অন্য কোনো চাকরি করতাম অথবা ঘুরে বেড়াতাম। কিন্তু ছোটবেলার অভিনয় প্রচেষ্টাকে আমি হারাতে দিইনি। আমি নাটক থেকে চলচ্চিত্রে এসেছি। সবাই আমাকে চিনেছে। পেয়েছি সাফল্যও। বাংলার মানুষজন আমাকে একজন অভিনয়শিল্পী হিসেবেই দেখেন ও আমাকে ভালোবাসেন। আজকে আমার যা কিছু হয়েছে, সবই এই চলচ্চিত্রশিল্পের কল্যাণে।

রাজ্জাক এ-ও বলেছিলেন, ‘বাংলাদেশের ছোট একটি দেশ হতে পারে, তারপরও এই দেশের একজন অভিনয়শিল্পী হিসেবে আমি গর্ববোধ করি। যাঁদের জন্য আমি রাজ্জাক হয়েছি, আমি সব সময় তাঁদের কাছাকাছি থাকতে চাই।

১৯৪২ সালের ২৩ জানুয়ারি পশ্চিমবঙ্গের কলকাতায় জন্মগ্রহণ করেন কিংবদন্তি নায়ক রাজ্জাক। সেখানেই ছোটবেলা কাটে। মঞ্চনাটকে অভিনয়ের হাতে খড়িও সেখানে।

নায়করাজের দুই ছেলে বাপ্পারাজ ও সম্রাটও চলচ্চিত্র অভিনয়শিল্পী।

রাষ্ট্রপতির শোক:
রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদ বাংলাদেশের চলচ্চিত্রের কিংবদন্তি অভিনেতা নায়করাজ রাজ্জাকের মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন। এক শোকবার্তায় রাষ্ট্রপতি বলেন, ‘বাংলা চলচ্চিত্রের দর্শকপ্রিয়তা অর্জনে নায়করাজ রাজ্জাকের অবদান চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবে।’ রাষ্ট্রপতি আরও বলেন, বাঙালি সংস্কৃতি চলচ্চিত্রের মাধ্যমে বিশ্বব্যাপী ছড়িয়ে দেওয়ার ক্ষেত্রে তাঁর অবদান প্রজন্ম থেকে প্রজন্ম স্মরণ করবে। 
রাষ্ট্রপতি রাজ্জাকের রুহের মাগফিরাত কামনা করেন এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।

প্রধানমন্ত্রীর শোক:
ঢাকাই ছবির কিংবদন্তি অভিনেতা নায়করাজ রাজ্জাকের মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এক শোকবার্তায় প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশের চলচ্চিত্র জগতে রাজ্জাকের অবদানের কথা স্মরণ করে বলেন, ‘তাঁর মৃত্যুতে দেশের চলচ্চিত্রশিল্পের জন্য একটি অপূরণীয় ক্ষতি হয়ে গেল। তিনি ছিলেন বাংলা চলচ্চিত্রের উজ্জ্বল নক্ষত্র।’

শেখ হাসিনা নায়করাজের রুহের মাগফিরাত কামনা করেন এবং তাঁর শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা প্রকাশ করেন।

এ ছাড়া শোক জানিয়েছেন জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা রওশন এরশাদ।

সুত্র :প্রথম আলো

যেন অবিকল বঙ্গবন্ধু! ভুল হতে পারে আপনারও!!


শিরোনাম পড়ে আঁতকে উঠতে পাড়েন যে কেউ। তবে ঘটনা কিন্তু মিথ্যা নয়। ফেসবুক দুনিয়ায় এক ব্যক্তির ছবি পাওয়া গিয়েছে যিনি দেখতে হুবহু বঙ্গবন্ধু শেখ শেখ মুজিবুর রহমানের মতো। যেন অবিকল কপি টু পেস্ট। যে কেউ প্রথম দেখায় ছবিটাকে বঙ্গবন্ধুর প্রকৃত ছবি বলে মেনে নিতে পারেন। তবে একটু খেয়াল করলেই ভুলটা বুঝতে পারবেন।

ফেসবুকে এই বঙ্গবন্ধু রূপি ব্যক্তির ছবি পোস্ট করে একজন ফেসবুক ব্যবহারকারী লিখেছেন, ‌বলেন তো উনি কে? তিনি অভিনয় করছেন বঙ্গবন্ধুর চরিত্রে। সরকারি অনুদানের ছবিটা শিগগিরই মুক্তি পেতে যাচ্ছে।

কিন্তু চলচ্চিত্রটি কে নির্মাণ করছেন, কিংবা অভিনেতা অভিনেত্রী কারা, এ বিষয়ে কিছুই উল্লেখ করা হয়নি পোস্টটিতে। অন্যদিকে খোঁজ নিয়ে জানা যায়, বঙ্গবন্ধুকে নিয়ে নির্মাণ হচ্ছে এমন কোনো চলচ্চিত্রকে সরকারি অনুদান এখন পর্যন্ত দেওয়া হয়নি। তাহলে কী ব্যক্তি উদ্যোগে কেউ ছবিটা বানাচ্ছেন? সে তথ্যও পাওয়া যায়নি এখন পর্যন্ত।

ঢাকায় নামবে ৪ হাজার চীনা ইলেকট্রিক বাস


ফিটনেসবিহীন বাস সরিয়ে ঢাকায় আধুনিক সুবিধা সংবলিত চার হাজার ইলেকট্রিক বাস সরবরাহের প্রস্তাব দিয়েছে চায়না সাংহাই টেকনোলজি।
বৃহস্পতিবার (২৭ এপ্রিল) রাজধানীর মতিঝিলে দ্য ফেডারেশন অব বাংলাদেশ চেম্বার্স অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির (এফবিসিসিআই) ভবনের সভাকক্ষে এফবিসিসিআই ও চীনের অল-চায়না ফেডারেশন অব ইন্ডাস্ট্রি অ্যান্ড কমার্সের (এসিএফআইসি) যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত ব্যবসায়িক বৈঠকে এ প্রস্তাব উঠে আসে।
প্রতিষ্ঠানটির কর্মকর্তা মি. হুয়া লি বলেন, আমরা পরীক্ষামূলকভাবে কয়েকটি বাস দেবো। এতে ঢাকার সড়কে সুবিধা হলে চার হাজার বাস প্যাকেজ আকারে বাংলাদেশকে দেওয়া হবে।
এফবিসিসিআইয়ের সভাপতি আবদুল মাতলুব আহমাদ বলেন, চায়না প্রতিষ্ঠানটি যে বাসের কথা বলছে সেটি আধুনিক সুবিধা সংযুক্ত। তারা বাংলাদেশের সঙ্গে যৌথভাবে বাস সার্ভিস চালুর আগ্রহ প্রকাশ করেছে।
প্রথমবারের মতো কোনো চীনা মন্ত্রী বিনিয়োগের স্থান খুঁজতে বাংলাদেশ সফর করেছেন জানিয়ে মাতলুব আহমাদ বলেন, চায়না কোম্পানিগুলো বাংলাদেশে পাওয়ার জেনারেশন, ডিস্ট্রিবিউশন, এগ্রো, ফুড প্রসেসিংয়ে বিনিয়োগে আগ্রহ দেখিয়েছে। বিশেষ করে ডেইরি ফার্মে বড় ধরনের সম্ভাবনা দেখিয়েছে তারা। এসব বিষয়ে আমরা তাদের দূতাবাসকে জানিয়েছি এবং তারা রাজি যেকোনো সহায়তায়।
এছাড়া চীনের সঙ্গে কাজের অগ্রগতি নিয়ে কমিটি করা হবে এবং এই কমিটি সামগ্রিক বিষয় নিয়ে প্রতি মাসে জানাবে।
চায়না চেম্বারের এক্সিকিউটিভ ভাইস চেয়ারম্যান মি. চ্যুয়ান ঝেঝু’র নেতৃত্বে চীনের একটি বাণিজ্যিক প্রতিনিধিদল এ ব্যবসায়িক আলোচনায় অংশ নেয়।
এসময় বাংলাদেশে অবস্থিত চীনের রাষ্ট্রদূত মি. মা মিং চিয়াং এবং এফবিসিসিআই মহাসচিব মীর শাহাবুদ্দিন মোহাম্মদসহ উভয় দেশের ব্যবসায়িক প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।
গত বছর চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং-এর বাংলাদেশ সফরে চট্টগ্রাম এবং খুলনায় দুটি বড় তাপ বিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মাণের চুক্তি হয়েছে। এ দুটি প্রকল্প, যার একেকটির ক্ষমতাই এক হাজার ৩২০ মেগাওয়াট।
চট্টগ্রামে কর্ণফুলী নদীর তলদেশ দিয়ে একটি টানেল তৈরির প্রকল্পেও অর্থ সহায়তা দিচ্ছে চীন। এছাড়া একটি সার কারখানা, ন্যাশনাল ডাটা সেন্টার এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ‘কনফুসিয়াস ইনস্টিটিউট’ নামে একটি গবেষণা কেন্দ্র স্থাপিত হচ্ছে চীনা অর্থ সাহায্যে।
সফরে দুদেশের মধ্যে ২৬টি নানা ধরনের চুক্তি এবং সমঝোতা হয়। যার মধ্যে এফবিসিসিআইয়ের সঙ্গে চীনের ব্যবসায়ী প্রতিনিধিদের ১৩টা চুক্তি হয়েছে। এই ১৩টি চুক্তিতে প্রায় এক হাজার তিনশো ষাট কোটি ডলার ব্যবসা এবং বিনিয়োগের সম্ভাবনা

কোরবানি ঈদের ছুটি হচ্ছে ৬ দিন


সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য সুখবর আসছে। এখন থেকে ঈদের ছুটি ছয় দিন করার পরিকল্পনা রয়েছে সরকারের। আসন্ন ঈদুল আজহা থেকে এটি কার্যকর হবে। বর্তমানে ঈদে সরকারি কর্মচারীরা ছুটি পান তিন দিন। চাকরিজীবীদের ঈদে স্বস্তিতে বাড়ি পৌঁছাতে ছুটি বাড়ানোর এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এরই মধ্যে ঈদের ছুটি বাড়ানোর একটি প্রস্তাব জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে পাঠানো হয়। প্রস্তাবটি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার অনুমোদন পেলে মন্ত্রিসভার বৈঠকে উপস্থাপন করা হবে। সরকারি একটি সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।
সূত্র জানায়, প্রস্তাবটি অনুমোদন পেলে এবার ঈদের ছুটি শুরু হবে ৩০ আগস্ট বুধবার থেকে এবং শেষ হবে ৪ সেপ্টেম্বর সোমবার। যদিও এর মধ্যে সাপ্তাহিক ছুটি ঈদের ছুটি হিসেবে কার্যকর হবে। সব মিলিয়ে সরকারি চাকরিজীবীরা এবার ঈদের ছুটি পাবেন ছয় দিন। আর এ ছয় দিন সরকারি, আধাসরকারি, স্বায়ত্তশাসিত, আধা-স্বায়ত্তশাসিত সব প্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকবে। আর ঈদের এ বাড়তি ছুটি কর্মচারীদের ঐচ্ছিক ছুটি থেকে কেটে নেওয়া হবে।
এ বিষয়ে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব ড. মোজাম্মেল হক খান বলেন, বাস্তব প্রেক্ষাপট বিবেচনা করে ঈদে ছুটি বাড়ানোর একটি প্রস্তাব সরকারের উচ্চ পর্যায়ে দেওয়া হয়েছে। সেখান থেকে নীতিগত সিদ্ধান্ত আসার পরই এটি সর্বোচ্চ ফোরামে উপস্থাপন করা হবে। এখানে অনুমোদন পেলে ছুটির আদেশ জারি হবে। না হলে বিদ্যমান নিয়মে ছুটি থাকবে।
তিনি বলেন, সরকার ছুটি বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিলে বছরের নির্ধারিত ছুটি ঠিকই থাকবে। বাড়তি ছুটি কর্মচারীদের ঐচ্ছিক ছুটি থেকে কেটে নেওয়া হবে। অর্থাৎ শুধু ঐচ্ছিক ছুটির সঙ্গে ঈদের ছুটির সমন্বয় করা হবে। সংশ্লিষ্টরা জানান, সব ঠিকঠাক থাকলে এবার ঈদুল আজহা পালন হবে ২ সেপ্টেম্বর শনিবার। ঈদের দিন ও তার আগের দিন পড়ছে সাপ্তাহিক ছুটি। ফলে বিদ্যমান নিয়মে এবার তিন দিন ঈদের ছুটি থাকলে এর দু’দিনই পড়ছে সাপ্তাহিক ছুটি। বাড়তি কোনো ছুটি পাচ্ছেন না সরকারি চাকরিজীবীরা। চাকরিজীবীরা বৃহস্পতিবার অফিস শেষ করে বাড়ির দিকে রওনা হবেন। আবার সোমবার অফিস খোলা থাকায় ঈদের পরের দিন রোববার ঢাকামুখী হবেন। এতে একসঙ্গে রাস্তাঘাটা, ফেরি, লঞ্চ, রেলের ওপর চাপ বাড়বে। মানুষের দুর্ভোগের শেষ থাকবে না। এমনকি গ্রামের সড়কও বেহাল। তারপর এত চাপ মোকাবেলা করা প্রশাসনের পক্ষে কষ্টসাধ্য হয়ে পড়বে। সড়ক দুর্ঘটনার সংখ্যা বাড়ারও আশঙ্কা থাকছে। ফলে চাকরিজীবীদের নির্বিঘ্নে বাড়ি পেঁৗছতে ঈদের ছুটি বাড়ানো হচ্ছে।
জানা গেছে, ঈদে ছুটি বাড়ানোর দাবি সরকারি কর্মচারীদের দীর্ঘদিনের। ২০১০ সালে ঈদুল ফিতরে সরকারি ছুটি তিন দিনের পরিবর্তে পাঁচ দিন করার একটি প্রস্তাব দেয় জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়। যদিও পরে এটি নাকচ হয়ে যায়। গত ঈদুল ফিতরের ছুটিও ছয় দিন করার একটি প্রস্তাব তৈরি করে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়।
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাও এতে সম্মতি দেন; কিন্তু ওই সময় সংসদে বাজেট অধিবেশন থাকায় ছুটি বাড়ানোর প্রস্তাব আর কার্যকর হয়নি। এবার সরকারি কর্মচারীদের দাবি বিবেচনায় নিয়ে এবং ঈদে যাতে ঘরমুখো মানুষ নির্বিঘ্নে যাতায়াত করতে পারেন এ জন্য ছুটি বাড়ানোর প্রস্তাব তৈরি করা হয়েছে। বর্তমানে বছরে অফিস-আদালত ১৫৯ দিন বন্ধ থাকে। এর মধ্যে সাপ্তাহিক ছুটি থাকে ১০৪ দিন। অন্যান্য ছুটি থাকে ৫৫ দিন। খবর সমকাল।

জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নেয়া নিয়ে যা বললেন মৌসুমী


ঢাকাই ছবির প্রিয়দর্শিনী নায়িকা মৌসুমী। প্রায় আড়াই যুগের ক্যারিয়ার তার চলচ্চিত্রে। জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার থেকে শুরু করে অভিনয়ের জন্য অনেক স্বীকৃতি তিনি পেয়েছেন। রুপালি পর্দার বাইরেও দারুণ ব্যক্তিত্ব মৌসুমীর। স্বামী ও দুই সন্তান নিয়ে পরম মমতায় আগলে রেখেছেন সংসার।
আজ মৌসুমীর বিবাহবার্ষিকী। স্বামী-সন্তান নিয়ে একান্তই সময় কাটছে বাসায়। এরই মধ্যে একটি গুজবে বিরক্ত তিনি। গতকাল থেকেই সবখানে ছড়িয়েছে আসছে জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগের হয়ে নির্বাচন করতে যাচ্ছেন মৌসুমী। কিন্তু ‘কেয়ামত থেকে কেয়ামত’ খ্যাত এ অভিনেত্রী জানান, এ খবর সম্পূর্ণই মিথ্যা। এখন পর্যন্ত এমন কোনো সম্ভাবনাই নেই। খবর : জাগো নিউজের।
মৌসুমী বলেন, ‘কে বা কারা বলছেন যে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আমাকে নির্বাচনের প্রস্তাব দিয়েছেন। আমি তাই খুলনা থেকে নির্বাচন করতে যাচ্ছি। এ খবর মিথ্যা। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী আমাকে কোনো প্রস্তাব দেননি। তার সঙ্গে আমার দেখা হয়েছে, অনেক বিষয় নিয়ে কথাও হয়েছে। কিন্তু এসব বিষয়ে কোনো আলাপই হয়নি। তাই গুজবে কান না দিতে আমি সবাইকে অনুরোধ করব।’
এই অভিনেত্রী আরও বলেন, ‘তবে যদি মাননীয় প্রধানমন্ত্রী আমাকে কোনো আদেশ দেন, সেটা নির্বাচন করার জন্যই হোক বা কোনো সমাজসেবামূলক কাজের সঙ্গে জড়িত থাকার জন্যই হোক- আমি মাথা পেতে নেব। তিনি সংস্কৃতিপ্রিয় মানুষ। চলচ্চিত্রবান্ধব তার সরকার। তার প্রতি আমাদের চলচ্চিত্রের মানুষদের অন্যরকম শ্রদ্ধা রয়েছে সবসময়।’
মৌসুমী জানান, তিনি এখনও অভিনয়ে অনেক আনন্দ ও কাজের তৃপ্তি খুঁজে পান। এর পাশাপাশি ইউনিসেফসহ দেশি-বিদেশি নানা সংগঠনের হয়ে সমাজসেবামূলক কাজেও অংশ নেন তিনি। সবার ভালোবাসার এই পরিধিতেই নিজেকে সুখী মনে করেন মৌসুমী। রাজনীতি নিয়ে আপাতত কোনো পরিকল্পনা নেই তার।
মৌসুমী বর্তমানে ‘আমি নেতা হবো’ নামের একটি ছবিতে অভিনয় করছেন।
এছাড়া তার হাতে রয়েছে ‘মামলা হামলা ঝামেলা’, ‘কেউ কথা রাখেনি’ নামের আরও দুটি ছবি। সবগুলো ছবিতেই মৌসুমীর বিপরীতে অভিনয় করছেন তার স্বামী ওমর সানি। এছাড়া ‘দুলাভাই জিন্দাবাদ’ নামের আরেকটি ছবির কাজ সম্প্রতি শেষ করেছেন মৌসুমী।

দেখে অবাক হবেন – জাতীয় নির্বাচনে মনোনয়ন প্রত্যাশী যে তারকারা !


জাতীয় নির্বাচনে মনোনয়ন প্রত্যাশী যে তারকারাএকাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বড় তিনটি দলের মনোনয়ন পেতে দলীয় নেতারাদের পাশাপাশি তদবিরে নেমেছেন, নায়ক, নায়িকা, কণ্ঠশিল্পিরাও পিছিয়ে নেই। অাওয়ামী লীগ, বিএনপি ও জাতীয় পার্টির দলীয় মনোনয়ন পেতে মাঠে নেমেছেন একঝাঁক তারকা।
তারকাদের দলীয় মনোনয়ন এবং মন্ত্রিসভার সদস্য করার পথ দেখিয়েছে অাওয়ামী লীগ। সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব ও খ্যাতিমান অভিনেতা অাসাদুজ্জামান নুর ও অভিনেত্রী তারানা হালিম বর্তমানে মন্ত্রিসভার সদস্য।
অালোচিত নায়িকা কবরীকে সরাসরি ভোটে প্রার্থী করে অাওয়ামী লীগ। বিএনপির প্রার্থীকে পরাজিত করে এমপি নির্বাচিত হয়েছিলেন তিনি। জনপ্রিয় কণ্ঠশিল্পী মমতাজকে সংরক্ষিত অাসনের এমপি করে অাওয়ামী লীগ। অভিনেত্রী তারানা হালিমকে এমপি নির্বাচিত করে দলটি। বর্তমান সংসদে সরাসরি ভোটে নির্বাচিত হয়েছেন মমতাজ।
অাওয়ামী লীগ: বাকের ভাই হিসাবে সারাদেশে পরিচিত মন্ত্রিসভার সদস্য অাসাদুজ্জামান নুর এমপি। পরপর তিনবার তিনি এমপি নির্বাচিত হয়েছেন। নিত্যশিল্পী পিনু খান, কবি কাজী রোজী , জাতীয় ফুটবল দলের সাবেক অধিনায়ক অারিফ খান জয়, জাতীয় ক্রিকেট দলের সাবেক অধিনায়ক নাঈমুর রহমান দূর্জয় বর্তমানে সংসদ সদস্য।
অারিফ খান জয় মন্ত্রিসভায়ও রয়েছেন। অাগামী নির্বাচনে অাওয়ামী লীগের মনোনয়নপ্রত্যাশীদের মধ্যে রয়েছেন খ্যাতিমান চিত্র নায়িকা শাবানা, অভিনেত্রী মৌসুমী, অভিনেত্রী রোকেয়া প্রাচী, চিত্র নায়িকা অঞ্জনা, নায়ক রানা হামিদ। তারকা ফুটবলার অাশরাফউদ্দিন চুন্নু ও বাদল রায় অাওয়ামী লীগের মনোনয়নে নির্বাচন করে পরাজিত হয়েছিলেন।
তারকাদের দলীয় মনোনয়ন দেওয়ার অতীত কোনো রের্কড নেই বিএনপির। তবে অাগামী নির্বাচনে বেশ কয়েকজন তারকা দলটির মনোনয়নপ্রত্যাশী। এরা হলেন, কণ্ঠশিল্পী বেবী নাজনীন, সঙ্গীত পরিচালক গাজী মাজাহারুল অানোয়ার, কণ্ঠশিল্পী মনির খান, অাসিফ অাকবর, চিত্র নায়ক হেলাল খান, চিত্র নায়ক উজ্জল, খল নায়ক দেবা, কবি অাব্দুল হাই শিকদার।
জাতীয় পার্টির মনোনয়নপ্রত্যাশীরা হলেন নায়ক সোহেল রানা ও নায়িকা সিমলা। এছাড়া সাংবাদিক পীর হাবিবুর রহমান ও শামসুদ্দীন অাহমেদও অাগামী নির্বাচনে প্রার্থী হতে চান বলে জানা গেছে।
এছাড়া জাতীয় প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি শওকত মাহমুদ, বর্তমান যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ইলিয়াস খান, সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক কাদের গনি চৌধুরী বিএনপির মনোনয়নপ্রত্যাশী বলে জানা গেছে।