Subscribe:
Showing posts with label লাইফস্টাইল. Show all posts
Showing posts with label লাইফস্টাইল. Show all posts

ডিভোর্সের পর মেয়েরা একা থাকতে পারে না, এই ধারণাটি কতটুকু সত্যি?



ডিভোর্সের পর মেয়েরা একা থাকতে পারে না, এই ধারণাটি কতটুকু সত্যি?

হ্যাঁ, ঠিক এই প্রশ্নটিই আমি করেছিলাম আমার পরিচিত-অপরিচিত অসংখ্য মানুষকে। আমাদের সমাজের অত্যন্ত প্রচলিত একটি ধারণা হচ্ছে- “ডিভোর্সের পর মেয়েরা একা থাকতে পারে না!” শুধু ধারণা হয়, বলা যায় বদ্ধমুল ধারণা। এই একবিংশ শতাব্দীতে এসেও অসংখ্য মেয়ে এই ধারণাটির কারণে সম্পূর্ণ জীবনটি কাটিয়ে দেন কষ্ট আর হতাশায়।

কিন্তু প্রশ্ন হচ্ছে, এই ধারণাটি কতটুকু সত্যি? বা এই ধারণাটা নিয়ে কী ভাবেন বর্তমানের নারী-পুরুষ?

যাদের কখনো ডিভোর্স হয়নি বা খুব কাছের কারো ডিভোর্স দেখা হয়নি… তাঁরা হয়তো কখনোই বুঝতে পারবেন না মূল অবস্থাটি। কিন্তু যারা গিয়েছেন বা এখনও যাচ্ছেন এই পরিস্থিতির মাঝ দিয়ে? হ্যাঁ, একমাত্র তারাই বলতে পারবেন যে সত্যিকারের পরিস্থিতিতি কেমন। আর তাই আমার প্রশ্নটি ছিল এমন কয়েকজন নারীর কাছে, যিনি ডিভোর্স পরবর্তী সময়টি মোকাবেলা করেছেন বা খুব কাছের কারো ডিভোর্স দেখেছেন। আমি জানতে চেয়েছিলাম এই ব্যাপারে তিনি কী মনে করেন, জানতে চেয়েছিলাম তাঁদের জীবনের ঝড়ঝাপটা গুলোর কথা। কী জবাব মিল? তাঁদের মন্তব্যগুলো নাহয় হুবহু-ই তুলে দিচ্ছি পাঠকের জন্য। বাকিটা পাঠক নিজ বিবেক দিয়ে বিবেচনা করবেন।

কাজী নাজিয়া মুশতারী (৩০)
নারী উদ্যোক্তা , রাজশাহী।
আমি থাকি আম্মুর সাথে.. সেরকমভাবে কোন সমস্যায় পড়িনি, বিকজ অফ আমার ভয়াবহ অ্যারোগেন্ট ইমেজের জন্য। এবং এটা আমি নিজেই বানিয়েছি। আমার ডিভোর্স হয়ে গেছে আমি অচ্ছুত হয়ে গেছি, আমার কেউ নাই- এরকম লুতুপুতু ইমেজ বানালে যে কেউ বিরক্ত করতে আসবে। আর সবচে মজার বিষয় হচ্ছে আমার ব্যাপারটা থানা পুলিশ জেল অব্দি গড়িয়েছিল, কিছুটা হলেও শাস্তি দিতে পেরেছিলাম, তাই সবাই এই ভয়টাও পায় কীভাবে লাল দালানে চালান দিতে হয় সেটা আমি জানি, তাই আমাকে না ঘাটানোই ভাল। আর একা থাকার আরেকটা বিষয় নিয়ে সমস্যা হয় সেটা হলো বাসাভাড়া কেউ দিতে চায়না, আবার বাচ্চার স্কুলে অন্য মহিলাদের অযথা কৌতুহল এবং সব সময় নিজেকে একটু সাবধানে রাখতে হয় যাতে কেউ গুজব রটাতে না পারে। তবে এগুলাও মেন্টেন করা যায়। আমরা কেউ ছোট বাচ্চা তো না যে নিজের অসুবিধা বুঝবোনা। একা থাকার সবচে বড় শর্ত হচ্ছে স্বাবলম্বী হওয়া, স্বাবলম্বী যে কেউ একা থাকতে পারে। কারো অনুগ্রহে বা অধীনে বাঁচতে গেলেই একা থাকাটা আর হয়ে ওঠেনা।

সাবরিনা খান (৩৪)
ব্যাংকার, ওয়ান ব্যাংক লিমিটেড, ঢাকা।
আমি ঠিক একা না। মা সাথে থাকে। দোকা থাকা অবস্থাই মা আমার সাথে থাকতো। তবে মা আমাকে আবার বিয়ে করতে আগ্রহী নই বলে ফ্ল্যাট কিনতে বলে। সে সহ সবাই ভয় দেখায় মা চিরজীবন থাকবে না, তখন আমার থাকার জায়গা থাকবেনা। আমি ভাবছি শুধু থাকার জায়গার জন্য কি বিয়ে করা লাগবে!

শাফিয়া (২৮)
গৃহিণী, মিরপুর
সমাজের মানুষ তো একা থাকলেও বলবে, দোকা থাকলেও বলবে। একা বা দোকা থাকা সম্পূর্ণ নিজস্ব ব্যাপার হওয়া উচিৎ। তবে সমাজের কথাটা একেবারেই ফেলে দেওয়ার মতো ও নয়। কারণ-
১. প্রতিটা মানুষেরই একজন সংগী লাগে। যে সুখে দু:খে পাশে থাকবে। মানছি মেয়েরা অনেক স্ট্রং, তারপরও, লাগে কিন্তু একজনকে। শারীরিক মানসিক চাহিদা পূরণের জন্য। অনেকেই হয়তো শারীরিক চাহিদা উপেক্ষা করে থাকতে পারে (রেশিওটা অনেক কম কারণ শারীরিক সম্পর্ক একবার হলে সেটাকে অগ্রাহ্য করাটা টাফ), অনেকে না পারায় অনৈতিক সম্পর্কে লিপ্ত হয়। আবার কেউ হয়তো মানসিক সাপোর্ট এর জন্যও একা থাকতে চায় না।
২. এই সমাজের মানুষই একা থাকতে দিবে না। একা মেয়ে সাবলেটে থাকলেও খারাপ, একা থাকে। আবার চাকরি খুঁজতে গেলেও আগে বিছানায় যাওয়ার প্রস্তাব পায়…. তো বেশিরভাগ মানুষই যেহেতু সুযোগ সন্ধানী তারা তো এভাবেই দেখবে যে একা মানেই একা না, নিশ্চয়ই তার অবৈধ সম্পর্ক আছে। এই বাঁকা চোখটা এড়িয়ে ফাইট করতে ফ্যামিলি সাপোর্ট লাগে যেটা অনেকেই পায়না।
৩. বেশিরভাগ পরিবারের কাছেই এখনো ডিভোর্সি মেয়ে মানেই বোঝা। তাকে যে কোন ধরনের সাপোর্ট দিতে তারা নারাজ।
বাট আমার নিজের যা মনে হয়েছিলো এবার তাই বলি। প্রতিটা মেয়েই নিজের একটা সংসারের স্বপ্ন দেখে। খুবই স্ট্রং একটা কারণে আমার প্রথম বিয়েটা টেকেনি। ৭ বছর চেষ্টা করেছি টেকানোর জন্য। বাট যেটা হওয়ার নয় সেটা হয়না। প্রথমে ভেবেছিলাম স্বাবলম্বী হই। বাট যেখানেই জবের জন্য যেতাম, আকারে ইংগিতে আমাকে বিছানায় শোয়ার আভাস দিতো। নিজের প্রতিই একসময় ঘেন্না লাগা শুরু হলো, যে আমারই নিশ্চয় কিছু একটা প্রবলেম, নাহলে সবাই এই নজরেই কেন দেখবে। তাই একা থাকার চিন্তা বাদ দিয়ে নতুন করে সংসার নিয়ে ভাবতে শুরু করেছিলাম কারণ বিয়ে ভাংগাতে তো আমার দোষ ছিলো না। স্বাভাবিক একটা জীবন চেয়েছিলাম। কারণ তখন হয়তো বয়স কম ছিলো। বাট একটা সময় বয়স বাড়বে। শেয়ারিং কেয়ারিং এর জন্য হলেও জীবনে কাউকে প্রয়োজন। ছোট ছোট স্বপ্ন পূরণের স্বাদ শেয়ার করার জন্য হলেও কাউকে প্রয়োজন। আর আমাদের ধর্মেও কোথাও লেখা নেই যে ডিভোর্স হলে আর বিয়ে শাদি করা যাবে না। বরং সংসারের তাগিদই দেয়া আছে। ব্যক্তির সর্ব প্রকার শান্তির জন্যই আমার মনে হয় একা থাকাটা ঠিক নয়। তবে সবারই এমনটা মনে হবে তা নয়, কারো সাপোর্ট পাইনি তাই হয়তো এমন মনে হয়েছে, ফ্যামিলি সাপোর্ট পেলে হয়তো অন্যরকম ভাবতাম। আসলে যার যার ভাবনা তার তার কাছে যেটা ডিপেন্ড করে সিচুয়েশন এর উপর।

নাজমুন নাহার (২৮)
সেন্ট্রাল হসপিটাল
ব্রাক্ষনবাড়ীয়া।
নিজের সমস্যাটাই বলি, সাত বছর সংসার করার পর হ্যাজবেন্ডের সাইকোলজিক্যাল প্রবলেম এবং পারিবারিক কুটনীতির চালে ডিভোর্স হয়ে যায়। দুবছর একা আছি, প্রাইভেট হসপিটালে জব করি। সমাজ পারিবারিক অবস্থানের কারণে একা থাকা সম্ভবনা পারিবারিক সাপোর্ট কখনোই পাইনি। বরং পরিবার এবং আশপাশ থেকে শুনতে হয় মা-বাবা চিরদিন থাকে না, আবার নতুন করে চিন্তা কর, ভাইবোনরা সবসময় দেখবে না, তাছাড়া সমাজ কি বলবে? আমার প্রশ্ন কেন? সমাজ কি আলাদা কিছু, সমাজ তো আমরাই তৈরী করি। ভাইদের সংসার হবে, বোনের বিয়ে হবে, ঘরে ডিভোর্সী বোন থাকলে সমস্যা- এই ধারণা সমাজে পরিবারে কি আমরা ছড়িয়ে দিচ্ছিনা? হ্যাঁ, দিনশেষে নিজেকে একা লাগে মনে হয় পাশে কাউকে দরকার এই দরকারটা কি শুধু সামাজিক পরিচিতির জন্য নাকি নিজের ভাল থাকার জন্য? সমাজের জন্য রিলেটিভদের জন্য তো সাত বছর নিজেকে সুখী কাপল সাজিয়েছি তাতে নিজে কতটুকু হ্যাপি হয়েছি… দুষ্টু গরুর চেয়ে শূন্য গোয়াল অনেক ভালো। প্রাচুর্য না থাকুক আত্মতৃপ্তি মানসিক শান্তি তো মেলে। আতংকিত জীবন থেকে মুক্তি। হ্যাঁ, এটা সত্যি পারিপার্শ্বিক সব অবস্থা চিন্তা করে একা থাকাটা এই সমাজে নিরাপদ না। ধন্যবাদ আপু।

রোদসী জামান
সরকারি সাদত কলেজ,টাঙ্গাইল।
ডিভোর্সী মেয়েদের আমাদের সমাজ ভাল চোখে দেখে না, আপু। এমনকি আত্নীয় সজন ও প্রতিবেশীদের কথা জীবন অতিষ্ট করে দেয়।প্রায় আড়াই বছর হল ডিভোর্সের এখনও শুনতে হয় আর একটু সহ্য করে গেলেই নাকি পারতাম।কিন্তু আমি জানি ওটা আমার জীবনের সব থেকে ভাল সিদ্ধান্ত ছিল।আর একা থাকা না থাকা যার যার ব্যক্তিগত বিষয়।তুমি যদি মুভ অন করতে রেডি থাকো আর এমন কাউকে খুঁজে পাও যে তোমাকে বুঝে,তোমাকে সন্মান করে তাহলে কেন তার সাথে থাকবে না?

রিলেশন ব্রেকআপ হওয়ার পর যে ৭টি প্রভাব আপনার উপড় পড়বে? কি করবেন তখন? জেনে নিন!!



রিলেশনশিপ জিনিসটা অনেক পাওয়ারফুল একটা জিনিস। এটার ফলে আমাদের লাইফে অনেক প্রভাব পড়ে। আপনি হয়তো কাওকে অনেক বেশি বিশ্বাস করেন। বাট, কোনো এক সময়, কোনো এক কারনে সে আপনাকে অবহেলা করে চলে গেলো। এতে অনেক ক্ষেত্রেই মেয়েরা অনেক বেশি ভেঙ্গে পড়ে, এমনকি সে ছেলেটার প্রতি হিংসায় জ্বলে-পুড়ে যায়। আবার অনেকে বিষয়টাকে অনেক সিম্পলি নিলেও মনে মনে অনেক কস্ট পায়। একেক জনে একেক ধরনের ব্যবহার করলেও, সবাই কিন্তু কস্ট পায়। এটা তাদের অনেক পেইন দেয়। এরকম মূহুর্তে আপনি করবেন? আজকে আমি কয়েকটা বিষয় আপনাদের সামনে তুলে ধরবো-
আপনাকে সিদ্ধান্ত নিতে হবে- এই সময় আপনি সিদ্ধান্তহীনতায় ভুগবেন। জীবনটা আপনার। সো, সিদ্ধান্তটাও আপনাকেই নিতে হবে। এক্ষেত্রে আপনার জন্য কয়েটি পথ খোলা রয়েছে। প্রথমত, আপনি কান্না শুরু করে দিতে পারেন, আর আল্লাহর কাছে এই বলে দোয়া করতে পারেন যে, হায় আল্লাহ, এইটা আমার কি ক্ষতি করলে তুমি ? আর ছেলেটির জন্য অমংগল কামনা করতে পারেন। দ্বিতীয়ত, আল্লাহর কাছে শুকরিয়া আদায় করতে পারেন এই বলে যে, তোমার অনেক রহমত আল্লাহ। তুমি এমন এক ছেলেকে আমার জীবন থেকে সরিয়ে দিয়েছো, যে কিনা আমাকে একটুও ভালোবাসে না।
ধুরে কোথাও ঘুরতে চলে যান- সম্প্রতি যদি কারো সাথে আপনার ব্রেক-আপ হয়ে থাকে তাহলে আপনার মুডটাকে ফ্রেশ করার জন্য এই কাজটা করতে পারেন। এতে আপনার মন শুধু ভালো হবেনা, বরং আপনার মাথায় ঘুরতে থাকা ভুত-পেত গুলাও বের হয়ে। এতে মানসিকভাবে আপনি অনেক বেশি শক্ত হয়ে যাবেন।
সৃষ্টিকর্তার উপড় ভরসা রাখুন- একটা কথা মনে রাখবেন, আমরা যা কিছু করি, যা কিছু হয় আমাদের সাথে তার সবই আমাদের সৃষ্টিকর্তা জানেন এবং উনার ইচ্ছাতেই সবকিছু হয়। আপনার সাথে খারাপ কিছু হলেই এতোসহজে ভেঙ্গে পরার কোনো মানে নেই। ধৈর্য ধরুন, আর আল্লাহকে স্মরন করুন। কারন সবাই আপনাকে হতাশ করলেও একজন করবে না। উনি হলেন, আমাদের সৃষ্টিকর্তা।
সাহস রাখুন- আপনার সাহসীকতায় আপনাকে টিকেয়ে রাখবে এবং সামনের দিকে এগিয়ে নিয়ে যাবে। এটা একটা পরিক্ষা মাত্র। আর আপনি কি সাহসীকতাকে চ্যালেঞ্জ জানাতে ভয় পাইতেছেন? এইটুকু সাহস না থাকলে আপনার জীবনের কোনো মূল্যই নাই। কেও অকারনে আপনাকে কিছু করে চলে যাবে আর আপনি চুপ করে বসে থাকবেন? এটা হতে পারেনা।
আপনার ভালোবাসাকে টিকিয়ে রাখুন

মাথাব্যথা,হাতে পায়ের জয়েন্টে ব্যথা,ঘাড় ও কাধের ব্যথায় পান করুন ‘ব্যথানাশক’ চা। জেনে কিভাবে বানাবেন??


মাথাব্যথা, হাতে পায়ের জয়েন্টে ব্যথা, মাংসপেশি আড়ষ্টতায় ব্যথা, ঘাড় ও কাধের ব্যথায় অনেকেই কাবু হয়ে পড়েন।এই ধরনের ব্যথাগুলো দীর্ঘ মেয়াদী হয়ে থাকে।একবার শুরু হলে সহজে পিছু ছাড়তে চায় না।
আবার এইধরনের ব্যথার পেছনে এই ব্যস্ত যুগে ব্যয় করার মতো সময়ও হয়ে উঠে না। অনেকেই ব্যথানাশক ওষুধ খেয়ে এই ব্যথা কমিয়ে থাকেন। কিন্তু ব্যথানাশক ওষুধের রয়েছে পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া যা দেহের জন্য অনেক খারাপ।
তাই এই সকল শারীরিক ব্যথা দূর করতে প্রাকৃতিক উপায় অবলম্বন করাই ভালো। ভাবছেন এই ব্যথা দূর করতে কী করা যায়?
চলুন তবে দেখে নেয়া যাক এক ধরনের ব্যথানাশক চা তৈরির পদ্ধতি যা দূর করবে শারীরিক দীর্ঘমেয়াদী ব্যথা।
যা যা লাগবে:
২ কাপ পানি
২ চা চামচ চা পাতা
১ চা চামচ তাজা আদা কুচি
২ টি এলাচি (ছেঁচে নেয়া)
১/৪ চা চামচ দারুচিনি গুঁড়ো
১/২ কাপ বাদাম দুধ (বাদাম দুধ না পেলে সাধারণ গরুর দুধ নিতে পারেন)
১/৪ চা চামচ হলুদ গুঁড়ো বা সামান্য কাঁচা হলুদ বাটা
২ চা চামচ মধু
চা তৈরির পদ্ধতি: চুলায় একটি পাত্রে দুই কাপ পানি গরম হতে দিন। পানি গরম হলে এতে আদা কুচি, হলুদ গুঁড়ো/বাটা, দারুচিনি ও এলাচি দিয়ে হালকা আঁচে ১০ মিনিট ফুটতে দিন।
১০ মিনিট ফুটে পানির রঙ হলদেটে হয়ে এলে এতে চা পাতা ছেড়ে দিয়ে ২ মিনিট ফুটিয়ে নিন।অপর একটি পাত্রে দুধ ফুটিয়ে নিন।এবার চুলা থেকে নামিয়ে গরম গরম দুধ ঢেলে ঘন ঘন নেড়ে চায়ে মিশিয়ে নিন।
কাপে চা ছেঁকে নিয়ে এতে মধু মেশান। গরম গরম পান করুন এই ব্যথানাশক চা প্রতিদিন ১ কাপ। এতে দীর্ঘমেয়াদী ব্যথা দূর হবে।

পর্ন সাইটে ঢুকে যে জিনিসটি বেশি দেখে মেয়েরা


অনেকেই ভাবেন মহিলারা পর্নোগ্রাফি দেখেন না। ঠোঁটে ঠোঁট, একটু ঘনিষ্ঠ দৃশ্য– খুব বেশি হলে অ্যাডাল্ট সিনেমা। দৌড় ওই পর্যন্তই। এই ধারণা যদি আপনারও থাকে, তাহলে আপনি ভুলের রাজ্যে আছেন। সাম্প্রতিক একটি সমীক্ষার রিপোর্ট যা বলছে, তা চমকানোর মতোই।
বিশ্বের সবচেয়ে নামী পর্ন সাইটের মধ্যে অন্যতম একটি সাইটের সমীক্ষা রিপোর্টে দেখা গিয়েছে, রীতিমতো হার্ড কোর পর্ন সার্চ করেন সবচেয়ে বেশি সংখ্যক মহিলা। মহিলাদের সার্চ টার্মে এক নম্বরে রয়েছে, ‘world’s biggest c**k’। ২০১৫ সালে মহিলাদের পর্ন সার্চে ৪৯৯ শতাংশই এই শব্দবন্ধগুলি। অন্যান্য সার্চ টার্মের মধ্যে রয়েছে ‘romantic sex’ মাত্র ১২৫ শতাংশ।
মহিলাদের পর্ন সার্চ টার্মের মধ্যে রয়েছে, পুরুষ নিম্নাঙ্গে সুখ দিচ্ছে বা সেক্সের আরামে চরম শীত্‍‌কার। শুধু তাই নয়, প্রেগেন্যান্সি পর্ন বা গর্ভবতী মহিলার মিলনের মতো সার্চ টার্মও রয়েছে তালিকায়। ৩৭ শতাংশ মহিলা সার্চ করেছেন গে সেক্স ভিডিও, যা তাত্‍‌পর্যপূর্ণ।

পুরুষের যে গুণটিকে চেহারার চেয়েও বেশী গুরুত্ব দেয় মেয়েরা!


নারী কিংবা পুরুষ উভয়েরই কাউকে পছন্দ করার ক্ষেত্রে কিছু নিজস্ব রীতি রয়েছে। কাউকে পছন্দ করার ক্ষেত্রে কোন বিষয়গুলো নারী গুরুত্ব দেয়, তা নিয়ে একটি গবেষণা করা হয়েছে। এতে উঠে এসেছে এমন কিছু বিষয়, যা আগে জানা যায়নি। এক প্রতিবেদনে বিষয়টি জানিয়েছে ইন্ডিপেনডেন্ট।
এ গবেষণার জন্য নারীদের বিভিন্ন ধরনের পুরুষের ছবি দেখানো হয় এবং তা থেকে কাদের ভালো লাগে তা জানাতে বলা হয়। তাদের ছবির পেছনের কাহিনী ছিল মূল কৌশল। বিভিন্ন ছবিতে তুলে ধরা হয় তাদের কেউ গৃহহীন মানুষকে সাহায্য করছে কিংবা পানি থেকে শিশুকে উদ্ধার করছে।
বিভিন্ন ধরনের পুরুষের ছবি দেখিয়ে তা থেকে নারীদের দীর্ঘস্থায়ী সঙ্গী হিসেবে কাউকে বেছে নিতে বলা হয়। এতে দেখা যায়, নারীরা কল্যাণ কাজে নিয়োজিত পুরুষদের পছন্দ করে।
এ গবেষণায় আরেকটি বিষয় ছিল চেহারা কিংবা শারীরিকভাবে আকর্ষণীয় পুরুষের সঙ্গে গুণের তুলনা করা। আদর্শ মানুষ অবশ্য শারীরিকভাবে আকর্ষণীয় এবং গুণবান উভয়ই হতে পারে। কিন্তু নারীরা কোন বিষয়টিকে গুরুত্ব দেয়, তা দেখাও ছিল গবেষকদের উদ্দেশ্য। এতে দেখা যায়, শারীরিক আকর্ষণের তুলনায় গুণ নারীরা শেষ পর্যন্ত বেছে নেয়। এক্ষেত্রে দীর্ঘস্থায়ী সম্পর্ক গড়ে তোলার বিষয়টিও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
তবে দীর্ঘস্থায়ী সম্পর্ক নয় বরং শুধু সম্পর্ক গড়ার ইচ্ছা থাকলে তা আকর্ষণীয় পুরুষদের সামান্য ওপরে রেখেছে। তবে উভয় বিষয় বিবেচনা করলে তা কল্যাণ কাজে নিয়োজিত বা পরহিতকর পুরুষদেরই সবচেয়ে আকর্ষণীয় রূপে তুলে ধরে।
গবেষণার ফলাফল প্রকাশিত হয়েছে ইভোলিউশনারি সাইকোলজি জার্নালে।

মাথার চুল বৃদ্ধি বা নতুন চুল গজানোর একটি অবিশ্বাস্য পদ্ধতি


বলা হয়ে থাকে চুল মানুষের সৌন্দর্যের আধার। চুল পড়ে গিয়ে টাক হয়ে যায়। সব বয়সের লোকদের কমবেশি চুল পড়ে থাকে। এমনকি যৌবনেও ঘটে। চুল পড়া একটি সাধারণ রোগ।
চিকিৎসকদের মতে, হরমনের পাশাপাশি প্রোটিন (আমিষ) ও ফ্যাটের (চর্বি) অভাবে মানুষের চুল পড়ে। বাড়িতে বসেই এক বিশেষ পদ্ধতির মাধ্যমে আপনি আপনার চুলের সৌন্দর্য বাড়ান, চুল পড়া রোধ করুন ও মাথায় নতুন চুল গজান।
দইতে চর্বি ও উচ্চ ল্যাকটিক অ্যাসিড থাকে। আমিষ ও চর্বিতে পরিপূর্ণ ডিম। এত প্রোটিন অন্য খাবারে পাওয়া যায় না। এ দই ও ডিম মিশিয়ে চুল পরিচর্যার রেসিপি বানানো যায়। চুলের রুক্ষতা ও ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার হাত থেকে রক্ষা করে এটা।
বিশেষত বাড়িতে বানানো এই রেসিপি চুল পরিষ্কার করে। শুষ্কতার হাত থেকে রক্ষার পাশাপাশি চুল গজাতে বেশ কার্যকরী। মোটের ওপর এটি চুলকে প্রাণবন্ত, স্নিগ্ধতা ও কোমল করার জন্য তুলনা নেই। ঝকঝকে ও স্বাস্থ্যকর চুল পেতে এই রেসিপি মাথায় খুলিতে ক্যলসিয়াম ও প্রোটিন সরবরাহ করে।
মধুও মাথার চুল বৃদ্ধিতে বেশ কাজে দেয়। এতে উপকারী বেশকিছু উপাদান রয়েছে- যেমন ভিটামিন-ই, কে, সি, বি১, বি২ ও বি৬। আর কলা চুলকে ক্ষতির হাত থেকে রক্ষা করতে যুদ্ধ করে।
ডিম, মধু ও বিয়ারের মিশ্রণ আপনার চুল রক্ষায় অবিশ্বাস্য কাজ করে। বিয়ারে ভিটামিন-বি, আয়রন, পটাশিয়াম, ম্যাগনেশিয়াম, ফসফরাস, কপার রয়েছে, যা আপনার চুলকে শক্তিশালী ও চুল গজাতে দারুণ কাজে দেয়।
যেভাবে নতুন চুল গজানোর রেসিপি বানাবেন :
একটি ডিম অথবা এর শুধুমাত্র কুসুম, একটি কলা, এক অথবা দুই কাপ ঘন বিয়ার, এক টেবিল চামচ মধু নিন। এগুলো ভালোভাবে মিশিয়ে চুলে লাগান। এক থেকে দুই ঘণ্টা এভাবেই রেখে দিন। মাথা শুকানোর পর সাধারণভাবে ধুয়ে ফেলুন। মাথার চুল বৃদ্ধি বা নতুন চুল গজাতে এটি সপ্তাহে একবার ব্যবহার করুন

এই “জাপানিজ” ফেসপ্যাকটি সপ্তাহে ১ বার ব্যবহার করুন! যৌবন ধরে রাখুন আজীবন


সৌন্দর্যের দিক থেকে জাপানিজ নারীরা সবসময়েই অনবদ্য। বিশেষ করে তাঁদের ঝলমলে চুল এবং নিখুঁত ত্বকের কারণে। এমন অনেক জাপানিজ চিত্রনায়িকা ও মডেলরা আছেন যাঁদের সত্যিকারের বয়স অনেক বেশি, কিন্তু দেখলে মনে হয় এখনও তরুণী! বিশ্বজুড়েই জাপানিজ নারীদের এই চিরতারুণ্য একটা রহস্যের বিষয়। মজার ব্যাপার হচ্ছে, তাঁদের এই তারুণ্যের পেছনে যে উপাদানটি সবচেয়ে বেশি কাজ করে তা হল ‘ভাত’। কি, অবাক হচ্ছেন? হ্যাঁ, জাপানিজদের বয়স ধরে রাখে ভাতের তৈরি একটি ফেস প্যাক। আসুন তাহলে জেনে নিই সেই জাদুকরী ফেসপ্যাকটির কথা।
উপকরণ –
৩ টেবিল চামচ ভাত
১ টেবিল চামচ মধু
১ টেবিল চামচ গরম দুধ।
যেভাবে তৈরি করবেন –
-চাল সিদ্ধ করুন। অর্থাৎ ভাত রান্না করুন। এবার চাল থেকে পানি আলাদা করে ফেলুন বা মাড় ফেলে দিন।
-গরম ভাত চটকে নিন, নাহলে পরে শক্ত হয়ে যাবে। এর সাথে হালকা গরম বা উষ্ণ দুধ এবং মধু দিয়ে ভাল করে মিশিয়ে প্যাক তৈরি করে নিন।
যেভাবে ব্যবহার করবেন –
-প্রথমে মুখ ভাল করে ধুয়ে ফেলুন। সম্ভব হলে কোন হালকা ক্লিনজার দিয়ে মুখ ধুয়ে ফেলুন।
-মুখ শুকিয়ে গেলে ভাতের প্যাকটি মুখ ও ঘাড়ে ভাল করে লাগান।
-প্যাকটি শুকিয়ে গেলে ভাত সিদ্ধ পানি বা মাড় দিয়ে মুখ ও ঘাড় ধুয়ে ফেলুন।
-সপ্তাহে একবার ব্যবহার করুন।
যেভাবে কাজ করে –
ভাতে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন ই যা ত্বককে ক্ষতিকর উপাদান থেকে রক্ষা করে থাকে ও তারুণ্য ধরে রাখে। তার সাথে সাথে সানবার্নও প্রতিরোধ করে। এছাড়া এতে লিনোলিক এসিড যা ত্বকের বলিরেখা দূর করে ত্বকের উজ্জ্বলতা বৃদ্ধি করে। ভাতের মাড়ে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট উপাদান আছে যা ত্বকের পানির পরিমাণ বজায় রাখার পাশপাশি রক্ত চলাচল ঠিক রাখে।

বাংলায় নামের প্রথম অক্ষর কী বলে আপনার চরিত্র সম্পর্কে, জেনে নিন!!


অ: এঁরা প্রচণ্ড পরিশ্রমী৷ প্রেমে আস্থা রাখেন৷ তবে সংসারের একঘেয়ে বাঁধন পছন্দ করেন না। এঁরা খেতে ভালবাসেন।
আ: এঁরা অত্যন্ত অহংকারী৷ প্রেমিক হিসেবে একেবারেই বিশ্বস্ত নন৷ কাজের ক্ষেত্রেও এঁরা খুব চ্যালেঞ্জ নিতে পারেন।
ই: এঁরা দ্বিমুখী স্বভাবের৷ যেমন দেখান, এঁরা আদতে সেই রকম হন না। নিজের আবেগ প্রকাশ করতে খুব একটা স্বচ্ছন্দ্যবোধ করেন না৷
ঈ: প্রিয়জনের থেকে উপহার পেতে ভালেবাসেন৷ কখনও বা একটু আদুরে গোছের৷ সকলকে নিয়ে চলতে ভালবাসেন।
উ: খুব বেশি কথা বলতে ভালেবাসেন৷ অসততা অপছন্দ৷ এঁদের মধ্যে শিল্প-প্রতিভা দেখা যায়। কাজের ক্ষেত্রে মনযোগী।
ঊ: এঁরা সাধারণত রোমান্টিকতায় নেই৷ সঙ্গীর শারীরিক আকর্ষণ এঁদের কাছে খুব গুরুত্বপূর্ণ৷ ধৈর্য্য কম।
ঋ: এঁদের কাছে নিজের সঙ্গী সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ৷ সঙ্গী পছন্দের ব্যাপারে এঁরা খুবই খুঁতখুতে।
এ: শারীরিক আকর্ষণ খুব একটা জরুরি মনে করেন না। নিজেকে সবসময় সেরা প্রমাণ করার তাগিদ রয়েছে। সম্পর্ক নিয়ে সচেতন।
ঐ: সামাজিকতা সম্পর্কে এঁরা খুব সচেতন৷ সবার সঙ্গে মিশলেও এঁরা সঙ্গী নির্বাচন নিয়ে খুব খুঁতখুতে। অর্থকেই জীবনের সবকিছু মনে করেন না।
ও: কথা দিয়ে কথা রাখতে পছন্দ করেন। রুচিশীল হন। আদর্শবাদী, রোমান্টিক এবং একইসঙ্গে সংবেদনশীল৷
ঔ: সাধারণত এই বর্ণ দিয়ে কোনও নামের শুরু হয় না।
ক: মিষ্টি স্বভাবের। এক সঙ্গে দুটো সম্পর্ক বজায় রাখতে পারেন। কর্মক্ষেত্রেও এঁদের মধ্যে এই গুন দেখা যায়।
খ: এঁরা অত্যন্ত স্বাধীনচেতা৷ সম্পর্কের মধ্যে কোনও স্পেস পছন্দ করেন৷ মাঝে মাঝেই এঁরা খুব ছটফটে৷
গ: অত্যন্ত রোমান্টিক৷ প্রেমিকাকে আগলে রাখাই আপনার জীবনের লক্ষ্য৷ কাজের ক্ষেত্রে খুব খুঁতখুতে।
ঘ: এঁরা সাধারণত রোমান্টিকতায় নেই৷ তবে যৌনতায় আছেন। সঙ্গীর শারীরিক আকর্ষণ এঁদের কাছে খুব গুরুত্বপূর্ণ৷ ধৈর্য্য কম।
ঙ: বাংলায় এই বর্ণ দিয়ে কোনও নাম শুরু হয়।
চ: রোমান্টিক৷ প্রিয়জনের থেকে উপহার পেতে ভালেবাসেন৷ কখনও বা একটু আদুরে গোছের৷ সকলকে নিয়ে চলতে ভালবাসেন।
ছ: সম্পর্কের মূল্য দেন৷ আন্তরিকতা পছন্দ করেন৷ খুব সংবেদনশীল হন৷ হইচই করে সময় কাটাতে ভালবাসেন।
জ: যেটা মনে মনে চান সেটা আদায় করেই ছাড়েন৷ স্বভাবগত দিক থেকে খুব কেয়ারিং৷ উচ্চাকাঙ্খী হওয়ার পাশাপাশি পরশ্রীকাতর৷
ঝ: আনন্দ, বিলাস ভালবাসেন৷ সম্পর্কের ব্যাপারে খুব একটা বিশ্বস্ত নন৷ তবে অত্যন্ত পরিশ্রমী।
ঞ: বাংলায় এই বর্ণ দিয়ে কোনও নাম শুরু হয় না।
ট: খুব বেশি কথা বলতে ভালেবাসেন৷ অসততা অপছন্দ৷ এঁদের মধ্যে শিল্প-প্রতিভা দেখা যায়। কাজের ক্ষেত্রে মনযোগী।
ঠ: এই অক্ষর দিয়ে যাঁদের নাম শুরু হয় তাঁরা আদর্শবাদী ও রোমান্টিক। তবে এঁদের মন খুব স্পর্শকাতর। জীবনে সাফল্য পান।
ড: ভীষণ খুঁতখুঁতে প্রকৃতির৷ খুব পরিশ্রমীও হন এরা৷ লক্ষ্যে পৌঁছতে প্রচণ্ড খাটতে পারেন৷ জীবনে কোনও কিছুকেই অসম্ভব মনে করেন না।
ঢ: এঁদের মধ্যে স্নেহ, মমতা রয়েছে৷ সাধারণত মানসিকভাবে খুব দৃঢ় হন। এদের সহজে সন্তুষ্ট করা যায় না৷
ণ: বাংলায় এই বর্ণ দিয়ে কোনও নামের শুরু হয় না।
ত: এঁরা প্রচণ্ড পরিশ্রমী৷ প্রেমে আস্থা রাখেন৷ তবে সংসারের বাঁধন পছন্দ করেন না। এঁরা খেতে ভালবাসেন।
থ: এই অক্ষর দিয়ে যাঁদের নাম শুরু তাঁরা লাজুক প্রকৃতির৷ তবে খুব বেশি ছক করে, প্ল্যান করে চলতে ভালবাসেন৷
দ: এঁরা খুব রোমান্টিক৷ এঁদের কাছে নিজের সঙ্গী সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ৷ সঙ্গী পছন্দের ব্যাপারে এঁরা খুবই খুঁতখুতে।
ধ: এঁরা দ্বিমুখী স্বভাবের৷ যেমন দেখান, এঁরা আদতে সেই রকম হন না। নিজের আবেগ প্রকাশ করতে খুব একটা স্বচ্ছন্দ্যবোধ করেন না৷
ন: এঁরা আবেগপ্রবণ৷ সম্পর্কের গভীরতা বোঝেন৷ সবকিছুতেই হাত পাকাতে পছন্দ করেন৷ আপনার মধ্যে দয়া-মায়া রয়েছে৷
প: স্বভাবের দিক থেকে হাসিখুশি। এঁরা বন্ধুবান্ধবদের সঙ্গে মজাদার আচরণ করলেও মনের বেদনা প্রকাশ করেন না।
ফ: সামাজিকতা সম্পর্কে এঁরা খুব সচেতন৷ সবার সঙ্গে মিশলেও এঁরা সঙ্গী নির্বাচন নিয়ে খুব খুঁতখুতে। অর্থকেই জীবনের সবকিছু মনে করেন না।
ব: সবসময় কাজের মধ্যে থাকতে ভালবাসেন৷ অন্যের আকর্ষণের কেন্দ্রে থাকা খুব পছন্দের৷ বিশেষ করে বিপরিত লিঙ্গের প্রতি।
ভ: শারীরিক আকর্ষণ খুব একটা জরুরি মনে করেন না। নিজেকে সবসময় সেরা প্রমাণ করার তাগিদ রয়েছে। সম্পর্ক নিয়ে সচেতন।
ম: আদর্শবাদী, রোমান্টিক এবং একইসঙ্গে সংবেদনশীল৷ কথা দিয়ে কথা রাখতে পছন্দ করেন।
য: খুব সংবেদনশীল৷ ব্যক্তিগত স্পেসে কাউকে ঢুকতে দেন না৷ প্রেমে পড়লেও খুব একটা অনুভূতি প্রকাশ পছন্দ নয়৷
র: প্রেমকে চ্যালেঞ্জ হিসেবে দেখেন৷ প্রেমহীন জীবনের কল্পনাও করতে পারেন না৷ কাজের ক্ষেত্রেও এঁরা খুব চ্যালেঞ্জ নিতে পারেন।
ল: এঁরা অত্যন্ত স্বাধীনচেতা৷ সম্পর্কের মধ্যে কোনও স্পেস পছন্দ করেন৷ মাঝে মাঝেই এঁরা খুব ছটফটে৷
শ: এঁরা অত্যন্ত অহংকারী৷ প্রেমিক হিসেবে একেবারেই বিশ্বস্ত নন৷ কাজের ক্ষেত্রেও এঁরা খুব চ্যালেঞ্জ নিতে পারেন।
ষ: একসঙ্গে দুটো সম্পর্ক বজায় রাখতে পারেন। কর্মক্ষেত্রেও এঁদের মধ্যে এই গুন দেখা যায়।
স: কোনও কিছু মনের মতো না হলে তা ছেড়ে দেন৷ প্রতিযোগিতার দৌড়ে সামিল হওয়া খুব পছন্দের৷
হ: অত্যন্ত রোমান্টিক৷ প্রেমিকাকে আগলে রাখাই আপনার জীবনের লক্ষ্য৷ কাজের ক্ষেত্রে খুব খুঁতখুতে।

শরীরের কোথায় তিল থাকলে কি হয়?জেনে নিন বিস্তারিত।



১.মাথায় তিল থাকলে প্রভাব প্রতিপত্তি বৃদ্ধি হবে |
২.কপালে তিল থাকলে মহা ভাগ্যবান হবে |
৩.কপালের ডানপাশে তিল থাকলে সৌভাগ্যবান ও ধার্মিক হবে |
৪.একভ্রুতে তিল থাকলে বিদেশে চাকুরী হবে |
৫.দুই ভ্রুতে তিল থাকলে সুন্দরী স্ত্রী পাবে |
৬.ডান গালে তিল থাকলে ধনবান ও প্রসিদ্ধ হবে |
৭.বাম গালে তিল থাকলে দুঃখ,দুদর্শা,অভাবগ্রস্ত হবে |
৮.উপরের ওষ্ঠে তিল থাকলে সৌখিন ও বিলাসী হবে |
৯.যে কোন ওষ্ঠে তিল থাকলে লজ্জাশীল ও ধনী হবে |
১০.গ্রীবা দেশে তিল থাকলে অন্য লোকের হাতে মৃত্য হবে |
১১.স্কন্ধদেশে তিল থাকলে ধনী লোকের সাহায্যে সহযোগিতা পাবে |
১২.বক্ষস্হলের মাঝখানে তিল থাকলে অনেক সন্তান ও ধনের মালিক হবে |
১৩.বক্ষের ডানপাশে তিল থাকলে জীবনভর দুঃখ কষ্ট পাবে |
১৪.পিঠে তিল থাকলে ক্ষমতাশালী হবে |
১৫.হাতের তালুতে তিল থাকলে সক্ষম ও ভাগ্যবান হবে |
১৬.পায়ে তিল থাকলে পদোন্নতি হবে |

লেবু দিয়ে শরীরের যেকোন কালো দাগ দূর করুণ এক নিমিষে!! জেনে নিন কিভাবে??

সৌন্দর্য চর্চায় লেবুর কোন তুলনাই হয়না। শরীরের কালো দাগ দূর থেকে থেকে শুরু করে ব্রণ কমানো কিংবা বলিরেখা নিয়ন্ত্রণ করা, সব কিছুই সম্ভব।
তাই বিস্তারিত জানতে দেখে নিন বিডি রমণীর আজকের আয়োজন লেবু দিয়ে শরীরের যেকোন কালো দাগ দূর করুণ কৌশল। তাহলে আসুন জেনে নিই কীভাবে ব্যবহার করবেন?
১) লেবুর অ্যান্টি-ব্যাকটেরিয়াল এবং অ্যান্টি-ভাইরাল উপাদান দেহের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়। রোদে পোড়া ত্বক ঠিক করতে লেবু কার্যকর।
২) লেবুতে থাকা বিভিন্ন অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট ত্বকের ভাঁজ ও দাগ দূর করে। লেবুতে থাকা ভিটামিন-সি ব্রণ বা অ্যাকনে সৃষ্টিকারী ব্যাকটেরিয়া দূর করে।
৩) অ্যারোমাথেরাপির ক্ষেত্রেও লেবু গুরুত্বপূর্ণ উপাদান। বয়সজনিত মুখের দাগ সারাতে লেবুর রস কার্যকর। লেবুর রস ব্যবহারে মুখের ব্রণও দ্রুত কমে।
৪) হাতের কনুই, হাঁটু, পায়ের গোড়ালির ময়লা দূর করতে লেবু কার্যকর। হাত ও পায়ের রুক্ষভাব দূর করতে লেবুর রসের সঙ্গে চালের গুড়ো মিশিয়ে হাত পায়ে লাগান।
৫) ত্বকের তৈলাক্ত ভাব দূর করতে সমপরিমাণ শসার রস ও লেবুর রস মিশিয়ে মিশ্রণ তৈরি করে তুলার সাহায্যে মুখে লাগান। ত্বকের তৈলাক্ত ভাব দূর হয়ে ত্বক সতেজ হবে। মিশ্রণটি মুখে লাগানোর সঙ্গে সঙ্গে যদি জ্বলে, তবে দ্রুত ধুয়ে ফেলুন। সে ক্ষেত্রে লেবু ত্বককে অতিরিক্ত শুষ্ক করে ফেলতে পারে।
৬) ত্বকের অতিরিক্ত তেল দূর করার ক্ষেত্রে লেবুর রস ও দুধের মিশ্রণও বেশ কার্যকর। একটি বড় লেবুর অর্ধেক অংশ কেটে তার রস বের করে নিন। এবার তার সঙ্গে ১০ টেবিল চামচ তরল দুধ ভালোভাবে মিশিয়ে নিন।
ধীরে ধীরে পুরো মুখে ম্যাসাজ করুন, ১৫-২০ মিনিট পর ধুয়ে ফেলুন। লেবু ত্বকের তেল দূর করে আর দুধ ত্বকের ময়েশ্চারাইজার ধরে রাখে। এই মিশ্রণটি চোখের চারপাশে সাবধানে লাগাতে হবে।
৭) একটি ডিমের সাদা অংশের সঙ্গে অর্ধেকটা লেবুর রস ও এক টেবিল চামচ কমলা লেবুর রস কুসুম গরম পানি দিয়ে পেস্টের মতো করে মিশিয়ে ত্বকে লাগান। ২০ মিনিট রাখুন। শুকিয়ে যাওয়ার পর ঠাণ্ডা পানিতে ধুয়ে ফেলুন। ত্বকের তৈলাক্ত ভাব দূর করার পাশাপাশি উজ্জ্বলতা বাড়ায়।
৮) একটি বড় লেবুর অর্ধেক অংশ কেটে রস বের করে নিন। তাতে ২ টেবিল চামচ মধু মিশিয়ে মিশ্রণ তৈরি করে মুখে লাগিয়ে রাখুন ১৫ মিনিট। ত্বকে টান টান ভাব হলে ঠাণ্ডা পানিতে ধুয়ে ফেলুন। মধু ত্বক উজ্জ্বল করবে। লেবুর প্রাকৃতিক ব্লিচিং গুণ ত্বককে আরো ফর্সা করবে।