Subscribe:
Showing posts with label জ্ঞান-বিজ্ঞান. Show all posts
Showing posts with label জ্ঞান-বিজ্ঞান. Show all posts

বারমুডা ট্রায়াঙ্গেলে কেন উধাও হয়ে যায় জাহাজ ও প্লেন? ফাঁস হল রহস্য


আটলান্টিক মহাসাগরে প্রায় ৫ লক্ষ বর্গ কিলোমিটার জায়গা জুড়ে বিস্তৃত বারমুডা ট্রায়াঙ্গেল পৃথিবীর সবচেয়ে রহস্যময় অঞ্চলগুলির একটি। বলা হয়, এখনও পর্যন্ত প্রায় ৭৫টি এরোপ্লেন এবং একশোর বেশি জাহাজ এই অঞ্চল পার হতে গিয়ে রহস্যময়ভাবে উধাও হয়ে গিয়েছে। সেই থেকে এই অঞ্চলকে কেন্দ্র করে নানা কল্পনা দানা বেঁধেছে। কেউ বলেছেন, ওই অঞ্চলে আসলে বাসা বেঁধে রয়েছে ভিনগ্রহের প্রাণীরা, কেউ আবার মনে করেছেন, আটলান্টিকের গভীরে রয়ে গিয়েছে কোনও লুপ্ত সাম্রাজ্য। বলা বাহুল্য, এই সমস্ত তত্ত্বের কোনওটিই খুব বিজ্ঞানসম্মত নয়। কিন্তু এবার খোদ বিজ্ঞানীরাই এই রহস্য ভেদ করার লক্ষ্যে এক নতুন তত্ত্ব দাঁড় করিয়েছেন।

একদল বিজ্ঞানী মনে করছেন, এই অঞ্চলে স্থায়ী হয়ে থাকা একটি ষড়ভুজাকার মেঘস্তরই জাহাজ ও এরোপ্লেন লোপাট হয়ে যাওয়ার নেপথ্যে ক্রিয়াশীল। বিজ্ঞানীদের দাবি, এই ষড়ভুজাকার মেঘস্তর ‘এয়ার বম্ব’ তৈরি করে। যার ফলে বারমুডা ট্রায়াঙ্গেলের আবহাওয়া সর্বদাই অত্যন্ত খারাপ হয়ে থাকে। আর এই খারাপ আবহাওয়ার শিকার হয়েই পথভ্রষ্ট হয়ে পড়ে জাহাজ ও এরোপ্লেন, এবং শেষমেষ ভেঙে পড়ে তলিয়ে যায় সমুদ্রের গর্ভে।

বিজ্ঞানীদলের অন্তর্গত আবহবিদ র‌্যান্ডি সারভেনি সংবাদমাধ্যমকে বিষয়টি ব্যাখ্যা করে বলেন, এই ধরনের এয়ার বম্ব আসলে মাইক্রোবার্স্ট নামের উপাদান নিয়ে গড়ে ওঠে। এর প্রভাবে মেঘ থেকে প্রবল বেগে নীচের দিকে হাওয়া নেমে আসে। এই হাওয়ার বেগ ১৭০ মাইল প্রতি ঘন্টার কাছাকাছি হতে পারে। এই তীব্র গতিসম্পন্ন হাওয়া নীচে নেমে এসে সমুদ্রপৃষ্ঠে ধাক্কা খেয়ে চতুর্দিকে ছিটকে পড়ে। এর ফলে তীব্র গতির হাওয়ার একটি আবর্ত তৈরি হয় বারমুডা ট্রায়াঙ্গেলে। এই আবর্তেরই শিকার হয় জাহাজ ও এরোপ্লেনগুলি। নাসার উপগ্রহ চিত্রে নাকি এই ছ’কোণা মেঘস্তরের ছবি ধরা পড়েছে বলে দাবি সারভেনির।

বারমুডা ট্রায়াঙ্গেলের রহস্যের বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা অবশ্য আগেও দিয়েছেন বিজ্ঞানীরা। এই বছরের মার্চ মাসেই একদল বিজ্ঞানী দাবি করেছিলেন, বারমুডা ট্রায়াঙ্গেলে দেড়শো ফুট সমুদ্রগর্ভে নিহিত এবং প্রায় দেড় মাইল বিস্তৃত একটি আগ্নেয়গিরির জ্বালামুখ থেকে ক্রমাগত যে বিস্ফোরণ ঘটে তার প্রভাবেই এরোপ্লেন ও জাহাজ এই অঞ্চল পার হতে গিয়ে একেবারে ধ্বংসের সম্মুখীন হয়। এবারে সারভেনি ও তাঁর সঙ্গীরা অন্য রকম তত্ত্ব খাড়া করলেন। এই তত্ত্ব কতটা যৌক্তিক ভিত্তি পায়, সেটাই এখন দেখার।

বাজ পড়লে টিভি, ফ্রিজ বা কম্পিউটারের সুইচ বন্ধ করে দিলেই নিরাপদ? জেনে নিন সত্যটি…



কী ভাবছেন? টিভি, ফ্রিজ বা কম্পিউটারের সুইচ বন্ধ করে দিলেই নিরাপদ?
চার্জড ক্লাউড বা বিদ্যুৎযুক্ত মেঘের মধ্যে পোটেনশিয়াল ডিফারেন্স থেকে যে বিপুল পরিমাণ বিদ্যুৎ উৎপন্ন হয়, তা-ই আমরা বিদ্যুৎ নামে চিনি। এই বিদ্যুৎ তীব্র গতিতে ধেয়ে আসে পৃথিবীর দিকে। ফলে বিদ্যুতের তারের সঙ্গে এর সংঘর্ষ অনিবার্য হয়ে পড়ে অনেক ক্ষেত্রে। তার বেয়ে এই বিদ্যুৎ ধেয়ে আসতে পারে টিভি, ফ্রিজে।
আকাশ থেকে যে বিদ্যুৎ নেমে আসে, তার স্থায়িত্ব তেমন নয়। কিন্তু ওই অল্পসময়েই টিভি, ফ্রিজ বা কম্পিউটারের সার্কিটের বারোটা বাজিয়ে দিতে পারে। যে গতিতে এই বিদ্যুৎ আসে, তাতে সুইচ বন্ধ করে রাখলেও ক্ষতি হতে পারে অনায়াসে।
ফলে বাজ পড়লে টিভি, ফ্রিজ বা কম্পিউটারের সুইচ তো বন্ধ করবেনই, সঙ্গে প্লাগটিও খুলে দিন।

ফেসবুকের নতুম নিয়মঃ না মানলে ব্লক হয়ে যেতে পারে আপনার আইডি!জানুন বিস্তারিত।


যে সব কারণে সাধারণত ফেসবুক আইডি ব্লক হয় তার কয়েকটি তা থেকে উত্তরণের উপায়সহ উল্লেখ করলামঃ
১. ফেসবুক স্ট্যাটাসে বা ম্যাসেজে আক্রমাত্মক এমন কিছু লিখবেন না যেটা পড়ে মনে হয় আপনি কাউকে হুমকি দিচ্ছেন এমনটা যদি করেন তাহলে সেই বাক্তি যদি আপনার অ্যাকাউন্টে রিপোর্ট করে তাহলে আপনি কিন্তু ব্লক হতেই পারেন,
ফেসবুক এই অভিযোগটিকে খুবই গুরুত্ব সহ বিচার করে। তাই আপনার ফেসবুক অ্যাকাউন্ট টি থেকে কাউকে হুমকি দেওয়া থেকে বিরত থাকুন।
২. আমারা যারা নতুন ফেসবুক অ্যাকাউন্ট করি তারা ফেসবুকে ফ্রেন্ড লিস্ট বন্ধু বাড়ানোর জন্য এক দিনে একাধিক জনকে ফ্রেন্ড রিকুয়েস্ট পাঠিয়ে দিই যা মোটেও ঠিক নয়। এই ভাবে সীমা অতিক্রম করলে আপনার ফেসবুক অ্যাকাউন্ট ব্লক হওয়া থেকে কেউ বাঁচাতে পারবে না।
৩. একই দিনে যদি ফেসবুক পেজ বা গ্রুপে একই ম্যাসেজ লিখে একাধিক বার ম্যাসেজ করা হয় তাহলে আপনার অ্যাকাউন্ট ব্লক হয়ে যেটে পারে । এ ক্ষেত্রে আপনি সেই সব ম্যাসেজ করার সময় কিছুটা পরিবর্তন করে করে ম্যাসেজ করুন ।
৪. আপনি যদি আপনার নিজের ফেসবুক ওয়ালেও একই পোস্ট একাধিক বার দেন তাহলে সেটাকে ফেসবুক স্প্যাম ভেবে আপনার ফেসবুক অ্যাকাউন্ট ব্লক করে দিতে পারে তাই এটা থেকে বিরত থাকার চেষ্টা করুন।
৫. আপনি যদি প্রতিদিন একাধিক ফেসবুক ফ্যান পেজে লাইক করেন তাহলে আপনাকে প্রথমে সতর্কবার্তা দেবে। আপনি যদি তাও একি ভাবে কাজটি চালিয়ে যান তাহলে অ্যাকাউন্ট ব্লক করে দিতে পারে।
*****আপনাদের অনুরোধক্রমে আরো কিছু বিষয় আমি এই লেখার সাথে যোগ করে দিলাম,আমি বলেছিলাম বাংলাদেশী সাব্বিরের আছে 82000 ফেসবুক আইডি, হয়তো আপনার কিংবা অনেকের আইডি আছে তার কাছে,আপনি নিজেও সেটা জানেন না.
এবার নিচের লেখাটি আবারো পড়ুন.
প্রতিদিন আমাদের আইটি বিভাগে অসংখ্য কল আসে, অনেকেই অভিযোগ করেন তাদের ফেসবুক আইডি তে লগইন করতে পারেন না,আবার অনেকেই অভিযোগ করেন তাদের ফেসবুক আইডি থেকে অনেক সময় আজেবাজে কিছু ছবি শেয়ার করা হয় কিন্তু তারা সেটা নিজেরা করেন না,
এখন আমার প্রশ্ন তাহলে এগুলো কি ভুতে করে,না এগুলো মনুস্যবাহি কিছু জানোয়ার এর কাজ যারা হ্যাকিং করে অন্যের ফেসবুক আইডি তে প্রবেশ করে,
আপনার ফেসবুক আইডি নিরাপদে রাখতে হলে ফেসবুকের প্রাইভেসি এবং সেটিংস ঠিকমতো রাখার পাশাপাশি এই কাজগুলো কখনো করবেন না
কোন পোস্টের নিচে অনেকেই কমেন্ট করেন কিংবা বিভিন্ন গ্রুপ এ স্টাটাস দেন এভাবে ব্রেকিং নিউজ এইমাত্র ফাস হলো রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের এক ছাত্রীর গোপণ সেক্স ভিডিও,ভিডিও টি দেখতে এই লিঙ্কে ক্লিক করুন.
অনেকেই আবার এভাবে দেন,নায়িকা পুর্নিমা যে এত খারাপ নিচের সেক্স ভিডিও টি না দেখলে বুজতে পারতাম না,
আবার অনেক সময় টাকার লোভ দেখিয়ে এভাবে দেওয়া হয়,নিচের সহজ প্রশ্ন গুলোর উত্তর দিয়ে বুজে নিন দুইশো টাকা বিকাশ,
অনেকেই আবার অন্যভাবে লিংক গুলো ছাড়েন,এই ধরুন এভাবে আপনি কি আপনার ফেসবুকে অটো ফলোয়ার বাড়াতে চান,অটো লাইক চান তাহলে নিচের লিংকে ক্লিক করো.
এই সব লিংক গুলোতে থাকে অটো জেনারেটেড পাওয়ার,আপনি ক্লিক করার সাথে সাথেই আপনার ফেসবুক আইডি এবং পাসওয়ার্ড চলে যাবে হ্যাকারদের হাতে.
অনেক সময় হ্যাকাররা এগুলো হ্যাকিং করে অনেকের কাছে টাকা দাবি করে আবার কারও আইডি একটু পপুলার দেখলে সেগুলো পাসওয়ার্ড চেঞ্জ করে ব্যাবহার করে, নিজের আইডি নিরাপদে রাখতে হলে কখনো এইসব লিংকে ক্লিক করে আপনার মুল্যবান সম্পদটি নস্ট করবেন না.
এগুলো হলো হ্যাকিং এর সহজ সিস্টেম এছাড়াও অনেক কঠিন পন্থা প্রয়োগ করতে পারে সেগুলো হলো এমন,যদি আপনার ফেসবুকের মোবাইল নাম্বার কিংবা ইমেল আইডি জানা থাকে তাহলে কিছু অটোরান সফটওয়্যার এর মাধ্যমে বার বার সার্চ করে পাসওয়ার্ড খুজেঁ বের করা হয়.
তাই যথাসম্ভব ফেসবুকের ইমেল এবং মোবাইল নাম্বার গোপন রাখা সবচাইতে ভালো

সর্বত্র ছড়িয়ে পড়েছে নকল ডিম, জেনে রাখুন বিষাক্ত ডিম চিনে নেয়ার ১০টি লক্ষণ


নকল বা কৃত্রিম ডিমের কথা এখন সবাই জানেন। অনেকেই বিষয়টিকে গুজব বলে উড়িয়ে দিলেও এখন আর সেটা গুজবের পর্যায়ে নেই। কেননা খোদ বাংলাদেশেই নকল ডিম কেনার ও খাওয়ার অভিজ্ঞতা অনেকের হয়েছে। এবং আক্ষরিক অর্থেই চিন থেকে বিপুল পরিমাণ নকল ডিম ছড়িয়ে পড়ছে বাংলাদেশে-ভারত-মায়ানমার সহ আশেপাশের অনেক দেশেই।
মায়ানমারের রাষ্ট্রীয় টেলিভিশন এবং ইন্ডিপেন্ডেন্ট মর্নিং নিউজ এজেন্সি-সহ বেশ কয়েকটি বিদেশি সম্প্রতি জানিয়েছে যে, মায়ানমারের রাজধানী ইয়াঙ্গুনসহ ওই দেশের বিভিন্ন এলাকায় সীমান্তের চোরাপথে চিন থেকে কৃত্রিম ডিম পাচার হচ্ছে। চোরাপথে সেই ডিম ভারত-সহ আশপাশের অন্যান্য দেশেও সয়লাব হয়েছে নকল ডিমে। যা দেখতে একদম হাঁস-মুরগির মতো।
প্রসঙ্গত, ২০০৪ সাল থেকেই তৈরি হচ্ছে কৃত্রিম ডিম। যুক্তরাষ্ট্র থেকে প্রকাশিত বিজ্ঞান সাময়িকী ‘দ্য ইন্টারনেট জার্নাল অফ টক্সোকোলজি’তে কৃত্রিম ডিম সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য দেওয়া আছে।
তাতে অবশ্য একথাও বলা আছে যে, কৃত্রিম ডিমে কোনও খাদ্যগুন নেই। নেই কোনও প্রোটিন নেই। বরং তা মানবদেহের জন্য মারাত্মক ক্ষতিকারক। চীনে তৈরি হওয়া এসব কৃত্রিম বা নকল ডিম এক কথায় বিষাক্ত। কৃত্রিম ডিম তৈরিতে ব্যবহৃত রাসায়নিক উপাদান ক্যালসিয়াম কার্বনেট, স্টার্চ, রেসিন, জিলেটিন মানবদেহের জন্য খুবই ক্ষতিকর। দীর্ঘদিন এই ধরনের ডিম খেলে স্নায়ুতন্ত্র ও কিডনিতে সমস্যা হতে পারে। ক্যালসিয়াম কার্বাইড ফুসফুসের ক্যান্সারসহ জটিল রোগের কারণ।
কীভাবে চিনবেন নকল ডিম?
-কৃত্রিম ডিম অনেক বেশি ভঙ্গুর। এর খোসা অল্প চাপেই ভেঙে যায়।
-এই ডিম সিদ্ধ করলে কুসুম বর্ণহীন হয়ে যায়।
-ভাঙার পর আসল ডিমের মতো কুসুম এক জায়গায় না থেকে খানিকটা চারপাশে ছড়িয়ে পড়ে। অনেক সময় পুরো কুসুমটাই নষ্ট ডিমের মত ছড়ানো থাকে।
-কৃত্রিম ডিম আকারে আসল ডিমের তুলনায় সামান্য বড়
-এর খোলস খুব মসৃণ হয়। খোসায় প্রায়ই বিন্দু বিন্দু ফুটকি দাগ দেখা যায়।
-রান্না করার পর এই ডিমে অনেক সম্যেই বাজে গন্ধ হয়। কিংবা গন্ধ ছাড়া থাকে। আসল কুসুমের গন্ধ পাওয়া যায় না।
-নকল ডিমকে যদি আপনি সাবান বা অন্য কোন তীব্র গন্ধ যুক্ত বস্তুর সাথে রাখেন, ডিমের মাঝে সেই গন্ধ ঢুকে যায়। রান্নার পরেও ডিম থেকে সাবানের গন্ধই পেতে থাকবেন।
-নকল ডিমের আরেকটি উল্লেখ্য যোগ্য লক্ষণ হলো ডিম দিয়ে তৈরি খাবারে এটা ডিমের কাজ করে না। যেমন পুডিং বা কাবাবে ডিম দিলেন বাইনডার হিসাবে। কিন্তু রান্নার পর দেখবেন কাবাব ফেটে যাবে, পুডিং জমবে না।
-নকল ডিমের আকৃতি অন্য ডিমের তুলনায় তুলনামূলক লম্বাটে ধরণের হয়ে থাকে।
-নকল ডিমের কুসুমের চারপাশে রাসায়নিকের পর্দা থাকে বিধায় অক্ষত কুসুম পাওয়া গেলে সেই কুসুম কাঁচা কিংবা রান্না অবস্থাতে সহজে ভাঙতে চায় না।

আপনার জীবন বদলে দিতে পারে মনিষী জালাল উদ্দিন রুমির এই ১০টি জ্ঞানগর্ভ উক্তি


এখানে ১০টি জনপ্রিয় উক্তি তুলে ধরা হলো। এগুলো ১৩ শতকের জনপ্রিয় পার্সি কবি জালাল উদ্দিন মুহাম্মদ রুমির উক্তি। এগুলো হতে পারে আপনার জীবনের অনেক বড় শিক্ষা।
১. তুমি সাগরে এক বিন্দু পানি নও। তুমি এক বিন্দু পানিতে গোটা এক সাগর।
শিক্ষাটা হলো- নিজের মূল্য বুঝতে হবে।
২. আমাদের মধ্যে এক অদৃশ্য শক্তি লুকিয়ে আছে। এটা যখন দুটো বিপরীতমুখী বাসনার উপলব্ধি প্রকাশ করে, তখন তা শক্তিশালী হতে থাকে।
শিক্ষাটা হলো- নিজের প্রতি চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে দিতে থাকুন।
৩. গতকাল আমি চতুর ছিলাম। তাই আমি পৃথিবীটাকে বদলে দিতে চেয়েছিলাম। কিন্তু আজ আমি জ্ঞানী, তাই নিজেকে বদলে ফেলতে চাই।
শিক্ষাটা
হলো- পরিবর্তনটা আপনি আনুন।
৪. শোক করো না। তুমি যাই হারাও না কেন তা অন্য কোনো রূপে ফিরে আসবে।
শিক্ষাটা হলো- ইতিবাচক থাকুন।
৫. প্রত্যেককে বানানো হয়েছে নির্দিষ্ট কাজের জন্য এবং প্রত্যেক হৃদয়ে সেই কাজটি করার আকাঙ্ক্ষাও দিয়ে দেওয়া হয়েছে।
শিক্ষাটা হলো- নিজের আবেগ নিয়ে বেঁচে থাকুন।
৬. কেউ যখন কম্বলকে পেটাতে থাকে তখন সেটা কম্বলের বিরুদ্ধে নয়, ধুলোর বিরুদ্ধে।
শিক্ষাটা হলো- মনোযোগী থাকুন।
৭. আমাদের চারদিকে সৌন্দর্য ছড়িয়ে রয়েছে। সাধারণত একে বুঝতে একটি বাগানে হাঁটার প্রয়োজন অনুভব করি আমরা।
শিক্ষাটা হলো- নিজের পথ নিজেই সৃষ্টি করুন।
৮. যখন নিজের মূল্য নির্ধারণের দিনটি আসবে তখন আপনার পরিচয় ফুটিয়ে তোলাটাই বিজ্ঞানের নির্যাস।
শিক্ষাটা হলো- আপনি যেমন তেমনই থাকুন।
৯. শোক প্রকাশ হতে পারে সমবেদনার বাগান। যদি সবকিছুতে নিজের হৃদয়টাকে উদার রাখতে পারেন, বেদনা আপনার শ্রেষ্ঠ বন্ধু হতে পারে।
শিক্ষাটা হলো- ভালোবাসা ও জ্ঞানের জন্য নিজের যাত্রাটাকে নিরবচ্ছিন্ন রাখুন।
১০. আমার প্রথম প্রেমের গল্প শোনামাত্র তোমাকে খুঁজতে থাকি, কিন্তু জানি না ওটা কতটা অন্ধ ছিল। প্রেম আসলে কোথাও মিলিত হয় না। সারাজীবন এটা সবকিছুতে বিরাজ করে।

ফেসবুকে প্রতারণার ফাঁদ, সাবধান!


ফেসবুক। শহর-গ্রাম সবখানেই সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম হিসেবে সাধারণ মানুষের কাছে ব্যাপক জনপ্রিয়। আর বিপুল মানুষের পছন্দের মাধ্যমটিকে ব্যবহার করে মানুষের সঙ্গে প্রতারণা করতে রাজধানীসহ সারাদেশে বেশ কয়েকটি চক্র সক্রিয় আছে জানিয়েছে পুলিশ।
ফেসবুক আইডি হ্যাক করে অর্থ আদায় করা প্রতারক চক্রের সদস্য আজাদ হোসেন। গেল ১৫ আগস্ট রাজধানীর খিলক্ষেত এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেফতার করে ঢাকা মহানগর পুলিশের কাউন্টার টেরোরিজম ইউনিটের সাইবার নিরাপত্তা ও অপরাধ দমন বিভাগ।
গোয়েন্দাসূত্র জানায়, ফ্রেন্ড রিকোয়েস্ট পাঠিয়ে ও বেশকিছু ডোমেইন ব্যবহার করে এসব প্রতারক চক্র অপকর্ম করে আসছে। তারা এসব ডোমেইনে ফ্রি ওয়েব ফিশিং সাইট খুলে লাইক বাড়ানো এবং চটকদার ভিডিও দেখানোর কথা বলে প্রতারণা করে বিভিন্ন ব্যক্তিকে ইনবক্সে মেসেজ পাঠায়। তাদের পাতানো ফাঁদে পা দিয়ে আইডি ও পাসওয়ার্ড খোয়াচ্ছেন অনেকেই। পরবর্তীতে আইডি ও পাসওয়ার্ড দিয়ে প্রতারক চক্র অ্যাকাউন্টগুলো তাদের নিজেদের নিয়ন্ত্রণে নিয়ে নেয়।
ঢাকা মহানগর পুলিশের কাউন্টার টেরোরিজম ইউনিটের সাইবার নিরাপত্তা ও অপরাধ দমন বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার (ডিসি) মোঃ আলীমুজ্জামান আরটিভি অনলাইনকে বলেন, ‘এই প্রতারক চক্রের সদস্যরা সাধারণত তাদেরই ফেসবুক আইডি হ্যাক করার চেষ্টা করেন, যাদের আইডির তথ্যে সহজে পাওয়া যায়। অর্থাৎ যেটির প্রাইভেসি পাবলিক করা। এরা সাধারণত এই প্রাইভেসি পাবলিক করে রাখা ফেসবুক আইডির মালিকদের খুঁজে বের করে তাদের র‌্যানডমলি ফ্রেন্ড রিকোয়েস্ট পাঠান। যারা তাদের এই ফ্রেন্ড রিকোয়েস্ট অ্যাকসেপ্ট করেন তারাই মূলত এই চক্রের শিকারে পরিণত হন।’
গোয়েন্দা তথ্যমতে, পরে ওই প্রতারক চক্রের সদস্যরা বিকাশ নম্বরে টাকা দেয়ার বিনিময়ে অ্যাকাউন্ট ফেরত দেবে বলে ফেসবুক অ্যাকাউন্টের আসল মালিকদের ব্ল্যাকমেইল করে। কিংবা আসল ফেসবুক মালিকের অ্যাকাউন্টের বিভিন্ন বন্ধুকে তিনি বিপদে পড়েছেন বলে সহানুভূতি চেয়ে টাকা বিকাশ করে দিতে বলে।
মূলত মানসিক চাপ প্রয়োগ করে ফেসবুকের প্রতারক চক্রের সদস্যরা সাধারণ মানুষের কাছ থেকে বিকাশ বা অন্যান্য আরো টাকা লেনদেনের মাধ্যম ব্যবহার করে টাকা হাতিয়ে নেবার চেষ্টা চালায়। আর্থিকভাবে লাভবান হওয়াই এদের মূল লক্ষ্য।
ফেসবুক প্রতারণায় জড়িতদের বিষয়ে জানতে চাইলে ঢাকা মহানগর পুলিশের অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার (মিডিয়া) মোহাম্মদ ইউসুফ আলী বলেন, ফেসবুকে প্রতারণায় বেশকিছু চক্র জড়িত। এদের ব্যাপারে আমরা অনেক অভিযোগও পেয়েছি। সেই সঙ্গে সাম্প্রতিক সময়ে এরকম একটি সক্রিয় চক্রের এক সদস্যকে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী গ্রেফতারও করেছে।
তিনি আরো বলেন, আমাদের প্রত্যেককে এই প্রতারণার বিষয়ে আরো সচেতন ও সাবধানী হতে হবে। কেননা যেকোনো দুর্ঘটনা বা বিপদ এড়াতে সবার আগে প্রয়োজন ব্যক্তি সচেতনতা। সেই সঙ্গে ফেসবুক ব্যবহারেও সচেতন হোন। অপরিচিত কারো কাছ থেকে ফ্রেন্ড রিকোয়েস্ট পেলে আগে যাচাই করে পরে তাকে আপনার বন্ধু তালিকায় যোগ করুন। অপরিচিত কোনো ব্যক্তির কাছ থেকে ফেসবুকে মেসেজ পেলে তা পড়ার আগে সতর্ক থাকবেন। এ ধরনের যে কোনো প্রতারক চক্রের সন্ধান পেলে নিকটস্থ থানায় অভিযোগ করুন। – rtvonline

১২ আগস্টে আর রাত নামবে না পৃথিবীতে?


আকাশপ্রেমীরা এই আগস্ট মাসে বেশ ব্যস্ত। প্রথমে চন্দ্রগ্রহণ, এরপর আসছে সূর্যগ্রহণ। আর বাজারে নতুন খবর। ১২ই আগস্ট নাকি রাত নামবে না পৃথিবীতে। মানে গোটা ২৪ ঘণ্টা জুড়ে শুধুই নাকি দিনের আলো থাকবে। আর সেই গোটা দিনের সৌজন্যে থাকবে পার্সিড উল্কা।
ইন্টারনেটে এখন খবরের শিরোনামে এই পার্সিড উল্কা। একটি জাতীয় সংবাদপত্রে প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী আপাতত ভাইরাল এই বিষয়। সমস্যা শুধু একটাই, ঘটনার থেকে রটনা বেশি হচ্ছে পার্সিড উল্কা নিয়ে। আর এই রটনাকেই অনেকে সত্যি বলে ধরে নিচ্ছেন।
পার্সিড উল্কা ঠিক কি? জানেন না অনেকেই।
ধূমকেতু সুইফ্ট টাটেলের গতিপথে ফেলে যাওয়া ধুলা ও ধ্বংসাবশেষের যে রেখা তৈরি হয়, সেখান থেকে প্রতিবছর আগস্ট মাসে পৃথিবীর আকাশে দেখা যায় পার্সিড উল্কাপাত। এই ধূমকেতুর অংশ পৃথিবীর বায়ুমণ্ডলের সংস্পর্শে এলে ঘটে আলোর বিচ্ছুরণ। ১৭ই জুলাই থেকে এই উল্কাপাত শুরু হলেও, তা নজরে আসেনি। বিজ্ঞানীরা বলছেন, ১২ই আগস্ট সবচেয়ে বেশি উল্কাপাত হবে। ফলে রাতের অন্ধকারকে ছাপিয়ে আলোর বৃষ্টিতে উজ্জ্বল হয়ে উঠবে পৃথিবী।
তবে রাত হবে না পৃথিবীতে। এই তত্ত্বকে পুরোপুরি উড়িয়ে দিচ্ছেন নাসার মেটিওরয়েড এনভায়রনমেন্ট বিভাগের প্রধান বিল কুক। এটা মানবসভ্যতার উজ্জলতম উল্কাপাত নয় বলে তাঁর ব্লগে জানাচ্ছেন কুক। সাধারণত উল্কার গতি ঘন্টায় ৮০-১০০ কিলোমিটার হয়। তবে এবার সেই গতি বেড়ে দাঁড়াবে ১৫০। তাই শনিবার রাত নামবে না পৃথিবীতে, এই তত্ত্ব একেবারেই ভুল। সূত্র: সংবাদ প্রতিদিন

বিশ্বের সবচেয়ে বেশি ধনী আর গরিব দেশের তালিকা প্রকাশ। দেখুন বাংলাদেশের অবস্থান কততম!


বিশ্বের সবচেয়ে বেশি ধনী আর গরিব দেশের তালিকা প্রকাশ – ক্রেডিট সুইস গ্লোবাল ওয়েলথ রিপোর্ট ২০১৬-এ এই চিত্র উঠে এসেছে। সম্প্রতি এ প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে আন্তর্জাতিক গবেষণা প্রতিষ্ঠান ক্রেডিট সুইস। সেই প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বিশ্বের মোট দরিদ্র মানুষের ২০ শতাংশই থাকে মোট ছয়টি দেশে। দেশগুলোর শীর্ষে আছে ভারত। অন্য দেশগুলো হলো চীন, নাইজেরিয়া, বাংলাদেশ, ইন্দোনেশিয়া ও যুক্তরাষ্ট্র। বিশ্বের ২৫ শতাংশের বেশি গরিব মানুষ ভারতীয়। আর বিশ্বের ৩ দশমিক ৪ শতাংশ গরিব মানুষ বাস করে বাংলাদেশে। এ তালিকায় বাংলাদেশের অবস্থান চতুর্থ। এ ছাড়া গরিবদের সাড়ে ৭ শতাংশ চীনে ও ৩ দশমিক ৬ শতাংশ নাইজেরিয়ায় বাস করে।
ক্রেডিট সুইসের প্রতিবেদন অনুযায়ী, ১ শতাংশ ধনী মানুষের কাছে বিশ্বের প্রায় ৫১ শতাংশ সম্পদ রয়েছে। এ ধরনের ধনী মানুষকে বনেদি হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে প্রতিবেদনে। যে ১ শতাংশ বনেদি ধনী বিশ্বের অর্ধেকের বেশি সম্পদের মালিক, তাঁদের অর্ধেকই তিনটি দেশের নাগরিক। দেশগুলো হলো যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য ও জাপান। বনেদি ধনীদের প্রতি তিনজনের একজনই যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিক। প্রায় ৩৮ শতাংশ বনেদি ধনী যুক্তরাষ্ট্রের। বনেদি ধনীদের মধ্যে জাপানি আছেন ৯ দশমিক ৭ শতাংশ। সবচেয়ে গরিবদের দেশ ভারতেও বনেদি ধনী আছেন। বিশ্বের প্রতি ২০০ জন বনেদি ধনীর মধ্যে ১ জন ভারতীয়।
বিশ্বের এক-তৃতীয়াংশ সম্পদের মালিক যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকেরা। অথচ বিশ্বের ৫ দশমিক ১ শতাংশ কর্মক্ষম জনগোষ্ঠী আছে যুক্তরাষ্ট্রে। অন্যদিকে বিশ্বের ১৬ দশমিক ৭ শতাংশ কর্মক্ষম জনগোষ্ঠী ভারতে থাকার পরও দেশটি বিশ্বের মাত্র ১ দশমিক ২ শতাংশ সম্পদের মালিক।
প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, বিশ্ব মন্দার পর থেকে যুক্তরাষ্ট্রের সম্পদ বৃদ্ধির প্রবণতা অব্যাহত আছে। আবার জাপানের সম্পদ বেড়েই চলেছে। তবে ইউরোপীয় ইউনিয়ন থেকে বের হয়ে যাওয়ার পক্ষে ভোট দেওয়ার পর যুক্তরাজ্য দেড় ট্রিলিয়ন ডলারের সম্পদ লোকসান করেছে।
২০১৬ সালে বিশ্বের মোট সম্পদের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ২ কোটি ৫৫ লাখ ৭০ হাজার ৮০০ কোটি ডলার। অঞ্চলভিত্তিক হিসাবে সবচেয়ে সম্পদশালী হলো উত্তর আমেরিকা। সবচেয়ে দরিদ্র আফ্রিকা। বিশ্বের অন্যতম বড় অর্থনীতির দেশ চীনের সম্পদের পরিমাণ ২৩ লাখ ৩৯ হাজার ৩০০ কোটি ডলার। বিশ্ব অর্থনীতিতে আরেক প্রভাবশীল দেশ ভারতের ৩ লাখ ৯ হাজার ৯০০ কোটি ডলারের সম্পদ আছে। তবে ২০১৫ সালের তুলনায় চলতি বছরে এ দুটি দেশের সম্পদের পরিমাণ কমেছে। একজন ভারতীয় গড়ে ৩ হাজার ৮৩৫ ডলারের সম্পদের মালিক। আর চীনে এর পরিমাণ গড়ে ২২ হাজার ৮৬৪ ডলার।
এদিকে যুক্তরাষ্ট্র, কানাডাসহ উত্তর আমেরিকার একজন নাগরিক গড়ে ৩ লাখ ৩৭ হাজার ৭৮ ডলারের সম্পদের মালিক। ইউরোপের একজন নাগরিক গড়ে সোয়া লাখ ডলারের সম্পদের মালিক। একমাত্র উত্তর আমেরিকার ছাড়া আগের বছরের তুলনায় এ বছর বিশ্বের সব অঞ্চলের নাগরিকের গড় সম্পদের পরিমাণ কমেছে।
অন্যদিকে নিচের দিকে থাকা ৫০ শতাংশ মানুষের সম্পদের পরিমাণ দিন দিন কমছে। এ বিশাল জনগোষ্ঠীর মোট সম্পদের পরিমাণ বিশ্ব সম্পদের মাত্র দশমিক ২ শতাংশ। ২০১০ সালেও এর পরিমাণ ছিল ১ দশমিক ৬ শতাংশ।
গরিব মানুষের শীর্ষ পাঁচদেশ
অবস্থান – দেশ – বিশ্বের কত শতাংশ গরিবেরবাস
১- ভারত – ২৫.৪%
২ – চীন -৭.৫%
৩- নাইজেরিয়া -৩.৬%
৪ – বাংলাদেশ -৩.৪%
৫ – ইন্দোনেশিয়া -৩.১%