Subscribe:
Showing posts with label অপরাধ জগৎ. Show all posts
Showing posts with label অপরাধ জগৎ. Show all posts

প্রধান শিক্ষকের সঙ্গে শিক্ষিকার পরকীয়া…


বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষিকার সাথে প্রধান শিক্ষকের অনৈতিক সম্পর্কের ঘটনায় প্রধান শিক্ষকসহ ঐ শিক্ষিকাকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। বরখাস্ত হওয়া প্রধান শিক্ষকের নাম গোলাম রব্বানী, সহকারী শিক্ষিকার নাম সুমিত্রা রানী।
লালমনিরহাটের কালীগঞ্জ উপজেলার হাজরানীয়া উচ্চ বিদ্যালয়ের ঘটনা এটি।
শিক্ষার্থী ও স্থানীয়রা জানান, এ বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষিকা সুমিতা রানীর সাথে দীর্ঘ দিন ধরে পরকীয়া সম্পর্ক ছিল বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক গোলাম রব্বানীর। বেশ কিছু দিন বিদ্যালয়ের বাথ রুমে ওই দুই শিক্ষককে আপত্তিকর অবস্থায় ধরে ফেলেন শিক্ষার্থী ও শিক্ষকরা। শুধু তাই নয় একাধিক ছাত্রী প্রধান শিক্ষক গোলাম রব্বানীর হাতে ইভটিজিং এর শিকার হয়ে বিদ্যালয়ে যাওয়া বন্ধ করে দেন।
গত ১৮ জুলাই ওই দুই শিক্ষককে অনৈক কাজের সময় হাতে নাতে ধরে গণধোলাই দেন স্থানীয়রা। এরপর থেকে বিদ্যালয়ে উপস্থিত হননি প্রধান শিক্ষক।
বুধবার (২৬ জুলাই) প্রধান শিক্ষক গোলাম রব্বানী বিদ্যালয়ে উপস্থিত হলে বিক্ষুব্ধ শিক্ষার্থী ও অভিভাবকরা একটি কক্ষে তাকে অবরুদ্ধ করে রাখেন। বিষয়টি জানতে পেয়ে বিদ্যালয়টির সভাপতি কালীগঞ্জ উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান মাহবুবুজ্জামান আহমেদ বিদ্যালয়ে ছুটে আসেন। এ সময় উপস্থিত জনতা ওই দুই শিক্ষকের অপসারণের দাবিতে বিক্ষোভ প্রদর্শন করেন।
উপস্থিত শিক্ষার্থী, শিক্ষক ও অভিভাবকদের কাছে বিস্তারিত শুনে তাৎক্ষনিক অভিযুক্ত প্রধান শিক্ষক গোলাম রব্বানী ও সহকারী শিক্ষিকা সুমিত্রা রানীকে এ ঘটনায় সাময়িক ভাবে বরখাস্থ করা হয়। সেই সাথে ঘটনাটির সুষ্ঠ তদন্তের জন্য উপজেলা একাডেমিক সুপার ভাইজার জাকিরকে প্রধান করে ৫ সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়। তদন্ত কমিটির প্রতিবেদন অনুযায়ী সুষ্ঠ বিচারের আশ্বাস দিলে উপস্থিত জনতার হাত থেকে মুক্তি পান প্রধান শিক্ষক গোলাম রব্বানী।
অভিভাবক আব্দুল মান্নান ও লেবু খা জানান, ছাত্রীরা প্রধান শিক্ষকের কাছে নিরাপদ নয়। তাই মেয়েদের বিদ্যালয়ে পাঠানো বন্ধ করে দিয়েছেন তারা। তারাও প্রধান শিক্ষকের শাস্তিসহ অপসারন দাবি করেন।
ওই বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষিকা ধরিত্রী রানী বলেন, প্রধান শিক্ষক প্রায় সময় শিক্ষিকাসহ অনেক ছাত্রীকে উত্ত্যাক্ত করেছেন। বিদ্যালয়ের বার্থ রুমে বেশ কিছু দিন আপত্তিকর অবস্থায় আটক হয়েছেন প্রধান শিক্ষক ও সহকারী শিক্ষিকা সুমিত্রা রানী। তার আচরণে ছাত্রী শিক্ষিকা কেউ নিরাপদ নন। তিনি প্রধান শিক্ষকের অপসারন দাবি করেন।
কালীগঞ্জ উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান মাহবুবুজ্জামান আহমেদ উপস্থিত সাংবাদিকদের বলেন, প্রাথমিক ভাবে তদন্তে সন্দেহাতীত ভাবে সত্য প্রমানিত হওয়ায় অনৈতিক কাজে লিপ্ত থাকার অভিযোগে দুই শিক্ষককে সাময়িক বরখাস্থ করা হয়েছে। ঘটনাটি সুষ্ঠ তদন্তে ৫ সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। তদন্ত প্রতিবেদন পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।

কাতারে স্ত্রীর বিশেষ অঙ্গ সুপার গ্লু দিয়ে সিলগালা করলেন পাষণ্ড স্বামী!


ব্যাসায়িক ভ্রমণে কয়েকদিনের জন্য বিদেশ যাবেন স্বামী। এই সুযোগে অন্যের সঙ্গে ব্যভিচারে লিপ্ত হতে পারে এই সন্দেহে স্ত্রীর গোপনাঙ্গ ‘সুপার গ্লু আঠা’ দিয়ে সিল করে দিয়েছেন কাতারের এক ব্যক্তি। দেশটির জনপ্রিয় সংবাদমাধ্যম দোহা ট্রিবিউন এই খবর প্রকাশ করেছে।
এই ঘটনায় মারাত্নক অসুস্থ হয়ে পড়েন ওই নারী। পরে তাকে হাসপাতালের জরুরী বিভাগে ভর্তি করা হয়।
ঘটনার পর ৩৩ বছরের ওই স্বামীকে পুলিশ গ্রেপ্তার করে আদালতে পাঠিয়েছে।
তিনি বিচারকের কাছে দোষ স্বীকার করে বলেন- ফেসবুকে ১২ বছরের চাচাতো ভাইয়ের একটি পোস্ট দেখে ধারণা হয়েছিল যে, তার অনুপস্থিতিতে স্ত্রী ওই চাচাতো ভাইয়ের সঙ্গে ব্যাভিচারে লিপ্ত হতে পারে তাই তিনি এই কাণ্ড ঘটিয়েছেন।
বিচারকের কাছে তিনি ফেসবুকের একটি সেলফি পোস্টও দেখিয়েছেন যেখানে তার স্ত্রীর পা স্পষ্ট দেখা যাচ্ছে এবং ইসলামী আইন অনুযায়ী ঢাকা নেই। স্ত্রীকে ইসলাম সম্মতভাবে চলার নির্দেশ দিয়েও কোন কাজ না হওয়ায় তিনি আগে থেকেই ক্ষুব্ধ ছিলেন বলে জানিয়েছেন বিচারককে।
স্ত্রীর প্রজনন অঙ্গ ধ্বংস করা ও হত্যা চেষ্টার অভিযোগ আনা হয়েছে তার বিরুদ্ধে।
দোহা আদালতের বিচারক মুহাম্মদ বিন সাদেনের মতে, ‘এই অমানবিক কাণ্ডের মাধ্যমে স্বামী তার স্ত্রীর ওপর অন্যায় করেছে। যদিও তার উদ্দেশ্য ছিল ‘সৎকর্ম’ করা। কিন্তু তিনি যেটা করেছেন সেটা অদ্ভুত ও অমানবিক’।
এছাড়াও রায়ে বিচারক উল্লেখ করেছেন যে, আদালতে তার স্বামী যে সমস্ত সাক্ষী ও সাক্ষ্য-প্রমাণ উপস্থাপন করেছেন সেখান থেকে বলা যায় ঘটনাটি দুঃখজনক। তবে এই ঘটনায় স্ত্রীর আচারণও যথাযথ ছিল না। ভাবিষ্যতে এই ধরণের ভুল বোঝাবুঝি এড়াতে স্ত্রীকে সতর্ক হতে বলা হয়েছে এবং এই ধরণের ঘটনার পুনরাবৃত্তি ঘটলে স্ত্রীকে ১০০ দোররা (চাবুক) মারা হবে বলে সতর্ক করেছেন।
স্বামীকে ৪০ রিয়াল জরিমানা করা হয়েছে। ভবিষ্যতে স্ত্রীর ওপর এই ধরণের অমানবিক কর্মকাণ্ড করা থেকে বিরত থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

দু’দিনের রিমান্ড শেষে আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক যে জবানবন্দি দিলেন কথিত পীর পেয়ার


জিন ও ভূত তাড়ানোর নামে তরুণীদের সঙ্গে পর্ন ভিডিও ধারণ করে প্রতারণা করার অভিযোগে গ্রেফতার কথিত পীর আহসান হাবিব পেয়ার আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন।
শনিবার বিকাল ৪টায় ঢাকা মহানগর হাকিম এ কে এম মঈন উদ্দিন সিদ্দিকের আদালতে আসামি পেয়ারকে খিলগাঁও থানার পুলিশ হাজির করে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি রেকর্ড করার আবেদন জানায়। আদালত জবানবন্দি রেকর্ড করে পেয়ারকে জেল হাজতে পাঠানোর আদেশ দেন।
এর আগে, গত বুধবার খিলগাঁও থানার পুলিশ আসামি পেয়ারকে ঢাকার মুখ্য মহানগর হাকিমের আদালতে হাজির করে সাতদিন রিমান্ডে নেওয়ার আবেদন করেন। আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে বিচারক দুদিনের রিমান্ডের আদেশ দেন।
গত মঙ্গলবার দিবাগত রাতে রাজধানীর খিলগাঁও এলাকা থেকে পুলিশের কাউন্টার টেররিজমের সাইবার ক্রাইম ইউনিট আসামি পেয়ারকে গ্রেপ্তার করে।
মামলার এজাহার থেকে জানা যায়, প্রতারণার ফাঁদে ফেলে কিছু মেয়ের পর্নো ভিডিও তৈরি করে তা ইন্টারনেটে ছড়িয়ে দেওয়ার হুমকি দিচ্ছেন এক ব্যক্তি। এমন সংবাদের ভিত্তিতেই ১ আগস্ট বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে গ্রেপ্তার করা হয়।
প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায়, প্রতারণার মাধ্যমে আহসান হাবিব নিজের মোবাইলের ক্যামেরা দিয়ে অনেক মেয়ের পর্নো ভিডিও তৈরি করেন এবং তা তাঁর কম্পিউটারে সেভ করে রাখেন। কিছু দিন আগে দুই নারীর কাছে থেকে পাঁচ লাখ টাকা হাতিয়ে নেন।
জিজ্ঞাসাবাদে আরো জানা যায়, নিজেকে পীর দাবি করে ইসলামের অপব্যাখা দিয়ে জিন তাড়ানোর নামে তিনি মেয়েদের ফাঁদে ফেলে আপত্তিকর ভিডিও ধারণ করতেন। তাঁর সোশ্যাল মিডিয়া পর্যালোচনা থেকে দেখা যায় যে তাঁর পেজে এএইচপি টিভি নামের একটি ভুয়া চ্যানেল খুলে এবং নিজেকে সাংবাদিক পরিচয়ে মেয়েদের প্রতারণার ফাঁদে ফেলেন তিনি।
এ ঘটনায় পেয়ারের বিরুদ্ধে খিলগাঁও থানায় তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি এবং পর্নগ্রাফি নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দায়ের করেন ভুক্তভোগী এক তরুণী।

অসৎ নারীদের চেনার উপায় কী? জেনে রাখুন বিয়ের পরে কাজে লাগবে ….


ছলনাময়ী নারীদের চেনার উপায়  
পুরুষের একটা দোষ আছে। কোনও নারী যদি তার দিকে চেয়ে একচিলতে হাসে, ধরেই নেয় কাজ হয়ে গেছে। খুশি তো ফসি। মেয়ে ইমপ্রেসড্! সহজেই রাজি হয়ে যাবে। এক-কে একশো ভেবে ফেলে সেই নির্বোধ পুরুষ। তাই নারীকে একপ্রকার বাধ্য হয়েই অতিমাত্রায় ব্যক্তিত্ব ধরে রাখতে হয় পুরুষের সামনে। ইচ্ছে না থাকলেও জোর করে দুর্ব্যবহার করতে হয় অনেক সময়। কোনও পুরুষ যেচে আলাপ করতে এলে, এমন অ্যাটি দেখায়, যেন বাকিংহাম প্যালেসের রানি! মুখ ঘুরিয়ে চলে যায়। খারাপ কথা বলে দেয়। হাবেভাবে বোঝায়, “তোমাকে আমার চাই না”। পুরুষ পড়ে ধন্দে। মনে করে নারী খুব জটিল প্রাণী। …এবং জেনে রাখুন, এই শ্রেণির নারীর সংখ্যাই আমাদের সমাজে বেশি। ঘরে-বাইরে দীর্ঘদিনের ট্রেনিংয়ের ফলেই এই প্রকার নারীর আবির্ভাব।
আরও একটা নির্বোধ টাইপ আছে, যার কোনও ইগোফিগো নেই। যে নারী কোনও ছকে চলে না, তাকে নিয়েই যত জ্বালা। সে হাসলে পুরুষ ভেবে নেয় অনেককিছু। খেতে দিলে, শুতে চায়। এই নারী নিতান্ত সরল টাইপ। এই টাইপটাকে মানুষ সহজেই ভুল বোঝে। সে যদি ভালো মনে কিছু করতেও যায়, খারাপটাই ভেবে নেয় সকলে। মনে করে অন্য কোনও মতলব আছে তার। কিন্তু এই দুই প্রকার নারীর বাইরেও আরও একপ্রকার নারী আছে, যে ফ্লার্টিংকে শিল্পের পর্যায় নিয়ে গেছে। আলাপের প্রথম প্রথম এমন হাবভাব করে, যেন ভাজা মাছটা উলটেই খেতে শেখেনি। পৃথিবীর রং, রূপ, গন্ধ – সবই প্রথম দেখছে। শিহরিত হচ্ছে পলকে পলকে। সেই মেকি সারল্যের প্রেমে পড়ে পুরুষ।
তখনই অনেকটা জিতে যায় ছলনাময়ী। ক্রমে সুতো ছাড়তে শুরু করে। এই ধরনের নারী কিন্তু খুব ধীরস্থির। হড়বড় করে কথা বলে না। খুব মার্জিত চালচলন। মিষ্টি হাসিটাও ফেক। দীর্ঘদিনের হোমওয়ার্ক করে আনা। সাধারণত কমিটমেন্টে বিশ্বাস করে না। একই সময় বহুপুরুষের সঙ্গে সদ্ভাব রাখতে পারে। এমন নারী বিশ্বাসের অযোগ্য হলেও, সবাই তাকে বিশ্বাস করে নেয়। সে আসে, দেখে, জয় করে। কী করে চিনবেন এমন নারীকে, কী করে বুঝবেন তিনি ফ্লার্ট করছেন আপনার সঙ্গে। জেনে নিন –
১. লজ্জাই নারীর ভূষণ। এই ধরনের নারীরা আপাত ভদ্র হলেও তাদের মধ্যে নির্লজ্জ হাবভাব প্রকাশ পায়। পুরুষের চোখের দিকে চেয়ে থেকে এমনভাবে, যেন তার ভিতরটা পড়ে ফেলছে। নারীর ওই দৃষ্টি পুরুষের সর্বনাশের কারণ।
২. মাথার চুল নিয়ে নাড়াচাড়া করতে শুরু করে কথা বলার সময়। পুরুষকে বাধ্য করে তার রূপের দিকে নজর দিতে। ইচ্ছে করে ইঙ্গিতবাহী পোশাক পরে আসে তার সামনে। যাতে সহজেই আকৃষ্ট করতে পারে।
৩. পুরুষের সঙ্গে বন্ধুত্ব করে প্রথমে। তারপর তার বাড়ির ব্যাপারে খোঁজ নিতে থাকে। যেহেতু এই নারীকে পুরুষ সহজেই বিশ্বাস করে নেয়, নিজের সম্পর্কে সবই তাকে বলে ফেলে। এমন নারী কিন্তু পুরুষকে ফাঁদে ফেলতে ওস্তাদ। নানাভাবে বিশ্বাস অর্জন করে, ব্ল্যাকমেইল করতেও পিছপা হয় না।
৪. নানা ছুতোয় কথা বলার সুযোগ খোঁজে এই নারী। এড়িয়ে গেলে বাড়ি চলে আসে। যেহেতু ততদিনে বাড়ির লোকের সঙ্গেও সদ্ভাব করে নেয়, তাই বাড়ির লোকের নজরেও সে বিশ্বাসযোগ্য।
৫. বারংবার দেখা করার ফাঁক খোঁজে। সেই দেখা হওয়া কিন্তু একান্তে। অন্য কাউকে ডাকে না তখন।
৬. মাঝরাতে মেসেজ করে। রাত ১টা, ২টোর সময় মাখোমাখো মেসেজ পাঠাতে থাকে।
৭. এমন নারীর সঙ্গে কখনওই মদ্যপান করা উচিত নয়। হতেই পারে অচৈতন্য মুহূর্তের সুযোগ নিয়ে পরবর্তীকালে সমস্যায় ফেলে দিল।
৮. এই নারী নানা অছিলায় যৌনতাকে নিয়ে আসে আলোচনার মধ্যে। পুরুষকে যৌনভাবে উত্তেজিত করার চেষ্টা করে। সেই উত্তেজনার বশে পুরুষ যদি মাত্রাতিরিক্ত কিছু করেও ফেলে, বিপদ কিন্তু পুরুষেরই। এই নারী কিন্তু অবলীলায় দোষ চাপিয়ে দিতে পারে পুরুষের ঘাড়ে।
অধিক কামুক মেয়ে চেনার উপায় ! 
ক্লিনিক্যাল সাইকোলজিস্ট সিন্ডি মেস্টন এবং ইভোল্যুশনারি সাইকোলজিস্ট ডেভিড বাস পৃথিবীর বিভিন্ন প্রান্তের ১০০৬ জন মহিলার সাক্ষাৎকার নিয়েছেন তাদের যৌন অনুপ্রেরণার বিষয় সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে। আর মাত্র ১০০৬ জন নারীর কাছ থেকেই বেরিয়ে এসেছে যৌনতার ২৩৭ টি আলাদা আলাদা কারণ। যদিও অনেকগুলো কারণের ব্যাপারে প্রায় সবাই একমত, আবার অনেকগুলো কারণ কয়েকজনের মধ্যেই সীমাবদ্ধ। তো দেখা যাক, কারণগুলি কী কী?
গবেষকরা নারীদের যৌন-প্রেরণাগুলিকে তিন ক্যাটাগরিতে বিভক্ত করেছেন- শারীরিক, আবেগ সংক্রান্ত এবং বস্তুবাদী কারণ। এই ক্যাটাগরির সাব ক্যাটাগরিতেই রয়েছে, আত্মবিশ্বাস বাড়ানো, সেল্ফন স্টিমুলেশন, প্রেমিককে ধরে রাখা। তেমনই রয়েছে- জোর-জবরদস্তির শিকার হওয়া পর্যন্ত। এর মধ্যে যেমন রয়েছে সম্পূর্ণ পরোপকারী উদ্দেশ্য, তেমনই রয়েছে সম্পূর্ণ বদ মতলব। যেমন, কাউকে ভয়ানক রোগে আক্রান্ত করা।
অবভিয়াসলি! আদি অনন্তকাল ধরেই সবাই জানে “মেয়েদের যৌনতা ভালবাসা তাড়িত, আর ছেলেদের যৌনতা ইন্দ্রিয়সুখ তাড়িত”, পশ্চিমি দেশগুলি এই মিথকে উড়িয়ে দেয়। অর্ধেকেরও বেশি সংখ্যক মহিলা কোনও ধরণের রোম্যান্টিক রিলেশনশিপে না থাকা অবস্থায় শুধুই ইন্দ্রিয় সুখের জন্য সেক্স করতে আপত্তি দেখাননি। তবে কারও সঙ্গে রোম্যান্টিক রিলেশনে থাকা অবস্থায় ইন্দ্রিয় সুখের জন্য অন্য কারও সঙ্গে সেক্স করার ব্যাপারে প্রায় ৮০ শতাংস মহিলার ঘোরতর আপত্তি রয়েছে। অর্থাৎ সিঙ্গল অবস্থায় রোম্যান্সবিহীন সেক্সে অনেকেই আগ্রহী হলেও পার্টনারের সঙ্গে ‘চিটিং’কে তাঁরা সমর্থন করেন না।
এটাও অবভিয়াস। প্রেমে পড়লে আবেগতাড়িত হয়ে প্রেমলীলায় মত্ত হয়নি এরকম জুটি খুঁজে পাওয়া দুষ্কর।
অনেক সময়ই নিজের আবেগের চেয়ে বড় হয়ে দাড়ায় পার্টনারকে ধরে রাখার প্রচেষ্টা। পার্টনারের আবেদনে সাড়া না দিলে সে ছেড়ে চলে যেতে পারে, এই ধারণা থেকে অনেক সময়ই অনিচ্ছা সত্ত্বেও সাড়া দেন ।
অনেক মহিলাই রোম্যান্টিক সম্পর্ক থাকা সত্ত্বেও পুরুষদের আবেদনে সাড়া দেন এই উদ্দেশ্যে যে, পুরুষটির সম্পর্কে চিড় ধরিয়ে সেই পুরুষটিকে তাঁর দিকে আকর্ষিত করতে।
যৌনকর্ম করে ঠিকই কিন্তু একজন মেয়ে মাসের পর মাস যৌনকর্ম না করে থাকতে পারে কোন সমস্যা ছাড়া।৩. মেয়েরা রোমান্টিক কাজকর্ম যৌনকর্ম চেয়ে অনেক বেশী পছন্দ করে। বেশীর ভাগ মেয়ে গল্পগুজব হৈ হুল্লোর করে যৌনকর্মর চেয়ে বেশী মজা পায়।৪. মেয়েরা অর্গ্যাজম করে ভগাংকুরের মাধ্যমে, মেয়েদের অর্গ্যাজমে কোন বীর্য বের হয় না।
নারীরা যৌন মিলনে আগ্রহী হলে তাঁদের ঠোঁট রক্তাভ হয়ে ওঠে। স্বাভাবিকের চাইতে অনেক বেশি লাল হয়ে যায় ঠোঁট।
– নারীদের গালেও লালিমা দেখা দেয় উত্তেজনায়। অনেক্র একটু একটু ঘামেন, নিঃশ্বাস ভারী হয়ে আসে।
– যৌন উত্তেজিত হলে শরীর খুবই স্পর্শকাতর হয়ে ওঠে। আপনার সামান্য স্পর্শেই শিহরিত হয়ে উঠবেন তিনি।
– যতই লাজুক স্বভাবের নারী হোন না কেন, যৌন মিলনে আগ্রহী হলে তিনি নিজেই আপনার কাছে আসবেন। হয়তো সরাসরি কিছু না বললেও আপনার কাছে এসে বসবেন, আলতো স্পর্শ করবেন, চুমু খাবেন, চোখের ইশারায় কথা বলবেন।
– প্রবল উত্তেজনার সময় যৌন মিলন কালে তিনি আপনাকে আঁচড়ে কামড়ে দেবেন। হাতের নখ আপনার শরীরে গেঁথে বসতে পারে, গলায় কানে ইত্যাদি স্থানে তিনি কামড় দেবেন উত্তেজনায়।
– এছাড়াও মিলনের সময় শীৎকারে বুঝবেন যে তিনি আনন্দ পাচ্ছেন ও প্রবল ভাবে উত্তেজিত। অনেকেই জোরে আওয়াজ করেন না, কিন্তু একটা মৃদু “আহ উহ” আওয়াজ হবেই।
যদি স্ত্রী আপনার সাথে যৌন মিলনে আগ্রহ না দেখান, তাহলে হতে পারে সেটা তাঁর লজ্জার কারণে। বিষয়টি লজ্জার কারণে হলেও আপনি সেটা বুঝতে পারবেন। আপনি স্পর্শ করলে তিনি শিহরিত হবে, যোনি পিচ্ছিল হয়ে যৌন মিলনের জন্য প্রস্তুত হবে, তিনি আপনাকে বাঁধা দেবেন না মিলনে। কিন্তু একটা জিনিস মনে রাখবেন, যৌন মিলনে আগ্রহ না দেখানো এবং অনীহা প্রকাশ করা, দুটি কিন্তু সম্পূর্ণ ভিন্ন ব্যাপার।

ঠোঁট দেখে নারীর ব্যক্তিত্ব চেনার উপায়! 

নারীর ঠোঁটের গড়ন দেখেই তাদের ব্যক্তিত্ব চেনা যায়, বোঝা যায় তাদের মানসিকতা। বিষয়টি পুরোপুরি ধারণানির্ভর হলেও একেবারে অযৌক্তিক বা উড়িয়ে দেবার বিষয় নয়।
সম্প্রতি, এক গবেষণায় বিজ্ঞানীরা দাবী করেছেন নারীদের ঠোঁট দেখে তাদের ব্যক্তিত্ব, মানসিকতা, মন-মেজাজ ইত্যাদি ভালোভাবে চেনা যায়। তারা বলছেন, নারীদের ঠোঁট দেখে শতভাগ চেনা না গেলেও অন্তত তাদের ব্যক্তিত্ব কেমন সেইটুকু বোঝা যায়।
আসুন জেনে নেয়া যাক কোন ঠোঁটের নারী কেমন হয়-
# যে নারীর ঠোঁটের আকার হৃদয়ের মতো, তিনি খুব সেক্সুয়াল ও কনফিডেন্ট।
# যদি ওপরের ঠোঁট নীচের ঠোঁটকে কভার করে, তাহলে সেই নারীর স্বভাব এবং বিচার-বিবেচনা খুব ভালো।
# যে নারীর নীচের ঠোঁট মোটা, তিনি অনেক ভালোবাসা পেয়ে থাকেন। এ ঠোঁটের নারীরা কাউকে যত না ভালোবাসেন, তার চেয়ে বেশি ভালোবাসা পান।
# শুকনো ঠোঁট হলে, সেই নারী খুব পরিশ্রমী হন। তারা নিজেকে নিয়ে বেশি ভাবনা-চিন্তা করেন না।
# যাদের ঠোঁট মোটা, তারা খুব কঠিন স্বভাবের হন।
# নীচের ঠোঁট বাইরের দিকে বেরিয়ে থাকলে সেই নারী ঠোঁটকাটা স্বভাবের হন।


অবশেষে জানা গেলে শিশু আলীর নির্যাতনকারী কে!!!


এতিম সন্তান মো. আব্দুল আলী। টলি চালিয়ে জীবিকা নির্বাহ করতো। কয়েকদিন ধরে তার প্রচণ্ড জ্বর। গাড়ি চালাতে যেতে পারছে না। এদিকে টলির মালিক মো. পারভেজ তার উপর ভীষণ ক্ষিপ্ত। একদিন সকালে তিনি হাজির হয় আলীর বাসায়। ওষুধ কিনে দেয়ার কথা বলে তাকে নিজ বাড়িতে নিয়ে যায়।
তারপর পারভেজ আলীর চোখ বেঁধে ফেলে। শুরু করে শারীরিক নির্যাতন। তিনি শুধু একা নন! তার সঙ্গে যুক্ত হয় আরো কয়েকজন যুবক। তারা কয়েক দফায় আলীর উপর চালায় নির্মম নির্যাতন।
পরে, তারা বেলা ২টার দিকে তাকে ৮নং ওয়ার্ডের বর্তমান ইউপি সদস্যের কাছে রেখে চলে যায়। কিন্তু ইউপি সদস্য নোমান শিশুটির মৃত্যুর আশঙ্কায় তাকে অপর একজনকে দিয়ে তার বাড়ির পাশে রাস্তায় ফেলে দিয়ে আসেন।
বুধবার (২৫ জুলাই) কুলাউড়া উপজেলার ১০নং হাজীপুর ইউনিয়নের পীরের বাজারে এ ঘটনা ঘটে।
আব্দুল আলী (১৩) এখন মোলভীবাজার সদর হাসপাতালে ভর্তি আছে। এই ঘটনায় কুলাউড়া থানায় মামলা হলে পুলিশ কুদ্দুস ও রিপন নামে দুই জনকে গ্রেপ্তার করেছে। মূল আসামি পারভেজ পলাতক রয়েছে।
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে আলীকে নির্যাতনের একটি ভিডিও প্রকাশ পেয়েছে। বিভৎস সেই ভিডিওটি দেখে কেঁদে ফিরছে অনেকেই। ভিডিওটিতে দেখা যায়, শিশু আলীকে বারবার আঘাত করা হচ্ছে। কখনও খালি হাতে, কখনও লাঠি দিয়ে, কখন বা মাথায় তুলে শিশুটিকে সজোরে আছড়ে ফেলা হচ্ছে মাটিতে।

যে কারনে স্বামীকে গরম দুধ দিয়ে ঝলসে দিলেন স্ত্রী,কারন জানলে আপনি হতবাক হয়ে যাবেন।


আমাদের সমাজে প্রায় সময় স্ত্রীরা সাধারণত স্বামীর সাথে কারনে অকারণে বকাবকি করে ঝগড়াঝাঁটি করে, এসব কারনে অনেক সময় স্বামীর হাতে স্ত্রী নিযার্তনের ঘটনা ঘটে থাকে। কিন্তু স্ত্রীর হাতে স্বামী নির্যাতনের ঘটনা হয়তো বা প্রকাশ না পাওয়ায় অনেকেরই অজানা ।
এবার সেরকমই একটি ঘটনা ঘটেছে লালমনিরহাট জেলার আদিতমারী উপজেলার পলাশী ইউনিয়নের তালুক পলাশী গ্রামে বাকবিতণ্ডর এক পর্যায়ে স্ত্রী সুফিয়া বেগমের (২৫) ছুঁড়ে দেয়া গরম দুধে ঝলছে গেছে স্বামী মজমুল হকের (৩০) শরীর। পরে তাকে আহত অবস্থায় উদ্ধার করে আদিতমারী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে।
আহত মজমুল উপজেলার পলাশী ইউনিয়নের তালুক পলাশী গ্রামের মাজেদুল ইসলাম ওরফে মওলা বকসের ছেলে।
এ ঘটনায় বৃহস্পতিবার সকালে আদিতমারী থানায় একটি মামলা দায়ের করে নির্যাতনের শিকার মজমুল হক।
দুপুরে স্ত্রী সুফিয়া বেগমকে স্বামীর বাড়ি থেকে গ্রেফতারের বিকালে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠিয়েছে পুলিশ।
জানা গেছে, প্রায় ৪ বছর আগে মজমুল হকের সঙ্গে লালমনিরহাটের কালীগঞ্জ উপজেলার কাকিনা চাপারতল গ্রামের শরিফুল ইসলামের মেয়ে সুফিয়া বেগমের (২২) বিয়ে হয়। তাদের এক ছেলে ও এক মেয়ে রয়েছে।
অভাবের সংসারে মজমুল হক অটোরিকশা চালিয়ে জীবন-যাপন করছে। অটোরিকশা চালাতে গিয়ে প্রায়ই গভীর রাতে বাড়ি ফিরতে হয় মজমুলকে। আর এ নিয়েই দীর্ঘদিন যাবৎ স্বামী-স্ত্রীর মাঝে ঝগড়া-বিবাদ লেগেই ছিল।
এই অবস্থায় মঙ্গলবার রাত ৮টার দিকে মজমুল অটো নিয়ে বাড়িতে ফিরেন। প্রচণ্ড গরম থাকায় বাড়ির পাশের একটি দোকানে বসে গল্প করছিলেন তারই বড় ভাবীর সঙ্গে। বিষয়টি দেখতে পেয়ে তার স্ত্রীর সন্দেহ হওয়ায় স্বামীকে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করতে থাকেন। এরপর সেখান থেকে বাড়িতে গিয়ে মজমুল তার স্ত্রীকে বিষয়টি বুঝানোর চেষ্টা চালায়।
একপর্যায়ে স্ত্রী সুফিয়া বেগম ক্ষিপ্ত হয়ে চুলার উপর থেকে গরম দুধ এনে তার স্বামীর শরীরে ঢেলে দেয়। এতে স্বামী মজমুলের গলাসহ শরীরের বেশ কিছু অংশ ঝলসে যায়। পরে এলাকাবাসীরা তাকে আহত অবস্থায় উদ্ধার করে আদিতমারী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন।
আদিতমারী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের সহকারী চিকিৎসক আবদুস ছালাম শেখ জানান, মজমুল হকের গলার ও শরীরের কিছু অংশ ঝলসে গেছে। পুরোপুরি সুস্থ হতে কিছুদিন সময় লাগবে।
আদিতমারী থানার অফিসার ইনচার্জ ওসি হরেশ্বর রায় বলেন,সময়ের কণ্ঠস্বরকে বলেন, পুলিশ ইতোমধ্যে তদন্ত করেছে এবংগরম দুধ এনে তার স্বামীর শরীরে ঢেলে ঝলসে দেওয়ার অপরাধে অভিযুক্ত সুফিয়া বেগমকে বৃহস্পতিবার দুপুরে তার স্বামীর বাড়ি থেকে গ্রেফতার করে বিকালে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে প্রেরণ করেছে।

মা, ভাইয়া, আমার মৃত্যুর প্রতিশোধ তোমরা নিও – এর প্রতিশোধ কে না নিবে ??


“মা, ভাইয়া, আমাকে ক্ষমা করে দিও। আমি বাঁচতে চেয়েছিলাম কিন্তু নিষ্ঠুর পৃথিবীর মানুষেরা আমাকে বাঁচতে দিল না।
আমার মৃত্যুর জন্য দায়ী তারেক, তারেকের মা ও তার বোন কণিকা। আমার মৃত্যুর প্রতিশোধ তোমরা নিও।”
এভাবেই সুইসাইড নোট লিখে আত্মহত্যা করেছেন চাঁদপুরের শাহরাস্তি উপজেলার চিতোষী পশ্চিম ইউনিয়নের আয়নাতলী ফরিদ উদ্দিন উচ্চ বিদ্যালয়ের দশম শ্রেণীর ছাত্রী শারমিন আক্তার মিনু।
এদিকে শারমিনের আত্মহত্যার খবর পেয়ে এলাকাবাসী বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করে। এক পর্যায়ে তারা স্কুলে ভাঙচুর চালায়।
এ সময় শাহরাস্তি মডেল থানা পুলিশ ডেকে তাদের হাতে অভিযুক্ত তারেককে সোপর্দ করা হয়। শারমিন শাহরাস্তি উপজেলার হাড়িয়া গ্রামের পন্ডিত বাড়ির প্রবাসী মোহাম্মদ আলীর মেয়ে।
তাকে উত্যক্ত করতো সহপাঠী সংহাই গ্রামের প্রবাসী আবু তাহেরের ছেলে তারেক।
বৃহস্পতিবার সকালে তারেকের মা রুপবান বেগম ও বোন কণিকা স্কুলে প্রবেশ করে মিনুকে অপদস্থ করে। এক পর্যায়ে তারেক তার মা বোনের সামনে মিনুর গায়ে হাত দেয় এবং তাকে চড় মারে।
দুপুরে মধ্যহ্ন বিরতিতে শারমিন ছুটি নিয়ে বাড়িতে চলে যায়। এরপর তাদের ঘরের ফ্যানের সাথে ওড়না পেচিয়ে গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করে।
পরিবারের সদস্যরা দেখতে পেয়ে তাকে শাহরাস্তি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যায়। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক মো. আবদুল মতিন শারমিনকে মৃত ঘোষণা করেন।
এ ঘটনায় শারমিনের বড় ভাই শাহাবুদ্দিন বাদী হয়ে শাহরাস্তি মডেল থানায় বৃহস্পতিবার রাতে একটি হত্য মামলা করেছেন। মামলায় তারেক ও তার মাকে আসামি করা হয়েছে।
মামলার এজাহারে বলা হয়েছে, বৃহস্পতিবার প্রেমের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করায় তারেক শারমিনকে চড় মারে ও মুখে থুতু দেয়। এই লাঞ্ছনা সইতে না পেরে শারমিন বিদ্যালয় থেকে বাড়ি ফিরে বৈদ্যুতিক পাখার সঙ্গে ওড়না পেঁচিয়ে গলায় ফাঁস দেয়।
সাহাব উদ্দিন বলেন, আসামি তারেক প্রায়ই শারমিনকে উত্ত্যক্ত করে আসছিল। এ নিয়ে তাদের স্কুলে কয়েকবার অভিযোগ করা হলে কর্তৃপক্ষ সমঝোতা করে দেয়।
তিনি বলেন, সর্বশেষ ২০ আগস্ট সকালে তারেকের মা স্কুলে গেলে শিক্ষকরা শারমিন ও তারেককে নিয়ে আলোচনায় বসেন।
পরে তার বোন দুপুরে কাঁদতে কাঁদতে বিদ্যালয় থেকে বাড়ি ফিরে আসে। একফাঁকে সে আত্মহত্যা করে।
শাহরাস্তি মডেল থানার পরিদর্শক (তদন্ত) দিলদার আজাদ জানান, তারেককে শুক্রবার আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। অন্য আসামিদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।
শারমিনকে আত্মহত্যায় প্ররোচিত করার অভিযোগ এনে এ ঘটনায় জড়িত ব্যক্তিদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে শুক্রবার বিকাল চারটা থেকে পাঁচটা পর্যন্ত বিদ্যালয়ের সামনে এলাকাবাসী মানববন্ধন করে।
স্থানীয়রা জানায়, উক্ত বিদ্যালয়ে ইতিপূর্বে ইভটিজিংয়ের কয়েকটি ঘটনা ঘটেছে। গত বছর ছাত্রী অপহরন ও ইভটিজিংয়ের কারণে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা কাউছার হোসেন বিদ্যালয় প্রাঙ্গনে ভ্রাম্যমান আদালতের মাধ্যমে বখাটেদের ২ বছরের শাস্তি দেন।
এরপরও বিদ্যালয়ে ইভটিজিংয়ের ঘটনা বন্ধ না হওয়ায় জনগণ ক্ষোভ জানিয়েছে। অনেকই জানায় বিদ্যালয়ের শিক্ষক ও ম্যানেজিং কমিটির মধ্যে সমন্বয়ের অভাবে এ ধরনের ঘটনা ঘটেছে।

এবার প্রকাশ্য এলো এমন এক ঘটনা যেটা লজ্জায় ফেলবে প্রত্যেককে!


শিক্ষক থেকে চিকিৎসকের হাতে ছাত্র-ছাত্রী, রোগীর নির্যাতনের খবর তো প্রকাশ্য এসেছে, আর এবার প্রকাশ্য এলো এমন এক ঘটনা যা ফের আরেকবার লজ্জায় ফেলবে প্রত্যেককে।
জানা গিয়েছে, এক ২৬ বছর বয়সী এক ইঞ্জিনিয়ার মহিলাকে বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে বারবার তার সঙ্গে শারীরিক সম্পর্কে জড়িয়ে পড়ে এক ব্যক্তি। টানা আড়াই বছর ধরে এই পর্ব চলতে থাকে।
গত বছর ডিসেম্বরে ওই ইঞ্জিনিয়ার গর্ভবতী হয়ে পড়লে ওই অভিযুক্ত তাকে গর্ভপাতও করায় জোর করে। মহিলা বিয়ের জন্য বললেন, সে বিয়ে করবে না বলে জানিয়ে দেয়। মহিলার থেকে শারীরিক নির্যাতনের অভিযোগ পেয়েই তদন্তে নামে পুলিশ।
উল্লেখ্য, গত মাসে উত্তরপ্রদেশের মুজফফরনগরেও ২৬ বছর বয়সী এক মহিলা এই ধরনের অভিযোগ দায়ের করেছিল। সোশ্যাল মিডিয়ায় এক ব্যক্তির সঙ্গে পরিচয় এবং সেখানে থেকেই পরে নির্যাতনের শিকার হয় সে। পুলিশ তদন্ত করছে বলে জানা গিয়েছে।