Subscribe:
Showing posts with label বিনোদন. Show all posts
Showing posts with label বিনোদন. Show all posts

এ দেশের মানুষ আমাকে ভোলেনি : রাজ্জাক




আমরা যখন কথা বলছি বাংলাদেশের চলচ্চিত্রের খ্যাতিমান এই তারকার সঙ্গে, তখন ঘুরেফিরে সব কথাই এসে পৌঁছে যাচ্ছে চলচ্চিত্রের ভালো-মন্দের প্রসঙ্গে। রাজ্জাক যে আপাদমস্তক একজন চলচ্চিত্রের মানুষ, সেটাই বোঝা যাচ্ছে পরিষ্কার। কেমন লাগে এই বয়সে, কী ভাবেন এ সময়টাতে?—এমন একটা প্রশ্ন দিয়েই শুরু করি আলাপ। ‘ইচ্ছে ছিল আমরণ চলচ্চিত্রে কাজ করে যাব।’ বললেন রাজ্জাক। ‘আমার খুব চাওয়া, চলচ্চিত্রে কাজ করতে করতেই কোনো এক সময় আমার মৃত্যু হবে। কিন্তু আমি খুব কষ্ট পাই, বুঝলে! আমাদের কী জমজমাট ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রিটা ছিল! এই ইন্ডাস্ট্রিতে আছি বলে গর্ব করতাম। আর আজ কী অবস্থা!’ ধরুন, আপনাকে যদি চলচ্চিত্র জগতের একজন মানুষের নাম বলতে বলা হয়, যাঁর উজ্জ্বল উপস্থিতি আপনাকে এ জগতের জন্য তৈরি করেছে, তবে কার নাম করবেন? বিন্দুমাত্র না ভেবে রাজ্জাক বললেন, ‘জহির রায়হান। তিনি আমাকে আশ্বাস দিয়েছিলেন। আমি তখন চলচ্চিত্র জগতে বারবার রিফিউজড হচ্ছি। কেউ আমাকে নিয়ে ভাবছে না। তখন তিনিই একমাত্র মানুষ, যিনি আমাকে বলেছিলেন, “আমি আপনাকে ব্রেক দেব।” তখন তিনি “বাহানা” ছবিটি করছিলেন। সেটা শেষ হলে “হাজার বছর ধরে” করবেন ভেবেছিলেন। কিন্তু তা আর করা হয়নি। তবে আমাকে স্নেহ দিয়ে, উপদেশ দিয়ে এই জগতের উপযোগী করে তুলেছিলেন তিনি।’ ঘর থেকে তো আপনাকে কোনো সমস্যায় পড়তে হয়নি কখনো... হাসলেন রাজ্জাক। বললেন, ‘এ কথাটাও আমি বলতে চাইছিলাম। যখন একটু নাম হলো, যখন মন খুলে কাজ করার কথা, তখন পাশে পেয়েছি স্ত্রী লক্ষ্মীকে। তিনি আমাকে একটা নির্ঝঞ্ঝাট জীবন দিয়েছেন। তখন তো বুঝতেই পারছ, নাম হলে নারীমহলে সাড়া পড়ে যায়। সেগুলো সামলে নিতে পারতাম না, যদি না লক্ষ্মী থাকতেন পাশে। আমার এত দূর আসার পেছনে জহির রায়হান আর লক্ষ্মীর সাহায্য রয়েছে অনেকখানি।’ আপনি জনপ্রিয় মানুষ, রাজনীতির সঙ্গে নিজেকে জড়ানোর কথা ভাবেননি কখনো? ‘আমার জগৎ, ধ্যানজ্ঞান সবই ছিল চলচ্চিত্র ও নাটকে অভিনয়কে কেন্দ্র করে। অভিনয়টাই ছিল রক্তের ভেতর। হ্যাঁ, হয়তো রাজনীতি করতে পারতাম, এমপি-মিনিস্টার হতে পারতাম। কিন্তু ওটা তো আমার স্বপ্ন বা পেশা নয়। আমি স্বপ্ন দেখেছি নায়ক হব, ভালো অভিনেতা হব। নিজের অন্তরে যা বসাতে পারব না, সেটা পেশা হিসেবে গ্রহণ করব কেন? আমার তো পারিবারিক রাজনৈতিক ব্যাকগ্রাউন্ড নেই। আমি কেন রাজনীতি করব?’ চলচ্চিত্রের তো এখন দৈন্যদশা। বাঁচার উপায় কিছু দেখছেন? ‘যখন আমরা চলচ্চিত্রে অভিনয় করা শুরু করেছি, তখন কেউ টাকার দিকে তাকাইনি। ছবি হিট করলেও পয়সা চাইনি। দুবেলা ডাল-ভাত খেতে পারলেই মনে হতো শান্তিতে আছি। একসময় বাঙালি পরিচালকেরা বাংলা ছবি ফ্লপ হয় বলে উর্দু ছবি বানাতে শুরু করলেন। আমরা প্রতিজ্ঞা করলাম, বাংলা চলচ্চিত্রশিল্পটাকে বাঁচাব। পরিচালক-অভিনয়শিল্পী-গায়ক-সংগীত পরিচালক—সবাই মিলে আমরা সেই চেষ্টা চালিয়ে গেছি। তখন প্রযোজকের সঙ্গে প্রযোজকের ছিল ভালো সম্পর্ক। এখন তো প্রযোজক-প্রযোজক দূরের কথা, শিল্পীর সঙ্গে শিল্পীরই সুসম্পর্ক নেই। সে সময় কী অসাধারণ সব ছবি তৈরি হয়েছে! ‘আগুন নিয়ে খেলা’র পর অনেকেই বাংলা ছবির দিকে ঝুঁকলেন। নির্মাণ করা হলো নীল আকাশের নিচে। বাংলা চলচ্চিত্রকে বাঁচিয়ে রাখার জন্য সে কী সংঘবদ্ধ প্রচেষ্টা!’ এখন তা নেই কেন? ‘কী করে থাকবে? কারও সঙ্গে কারও সুসম্পর্ক নেই। সবাই টাকার পেছনে দৌড়াচ্ছে। শিল্প নির্মাণ করার সময় কোথায়? অবস্থা কোথায় এসে দাঁড়িয়েছে, জানো? সিনেমা হলের মেশিনের ভাড়াটাও এখন দিতে হচ্ছে প্রযোজককে। অবস্থা এমন হলে চলচ্চিত্রশিল্প বাঁচবে কী করে? এফডিসির কী দৈন্যদশা! সমিতি তৈরি হচ্ছে বিভিন্ন, তারা চা খাচ্ছে, পিকনিক করছে। কিন্তু চলচ্চিত্রটা কোথায় গিয়ে দাঁড়াচ্ছে, সে খোঁজ রাখছে না কেউ!’ পঁচাত্তরের দিকে হাঁটা শুরু করার আগমুহূর্তে নিজের ভাবনার কথা বলুন। ‘এত সব কষ্টের মধ্যেও আনন্দে আছি। আমি যখন “রাজ্জাক” হিসেবে দর্শকের মনে জন্মগ্রহণ করলাম, তখন এ দেশের মানুষ ছিল সাড়ে সাত কোটি। এখন প্রায় ১৭ কোটি। এখন আমি ১৭ কোটি মানুষের দোয়া-আশীর্বাদ পাচ্ছি। আমার সবচেয়ে ভালো লাগছে এই ভেবে যে এ দেশের মানুষ আমাকে ভোলেনি।’

সুত্র :প্রথম আলো

বাবার জন্য আপনারা দোয়া করেন: সম্রাট


কিংবদন্তি অভিনেতা নায়করাজ রাজ্জাকের জন্য সবার কাছে দোয়া চেয়েছেন ছেলে খালিদ হোসেইন সম্রাট। সোমবার সন্ধ্যায় বেসরকারি ইউনাইটেড হাসপাতালে সাংবাদিকদের তিনি বলেন, আপনারা বাবার জন্য দোয়া করবেন। এখন দোয়া ছাড়া কিছু করার নেই। ভাই (বাপ্পারাজ) দেশের বাইরে। তাঁর সঙ্গে কথা বলে দাফন ও অন্যান্য বিষয়ে রাতে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

সোমবার সন্ধ্যা ৬টা ১৩ মিনিটে চলচ্চিত্রের জনপ্রিয় অভিনয়শিল্পী নায়করাজ রাজ্জাক ইন্তেকাল করেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। তাঁর বয়স হয়েছিল ৭৬ বছর।

সুত্র :প্রথম আলো

নায়করাজ রাজ্জাক আর নেই!!



চলচ্চিত্রের জনপ্রিয় অভিনয়শিল্পী নায়করাজ রাজ্জাক আর নেই। আজ সোমবার সন্ধ্যা ৬টা ১৩ মিনিটে তিনি ইন্তেকাল করেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। তাঁর বয়স হয়েছিল ৭৬ বছর।

বেসরকারি ইউনাইটেড হাসপাতাল সূত্র জানায়, সোমবার বিকেল ৫টা ২০ মিনিটে হার্ট অ্যাটাক হওয়া অবস্থায় নায়ক রাজ্জাককে হাসপাতালে আনা হয়। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ সব ধরনের চেষ্টা করেও ব্যর্থ হয়। ৬টা ১৩ মিনিটে তিনি মৃত্যুবরণ করেন।

মৃত্যুকালে নায়করাজ স্ত্রী, সন্তানসহ অসংখ্য আত্মীয়স্বজন ও গুণগ্রাহী রেখে গেছেন। ২০১৪ সালে মেরিল-প্রথম আলো আজীবন সম্মাননা পাওয়া এ অভিনেতার মৃত্যুসংবাদ শুনে তাঁকে শেষবারের মতো দেখতে হাসপাতালে ছুটে গেছেন দীর্ঘদিনের সহকর্মীরা।

১৯৬৬ সালে ‘বেহুলা’ চলচ্চিত্রে নায়ক হিসেবে অভিনয়ের মধ্য দিয়ে ঢাকাই ছবিতে দর্শকনন্দিত হন কিংবদন্তি এ অভিনেতা।

নায়করাজ রাজ্জাক প্রথম জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার অর্জন করেন ‘কি যে করি’ ছবিতে অভিনয় করে। পাঁচবার তিনি জাতীয় সম্মাননা পান। ২০১৩ সালের জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারে তিনি আজীবন সম্মাননা অর্জন করেন। এ ছাড়া বাংলাদেশ চলচ্চিত্র সাংবাদিক সমিতি (বাচসাস) পুরস্কার পেয়েছেন অসংখ্যবার।

বর্তমান সময়ে চলচ্চিত্রে খুব কমই অভিনয় করছেন নায়করাজ রাজ্জাক। শুধু নায়ক হিসেবেই নয়, পরিচালক হিসেবেও বেশ সফল। ‘আয়না কাহিনী’ ছবিটি নির্মাণ করেন রাজ্জাক। নায়ক হিসেবে নায়করাজ প্রথম অভিনয় করেন জহির রায়হান পরিচালিত ‘বেহুলা’ ছবিতে। এতে তাঁর বিপরীতে ছিলেন সুচন্দা।

‘অবুঝ মন’, ‘আলোর মিছিল’ ‘ছুটির ঘণ্টা’, ‘রংবাজ’, ‘বাবা কেন চাকর’, ‘নীল আকাশের নিচে’, ‘জীবন থেকে নেওয়া’ ‘পিচঢালা পথ’, ‘অশিক্ষিত’, ‘বড় ভালো লোক ছিল’সহ অসংখ্য ছবিতে অভিনয় করা রাজ্জাক সর্বশেষ অভিনয় করেছেন ছেলে বাপ্পারাজ পরিচালিত ‘কার্তুজ’ ছবিতে।

ষাটের দশকের মাঝের দিকে রাজ্জাক চলচ্চিত্র অভিনেতা হিসেবে পরিচিতি লাভ করেন। সত্তরের দশকেও বাংলাদেশের চলচ্চিত্রশিল্পের প্রধান অভিনেতা হিসেবে বিবেচনা করা হতো। তিনি একাধারে অভিনেতা, প্রযোজক, পরিচালক হিসেবে সুনাম অর্জন করেন।

চলচ্চিত্রের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট কেউ ডাকলে তাতে সাড়া দিতেন ‘বেহুলা’, ‘আগুন নিয়ে খেলা’, ‘এতটুকু আশা’, ‘অশ্রু দিয়ে লেখা’, ‘ওরা ১১ জন’, ‘অবুঝ মন’-এ অভিনয় করা রাজ্জাক। আমৃত্যু এই শিল্পের সঙ্গেই থাকতে চাওয়ার কথা জানিয়ে একসময় বলছিলেন, ‘আমি রাজ্জাক হয়তো অন্য কোনো চাকরি করতাম অথবা ঘুরে বেড়াতাম। কিন্তু ছোটবেলার অভিনয় প্রচেষ্টাকে আমি হারাতে দিইনি। আমি নাটক থেকে চলচ্চিত্রে এসেছি। সবাই আমাকে চিনেছে। পেয়েছি সাফল্যও। বাংলার মানুষজন আমাকে একজন অভিনয়শিল্পী হিসেবেই দেখেন ও আমাকে ভালোবাসেন। আজকে আমার যা কিছু হয়েছে, সবই এই চলচ্চিত্রশিল্পের কল্যাণে।

রাজ্জাক এ-ও বলেছিলেন, ‘বাংলাদেশের ছোট একটি দেশ হতে পারে, তারপরও এই দেশের একজন অভিনয়শিল্পী হিসেবে আমি গর্ববোধ করি। যাঁদের জন্য আমি রাজ্জাক হয়েছি, আমি সব সময় তাঁদের কাছাকাছি থাকতে চাই।

১৯৪২ সালের ২৩ জানুয়ারি পশ্চিমবঙ্গের কলকাতায় জন্মগ্রহণ করেন কিংবদন্তি নায়ক রাজ্জাক। সেখানেই ছোটবেলা কাটে। মঞ্চনাটকে অভিনয়ের হাতে খড়িও সেখানে।

নায়করাজের দুই ছেলে বাপ্পারাজ ও সম্রাটও চলচ্চিত্র অভিনয়শিল্পী।

রাষ্ট্রপতির শোক:
রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদ বাংলাদেশের চলচ্চিত্রের কিংবদন্তি অভিনেতা নায়করাজ রাজ্জাকের মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন। এক শোকবার্তায় রাষ্ট্রপতি বলেন, ‘বাংলা চলচ্চিত্রের দর্শকপ্রিয়তা অর্জনে নায়করাজ রাজ্জাকের অবদান চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবে।’ রাষ্ট্রপতি আরও বলেন, বাঙালি সংস্কৃতি চলচ্চিত্রের মাধ্যমে বিশ্বব্যাপী ছড়িয়ে দেওয়ার ক্ষেত্রে তাঁর অবদান প্রজন্ম থেকে প্রজন্ম স্মরণ করবে। 
রাষ্ট্রপতি রাজ্জাকের রুহের মাগফিরাত কামনা করেন এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।

প্রধানমন্ত্রীর শোক:
ঢাকাই ছবির কিংবদন্তি অভিনেতা নায়করাজ রাজ্জাকের মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এক শোকবার্তায় প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশের চলচ্চিত্র জগতে রাজ্জাকের অবদানের কথা স্মরণ করে বলেন, ‘তাঁর মৃত্যুতে দেশের চলচ্চিত্রশিল্পের জন্য একটি অপূরণীয় ক্ষতি হয়ে গেল। তিনি ছিলেন বাংলা চলচ্চিত্রের উজ্জ্বল নক্ষত্র।’

শেখ হাসিনা নায়করাজের রুহের মাগফিরাত কামনা করেন এবং তাঁর শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা প্রকাশ করেন।

এ ছাড়া শোক জানিয়েছেন জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা রওশন এরশাদ।

সুত্র :প্রথম আলো

যেন অবিকল বঙ্গবন্ধু! ভুল হতে পারে আপনারও!!


শিরোনাম পড়ে আঁতকে উঠতে পাড়েন যে কেউ। তবে ঘটনা কিন্তু মিথ্যা নয়। ফেসবুক দুনিয়ায় এক ব্যক্তির ছবি পাওয়া গিয়েছে যিনি দেখতে হুবহু বঙ্গবন্ধু শেখ শেখ মুজিবুর রহমানের মতো। যেন অবিকল কপি টু পেস্ট। যে কেউ প্রথম দেখায় ছবিটাকে বঙ্গবন্ধুর প্রকৃত ছবি বলে মেনে নিতে পারেন। তবে একটু খেয়াল করলেই ভুলটা বুঝতে পারবেন।

ফেসবুকে এই বঙ্গবন্ধু রূপি ব্যক্তির ছবি পোস্ট করে একজন ফেসবুক ব্যবহারকারী লিখেছেন, ‌বলেন তো উনি কে? তিনি অভিনয় করছেন বঙ্গবন্ধুর চরিত্রে। সরকারি অনুদানের ছবিটা শিগগিরই মুক্তি পেতে যাচ্ছে।

কিন্তু চলচ্চিত্রটি কে নির্মাণ করছেন, কিংবা অভিনেতা অভিনেত্রী কারা, এ বিষয়ে কিছুই উল্লেখ করা হয়নি পোস্টটিতে। অন্যদিকে খোঁজ নিয়ে জানা যায়, বঙ্গবন্ধুকে নিয়ে নির্মাণ হচ্ছে এমন কোনো চলচ্চিত্রকে সরকারি অনুদান এখন পর্যন্ত দেওয়া হয়নি। তাহলে কী ব্যক্তি উদ্যোগে কেউ ছবিটা বানাচ্ছেন? সে তথ্যও পাওয়া যায়নি এখন পর্যন্ত।

ক্রিকেটারদের আকর্ষণীয় ১০ স্ত্রী ও বান্ধবী


আন্তর্জাতিক ক্রিকেট মানেই ভ্রমণ। ক্রিকেট খেলতে এক দেশ থেকে আরেক দেশে ঘুরে বেড়াতে হয় ক্রিকেটারদের। চলার পথে অনেকের সাথেই হয় পরিচয়। সামলাতে হয় ভক্তদের। এর মাঝে অনেক ক্রিকেটার পেয়ে যান জীবনসঙ্গী।
বেশ কিছু ক্রিকেটার আছেন যাদের আছে অতি সুন্দরী স্ত্রী ও বান্ধবী। তাদের স্ত্রী ও বান্ধবীরা বিভিন্ন কারণে আলোচিতও। এর মধ্য থেকে ক্রিকেটারদের আকর্ষণীয় ১০ স্ত্রী ও বান্ধবীকে নিয়ে এই আয়োজন।
সুন্দরী স্ত্রী পাওয়ার দিক থেকে ভারতীয় ক্রিকেটাররাই এগিয়ে। স্টুয়ার্ট বিনির মতো আরেক অলরাউন্ডার যুবরাজ সিংয়ের ঘরেও আছে সুন্দরী স্ত্রী। যুবরাজের স্ত্রী হ্যাজেল কিচ পেশায় একজন অভিনেত্রী। ব্রিটিশ মডেল হিসেবেও তার পরিচয় আছে। ভালো ড্যান্সার ও গায়ক হিসেবেও খ্যাতি আছে হ্যাজেলের। ২০১৬ সালের নভেম্বরে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হন যুবরাজ ও বলিউডকন্যা হ্যাজেল।
আন্দ্রে রাসেলের স্ত্রী ছাড়াও আরেকটি পরিচয় আছে ক্যারিবিয়ান সুন্দরী জেসিম লরার। লরা পেশায় একজন মডেল। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে সে দারুণ জনপ্রিয়। ইনস্টাগ্রামে সব সময় নিজের মোহনীয় ছবি দিয়ে নিজেকে আপডেটেড রাখেন লরা।
উইন্ডিস পেসার আন্দ্রে রাসেলের স্ত্রী জেসিম লরা।
ক্যানডাইস ফ্যালজন ক্রিকেটারদের সুন্দরী স্ত্রীর তালিকার প্রথম দিকে আছেন। পেশায় সে একজন মডেল। একইসঙ্গে পেশাগতভাবে ফ্যালজন একজন লোহমানবী। অস্ট্রেলিয়া ওপেনার ডেভিড ওয়ার্নারের সাথে ২০১৫ সালের এপ্রিলে বিয়ে হয় তার।
অজি ওপেনার ডেভিড ওয়ার্নারের স্ত্রী ক্যানডাইস ফ্যালজন।
২০১১ সালে সু ইরাসমাসকে বিয়ে করেন দক্ষিণ আফ্রিকার অলরাউন্ডার ডেপি ডুমিনি। সু পেশায় একজন মডেল। ক্রিকেটারদের সুন্দরী স্ত্রীর তালিকায় সুও বেশ এগিয়ে।
প্রোটিয়া অলরাউন্ডার ডেপি ডুমিনির স্ত্রী সু ডুমিনি।
অনুমিতভাবেই এই তালিকায় আছেন বাংলাদেশের বিশ্বসেরা অলরাউন্ডার সাকিব আল হাসানের স্ত্রী উম্মে আহমেদ শিশির। ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে পড়াশোনা করলেও শিশির একজন গৃহিনী। ক্রিকেটারদের সুন্দরী স্ত্রীর তালিকায় প্রথমদিকে অবস্থান শিশিরের।
বিশ্বসেরা অলরাউন্ডার সাকিব আল হাসানের স্ত্রী উম্মে আহমেদ শিশির।
সুন্দরী স্ত্রী পাওয়ার দিক থেকে ভারতীয় ক্রিকেটাররাই এগিয়ে। স্টুয়ার্ট বিনির মতো আরেক অলরাউন্ডার যুবরাজ সিংয়ের ঘরেও আছে সুন্দরী স্ত্রী। যুবরাজের স্ত্রী হ্যাজেল কিচ পেশায় একজন অভিনেত্রী। ব্রিটিশ মডেল হিসেবেও তার পরিচয় আছে। ভালো ড্যান্সার ও গায়ক হিসেবেও খ্যাতি আছে হ্যাজেলের। ২০১৬ সালের নভেম্বরে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হন যুবরাজ ও বলিউডকন্যা হ্যাজেল।
যুবরাজ সিংয়ের স্ত্রী হ্যাজেল কিচ।
সুন্দরী ও গুনবতী স্ত্রী পেয়েছেন ইংল্যান্ডের ব্যাটসম্যান কেভিন পিটারসেন। তার স্ত্রী জেসিকা টেলর আকর্ষণীয় ফিগারের অধিকারী। টেইলর একইসঙ্গে মডেল, গায়ক, টিভি ব্যক্তিত্ব এবং অসাধারণ একজন ড্যান্সার।
কেভিন পিটারসেনের স্ত্রী জেসিকা টেলর।
ভারত ও পাকিস্তান চিরশত্রু। হোক সেটা বর্ডার কিংবা খেলার মাঠ। তবে এই দুই দেশের মধ্যেও যে বন্ধুত্ব হতে পারে তারকা হয়েও সেটার নজির স্থাপন করেন পাকিস্তান অলরাউন্ডার শোয়েব মালিক ও ভারতের টেনিস তারকা সানিয়া মির্জা। ক্রিকেটারদের সুন্দরী স্ত্রীর তালিকায় সানিয়া মির্জা বেশ এগিয়ে।
পাকিস্তান অলরাউন্ডার শোয়েব মালিকের স্ত্রী ও ভারতের টেনিস তারকা সানিয়া মির্জা।
বিরাট কোহলির বান্ধবী আনুশকা শর্মাকে নতুন করে পরিচয় করিয়ে দেয়ার কিছু নেই। ইতিমধ্যে বলিউডে শক্ত জায়গা করে নিয়েছেন এই গ্ল্যামার গার্ল। ২০১৫ সালের সেপ্টেম্বর থেকে কোহলি-আনুশকা চুটিয়ে প্রেম করে আসছেন। শিগগিরই বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হওয়ার কথা রয়েছে তাদের।
ভারত অধিনায়ক বিরাট কোহলির বান্ধবী ও হলিউড কন্যা আনুশকা শর্মা।
বিলি মিশেল ইংল্যান্ড পেসার স্টুয়ার্ট ব্রডের বান্ধবী। মহিলাদের অন্তর্বাসের মডেল তিনি। আকর্ষণীয় ফিগার ও মিষ্টি হাসি দিয়ে খুব অল্প সময়ে অনেক খ্যাতি অর্জন করেছেন বিলি।
ইংলিশ পেসার স্টুয়ার্ট ব্রডের বান্ধবী বিলি মিশেল।

হঠাৎ ফেসবুকে স্ট্যাটাস দিয়ে একি বললেন তারিন ! যা নিয়ে এত আলোড়ন!!


আজকাল ছোট পর্দার তারকারাও ফেসবুকে স্ট্যাটাস দিয়ে আলোচনায় আসছেন। ছোট পর্দার জনপ্রিয় তারকা তারিন সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যম ফেসবুকে গতকাল শনিবার রাতে একটি স্ট্যাটাস দিয়েছেন। তিনি লিখেছেন—
’একদিন আমিও পৃথিবী ছেড়ে চলে যাব, ফিরব না আর। তুমি কাঁদবে। যখন একা থাকবে, আমার কথা মনে হবে। আমার হাসি আর কণ্ঠ শুনতে পাবে না আর। আমি আর থাকব না তোমাকে জ্বালাতন করতে, খোঁচাতে,
হাসাতে কিংবা বোকার মত ’স্যরি’ বলার জন্য। হয়তো চোখের জলের ভেসে যাবে। কিন্তু আমি তো চলে যাব, বহুদূরে এবং চিরতরে।

তারকা হবার আগে যা করতেন তারা


আপনার পরিশ্রমই আপনাকে আরো অনুপ্রেরণা দেবে এগিয়ে যাবার জন্য৷ কারণ বেশিরভাগ সাফল্যের পেছনেই দেখা যায় দারিদ্র বা কষ্টের এক ইতিহাস৷ সেই ইতিহাসের জানতে বেশিদূর যেতে হবে না৷
বলিউডে চোখ জানা যাবে তা৷ অমিতাভ বচ্চন থেকে রজনীকান্ত, অক্ষয় কুমার থেকে জনি লিভার কে নেই তালিকায়৷
অভিনেতা হবার আগে অমিতাভ বচ্চন কলকাতার শিপিং কোম্পানিতে কাজ করতেন৷ কিন্তু ইন্ডাস্ট্রিতে আসার আগে তাকেও অনেক কষ্ট করতে হয়েছে৷ এমনকি কসমেটিক আইটেম বিক্রি করতে গিয়ে সেলসম্যানের কাজও করতে হয়েছে এ অভিনেতাকে৷
শাহরুখ খান বলিউড বাদশাহ বলা হয় তাকে। বিভিন্ন পার্টিতে সহায়ক হিসেবেও কাজ করতে হয়েছিল তাকে৷ গুঞ্জন আছে, জনপ্রিয় গজলশিল্পী পঙ্কজ উদাসের গানের আসরেও তিনি সহায়কের কাজ করেছিলেন যেখানে তার বেতন ছিল ৫০টাকা!
দাপুটে অভিনেতা নওয়াজউদ্দিন সিদ্দিকি৷ ২০ বছরের দীর্ঘ পরিশ্রম আজ তাকে এ স্থান এনে দিয়েছে৷ স্ট্রাগল পিরিয়ডে তিনি কেমিস্টের কাজ করতেন৷ দিল্লিতে ওয়াচম্যানের কাজও করেছেন তিনি৷
জনপ্রিয় কমেডিয়ান অভিনেতা জনি লিভার ছবির জগতে আসার আগে রাস্তায় পেন বিক্রি করে দিনযাপন করতে হয়েছে তাকে৷
অক্ষয় কুমার ব্যাংককে হোটেলে কাজ করা থেকে শুরু করে কুন্দনের গয়না বিক্রি করার মতো কাজও করেছেন রুপালি দুনিয়ায় পা রাখার আগে৷
এভারগ্রিন অ্যাকটর দেব আনন্দ একসময় কেরানির কাজ করতেন!
কমেডি কিং কপিল শর্মাও এ পেশাতে পা রাখার আগে পিসিওতে কাজ করতেন।
দক্ষিণী ছবির সুপারস্টার রজনীকান্ত দীর্ঘদিন বাসের কনডাক্টরের কাজ করেছেন বেঙ্গালুরুতে৷
তথ্যসূত্র- কলকাতা 24×7

বিশ্বের সবচেয়ে মোটা সেই নারীর ইচ্ছা পূরণ করবেন সালমান খান


সালমান বরাবরই অন্য অভিনেতাদের থেকে অন্য রকম। ভক্তদের ইচ্ছে পূরণের ক্ষেত্রে তার যেন তুলনা হয় না।
২০১৫ সালে লিভার ট্রান্সপ্ল্যান্ট করতে মু্ম্বাই গিয়েছিলেন আবদুল বাসিত নামের এক পাকিস্তানি নাগরিক।
তখন তার ইচ্ছে পূরণ করতে বাসিতের সঙ্গে দেখা করেছিলেন সালমান খান।
এবার তেমনই এক ঘটনার পুনরাবৃত্তি ঘটতে যাচ্ছে। এবারও ভক্তের ইচ্ছা পূরণ করনে সালমান খান। চিকিৎসার
প্রয়োজনে বর্তমানে মুম্বাইয়ের সাইফী হাসপাতালে অবস্থান করছেন বিশ্বের সবচেয়ে মোটা (ওজন ৫০০ কেজি) নারী ইমান আহমেদ আবদুলাতি।
এই নারী আবার সালমানের ভক্ত।
ইমান যে চিকিৎসকের অধীনে চিকিৎসা নিচ্ছেন তার নাম মোফাজ্জল লাখদাওয়ালা। এই চিকিৎসক আবার সালমানের পরিবারের ব্যক্তিগত চিকিৎসক।
তার মাধ্যমেই সালমানের সঙ্গে দেখা করার ইচ্ছা প্রকাশ করেছেন ইমান।
৩৬ বছর বয়সি ইমানের ইচ্ছা পূরণের বিষয়ে সালমানের বাবা সেলিম খান বলেন, ‘আমরা তার ইচ্ছের বিষয়টি শুনেছি।
সালমান অবশ্যই তার সঙ্গে দেখা করবে। এ ধরনের রোগীদের ইচ্ছে পূরণের জন্য অভিনেতারা প্রয়োজনে যে কোনো জায়গায় যাবে।
কিন্তু হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে আমরা এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিক কোনো চিঠি পায়নি। চিঠি পাওয়া মাত্রই সালমান তার সঙ্গে দেখা করবে।’

মেয়েদের মডেলিং এবং অভিনয় নিয়ে গোমর ফাঁস করে দিলেন আলোচিত হ্যাপি


শোবিজ জগৎ ছেড়ে আমূল বদলে গেছেন হ্যাপি। এ খবর এরই মধ্যে বাংলাদেশের সীমানা ছাড়িয়ে ঠাঁই পেয়েছে পাশ্চাত্যের মিডিয়াতেও। এখন তার নাম আমাতুল্লাহ। বদলে গেছে তার জীবনের চলার পথ।
হ্যাপির দীর্ঘ সাক্ষাৎকার নিয়ে ‘হ্যাপি থেকে আমাতুল্লাহ’ শিরোনামে একটি বই প্রকাশ করেছে মাকতাবাতুল আযহার।
চলচ্চিত্র জগতে নারীর অবস্থান সম্পর্কে কঠোর সমালোচনা করেছেন একসময়ের মডেল ও নায়িকা হ্যাপি। তিনি বলেছেন, ‘মডেল মানেই পণ্য। কারণ, একজন মডেল যখন কোনো বিজ্ঞাপন করে তখন সে তার চেহারা, অঙ্গ ও অভিনয় দিয়ে মানুষকে সেই বস্তুর দিকে আকৃষ্ট করার চেষ্টা করে।
এর বিনিময়ে সে টাকা পায়। আমি আমার জীবনে এটাই দেখেছি যে, একজন নায়িকা যখন সিনেমায় অভিনয় করে তখন সে কম হোক, বেশি হোক, অভিনয়ের পারিশ্রমিক পায়। তাকে যেই পারিশ্রমিক দেয়া হয় সেটা প্রযোজক তুলে নেন সিনেমার টিকিট বিক্রির মাধ্যমে।
সিনেমা হলে এসে দর্শকরা তার শরীর দেখার বিনিময়ে টাকা দিচ্ছে।… যে মেয়ে নিজেকে যত সুন্দর পণ্য হিসেবে প্রদর্শন করতে পারবে সে তত বেশি টাকা পাবে। আমি চলচ্চিত্রকে সবচেয়ে জঘন্য মনে করি এ কারণে যে তারা মেয়েকে শুধু পণ্য হিসেবেই দেখে।’

ভিখারি ভেবে রজনীকান্তকে ১০ টাকা দান মহিলার


শিবাজি ছবিতে অভিনয়ের জন্য প্রায় ২৬ কোটি টাকা পারিশ্রমিক নিয়েছিলেন রজনীকান্ত। ভারতীয় সিনেমার মেগাস্টার তিনি। আর সেই তাঁকে ভিখারি ভাবলেন এক মহিলা। হাতে তুলে দিলেন ১০টাকা। নিজেই মজার এই অভিজ্ঞতার কথা শেয়ার করেছেন অভিনেতা।
২০০৭ সাল। রিলিজ় করে শিবাজি। সুপার-ডুপার হিট হয় ছবিটি। সেকারণে মন্দিরে যাবেন বলে ঠিক করেন রজনীকান্ত। কিন্তু, ফ্যানদের নজর বাঁচিয়ে যাওয়া সহজ ছিল না। পরিকল্পনা করেন নিরাপত্তারক্ষীরা। তাঁরা অভিনেতাকে বুড়ো সাজিয়ে মন্দিরে নিয়ে যান।
যখন মন্দিরের সিঁড়ি বেয়ে উঠছিলেন তখন সঙ্গে এক মহিলাও ভগবানের দর্শন করতে যাচ্ছিলেন। বুড়োর বেশে থাকা রজনীকান্তকে গরিব ভেবে বসেন মহিলা। হাতে তুলে দেন ১০ টাকা। টাকাটি হাত বাড়িয়ে নেন রজনীকান্ত। মহিলা নিজের ভুল বুঝতে পারেন একটু পরে। দেখেন, প্রণাম করে কাছে থাকা সবটাকা ভগবানের কাছে দিয়ে দিলেন অজ্ঞাতপরিচয় লোকটি। এবার রজনীকান্তকে চিনতে পারেন সেই মহিলা। ক্ষমা চেয়ে নেন তিনি।
১৯৭৫ সালে তামিল ছবিতে ডেবিউ করেন রজনীকান্ত। মাত্র ১৫ মিনিটের রোল দেওয়া হয়েছিল তাঁকে। তখন কেউ বুঝতে পারেনি, ২৫ বছর বয়সের এই ছেলেটি একদিন সুপারস্টার হবে। এখন টু পয়েন্ট জ়িরো ছবির প্রোমোশনে ব্যস্ত তামিল রজনীকান্ত।

আমি আসলেই পল্টিবাজ, আপনারা আমাকে কিছুই করতে পারবেন না : রুবি


মানুষ যে কতটা নিচে নামতে পারে রাবেয়া সুলতানা রুবিকে দেখলে তা বোঝা যায়। জনপ্রিয় নায়ক সালমান শাহ মৃত্যুরহস্য নিয়ে দেওয়া তার ভিডিও বার্তায় ‘সালমানকে হত্যা করা হয়েছে’ দাবী থেকে পুরোপুরি পল্টি মেরে এখন নিজেকে অসুস্থ বলে দাবী করছেন।
চিত্রনায়ক সালমান শাহ’র খুনের সাক্ষী দাবি করা রুবি সুলতানা বুধবার বাংলাদেশ সময় সন্ধ্যায় ৬ টায় ফেসবুক লাইভে এসে এসব উল্টো কথা বলেন। তা শোনার পর ক্ষুব্ধ পুরো বাংলাদেশের মানুষ।
রুবি বলেন, ‘আমি গেলো দুই সপ্তাহ ধরে হাসপাতালে ছিলাম। আমি যা কিছু বলেছি তার কোনো মূল্য নাই। আমি যে অসুস্থ ছিলাম বাসায় গিয়ে সেই কাজগপত্র পৌঁছে

দেবো। আমার স্বামীর সঙ্গে কথা হয়েছে এখানে একা থাকি তো ভাই, বোন কেউ নাই।’
তিনি বলেন, ‘আত্মীয় স্বজন কেউ নাই তাই কিছুটা মাথা খারাপ হয়ে গিয়েছে। আজ সকালে আমার স্বামীর সঙ্গে কথা বলে বুঝতে পারলাম যে তারা খুব কষ্ট পাচ্ছে। আমার বড় ছেলে এক মাসের জন্য হাসপাতালে যাবার জন্য বলেছে।’
এ সময় নিজেকে অসুস্থ পাগল বলেন রুবি। সামিরা ও অন্যান্য যাদের নাম তিনি বলেছিলেন, এসব মিথ্যা বলেও দাবি করেন তিনি। কারণ মানসিকভাবে অসুস্থ থাকার ফলে নিজের উপরে নিয়ন্ত্রণ ছিল না বলে জানান রুবি।
রুবির হঠাৎ এরূপ মন্তব্য ক্ষোভে ফেটে পড়েন ফেসবুকে লাইভ দেখা মানুষজন। তারা রুবিকে ইচ্ছা মতো গালাগালি করতে থাকেন। কেউ কেউ বলেছেন আপনি যদি অসুস্থ থাকেন তাহলে ঠিকঠাকভাবে ফেসবুক লাইভে কথা বললেন কীভাবে। অনেকে আবার তাকে মারতেও চান।
তবে ওই সব মন্তব্য তোয়াক্কা না করে রুবি বলেন, আমি বাংলাদেশের না আমেরিকার নাগরিক। আমার বাসার পাশেই থানা। আমাকে আপনারা কিছুই করতে পারবেন না। আমি আসলেই পল্টিবাজ। আপনারা যাই বলেন না কেন তাতে কিছুই আসে যায় না।
একাকীত্বে থাকার কারণেই মানসিকভাবে অসুস্থ হয়ে এমনটা করেছেন বলে জানান রুবি। সালমান খুন হয়েছেন নাকি আত্মহত্যা করেছেন তার কিছুই জানেন না বলে জানিয়েছেন সালমানের মা নীলা চৌধুরীর করা হত্যা মামলার অন্যতম আসামী এই রুবি।

রুবিকে দেশে ফেরানোর উদ্যোগ পিবিআই’র… ।।


পিবিআই’র ডিআইজি বজন কুমার মজুমদার বলেন, ‘রুবির সাথে আমাদের যোগাযোগ এরিমধ্যে শুরু হয়েছে। তিনি যে ভিডিওটি আপলোড করেছেন, আমরা আইওকে বলে দিয়েছি যেনো আদালতের কাছে প্রার্থনা করবো এই ভিডিওটি নথিতে সংযুক্ত হয়। সে (রুবি) কিভাবে আসতে চায়। সে তো নিজে থেকে বলছে, সেই রুবি। সে যদি আসল রুবি হয় তাহলে ইন্টারপোল হোক, পুলিশ হেডকোয়ার্টার হোক বা মন্ত্রণায়, আমরা দেখবো কিভাবে তাকে আনা যায়।’
এছাড়া মামলার মূল অভিযুক্ত সামিরা ও ঐ সময়ে বাসার গৃহকর্মীসহ সবাইকে দেশে এনে জিজ্ঞাসাবাদেরও উদ্যোগ নেয়া হচ্ছে বলে জানান তিনি।
নায়ক সালমান শাহকে হত্যা করাও হতে পারে আবার তিনি আত্মহত্যাও করে থাকতে পারেন বলে নতুন তথ্য দিয়েছেন মামলার আসামি আলোচিত রুবি সুলতানা। বুধবার সকালে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে নতুন আরেকটি ফেসবুকে লাইভে তিনি এ কথা বলেন।
এদিকে এ মামলার অন্যতম আসামি রুবি সুলতানার ভিডিও বার্তা প্রমাণ হিসেবে আদালতে মামলার নথিতে সংযুক্ত করার আবেদন করা হবে বলে জানান পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন এর ডিআইজি। পরিবারের দাবি অনুযায়ী ও তদন্তের স্বার্থে প্রয়োজনে রুবিকে দেশে ফিরিয়ে আনতে ইন্টারপোলের সহযোগিতা চাওয়া হবে বলেও জানান তিনি।
থার্টিফাইভ মিলিমিটার রঙিন সিনেমার প্রয়াত নায়ক সালমান শাহ’এর মৃত্যু নিয়ে কয়েকদিন ধরেই সরগরম দেশের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম থেকে মূল ধারার গণমাধ্যমও। মূলত সালমান শাহ’ ব্যক্তিগত বিউটিশিয়ান রাবেয়া সুলতানা রুবির একটি ভিডিও বার্তাই বিষয়টি নতুন করে সামনে নিয়ে এসেছে।
যেখানে তিনি দাবি করেন, সালমান শাহ আত্মহত্যা করেননি, তাকে খুন করা হয়েছে।
প্রথম ভিডিও বার্তায় সালমানকে হত্যা করার কথা বললেও বুধবার সকালে আরেকটি ভিডিওতে সেখান থেকে অনেকটাই সরে আসেন আলোচিত রুবি। তবে ভিডিও বার্তায় তিনি দাবি করেন, সালমান-সামিরার দাম্পত্য জীবন সুখের ছিল না।
দ্বিতীয় রুবি বলেন, ‘ভিটিওটি পোস্ট করেছি ভাইরালের জন্য না। জাস্ট নিলা ভাবিকে (সালমানের মা) খরটা জানানো জন্য যে, এটা আত্মহত্যা নাও হতে পারে, এটা খুন হতে পারে। আমরা মুখ দিয়ে অন্য কথা বের হয়ে গেছে। যদি এফবিআই, সিআইডি নিয়ে আসেন, কথা বলবো। বাঙালির সাথে কথা বলবো না। বাঙালি যদি কথা বুঝতো তাহলে ২১ বছর এটা ঝুলে থাকতো না।’
সালমান শাহ এর মা নীলা চৌধুরীর দাবি, সালমানের মৃত্যুর পরপরই তার ঘরে যেসব আলামত পাওয়া গেছে তাতেই প্রমাণ হয় সালামান শাহকে হত্যা করা হয়েছে। পাশাপাশি চলচ্চিত্রের সঙ্গে সংশ্লিষ্টরাও বলছেন, সালমানের জীবনে তখন এমন কিছুই ঘটেনি যাতে তাকে আত্মহত্যা করতে হবে।
সালমানের মা বলেন, ‘যেদিন মারা গেলো সেদিনও সে শুটিং করে গেছে। তার টেবিলের উপর আমি কন্টিনিউটি ড্রেসের ফটো পেয়েছি। তার ড্রেস পেয়েসি রেডি করা। এক জন মানুষ আত্মহত্যা করতে হলে ড্রেস রেডি করে, সব রেডি করে আত্ম হত্যা করবে না।’
চিত্র নায়িকা মুনমুন বলেন, ‘তখন তিনি বাংলাদেশের সেরা সুপারস্টার ছিলেন। তার ছবি মানেই সুপারহিট। মানুষ তো ফ্রাস্ট্রেশনে ভুগেই আত্মহত্যা করে। কিন্তু ওইরকম কোন পরিস্থিতি আমি দেখতে পাইনা। আত্মহত্যাটা হঠাৎ কেন হবে। এটাই সবার মনে প্রশ্ন।’
পরিবারের দাবি অনুযায়ী রুবিকে আমেরিকা থেকে দেশে ফিরিয়ে আনার ব্যবস্থা নেয়া হবে বলে জানিয়েছে পিবিআই। পাশাপাশি তার ভিডিও বার্তাটিও তদন্তের স্বার্থে মামলার নথিতে সংযুক্ত করার ব্যবস্থা নেয়া হবে বলেও পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা জানেন আমি কেমন : সালমানের শ্বশুর


রাবেয়া সুলতানা রুবি নামের এক আমেরিকা প্রবাসী অনলাইনে একটি ভিডিও বার্তা ছেড়ে তিনি দাবি করেছেন, সালমান শাহকে খুন করা হয়েছে। সেই খুনের সঙ্গে জড়িত ছিলেন তারই স্বামী। চীনাদের দিয়ে এই খুন করানো হয়। এতে জড়িত ছিল সালমান শাহের স্ত্রী সামিরার পরিবারও।
তবে এসব তথ্যকে অবান্তর বলে দাবি করলেন সামিরার বাবা ও সালমানের শ্বশুর শফিকুল হক হীরা। তিনি ভিডিও প্রকাশকারী রুবিকে মানসিকভাবে বিপর্যস্ত বলেও দাবি অভিহিত করলেন। সোমবার বিকেলে তিনি বলেন, ‌ভিডিওটি আমিও দেখেছি। এটা খুবই হাস্যকর লেগেছে আমার কাছে।’
শফিকুল হক হীরা নিজের পরিবারকে নির্দোষ দাবি করে আরো বলেন, আমি বা আমার পরিবার যদি মেয়ের জামাই খুনের সঙ্গে জড়িত থাকতাম তবে যে বছর সালমান মারা গেল সেই বছরই সাবের হোসেন চৌধুরী আমাকে সরকারিভাবে ক্রীড়া সংগঠক হিসেবে পুরস্কৃত করতেন না। আমিও সম্মানের সঙ্গে বাংলাদেশের ক্রিকেটের সঙ্গে আজ অবধি জড়িত থাকতে পারতাম না। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা জানেন আমি কেমন। এই দেশের ক্রীড়াঙ্গনে আমার কী অবদান।
তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রীর কাছে সালমানের মা নিজেও গিয়েছিলেন ছেলে হত্যার শাস্তি চাইতে। কিছু হয়েছে? হয়নি। কারণ, একটা আত্মহত্যাকে জোর করে হত্যা বলে প্রমাণ করা যায় না। আর প্রধানমন্ত্রী জানতেন সালমানের মা নীলা চৌধুরী কেমন। স্বৈরশাসক এরশাদের ঘনিষ্ঠ বান্ধবী ছিলেন নীলুফার চৌধুরী ওরফে নীলা চৌধুরী সেই কথা কারো অজানা নয়।’
সালমানের মা প্রসঙ্গে এই প্রবীন ক্রিকেটার আরো বলেন, সালমানের বাবা ছিলো আমার ক্লাসমেট। খুব ভালো বন্ধু ছিলো আমার। ও ছিলো ফার্স্টক্লাশ ম্যাজিস্ট্রেট।
ছেলের মৃত্যু নিয়ে তার খুব আপসেট ছিলো। আমরা একে অপরকে শান্তনা দিয়েছিলাম। সে চেষ্টা করেছিলো সালমানের মৃত্যুর রহস্য উদঘাটন করতে। কিন্তু পারেনি তার স্ত্রীর জন্য। সালমানের মা নীলা চৌধুরীর স্বভাব-চরিত্র নিয়ে সেইসময় অনেক সমালোচনা হতো সবখানে। সালমান খুনের সঙ্গে তার মায়ের নামেই চলে আসছিলো। নিজের সমালোচনার জন্যই নীলা চৌধুরী ছেলের খুনের মামলা করেও খুব একটা গুরুত্ব পাননি।
এই ক্রীড়া সংগঠক বলেন, আমার স্ত্রী বর্তমানে চীন ও আমেরিকায় নানা রকম ব্যবসা নিয়ে ব্যস্ত আছে। আমার মেয়ে সামিরাকে আমরা দ্বিতীয়বার ভালো ঘরের ছেলের সঙ্গে বিয়ে দিয়েছি। সেই সংসারে সুখে আছে সে। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে আমার ও আমার পরিবারের ভাবমূর্তি কম ক্ষুন্ন হয়নি। এই সময়ে এসে এইসব বাতিল বিতর্কে আমি আর কান দিতে চাই না। পাগলে অনেক কিছুই বলবে। তাতে কী আসে যায়।
তিনি আরো বলেন, আমি জেনেছি রুবি তার স্বামীর সঙ্গে নেই। ওদের ডিভোর্স হয়েছে। শেষ বয়সে অর্থকড়ির ঝামেলায় আছে হয়তো। কারণ ডিভোর্সের সময় স্বামীর কাছ থেকে টাকা নিতে পারেনি, তার ও পুত্রের নিরাপত্তার ব্যবস্থা করতে পারেনি। এজন্য মাথা হয়তো বিগড়ে গেছে। কিন্তু তার দায় তো দেশ ও জাতি নেবে না। রুবি নিঃস্ব অবস্থায় আছে। তাই মানসিকভাবে বিপর্যস্ত হয়ে যা খুশি তাই করছে। হতে পারে সালমানের মা ওকে টাকার লোভ দেখিয়ে থাকতে পারে। সেজন্যই একটা পুরনো ইস্যুকে নতুন করে রঙ মাখিয়ে হাজির করেছে।
বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দলের প্রথম অধিনায়ক হীরা বলেন, রুবি নিজেই তো এই মামলার আসামি। ঘটনার শুরু থেকেই সে সমালোচিত সালমান খুনের সঙ্গে। কিন্তু বরাবরই সে নিজেকে নির্দোষ দাবি করে এসেছে। সালমানের মৃত্যুকে আত্মহত্যা বলে দাবি করে সালমানের মাকে কটাক্ষ করেছে। তবে নতুন করে কেন সে এসব মিথ্যাচার করছে সেটা খতিয়ে দেখার প্রয়োজন।
ভিডিওতে সামিরা ও তার পরিবার সালমান খুনের সঙ্গে জড়িত বলে দাবি করেছে রুবি। এ প্রসঙ্গে হীরা বলেন, এটাকে পাত্তা দেয়ার মতো কিছু আছে বলে আমি মনে করি না। আমার মেয়ে বা আমার পরিবার এর সঙ্গে জড়িত থাকার প্রশ্নই আসে না। কারণ, বহু আগেই আদালত এটা প্রমাণ করেছেন যে সালমান শাহ আত্মহত্যাই করেছিল। সুতারাং খুনের প্রসঙ্গই আসে না। রুবি হয়তো কোনো কারণে ব্ল্যাকমেইল করতে চাইছে আমাদের।
তিনি বলেন, সালমানের মৃত্যুকে কেন্দ্র করে সালমানের মা অকারণেই আমার মেয়ে ও পরিবারকে অপমান করার চেষ্টা করেছে। আদৌ এসবের কোনো ভিত্তি নেই। এটা প্রমাণিত। আমাদের কাছের মানুষ যারা তারা সবাই জানেন যে সালমান প্রচণ্ড ভালোবাসতো সামিরাকে। সে সামিরার সৌন্দর্যে মুগ্ধ ছিল বরাবরই। তারই সামনে ১৯৯৫ সালে শাহরুখ খান সামিরাকে বলিউডে অভিনয়ের প্রস্তাব দিয়েছিল। সে আমার মেয়েকে নিয়ে গর্ব করত।
হীরা বলেন, আমরাও সালমানকে প্রচণ্ড আদর করতাম। কারণ ও শুধু আমাদের জামাই ছিলো না, সালমান ছিলো আমার বন্ধুর পুত্র এবং আমার স্ত্রীর বান্ধবীর পুত্র। ও তখন অনেক জনপ্রিয় নায়ক হলেও খুব বেশি টাকা কিন্তু আয় করতো না। আমাকে প্রায় সময়ই চট্টগ্রাম থেকে পঞ্চাশ হাজার করে, এক লাখ করে টাকা পাঠাতে হতো। আমি পাঠাতামও সন্তান মনে করেই। কেন সে আত্মহত্যা করলো সেটা অজানাই এবং আফসোসের। তবে আমার মেয়ে ও আমার পরিবার থেকে কোনোদিন ভালোবাসার কমতি ছিলো না সালমানের জন্য।

স্ক্যান্ডালে জড়িয়েছিলেন বাংলাদেশের যে নামী দশ তারকা!


সারা বিশ্বেই তারকাদের নিয়ে বিভিন্ন ভিডিও স্ক্যান্ডাল ছড়িয়ে পড়ার খবর পাওয়া যায় প্রায়সময়ই। এমন স্ক্যান্ডাল হলিউড-বলিউড-ঢালিউড সর্বত্রই চলছে। সেই সব তারকারা কিন্তু ঘটনা লুকিয়ে রাখতে চাইলেও পারেননি। তেমনি সারাবিশ্বের মতই বাংলাদেশের মডেল, অভিনেত্রী, কণ্ঠশিল্পীদের বেশকিছু ভিডিও স্ক্যান্ডাল ছড়িয়ে পড়েছিল সারা বিশ্বে। সেই ভিডিওগুলো নিয়ে হয়েছে অনেক আলোচনা ও সমালোচনা। তবে স্ক্যান্ডালগুলো আবার কোনোটা মিথ্যাও। কিন্তু সত্য হোক আর মিথ্যা, ভিডিওগুলো নিয়ে সারা দেশেই আলোচনা হয়েছে। কেউ মনে করছেন সত্য আবার কেউ বা মনে করেছেন মিথ্যা। আর এজন্য তারকারা সমালোচিত হয়েছেন বেশি। যদিও সেক্স স্ক্যান্ডাল প্রকাশের পর প্রায় তারকাই ভিডিওটি তার নয় বলে দাবি করেছেন। কিন্তু কেনো তারকাদের নাম দিয়ে এসব ভিডিও প্রকাশ করা হয় ইন্টারনেটে তার কোন উত্তর খুঁজে পাওয়া যায় না।
মাহিয়া মাহি: ঢালিউডের জনপ্রিয় অভিনেত্রী মাহিয়া মাহির সাবেক প্রেমিকের সঙ্গে তার সেক্স ভিডিওর স্ক্যান্ডলও নেট দুনিয়ায় ভাইরাল হয়েছিল। তবে ভিডিওটি আপলোড করার কয়েক ঘণ্টা পরে সে ভিডিও আবার সরিয়েও ফেলা হয়। ভিডিওর মেয়েটি মাহি এবং মাহি নয় – দু ধরনের বক্তব্যই শুনতে পাওয়া গিয়েছিল সে সময়।
সাদিয়া জাহান প্রভা: সময়টা ২০১০ সাল। জনপ্রিয় অভিনেত্রী সাদিয়া জাহান প্রভা তখন দেশের শীর্ষ মডেল ও অভিনেত্রী। ঠিক সেই সময়েই তার একটি ভিডিও ফুটেজ বাজারে ছাড়েন তার সেই সময়ের হবু বর রাজীব। মুহূর্তেই তা সারা বিশ্বে ছড়িয়ে পড়ে। রাজীব এবং প্রভার বিয়ে পারিবারিকভাবেই চূড়ান্ত হয়েছিল। সব ঠিকঠাক চলছিল। তাই অনেকটা দাম্পত্য জীবনের মতোই ছিল তাদের সম্পর্ক। কিন্তু এর মাঝে অভিনেতা অপূর্বর সাথে প্রভার মন দেয়া-নেওয়া হলে প্রভা পালিয়ে অপূর্বকে বিয়ে করে বসেন। এরপরই প্রতিহিংসার বশে রাজীব তার হবু স্ত্রী প্রভার একান্ত সময়ের কিছু ফুটেজ ইন্টারনেটে ছেড়ে দেয়। প্রভার পক্ষ থেকে এমনটাই অভিযোগ করা হয়েছিল। এ নিয়ে তুমুল বির্তকে জড়িয়ে পড়েন প্রভা। অপূর্বের সঙ্গেও সংসার ভেঙে যায়। ক্যারিয়ারে ধস নামে। দীর্ঘ ২ বছর মিডিয়া থেকে আড়ালে ছিলেন তিনি। তবে বর্তমানে প্রভা আবারও মানসিকভাবে শক্ত থেকে মিডিয়াতে নিয়মিত কাজ করছেন। এই ব্যাপারটিও সবাই ইতিবাচক হিসেবে নিয়েছেন।
কণ্ঠশিল্পী মিলা: জনপ্রিয় পপ শিল্পী মিলা’র ক্যারিয়ার শুরু হয় গানের মাধ্যমেই। পরে অবশ্য বেশ কয়েকটি বিজ্ঞাপনেও মডেলিং করেন এই পপ তারকা। কিন্তু ক্যারিয়ারে জনপ্রিয়তার তুঙ্গে থাকা অবস্থায় হঠাৎ করেই তার নাম চলে আসে ভিডিও স্ক্যান্ডালের তালিকায়। ইন্টারনেটে ‘মিলা’ নামে একটি আপত্তিকর ভিডিও প্রকাশ করা হয়। ৩৩ সেকেন্ডের ঐ ভিডিওটিতে মাতাল অবস্থায় থাকা তরুণীকে দেখা যায়। এ ঘটনার কয়েকমাস পর মিলা এ বিষয়ে মুখ খোলেন। তিনি দাবি করেন, প্রকাশিত ভিডিও চিত্রের মেয়েটি তিনি নন। এটি আসলেই মিলা কিনা তা নিয়ে সন্দেহ প্রকাশ করেছেন অনেকেই। তবে স্ক্যান্ডাল থেকে রক্ষা পাননি তিনি। কিছুদিন আগে তিনি বিয়ে করে এখন সংসার নিয়ে ব্যস্ত আছেন।
শ্রাবস্তী দত্ত তিন্নি: ভিডিও স্ক্যান্ডালের সঙ্গে জড়িয়ে পরেন বাংলাদেশের জনপ্রিয় মডেল অভিনেতা তিন্নি-হিল্লোল জুটি। একটি হোটেল রুমে তরুণ-তরুণীর অন্তরঙ্গ মুহূর্তের একটি ভিডিও ফুটেজ দুজনের নামে ছেড়ে দেওয়া হয় বাজারে। ভিডিওটির পাত্র-পাত্রী হিসেবে চলে আসে এ জুটির নাম। এই ভিডিওটির সত্যতা মেলেনি। কিন্তু সমালোচনার হাত থেকে রেহাই মেলেনি তুখোড় এই তারকা-জুটির। তিন্নিকে এখন শোবিজে দেখা যায় না বললেই চলে।
নোভা: অভিনেত্রী নোভার নামও জড়িয়ে পরে ভিডিও স্ক্যান্ডালে। ক্যারিয়ারের ব্যস্ত সময়ে একটি ভিডিও ফুটেজ বিতর্কে ফেলে দেয় এই তারকাকে। ২০১০ সালে তার নামে একটি অর্ধ বিবসনা ফুটেজ ছড়িয়ে পরে। যা এ তারকাকে স্ক্যান্ডালের তালিকায় ফেলে দেয়। যদিও ফুটেজটির মেয়েটির পরিচয় নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
আনিকা কবির শখ: জনপ্রিয় মডেল আনিকা কবির শখের নামে একটি ভিডিও ফুটেজ বেশ আলোড়ন সৃষ্টি করে ২০১১ সালের মাঝামাঝিতে। ভিডিও ক্লিপটি প্রকাশ হওয়ার সাথে সাথেই এটি নানাভাবে ছড়িয়ে পরে সর্বত্র। ভিডিওতে বিবসনা নারীটি আসলেই শখ কিনা তা নিয়ে সংশয় রয়েছে। তবে ফুটেজ ছড়িয়ে পড়ার পর শখের ক্যারিয়ার ইমেজে দর্শকদের নেতিবাচক বার্তা পৌঁছায়।
বিদ্যা সিনহা মীম: লাক্স সুপারস্টার জনপ্রিয় মডেল অভিনেত্রী বিদ্যা সিনহা মিম বেশ ক্লিন ইমেজ নিয়েই মিডিয়ায় ছিলেন। কিন্তু এতে বাঁধা হয়ে উঠে একটি আপত্তিকর ভিডিও ফুটেজ। গত বছর এক বিদেশি ক্রিকেটারের সাথে আপত্তিকর দৃশ্যের একটি ফুটেজ প্রকাশ হয়। এ নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমসহ বিভিন্ন মহলে সমালোচনার ঝড় ওঠে। তবে এটা আসলেই বিদ্যা সিনহা মিম কিনা তা নিয়েও অনেকে সংশয় প্রকাশ করেন। এটা শুধুই গুজব বলে দাবি করেন অনেকে। যদিও ভিডিওটির কোনো সত্যতা পাওয়া যায় না।
আঁখি আলমগীর: ২০১৬ সালের দিকে ইউটিউবে প্রকাশিত হয় কণ্ঠশিল্পী আঁখি আলমগীরের সেক্স ভিডিও। ভিডিওটি নিয়ে চলে তর্ক বিতর্ক। তবে এ বিষয়ে কোনো মন্তব্য করেননি অাঁখি।
পড়শী: বর্তমান সময়ের জনপ্রিয় সঙ্গীতশিল্পী পড়শীও রেহাই পায়নি এই সাইবার ক্রাইম থেকে। ভিডিও স্ক্যান্ডালের শিকার হতে হয়েছে তাকেও। পড়শীর নাম ব্যবহার করে একটি ভিডিও ফুটেজ প্রকাশ করা হয়। যদিও ভিডিওর মেয়েটির পরিচয় জানা যায়নি।
সাবিলা নূর: সর্বশেষ মানসিকভাবে বিপর্যস্ত অবস্থায় ছিলেন অভিনেত্রী সাবিলা নূর। নিজেকে খুঁজে পাচ্ছিলেন না। এজন্যই কয়েক মাস আগে যুক্তরাষ্ট্রে গিয়েছেন বেড়াতে। এমনটাই গণমাধ্যমে জানিয়েছেন এই অভিনেত্রী। এদিকে হঠাৎ করেই সম্প্রতি সাবিলার স্ক্যান্ডাল ভিডিও ভাইরাল হয় অনলাইনে। সাবিলা দাবি করেছেন, সেটি ফেইক। অন্য কারো ভিডিও সাবিলার নামে চালিয়ে দিয়েছে কেউ। সাবিলা বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রে বোনের বাসায় আছেন। সেখানে সাবিলার মা-বাবাও আছেন তার সাথে। এই ভিডিওটিই হচ্ছে বাংলাদেশের সর্বশেষ ভিডিও। যা সাবিলার না হলেও তার ক্যারিয়ারে বেশ প্রভাব ফেলেছে। সূত্রঃ প্রিয়.কম

ঘনিষ্ঠ দৃশ্যের আগে যার মেডিকেল রিপোর্ট চেয়েছিলেন সানি লিওন


সানি লিওনের ঘনিষ্ঠ দৃশ্যে নেই এমন সিনেমা নেই বললেই চলে, আর অভিনয় জগতে এখনও তাঁর প্রধান পরিচয় সেক্স সিম্বল হিসেবে। বর্তমানে পর্ন-দুনিয়াকে বিদায় জানিয়ে বলিউডে মূল ধারার সিনেমায় অভিনয় করে নায়িকা হিসেবে প্রতিষ্ঠা পেয়েছেন তিনি
নানা ফিল্মে সহ-অভিনেতাদের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ দৃশ্যে অভিনয় করতে হয় তাঁকে। কিন্তু তিনি পুরোদস্তুর পেশাদার অভিনেত্রী। ফলে নিজের শারীরিক নিরাপত্তার বিষয়ে সম্পূর্ণ নিশ্চিৎ না হয়ে তিনি কোনও ঘনিষ্ঠ দৃশ্যে অভিনয় করতেই রাজি নন। এবং সহ-অভিনেতাটি যতই স্বনামধন্য তারকা হোন না কেন, সানি নিজের এই অভ্যাস থেকে বিন্দুমাত্র সরতে প্রস্তুত নন।
সম্প্রতি একটি ইংরেজি সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত একটি খবরে সানির এই অভ্যাসের কথাই ফলাও করে আলোচিত হয়েছে। জানা যাচ্ছে, ‘জিসম টু’ সিনেমায় অভিনয়ের জন্য সম্মতি জানানোর পরে প্রোডাকশন হাউজকে ইমেল মারফৎ সানি জানিয়েছিলেন, তিনি সহ-অভিনেতা রণদীপ হুডা এবং অরুণোদয় সিংহের ডাক্তারি পরীক্ষার রিপোর্ট দেখতে চান।
আসলে সিনেমায় রণদীপ ও অরুণোদয়ের সঙ্গে বেশ কয়েকটি ঘনিষ্ঠ দৃশ্যে অভিনয়ের কথা ছিল সানির। তার আগে সানি নিশ্চিৎ হয়ে নিতে চেয়েছিলেন যে, এই দুই বলিউড তারকা কোনওরকম যৌন রোগে আক্রান্ত নন। শেষ পর্যন্ত অবশ্য সেই রিপোর্ট সানিকে দেখানো হয়েছিল কি না, তা সিনেমার প্রোডাকশন হাউজের তরফে জানানো হয়নি।

এই বছরই এনগেজমেন্ট সোনাক্ষীর, কিন্তু পাত্র কে? জানলে অবাক হবেন!


বলিউডের বিভিন্ন মহলে এখন সোনাক্ষীকে নিয়ে জোর আলোচনা। শোনা যাচ্ছে যে এই বছরই এনগেজমেন্টটা সেরে ফেলবেন এই নায়িকা। এমনিতে নিজের ব্যক্তিগত জীবনকে বরাবরই গোপন রেখেছেন সোনাক্ষী। একটি সর্বভারতীয় দৈনিকের প্রতিবেদন অনুযায়ী আগামী মাসে অর্থাৎ ফেব্রুয়ারিতে এনগেজমেন্টের অনুষ্ঠানটি হওয়ার প্রবল সম্ভাবনা রয়েছে। কিন্তু পাত্রটি কে?
বহুদিনের বন্ধু বান্টি সচদেবকেই জীবনসঙ্গী হিসেবে বেছে নেবেন সোনাক্ষী বলে গুজব। যদিও দু’জনের কেউই নিজেদের সম্পর্ক নিয়ে প্রকাশ্যে কোনও কথা বলেননি কখনও কিন্তু বেশ অনেকদিন ধরেই বান্টি ও সোনাক্ষীকে একসঙ্গে দেখা যাচ্ছে বিভিন্ন পার্টি ও অনুষ্ঠানে। এর আগে বহুদিন সুস্মিতা সেনের সঙ্গে ডেটিং করেছেন বান্টি। সোনাক্ষীর এনডর্সমেন্ট ডিল ম্যানেজমেন্টের দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকেই দু’জনের মধ্যে সম্পর্ক ঘনিষ্ঠ হয়।
ওদিকে একটা সময় অর্জুন কপূরকে ডেট করছিলেন সোনাক্ষী বলে শোনা গিয়েছিল। কিন্তু আপাতত জল্পনা এটাই যে প্রেমটা তিনি বান্টির সঙ্গেই করছেন এবং এই বছরই সম্পর্ককে মজবুত করবেন এনগেজমেন্টের মাধ্যমে। বান্টি অবশ্য এর আগে বিয়ে করেছিলেন অম্বিকা চৌহানকে। চার বছর পরে সেই বিয়ে ভেঙে যায়।
তার পরে বহু নায়িকার সঙ্গেই বান্টিকে জড়িয়ে গসিপ ছড়ায় বলিউডে। সুস্মিতা সেন ছাড়াও দিয়া মির্জার সঙ্গে তিনি এক সময় ডেটিং করতেন বলে শোনা গিয়েছিল। ওই সময়েই নেহা ধুপিয়ার সঙ্গেও তাঁর নাম জড়ায়। এর পরেই নাকি দিয়া বান্টির সঙ্গে সব সম্পর্ক ত্যাগ করেন। বান্টি আবার সমীরা রেড্ডিকেও মাঝখানে ডেটিং করেছেন বলে শোনা গিয়েছে। সব মিলিয়ে বান্টিকে গসিপ কিং বলাই যায়।
সত্যিই কি এই রকম একজনকে জীবনসঙ্গী হিসেবে বেছে নেবেন সোনাক্ষী? নাকি বান্টির সম্পর্কে যা যা শোনা যায় তার অনেকটাই সত্যি নয়? তবে একটা কথা ঠিক, সোনাক্ষী তাঁর পরিবারের মতের বিরুদ্ধে গিয়ে কিছু করবেন না। আর যে-সে মানুষের হাতে মেয়েকে তুলে দেওয়ার পাত্র নন শত্রুঘ্ন সিংহ। -এবেলা

কেন অভিষেককে বিয়ে করতে রাজি হয়েছিলেন ঐশ্বরিয়া? জানলে চমকে উঠবেন…


ঐশ্বরিয়া বিশ্বসুন্দরী তো বটেই; পাশাপাশি বিশ্বের অন্যতম আকাঙ্খিত নারীদের একজন। ঐশ্বরিয়ার স্রেফ উপস্থিতি একটি সিনেমা হিট করে দিতে পারে! অন্যদিকে বিগ বি. অমিতাভ বচ্চনের পুত্র অভিষেক বচ্চন বাবার ধারেকাছেও যেতে পারেননি। অভিনেতা হিসেবে তাকে সফল বলা কঠিন। তাহলে এমন একজনকে কেন বিয়ে করলেন ঐশ্বরিয়া?
অন্যদিকে আন্তর্জাতিক লেভেলে ঐশ্বর্য বেশি জনপ্রিয় হলেও ভারতে কিন্তু ‘বচ্চন’ মানেই শেষ কথা। কিন্তু কথা হচ্ছে অভিষেক বচ্চন তো অন্য কাউকে বিয়ে করলেও সমান জনপ্রিয়তা পেতেন‚ তাহলে উনি হঠাৎ বয়েসে দুই বছরের বড় অ্যাশকে কেন বিয়ে করলেন? আসলে অভিষেক এবং অ্যাশের যখন দেখা হয় তখন দুজনেই সবে নিজেদের আগের সম্পর্ক থেকে বেরিয়েছেন। সালমান খানের সঙ্গে ঐশ্বর্যের সম্পর্ক ভাঙার পর উনি সেই সময় বেশ বিষণ্ণ। অন্যদিকে কারিশমার সঙ্গে বিয়ে অবধি ঠিক হয়ে গিয়েছিল অভিষেকের। কিন্তু শেষ মুহূর্তে সেই বিয়ে ভেঙে যায়। ফলে উনিও ওই সময় বেশ মনমরা।
তাই বলে ভাববেন না দুজনের ‘লাভ অ্যাট ফার্স্ট সাইট ‘হয়। অ্যাশ-অভি অনেক আগে থেকেই একে অপরকে চেনেন। কিন্তু ২০০৫ সালে ‘বান্টি অঔর বাবলি ‘ছবির গান ‘কজরা রে ‘করতে গিয়ে অভিষেক নাকি বুঝতে পারেন উনি ঐশ্বর্যের প্রেমে পড়েছেন। কিন্তু উনি সেই কথা জানান নি। এর পরের দুই বছরে তারা দুজনে একসঙ্গে তিনটে ছবিতে অভিনয় করেন ‘গুরু ‘‚ ‘উমরাও জান ‘এবং ‘ধূম ২’। ফলে দুজনে একে অপরের সঙ্গে অনেকেটা সময় কাটানোর সুযোগ পান। এর মধ্যে ঐশ্বর্যও অভিষেকে অন্য চোখে দেখতে শুরু করেন। অবশেষে টরেন্টোতে ‘গুরু ‘ছবির প্রেমিয়ারের পর নিউ ইয়র্কে অভিষেক ঐশ্বর্য্যকে হাঁটু গেড়ে বসে আংটি দিয়ে একেবারে ফিল্মি স্টাইলে প্রপোজ করেন।
অ্যাশ সঙ্গে সঙ্গে সেই প্রপোজালে সম্মতি দেন। শুনলে আশ্চর্য হবেন অভিষেক কিন্তু অ্যাশকে কোন দামি হীরের আংটি দেন নি এই সময়। উনি ‘গুরু ‘ছবিতে ব্যবহৃত একটা সাধারণ আংটি দিয়ে প্রপোজ করেছিলেন। অবশেষে ২০ এপ্রিল ২০০৭ সালে বিয়ে করেন তারা। অন্য যে কোন দম্পতির মতো তাদের জীবনেও ভালো খারপ দুটোই এসেছে। কিন্তু একে অপরের প্রতি শ্রদ্ধা এবং ভালোবাসা দিয়ে তারা তা কাটিয়ে উঠেছেন। যেমন ধরুণ অভিষেক ‘কর্ভা চৌথ’ প্রথায় বিশ্বাস করেন না। কিন্তু যেহেতু ঐশ্বর্য এই প্রথা মানেন তাই অভিষেক প্রতি বছর যেখানেই থাকুন না কেন এইদিন স্ত্রীর সঙ্গে থাকার চেষ্টা করেন। আবার শোনা যায় ঐশ্বর্য শুধুমাত্র অভিষেকের মতামতকে সম্মান জানাতে ‘জাজবা ‘ছবি দিয়ে আবার ক্যম ব্যাক করেন।

নিজের মেয়ের সঙ্গেও ! কিভাবে এটা করতে পারলেন শক্তি কাপুর


নিজের মেয়ের সঙ্গেও ! কিভাবে এটা করতে পারলেন শক্তি কাপুর – শ্রদ্ধা ফারহানের সম্পর্ক নিয়ে গুঞ্জন ছিলই বলিউডে। কিন্তু সেই গুঞ্জন বরাবরই উড়িয়ে দিয়েছে দুজনে। বলি তারকাদের অনেকেরই বক্তব্য যে তারা সম্পর্কে ছিল বহুদিন ধরে। যথেষ্টই ক্লোজ ছিল দুজনের সম্পর্ক। রক অন ২ সিনেমার পর থেকেই তাদের সম্পর্ক আরও গাঢ় হয়েছিল বলেই অনেকের দাবি৷
একসঙ্গে ফ্ল্যাটেও থাকতেন দুজনে। কিন্তু সেই মাখো-মাখো সম্পর্কে বাধ সাধল স্বয়ং শ্রদ্ধার বাবা শক্তি কাপুর। সূত্রের খবর তার বাবা নাকি মেয়ে শ্রদ্ধাকে ফারহানের বাড়ির কাছ সরিয়ে নিয়ে এসেছে। প্রথম থেকেই ফারহানকে পছন্দ ছিল না শক্তি কাপুররের।


অনেক সমস্যার পরেও সম্পর্ক চালাচ্চিলেন দুজনে। কিন্তু শেষ রক্ষা হলনা! ব্যাপারটা শক্তি কাপুরের নজরে আসার পরই মেয়ের সঙ্গে এমন অমানবিক আচরণ করলেন তিনি। সরিয়ে দিলেন প্রেমিকের কাছ থেকে। বলিউডে গসিপ একেবারেই ব্যাপারটা মেনে নিতে পারেনি শ্রদ্ধা।

সালমান-সামিরার দাম্পত্য কলহের জন্য দায়ী ছিল কে?


প্রয়াত চিত্রনায়ক সালমান শাহ। ক্যারিয়ারের তুঙ্গে থাকা অবস্থায় ১৯৯৬ সালের ৬ সেপ্টেম্বর তিনি রহস্যজনকভাবে মৃত্যুবরণ করেন। লাশ উদ্ধারের পর ধারণা করা হয় তিনি আত্মহত্যা করেছেন।
কিন্তু পরিবারের দাবি, তাকে খুন করা হয়েছে। তার মৃত্যু নিয়ে এই রহস্যের জট দুই দশক পেরিয়ে গেলেও আজ পর্যন্ত খোলেনি।
সালমান শাহের পরিবারের সন্দেহের তালিকায় রয়েছেন সালমান শাহের স্ত্রী সামিরা ও সামিরার বর্তমান স্বামী মোস্তাক ওয়াইজ। তিনি সালমান শাহের বাল্যবন্ধুও। সালমানের মৃত্যুর তিন বছর পর মোস্তাক ওয়াইজ বিয়ে করেন সামিরাকে। সালমান শাহের মৃত্যু নিয়ে সংবাদমাধ্যমে মুখ খোলেননি সামিরা ও তার স্বামী মোস্তাক।
কয়েকটি সংবাদমাধ্যমে বলা হয়েছে, এই দম্পতি বর্তমানে থাইল্যাণ্ডে অবস্থান করছেন। কিন্তু থাইল্যান্ড নয়, সামিরা ও তার স্বামী বর্তমানে বাংলাদেশেই বাস করছেন। এ প্রতিবেদকের সঙ্গে সরাসরি কথা হয় মোস্তাক ওয়াইজের। এসময় তিনি জনপ্রিয় চিত্রনায়িকা শাবনূরকে নিয়ে মন্তব্য করেন।
এ প্রসঙ্গে তিনি রূপালী আলোকে বলেন, ‘সালমান-সামিরার দাম্পত্য কলহের জন্য দায়ী শাবনূর।সালমান-সামিরার মধ্যে শাবনূর তৃতীয় ব্যক্তি। তিনিও একটি রোল প্লে করেছেন। বিভিন্ন সময় তাকে নিয়ে ঝগড়া করতেন সালমান-সামিরা।’
সামিরা-মোস্তাকের ঘরে দুই মেয়ে এক ছেলে রয়েছে। বর্তমানে তাদের নিয়ে সংসার করছেন তারা।

যা লেখা ছিল সালমান শাহের সেই সুইসাইড নোটে !


১৯৯৬ সালের ৬ সেপ্টেম্বর সকালে রাজধানীর নিউ ইস্কাটন গার্ডেন এলাকায় নায়কের বাসায় পাওয়া যায় সেই সময়ের বাংলা ছবির সবচেয়ে বড় সুপারস্টার সালমান শাহের মৃতদেহ। সেই সময়ে সালমানের বাসা থেকে পুলিশ একটি সুইসাইড নোট বা আত্মহত্যার চিঠি উদ্ধার করে।
চিঠিতে লেখা আছে, ‘আমি চৌধুরী মোহাম্মদ শাহরিয়ার, পিতা-কমর উদ্দিন আহমেদ চৌধুরী, ১৪৬/৫, গ্রিনরোড, ঢাকা-১২১৫ ওরফে সালমান শাহ এই মর্মে অঙ্গীকার করছি যে আজ অথবা আজকের পরে যেকোনো দিন মৃত্যু হলে তার জন্য কেউ দায়ী থাকবে না। স্বেচ্ছায়, সজ্ঞানে, সুস্থ মস্তিষ্কে আমি আত্মহত্যা করছি।’
এই চিঠিতে কারও স্বাক্ষর ছিল না। তবে সিআইডির হস্তবিশারদেরা পরীক্ষা করে বলেছেন, এটা সালমান শাহের হাতের লেখা। তবে, সালমানের মা নীলা চৌধুরী এই চিঠি নিয়ে গুরুতর সন্দেহ প্রকাশ করেছেন।
তিনি বলেন, ‘আমরা ওকে ইমন নামেই ডাকতাম। অথচ চিঠিতে ইমন নামের কোনো অস্তিত্ব নেই। ও থাকে ইস্কাটনের বাসায়। কিন্তু ঠিকানা লেখা আছে আমাদের বাসার। সালমান শাহ নামটিও ঠিকানার পরে লেখা।’
চিঠির ভাষার আনুষ্ঠানিক ভঙ্গি নিয়ে প্রশ্ন তুলে নীলা চৌধুরী আরও বলেন, ‘কোনো ব্যক্তি আত্মহত্যা করার আগে এ রকম মামলা লেখার স্টাইলে এত গুছিয়ে বাবার নাম, ঠিকানা উল্লেখ করে চিঠি লেখে বলে আমার জানা নেই। এখানেই আমার ঘোরতর সন্দেহ।’
ঘটনাটি রহস্যময় হতে থাকে। ওই ঘটনায় সালমানের বাবা কমর উদ্দিন আহমেদ চৌধুরী রমনা থানায় অপমৃত্যুর মামলা করলেও পরবর্তী সময়ে মা নীলা চৌধুরী সালমানের স্ত্রী, শ্বশুর, শাশুড়িসহ কয়েকজনকে আসামি করে আদালতে হত্যা মামলা করেন।
সালমান শাহর মৃত্যুকে ‘পরিকল্পিত খুন’ দাবি করে গত বছর গণমাধ্যমকে তার মা বলেন, ‘সালমানের শরীরে কোনো ক্ষতচিহ্ন ছিল না, যাকে আত্মহত্যা বলা যায়। খালি ইনজেকশন পুশ করে এবং জেসকিন ইনজেকশন দিয়ে, গলায় চাপ দিয়ে শ্বাস রোধ করে তাকে হত্যা করা হয়েছিল। সেই প্রমাণ পুলিশ ঘটনার পরপরই পেয়েছিল। কিন্তু আজ সব উধাও হয়ে গেছে!’-এমটিনিউজ