Subscribe:

নরমাল ডেলিভারি চান? তাহলে জেনে নিন গর্ভাবস্থায় আপনাকে কি করতে হবে!



প্রেগন্যান্সি গ্লো-তে এখন চকচক করছে আপনার চোখ, মুখ। মা হওয়ার অনুভূতি সব সময় আনন্দে রাখছে আপনাকে। চিন্তা শুধু একটা বিষয় নিয়েই। নরমাল ডেলিভারি হবে তো? নাকি সেই কাঁটাছেঁড়ার মধ্যে দিয়েই যেতে হবে?
চিন্তা করবেন না। যদি আপনার বড়সড় কোনও জটিলতা না থাকে তবে গর্ভাবস্থায় কিছু জিনিস মেনে চললেই স্বাভাবিক ভাবে সন্তানের জন্ম দিতে পারবেন।
ডায়েট
আপনি প্রেগন্যান্ট জানার পর থেকে ডাক্তারের পরামর্শ অনুযায়ী ডায়েট মেনে চলুন। স্বাস্থ্যকর খাবার, টাটকা ফল ও শাক-সবজি প্রচুর পরিমাণে খান। সেই সঙ্গেই জোর দিন আয়রন, ক্যালসিয়াম সমৃদ্ধ খাবারের উপর। নিয়মিত মাল্টিভিটামিন খান। শরীরের পেশি যত শিথিল থাকবে, তত নরমাল ডেলিভারির সম্ভাবনা বাড়বে।
অ্যাকটিভ লাইফস্টাইল
অনেকে প্রেগন্যান্সির গোটা সময়টাই শুয়ে বসে কাটিয়ে দেন। এটা একেবারেই উচিত্ নয়। যদি চিকিত্সক আপনাকে বেড রেস্টে থাকতে না বলেন, এবং অন্য কোনও জটিলতা না থাকে তাহলে সচল থাকুন। বাড়ির হালকা কাজকর্ম করুন। ডাক্তারের পরামর্শ নিয়ে যোগাসন বা হালকা ব্যয়াম করুন। সকাল, সন্ধে হাঁটতে যান। এতে ওজন কম থাকবে, শরীর সুস্থ থাকবে, নরমাল ডেলিভারির চান্সও বাড়বে।
পানি
শরীরে ফ্লুইড চলাচল ভাল হওয়ার জন্য জল খাওয়া খুব জরুরি। এতে রক্ত চলাচল ভাল হয়। কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যা হয় না। কাজেই জল বেশি খেলে ডেলিভারিও অনেক সহজ হবে। গর্ভাবস্থায় প্রতি দিন ৮ থেকে ১০ গ্লাস জল খান।
স্ট্রেস
নরমাল ডেলিভারির জন্য শরীর সুস্থ, ঝরঝরে রাখা প্রয়োজন। স্ট্রেস বাড়লেই শরীর খারাপ হবে। নিজেকে সব সময় খুশি রাখুন। প্রয়োজনে মনোবিদের কাছে যান। প্রেগন্যান্সি মাসাজ নিলেও স্ট্রেস কমে।
জন্মের পরিকল্পনা
গর্ভাবস্থার শুরুতেই ডাক্তারের সঙ্গে পরামর্শ করে পরিকল্পনা করে নিন। আপনার সমস্যার কথা খুলে বলুন। ডাক্তারের নির্দেশ, নিয়ম মেনে চলুন। এতে চিন্তা কম হবে। গোটা ব্যাপারটাই অনেক সহজ হয়ে যাবে।
অভিভাবকদের ক্লাস
বাচ্চার জন্মের আগে বাড়ির কাছেপিঠে কোনও পেরেন্টাল ক্লাসে যান। এই সব ক্লাসে কীভাবে সহজে, কম কষ্টে ও কম সময়ে বাচ্চার জন্ম দেওয়া যাবে শেখানো হয়।
যোগব্যায়াম
নরমাল ডেলিভারির জন্য অত্যন্ত উপকারী যোগব্যায়াম। এতে শরীরের পেশি শিথিল থাকবে, ওজন নিয়ন্ত্রণে থাকবে, এমনকী স্ট্রেস কমবে। ডেলিভারির যন্ত্রণা কম করতে তাই নিয়মিত যোগব্যায়াম করুন। তবে অবশ্যই ডাক্তারের পরামর্শ নিয়ে।

পুরুষেরা ত্বকের যত্নে যে ভুলগুলো করে থাকেন


ছেলে মেয়ে সবারই কমবেশি ত্বকের যত্ন করতে হয় আর আমরা অনেকেই না জেনে ভুল যত্নও করে থাকি । যা আমাদের ত্বকের জন্য অনেক ক্ষতিকর । তাছাড়া মেয়েদেরই শুধু সাজসজ্জা বা রূপচর্চায় ভুল হয়না পুরুষদের ক্ষেত্রেও এই ভুল কম নয়। চলুন জেনে নিই পুরুষদের করা সেই ছোট ছোট ভুল গুলো
১। একই সাবান সব কাজে ব্যবহার:
পুরুষরা ত্বকের যত্ন নিয়ে বরাবরই উদাসীন। আর এ কারণে দেখা যায় গায়ে মাখার সাবানই তারা ব্যবহার করে মুখ ধোয়ার জন্য। তবে মেয়েদের মতো পুরুষদের মুখের ত্বকও সংবেদনশীল, তাই মুখ পরিষ্কারের জন্য আলাদা ক্ষারহীন সাবান ব্যবহার করা প্রয়োজন।
পুরুষদের ত্বকের জন্য ‘অ্যাক্টিভেটেড চারকোল’ সমৃদ্ধ ফেইসওয়াশ ব্যবহার করা সব থেকে উপযোগী। কারণ এই প্রাকৃতিক উপাদান ত্বকে জমে থাকা দূষিত উপাদান ও ব্যাক্টেরিয়া ধুয়ে ফেলতে সাহায্য করে। আর শরীরের অন্যান্য অংশের ত্বকের জন্যও কোমল সাবান বা বডি ওয়াশ বেছে নিতে হবে।
২। শেইভিং ফোম ব্যবহার:
শেইভ করার জন্য অনেক ফেনা তৈরি করে এমন ফোম বা ক্রিম সবারই পছন্দের তালিকায় শীর্ষে থাকে। তবে এই ফোম ত্বককে কোনোভাবেই সুরক্ষিত রাখতে পারে না। এ কারণেই শেইভ করার পর ফোম ব্যবহারের পরও জ্বালাপোড়া অনুভূত হতে পারে।
তাই শেইভ করার জন্য লোশনজাতীয় শেইভিং ক্রিম যেগুলোতে খুব একটা ফোম তৈরি হয় না তেমন শেইভিং ক্রিম ব্যবহার শুরু করতে হবে। ভালো মানের শেইভিং ক্রিম ব্যবহার করলে ত্বকের ক্ষতি হবে কম এবং ত্বকে লালচেভাবও কম দেখা দেয়।
শেইভের পর অবশ্যই আফটার শেইভ ব্যবহার করতে হবে। খেয়াল রাখতে হবে যেন আফটার শেইভে অ্যালকোহল না থাকে। কারণ এই উপাদান ত্বকের জন্য ক্ষতিকর।
৩। ময়েশ্চারাইজার ব্যবহার:
দিনে অন্তত দুবার ফেইসওয়াশ দিয়ে মুখ ধোয়া উচিত এবং প্রতিবার মুখ মুছে ত্বকোপযোগী ময়েশ্চারাইজার লাগাতে হবে।
৪। সানস্ক্রিন ব্যবহার না করা:
সূর্যের ক্ষতিকর রশ্মি থেকে ত্বককে সুরক্ষিত রাখতে সানস্ক্রিন অত্যন্ত জরুরি। তবে পুরুষদের মধ্যে এই বিষয়ে সচেতনতা নেই বললেই চলে। ঘর থেকে বের হওয়ার ১৫ থেকে ২০ মিনিট আগে মুখে সানস্ক্রিন ব্যবহার করা জরুরি।

বাসর রাতে অথবা বিয়ের আগে হবু স্বামীকে যে ১০টি প্রশ্ন অবশ্যই করবেন!


প্রেম আর বিয়ে, জীবনের সম্পূর্ণ ভিন্ন দুটি অধ্যায়। একটায় যেমন দায়িত্ব নেই, আছে কেবল আনন্দ। আরেকটায় ঠিক তেমনই আছে ভালো লাগার পাশা পাশি দায়িত্ব নেয়ার বিষয়টাও। আর তাই প্রেমের বিয়ে হোক বা পারিবারিক, বিয়ের আগে নিজের হবু স্বামীকে কিছু প্রশ্ন অবশ্যই করা উচিত। বাসর রাতে অথবা বিয়ের আগে হবু স্বামীকে যে ১০টি প্রশ্ন অবশ্যই করবেন, চলুন এবার তাহলে জেনে নিই প্রশ্ন গুলো কি কি:
১/ তুমি আমাকে কেনো ভালোবাসো?
এই প্রশ্নটা বলতে গেলে কেউই করেন না। কিন্তু এটাই সবচাইতে জরুরী। কেনো ভালোবাসেন তিনি আপনাকে? প্রথম জবাব যদি হয়- “তুমি অনেক সুন্দর”… তাহলে দ্বিতীয়বার ভাবুন। একজন মানুষ অনেক সুন্দর বলে তাকে ভালোবাসা আর যাই হোক সততার পর্যায়ে পড়ে না। তাহলে সময়ের সাথে সৌন্দর্য চলে গেলে ভালোবাসাও তখন ফুরিয়ে যাবে।
২/ তুমি আমার সাথেই পুরো জীবনটা কাটাতে চাও কেনো?
সেই সাথে নিজেকেও প্রশ্ন করুন- আপনি তার সাথে পুরো জীবন কাটাতে চান কেনো? এবং তারপর মিলিয়ে দেখুন পরস্পরের জবাব। মানসিকতা মিলছে কি?
৩/ সন্তানের বিষয়ে তোমার ভাবনা
কি?/কেনো মানুষের সন্তান প্রয়োজন?
তিনি সন্তান সম্পর্কে কী ভাবেন, ভালোবাসার ফসল নাকি বংশ বৃদ্ধির হাতিয়ার? তাহার আজকাল সন্তান না হওয়াটাও খুব সাধারণ ব্যাপার। যদি সন্তান না হয় আপনাদের কোন কারণে, যদি কারণ অক্ষমতা থাকে, সেক্ষেত্রে তার মনোভাব কী হবে সেটা জেনে রাখা অত্যন্ত জরুরী।
৪/ তোমার জীবনের সবচাইতে গুরুত্বপূর্ণ ব্যাপারটা কী?
এই ব্যাপারটাও জেনে রাখাটা খুব বেশি জরুরী। তাহলে আপনি জানতে পারবেন কোন বিষয়গুলোকে তিনি গুরুত্ব দেন আর কোথায় কখনো আপনার উচিত হবে না হস্তক্ষেপ করা।
৫/ একদিন আমি এমন থাকবো না দেখতে, তখন কী হবে?
বয়সের ছাপ সবার চেহারাতেই পড়ে। এবং মেয়েদের ক্ষেত্রে অনেকটা আগে পড়ে। এই প্রশ্নের সৎ উত্তর পাবেন কিনা জানা নেই, তবে প্রশ্নটা অবশ্যই করুন।
৬/ যদি কখনো আমার বড় অসুখ হয় তখন তুমি কী করবে?
এই প্রশ্নের জবাব আপনাকে সাহায্য করবে তাকে আরও ভালোভাবে বুঝতে। কোন ভুল ধারণা থাকবে না মনে।
৭/ তুমি কি ওয়াদা করতে পারো যে দাম্পত্যে প্রতারণা করবে না?
এই ওয়াদা কেউ রক্ষা করতে পারবে কি পারবে না, সেটা ভবিষ্যতই বলে দেবে। কিন্তু কেউ যদি জীবনের শুরুতেই এই ওয়াদা করতে গড়িমসি করেন, বাকিটা আপনি নিশ্চয়ই আন্দাজ করতে পারছেন।
৮/ জীবনের চড়াই উৎরাইতে আমি কোন ভুল করে ফেললেও কি পাশে থাকবে?
পুরো পৃথিবী যদি কখনো বিপক্ষে চলে যায়, একজন মানুষ অন্ধভাবে বিশ্বাস করে ও ভালোবেসে পাশে থাকবে আপনার, পৃথিবীতে এর চাইতে সুন্দর আর কিছুই হতে পারে না। এর চাইতে বেশি নিরাপদও না।
৯/ বিয়ের পরও কি আমরা নিজ নিজ স্বপ্ন ও উদ্দেশ্য পূরণের জন্য কাজ করতে পারব?
বিয়ে মানেই জীবন ফুরিয়ে যাওয়া নয়। বিয়ে মানে নতুন একটি অধ্যায়ের শুরু। একটাই জীবন, সকলেরই আজন্ম লালিত কিছু স্বপ্ন থাকে। সেই স্বপ্নগুলোর কী হবে সেটা আগেই জেনে রাখা ভালো।
১০/ আমাদের দাম্পত্যের ভবিষ্যৎ নিয়ে তুমি কী ভেবেছো?
একটু আগেই বললাম, দাম্পত্য মানে একটা নতুন অধ্যায়। আর জীবনের এই অধ্যায়ে চাই প্রচুর পরিকল্পনা। কোন অগ্রিম পরিকল্পনা ছাড়া দাম্পত্য কখনোই সফল হতে পারে না। আপনারও নিশ্চয়ই কিছু প্ল্যান আছে? তাহলে আগেই জেনে রাখুন হবু স্বামীর পরিকল্পনা।