Subscribe:

৯টি লক্ষণে বুঝে নিন আপনি কখনোই ধনী হবেন না


ধরে নিন, আপনি বেকার নন, কাজকর্ম করেন। আয়-রোজগারও নেহাত কম নয়। তা-ও যা আয় হচ্ছে, মাস শেষে তাকিয়ে দেখছেন, হাতে আর কিছুই নেই। কিন্তু এ যেনো দিন এনে দিন খাওয়ার মতই অবস্থা। মনে প্রশ্ন আসতে পারে, সব সময়ই কি এমন দরিদ্র দশায় কাটবে? যদি এগুলোর কোনোটি বা কিছু আপনার মধ্যে থেকে থাকে, তাহলে বুঝবেন—ধনী হওয়া আসলে সম্ভব নয় আপনার পক্ষে!
১. নির্দিষ্ট সময় আর দিনের বিষয়ে ভিত্তি করে আপনি পারিশ্রমিক পেতে চান। ধনী এবং সফল ব্যক্তিরা তাঁদের কাজের ফলাফলের ভিত্তিতে পারিশ্রমিক চান।
২. অর্থ উপার্জনের জন্য আপনার তেমন নির্দিষ্ট কোনো লক্ষ্য নেই।
৩. আপনি সবকিছুর আগে আগে খরচ করেন। এর পর যতটুকু অবশিষ্ট থাকে, সেটাই সঞ্চয় করেন।
৪. আপনি বিশ্বাস করে বসে আছেন যে আপনার পক্ষে কখনোই ধনী হওয়া সম্ভব নয়!
৫. আপনি সঞ্চয়ের ওপর অনেক বেশি গুরুত্ব দেন, কিন্তু আয়ের বিষয়ে গুরুত্ব দেন না।
৬. আপনি এখনো কোনো কিছুর ওপর বিনিয়োগ শুরু করেননি।
৭. আপনি এমন সব জিনিসপত্র কিনে ফেলেন, যেগুলো চালানোর বা রক্ষণাবেক্ষণের ক্ষমতা আসলে আপনার নেই। ৮. আপনি অন্য কারো স্বপ্ন পূরণের চেষ্টা করে চলছেন, নিজেরটা নয়! ৯. নিজের জন্য নিরাপদ এবং আরামদায়ক আঙিনার বাইরে যেতে চান না আপনি।ধরে নিন, আপনি বেকার নন, কাজকর্ম করেন। আয়-রোজগারও নেহাত কম নয়। তা-ও যা আয় হচ্ছে, মাস শেষে তাকিয়ে দেখছেন, হাতে আর কিছুই নেই। কিন্তু এ যেনো দিন এনে দিন খাওয়ার মতই অবস্থা। মনে প্রশ্ন আসতে পারে, সব সময়ই কি এমন দরিদ্র দশায় কাটবে? যদি এগুলোর কোনোটি বা কিছু আপনার মধ্যে থেকে থাকে, তাহলে বুঝবেন—ধনী হওয়া আসলে সম্ভব নয় আপনার পক্ষে!
১. নির্দিষ্ট সময় আর দিনের বিষয়ে ভিত্তি করে আপনি পারিশ্রমিক পেতে চান। ধনী এবং সফল ব্যক্তিরা তাঁদের কাজের ফলাফলের ভিত্তিতে পারিশ্রমিক চান।
২. অর্থ উপার্জনের জন্য আপনার তেমন নির্দিষ্ট কোনো লক্ষ্য নেই।
৩. আপনি সবকিছুর আগে আগে খরচ করেন। এর পর যতটুকু অবশিষ্ট থাকে, সেটাই সঞ্চয় করেন।
৪. আপনি বিশ্বাস করে বসে আছেন যে আপনার পক্ষে কখনোই ধনী হওয়া সম্ভব নয়!
৫. আপনি সঞ্চয়ের ওপর অনেক বেশি গুরুত্ব দেন, কিন্তু আয়ের বিষয়ে গুরুত্ব দেন না।
৬. আপনি এখনো কোনো কিছুর ওপর বিনিয়োগ শুরু করেননি।
৭. আপনি এমন সব জিনিসপত্র কিনে ফেলেন, যেগুলো চালানোর বা রক্ষণাবেক্ষণের ক্ষমতা আসলে আপনার নেই। ৮. আপনি অন্য কারো স্বপ্ন পূরণের চেষ্টা করে চলছেন, নিজেরটা নয়! ৯. নিজের জন্য নিরাপদ এবং আরামদায়ক আঙিনার বাইরে যেতে চান না আপনি।

এই “জাপানিজ” ফেসপ্যাকটি সপ্তাহে ১ বার ব্যবহার করুন! যৌবন ধরে রাখুন আজীবন


সৌন্দর্যের দিক থেকে জাপানিজ নারীরা সবসময়েই অনবদ্য। বিশেষ করে তাঁদের ঝলমলে চুল এবং নিখুঁত ত্বকের কারণে। এমন অনেক জাপানিজ চিত্রনায়িকা ও মডেলরা আছেন যাঁদের সত্যিকারের বয়স অনেক বেশি, কিন্তু দেখলে মনে হয় এখনও তরুণী! বিশ্বজুড়েই জাপানিজ নারীদের এই চিরতারুণ্য একটা রহস্যের বিষয়। মজার ব্যাপার হচ্ছে, তাঁদের এই তারুণ্যের পেছনে যে উপাদানটি সবচেয়ে বেশি কাজ করে তা হল ‘ভাত’। কি, অবাক হচ্ছেন? হ্যাঁ, জাপানিজদের বয়স ধরে রাখে ভাতের তৈরি একটি ফেস প্যাক। আসুন তাহলে জেনে নিই সেই জাদুকরী ফেসপ্যাকটির কথা।
উপকরণ –
৩ টেবিল চামচ ভাত
১ টেবিল চামচ মধু
১ টেবিল চামচ গরম দুধ।
যেভাবে তৈরি করবেন –
-চাল সিদ্ধ করুন। অর্থাৎ ভাত রান্না করুন। এবার চাল থেকে পানি আলাদা করে ফেলুন বা মাড় ফেলে দিন।
-গরম ভাত চটকে নিন, নাহলে পরে শক্ত হয়ে যাবে। এর সাথে হালকা গরম বা উষ্ণ দুধ এবং মধু দিয়ে ভাল করে মিশিয়ে প্যাক তৈরি করে নিন।
যেভাবে ব্যবহার করবেন –
-প্রথমে মুখ ভাল করে ধুয়ে ফেলুন। সম্ভব হলে কোন হালকা ক্লিনজার দিয়ে মুখ ধুয়ে ফেলুন।
-মুখ শুকিয়ে গেলে ভাতের প্যাকটি মুখ ও ঘাড়ে ভাল করে লাগান।
-প্যাকটি শুকিয়ে গেলে ভাত সিদ্ধ পানি বা মাড় দিয়ে মুখ ও ঘাড় ধুয়ে ফেলুন।
-সপ্তাহে একবার ব্যবহার করুন।
যেভাবে কাজ করে –
ভাতে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন ই যা ত্বককে ক্ষতিকর উপাদান থেকে রক্ষা করে থাকে ও তারুণ্য ধরে রাখে। তার সাথে সাথে সানবার্নও প্রতিরোধ করে। এছাড়া এতে লিনোলিক এসিড যা ত্বকের বলিরেখা দূর করে ত্বকের উজ্জ্বলতা বৃদ্ধি করে। ভাতের মাড়ে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট উপাদান আছে যা ত্বকের পানির পরিমাণ বজায় রাখার পাশপাশি রক্ত চলাচল ঠিক রাখে।

বড়লোক হতে চান ? মেনে চলুন এই ১০টি উপায়


সাধারণ জীবনযাপন থেকে আমরা সবাই বড়লোক হতে চাই। কিন্তু ইচ্ছা থাকলেই তো আর হয় না, কিছু উপায় করতে হয়। জেনে নিন বড়লোক হওয়ার দশ উপায়–
১০) আগে ঠিক করুন কোন ধরনের বড়লোক হতে চান– আগে ঠিক করুন কোন ধরনের বড়লোক হতে চান। মানে ব্যবসার মাধ্যমে নাকি চাকরি করে। বড়লোক মানে প্রচুর টাকার মালিক নাকি বড় মনের মানুষ। সে সবগুলো আগে ঠিক করুন। ব্যবসা করে বড় কিছু করতে হলে ধাপে ধাপে ওঠার চেষ্টা করুন। লাভের টাকার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে বিনিয়োগ করুন। একটা ব্যবসায় আটকে না থেকে ধীরে ধীরে অনেক কিছুতে বিনিয়োগ করার চেষ্টা করুন। চাকরি করে বড়লোক হতে হলে আগে টিম লিড করতে শিখুন। কাজের পাশাপাশি নতুন আইডিয়া নিয়ে আসুন। অফিসের সবার সঙ্গে সুসম্পর্ক রেখে বসকে নিজের কাজের ভাল দিকটা বোঝানোর চেষ্টা করুন–
৯) স্বপ্ন দেখুন দোষ নেই, কিন্তু সবার আগে সঠিক পরিকল্পনা করুন– বড়লোক হব এমন স্বপ্ন দেখাটা ভাল। হ্যাঁ, ছেঁড়া কাঁথাতে শুয়ে থেকেও লাখ টাকার স্বপ্ন দেখাও ভাল। কারণ আগে কোনও কিছু করতে হলে স্বপ্ন দেখতে হয়। কিন্তু মনে রাখতে হবে আগে সঠিক পরিকল্পনা করতে হবে। ডায়েরিতে সময় ঠিক করে পরিকল্পনা করুন। ধরুন লিখলেন এক বছরের মধ্যে এক লাখ টাকা জমাতে চান। তারপর স্টক মার্কেটে বিনিয়োগ। দশ মাস পর হিসেব করে নিন পরিকল্পনা ঠিক দিকে বাস্তবায়িত হচ্ছে কি না।
৮) সময়কে কাজে লাগান, বিনিয়োগ করার আগে ভাবুন-দিনের ২৪ ঘণ্টাকে ভাগ করে নিন। রোজগার করতে হলে পরিশ্রম করতে হবে। কিন্তু তার চেয়েও বেশি করতে হবে সময় পরিকল্পনা। ধরা যাক আপনি চাকরি করেন। মানে ৯-১০ ঘণ্টা আপনি কাজে ব্যস্ত, তারপরের সময়টা কাজে লাগান। ছোট কোনও ব্যবসা থেকে শুরু করুন। টিউশনিও খারাপ অপশন নয়। যে অতিরিক্ত সময়টা কাজ করছেন সেই টাকাটা বিনিয়োগ করুন। ভুলে যাবেন না বিন্দুতে বিন্দুতে সিন্ধু হয়।
৭) চোখ কান খোলা রাখুন, রোজগারের পন্থা আসতে পারে যে কোনও জায়গা থেকে– সব সময় চোখ কান খোলা রাখুন। যে কোনও আলোচনা থেকে বড় কোনও রোজগারের একটা দিশা তৈরি হতে পারে। কখনও ভাববেন না ওটা আমার কাজ নয়। ফেসবুকের প্রতিষ্ঠাতা মার্ক জুকেরবার্গ পর্যন্ত বলেছেন, চোখ কান খোলা না থাকলে তিনি কখনই ফেসবুক খুলতে পারতেন না। ইন্টারনেটটা খুব ভাল করে ঘেঁটে ফেলনু। গোটা দুনিয়াটা লুকিয়ে আছে নেট দুনিয়ায়। সেখান থেকে রোজগারের পন্থা বের করুন। মাথা খাঁটান।
৬) পড়াশোনা, কোর্স করে নিজের যোগ্যতা বাড়ান, এতে পদোন্নতি হবে সবদিকে– পড়াশোনা চালিয়া যান। আপনার যা যোগ্যতা সেটা সবসময় বাড়িয়ে চলুন। বিএ পাশ হলে এমএ করুন। মাস্টার ডিগ্রি থাকলে পিএইচি করুন। যুগপোযোগি কোর্স করুন। এতে একদিকে আপনার সিভি ভারী হবে, আপনার যোগ্যতা বাড়বে। তার চেয়েও বড় কথা আপনার আত্মবিশ্বাস বাড়বে। রোজগারের আরও অনেক পথ বাড়বে। বিভিন্ন কোম্পানিতে লোভনীয় চাকরির প্রস্তাব আসবে।
৫) শুধু পছন্দসই চাকরি নয়, চাকরির জায়গাটাকেও গুরুত্ব দিন–শুধু পছন্দসই চাকরিতে পেয়েছেন বলেই আত্মহারা হবেন না। চাকরির জায়গাটাও গুরুত্ব দিন। ধরুন আপনি চলচ্চিত্রশিল্পের সঙ্গে জড়িত। তাহলে চেষ্টা করুন এই কাজের সেরা জায়গায় কাজ করতে। এটা ঠিক যোগ্যতা থাকলে যে কোনও জায়গা থেকে উজ্জ্বল হওয়া যায়। তবে এটাও ঠিক অনেক সময় পেশাদার আবহ আপনার কাছ থেকে সেরাটা বের করে নেয়। তাই একেবারে সেরা জায়গায় কাজ করলে আপনার সেরাটা দেওয়া যায়। তাই সেরাটা পাওয়ায় যায়।
৪) একই চাকরিতে বছরের পর বছর আটকে না থেকে ভাল সুযোগ পেলে নতুন জায়গায় যান– বছরের পর বছর একই কোম্পানিতে কাজ করে যাচ্ছেন। শুধু এই কথা ভেবে ‘যাক চলে যাচ্ছে, রোজগার তো করছি, খেতে তো পাচ্ছি’। এভাবে না ভেবে সুযোগ তৈরি করুন, সুযোগ কাজে লাগান। কোম্পানি পরিবর্তন করলে একদিকে মাইনে, পদ বাড়ে, অন্যদিকে বাড়ে আত্মবিশ্বাস, আসে নতুন কিছু করার মানসিকতা। তাই ভাল সুযোগ পেলে নতুন জায়গায় যান।
৩) খরচের জায়গাগুলো একটু ভাল করে খেয়াল করুন–আপনি হয়তো ভাল রোজগার করছেন। কিন্তু মাসের শেষে দেখছেন সেই ভাঁড়ে মা ভবানি অবস্থা। তাহলে এক কাজ করুন দেখুন তো আপনার খরচগুলো ঠিক কোথায় কোথছায় হচ্ছে। আচ্ছা, আপনার লাইফস্টাইলটা কী একটু বড়লোকি হয়ে যাচ্ছে না। হয়তো এর চেয়ে একটু কম খরচ হলেও আপনার চলে যায়। এসবই আপনি বুঝতে পারবেন যদি খরচের জায়গাগুলো একটু লিখে রাখেন। দেখবেন পরে চোখ বোলালে বুঝবেন কোন জায়গাগুলো একটু চেক করতে হবে।
২) ব্যতিক্রমি কিছু ব্যবসা-বিনিয়োগের কথা ভাবুন– দুনিয়ার বেশিরভাগ বড়লোক মানুষই ব্যতিক্রমী কিছু ভাবনার ওপর ভর করে ব্যবসা করেই নিজেদের ওপরে নিয়ে গিয়েছেন। আচ্ছা একবার ভাবুন scotch brite-এর কথা। আগে তো আমারা এমনি ন্যাকড়া দিয়েই বাসনপত্র মাজতাম। কিন্তু কেউ একজন ভেবেছিলেন এমন একটা কিছু আনতে হবে যা দিয়ে ন্যাকড়াকে বদলে অ্য অভ্যাস করানো যায়। কিংবা ধরুন আজকালকার অনলাইন শপিং। অ্যামাজন, ফ্লিপকার্টের মালিকরাও ব্যতিক্রমি ভেবেছিলেন। আপনিও ভাবুন, পড়ুন, দেখুন। নতুন ব্যবসার ভাবনা লুকিয়ে আছে আমাদের চোখের সামনে, শুধু আমরা সেটা দেখতে পারছি না। এই ভাবনা, আর তারপর সেটাকে বাস্তবে রূপ দেওয়ার ওপরেই আপনার উজ্জ্বল ভবিষ্যত নির্ভর করছে।
১) টাকার পিছনে ছুটবেন না, টাকাকে নিজের পিছনে ছোটান– বড়লোক হতে গেলে টাকার পিছনে ছুটলেই চলে না। দেখবেন ঠিক পরিকল্পনা করে চলে টাকাই আপনার পিছনে ছুটবে। আচ্ছা নিন একটা ঘটনমা বলি। বিল গেটসের। বিল গেটস একদিন এক বিশ্ববিদ্যালয়ে গেলেন লেকচার দিতে। অনেক কথা ছাত্রদের সঙ্গে শেয়ার করার পর যখন বিলের বক্তৃতা শেষ হল, তখন হঠাত্‍ই তাঁর পকেট থেকে ১০ ডলার পরে গেল। বিল কিন্তু সে টাকাটা কুড়োলেন না। সবাই তখন অবাক হয়েছিলেন। বিল কারণ হিসেবে বলেছিলেন, ওই টাকা কুড়োতে যত সময় খরচ হল, ওই সময় ব্য করে তিনি তার চেয়ে বেশি টাকা রোজগার করতে পারেন। নিজেকে এমনভাবেই তৈরি করুন। শুধু টাকার পিছনে ছুটবেন না। সময়কে, কাজকে উপভোগ করে কাজ করুন।