Subscribe:

চলন্ত গাড়ির পিছনে যে কারনে ধাওয়া করে কুকুর! জেনে নিন কারন


দৃশ্যটা প্রায় সকলেরই চেনা। প্রতিদিনের যাতায়াতে প্রায়শই চোখে পড়ে। কোনও চলন্ত গাড়ির পিছনে ধাওয়া করছে কুকুর। কখনও বা দল বেঁধে তাদের দৌড়তে দেখা যায়। কিন্তু কেন? গাড়ি দেখলেই কেন মেজাজ হারায় কুকুররা?
অনেকেই ভাবেন, গাড়ির গতির সঙ্গে প্রতিযোগিতায় নামে কুকুররা। এটা তাদের স্বাভাবিক একটা অভ্যাস। ছোটবেলা থেকেই কুকুররা এরকম দৌড়ের খেলায় মেতে থাকে। সেটা একটা কারণ হতে পারে। কিন্তু শুধু এরকমটা ভাবলে ভুল হয়ে যাবে। কেননা অপর ব্যাখ্যাটিও বেশ মজার। আসলে কুকুররাও নিজেদের এলাকা ভাগ করে রাখে। আস্তানায় ফেরার জন্য চিনে রাখে তার বাসস্থান ও আশেপাশের এলাকা। এবং এই চিনে রাখার উপায়টিও বেশ অভিনব। আসলে প্রস্রাবের গন্ধেই এলাকা চিনে রাখে কুকুররা। এ কারণে যে এলাকায় তাদের বাস সে এলাকার আশেপাশের গাড়ির চাকায় প্রস্রাব করে রাখে তারা। অন্য এলাকা থেকে গাড়ি ঢুকলে অচেনা গন্ধ টের পায় কুকুররা। তাতেই বুঝতে পারে অচেনা কেউ তাদের এলাকায় ঢুকে পড়েছে। ঠিক সে কারণেই গাড়ির পিছনে ধাওয়া করে।
তবে কুকুর যে বুদ্ধিমান প্রাণী তা তো বলার অপেক্ষা রাখে না। তাই প্রশিক্ষকরা ঠিকঠাক বুঝিয়ে দিলে এ ভুল তারা আর দ্বিতীয়বার করে না। তবে রাস্তা বা পাড়ার কুকুরের ক্ষেত্রে প্রশিক্ষণের বালাই নেই। তাই এই কাজটি করতে মূলত তাদেরই দেখা যায়। তবে এতে মানুষের উপকার বই অপকার নেই। কেননা এই কারণটি জেনে রাখলে, এলাকায় অচেনা কেউ যে ঢুকছে তা কুকুরের ধাওয়া করে দেখেই বুঝতে পারবে মানুষ। আর সতর্কবার্তা হিসেবে কুকুরের ডাক তো থাকলই।

ইত্যাদির সেই সিডরম্যান’ খ্যাত জয়দেবের পচা গলা মরদেহ উদ্ধার


সিডরম্যান’ খ্যাত বরগুনার তালতলী উপজেলার বড় বগী ইউনিয়নের ঘূর্ণিঝড় প্রস্তুতি কর্মসূচির (সিপিপি) ইউনিট প্রধান ও ওয়্যারলেস অপারেটর জয়দেব দত্তের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। শনিবার বেলা ১১টার দিকে তালতলীর বড়বগী ইউনিয়ন পরিষদের সিপিসির ওয়্যারলেস অপারেটর কক্ষ থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়। এ সময় কক্ষটি ভেতর থেকে বন্ধ ছিল।
বড়বগী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. আলম মুন্সি বলেন, সকালে ইউনিয়ন পরিষদে আসা সাধারণ মানুষ পচা দুর্গন্ধ পেয়ে পুলিশে খবর দেয়। পরে পুলিশ এসে ভেতর থেকে বন্ধ দরজা ভেঙে জয়দেবের মরদেহ উদ্ধার করে।
এ বিষয়ে তালতলী থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কমলেশ চন্দ্র হালদার বলেন, জেলা পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। এটি হত্যা না আত্মহত্যা সেটি উদঘাটনের চেষ্টা চলছে। ওসি আরও বলেন, মরদেহ দেখে মনে হয়েছে দু’তিনদিন আগে তার মৃত্যু হয়েছে। তিনি নিখোঁজ থাকলেও পরিবারের পক্ষ থেকে তা পুলিশকে অবহিত করা হয়নি।
প্রসংঙ্গত, ২০০৭ সালের প্রলয়ংকারী ঘূর্ণিঝড় সিডরের সময় তালতলীর নদী ও সমুদ্র তীরবর্তী এলাকায় জীবনের ঝুঁকি নিয়ে আগাম সতর্কতা সংকেত প্রচার করে শত শত মানুষের জীবন রক্ষা করেছিলেন জয়দেব দত্ত। এ খবর গণমাধ্যমে প্রকাশ হলে বিশ্বজুড়ে প্রশংসিত হন তিনি। পরে জনপ্রিয় বিনোদনমূলক অনুষ্ঠান ‘ইত্যাদি’র পক্ষ থেকে তাকে পুরস্কৃত করা হয়। এ সময় ইত্যাদির পক্ষ থেকে তাকে ‘সিডরম্যান’ উপাধি দেয়া হয়।

দু’দিনের রিমান্ড শেষে আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক যে জবানবন্দি দিলেন কথিত পীর পেয়ার


জিন ও ভূত তাড়ানোর নামে তরুণীদের সঙ্গে পর্ন ভিডিও ধারণ করে প্রতারণা করার অভিযোগে গ্রেফতার কথিত পীর আহসান হাবিব পেয়ার আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন।
শনিবার বিকাল ৪টায় ঢাকা মহানগর হাকিম এ কে এম মঈন উদ্দিন সিদ্দিকের আদালতে আসামি পেয়ারকে খিলগাঁও থানার পুলিশ হাজির করে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি রেকর্ড করার আবেদন জানায়। আদালত জবানবন্দি রেকর্ড করে পেয়ারকে জেল হাজতে পাঠানোর আদেশ দেন।
এর আগে, গত বুধবার খিলগাঁও থানার পুলিশ আসামি পেয়ারকে ঢাকার মুখ্য মহানগর হাকিমের আদালতে হাজির করে সাতদিন রিমান্ডে নেওয়ার আবেদন করেন। আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে বিচারক দুদিনের রিমান্ডের আদেশ দেন।
গত মঙ্গলবার দিবাগত রাতে রাজধানীর খিলগাঁও এলাকা থেকে পুলিশের কাউন্টার টেররিজমের সাইবার ক্রাইম ইউনিট আসামি পেয়ারকে গ্রেপ্তার করে।
মামলার এজাহার থেকে জানা যায়, প্রতারণার ফাঁদে ফেলে কিছু মেয়ের পর্নো ভিডিও তৈরি করে তা ইন্টারনেটে ছড়িয়ে দেওয়ার হুমকি দিচ্ছেন এক ব্যক্তি। এমন সংবাদের ভিত্তিতেই ১ আগস্ট বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে গ্রেপ্তার করা হয়।
প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায়, প্রতারণার মাধ্যমে আহসান হাবিব নিজের মোবাইলের ক্যামেরা দিয়ে অনেক মেয়ের পর্নো ভিডিও তৈরি করেন এবং তা তাঁর কম্পিউটারে সেভ করে রাখেন। কিছু দিন আগে দুই নারীর কাছে থেকে পাঁচ লাখ টাকা হাতিয়ে নেন।
জিজ্ঞাসাবাদে আরো জানা যায়, নিজেকে পীর দাবি করে ইসলামের অপব্যাখা দিয়ে জিন তাড়ানোর নামে তিনি মেয়েদের ফাঁদে ফেলে আপত্তিকর ভিডিও ধারণ করতেন। তাঁর সোশ্যাল মিডিয়া পর্যালোচনা থেকে দেখা যায় যে তাঁর পেজে এএইচপি টিভি নামের একটি ভুয়া চ্যানেল খুলে এবং নিজেকে সাংবাদিক পরিচয়ে মেয়েদের প্রতারণার ফাঁদে ফেলেন তিনি।
এ ঘটনায় পেয়ারের বিরুদ্ধে খিলগাঁও থানায় তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি এবং পর্নগ্রাফি নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দায়ের করেন ভুক্তভোগী এক তরুণী।