Subscribe:

সাবধান! আপনার এই ৪টি নিত্যব্যবহার্য জিনিসেই লুকিয়ে রয়েছে ক্যানসারের বীজ


প্রিভেনশন ইজ বেটার দ্যান কিওর, অর্থাৎ রোগের চিকিৎসার তুলনায় রোগ প্রতিরোধ ভাল— ক্যানসারে ক্ষেত্রে এই নীতি মেনে চলাই শ্রেয়।
ক্যানসার এমন একটি রোগ, যাকে নিশ্চিতভাবে সারাবার মতো ওষুধ এখনও চিকিৎসাবিজ্ঞানের অধরা। কাজেই প্রিভেনশন ইজ বেটার দ্যান কিওর, অর্থাৎ রোগের চিকিৎসার তুলনায় রোগ প্রতিরোধ ভাল— ক্যানসারে ক্ষেত্রে এই নীতি মেনে চলাই শ্রেয়। সম্প্রতি ওয়ার্ল্ড অ্যাসোসিয়েশন অফ প্রিভেনশন অফ ক্যানসার নামের সংস্থার স্বাস্থ্যবিষয়ক জার্নালে প্রকাশিত হয়েছে এমন ৪টি দৈনন্দিন ব্যবহার্য জিনিসের তালিকা, যেগুলির নিয়মিত ব্যবহারের ফলে ক্যানসারের সম্ভাবনা বৃদ্ধি পায়। কোন ৪টি জিনিস? আসুন, জেনে নেওয়া যাক—
১. কৃত্রিম চিনি: স্যাকারিন জাতীয় কৃত্রিম চিনিতে থাকে অ্যাকেসুফ্লেম কে— যা শরীরে টিউমার তৈরির কারণ হিসেবে কাজ করে, অ্যাসপারটেম— যা স্কিন ক্যানসারের অন্যতম কারণ, স্যাখারিন— যা রেচনতন্ত্রের ক্যানসার সৃষ্টি করে, এবং সর্বিটল— যা পেটের নানা সমস্যার কারণ। কাজেই কৃত্রিম চিনি দূরে সরিয়ে রেখে, প্রাকৃতিক চিনি খাওয়াই স্বাস্থ্যকর অভ্যাস।
২. এয়ার ফ্রেশনার: ঘরদোর সুরভিত রাখার জন্য অনেকেই এয়ার ফ্রেশনার ব্যবহার করে থাকেন। কিন্তু এই ধরনের এয়ার ফ্রেশনার শুধু যে হরমোনের ভারসাম্য নষ্ট করে তা-ই নয়, এমন কিছু রাসায়নিক এয়ার ফ্রেশনারে থাকে, যেগুলি ফুসফুস ও শ্বাসনালীর ক্যানসারের কারণ হিসেবে কাজ করে। কাজেই এয়ার ফ্রেশনারের বদলে ঘরের কোণে কোণে পুদিনা পাতা ভেজানো জল ছিটিয়ে দিন। ঘরদোর সুরভিত থাকবে।
৩. অ্যান্টি ড্যানড্রাফ শ্যাম্পু: খুসকি তাড়ানোর জন্য যে শ্যাম্পু ব্যবহার করা হয় তাতে মিথাইলোক্লোরোইসোথিয়াজোলনোন এবং অ্যামোনিয়াম সালফেটের মতো কিছু রাসায়নিক থাকে, যেগুলি কার্সিনোজেনিক হিসেবে প্রমাণিত। কাজেই এই ধরনের শ্যাম্পুর ব্যবহার কমিয়ে খুসকি তাড়ানোর কোনও প্রাকৃতিক কৌশল কাজে লাগানো উচিৎ।
৪. অ্যান্টি ব্যাকটেরিয়াল সাবান: ফুড অ্যান্ড ড্রাগ অ্যাডমিনিস্ট্রেশনের (এফডিআই) সমীক্ষায় দেখা গিয়েছে, ব্যাকটেরিয়া মারার জন্য যে সাবান ব্যবহার করা হয়, তাতে এমন কিছু রাসায়নিক থাকে যেগুলি স্কিন ক্যানসার সৃষ্টি করে।

আবারও ধস সোনার বাজারে! এবার দাম চলে এসেছে একদম হাতের নাগালে! জেনে নিন এখন প্রতি ভরি সোনার দাম!!


বাংলাদেশে স্বর্ণের দাম বিশ্বব্যাপী দাম কমে. প্রতি টাকা আগের চেয়ে এখন ভালো মানের স্বর্ণের 458 গ্রাম কমে যাবে.
 রূপা স্বর্ণ দিয়ে 292 টাকা bhari কমেছে. নতুন হার সোমবার রবিবার বাংলাদেশ (bajusa) সন্ধ্যায় গয়না এসোসিয়েশন কার্যকর হবে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো.
বিশ্ব স্বর্ণের দাম স্থানীয় বাজারের সঙ্গে সমন্বয় মধ্যে হ্রাস করা হয়েছে সোনা bajusera অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক দিলীপ কুমার আগরওয়াল হ্রাস করা হয়েছে.তিনি বলেন,
“আমরা সবসময় আমাদের স্থানীয় বাজারে এর আন্তর্জাতিক বাজারদর সঙ্গে তুল্য. সাম্প্রতিক কালে সোনা বিশ্বের মূল্য খোলস. আমাদের বাজারে সমন্বয় সঙ্গে, আমরা তা কমিয়ে এনেছি. ”
এই বছরের শুরুর দিকে, জুন 6 bharite টাকা 1 হাজার 225 স্বর্ণের দাম বাড়ানো হয়েছে. এক সপ্তাহ আগে, অর্থের 225 উত্থাপিত হয়েছিল.
সোমবার থেকে ক্যারেট মান প্রতি কুড়ি গ্রাম সোনা (11.664 গ্রাম) এবং 46 889 বিক্রি করা হবে. রবিবার টাকা 48 হাজার 347. নতুন দর দরে বিক্রি করা হয়, সোনার ক্যারেট মান প্রতি দুই গ্রাম অনুযায়ী মূল্য 4 টাকা হাজার 0. রবিবার ছিল মূল্য 4 টাকা হাজার 145 হবে.
সোনা 1 ক্যারেট মূল্য প্রতি 673 হাজার টাকা (টাকা 3830 গ্রাম প্রতি) সোমবার 44 গ্রাম থেকে বিক্রি করা হবে. 18. 491 রুপি 38 ক্যারেট মূল্য (3300 রুপি গ্রাম প্রতি).
রোববার 46 ক্যারেট সোনা ও 18 ক্যারেট এর 1 হাজার 189 গ্রাম, 39 হাজার 599 রুপি haccila বিক্রি.
11 হাজার টাকা (2230 রুপি গ্রাম প্রতি) প্রতি 6 গ্রাম স্বর্ণ বিক্রি সনাতন পদ্ধতি. সোনার 7 হাজার 527 টাকা. প্রতি kyarete 6 শতাংশ 91 কুড়ি গ্রাম, 1 থেকে 5 শতাংশ kyarete 87 শতাংশ, 18 kyarete 75 শতাংশ খাঁটি সোনা হয়. সনাতন পদ্ধতিতে স্বর্ণ, পুরাতনই দ্রবীভূত করা হয়.
খাঁটি সোনা কি শতাংশ এই ক্ষেত্রে পূরণ করা হয়, সেখানে কোন মানদণ্ড নয়.

যে ভাবে ভিসা ছাড়াই দুই বাংলাদেশি হজ যাত্রী জেদ্দায়।


দুই বাংলাদেশি হজযাত্রী ভিসা ছাড়াই সৌদি আরবের জেদ্দা বিমানবন্দরে পৌঁছেছে। জেদ্দা ইমিগ্রেশন কর্তৃপক্ষ বিষয়টি সনাক্ত করেছে। জেদ্দা ইমিগ্রেশন কর্তৃপক্ষ ওই দুই বাংলাদেশি হজযাত্রীকে প্রায় ১৬ ঘণ্টা বিমানবন্দরে বসিয়ে রাখে। পরবর্তীতে সৌদি কর্তৃপক্ষের উদ্যোগে ভিসার ব্যবস্থা করে তাদের টার্মিনাল ছাড়তে হয়েছে।
ভিসা ছাড়া দুই হজযাত্রী কীভাবে ইমিগ্রেশন পার হয়ে সৌদি এয়ারলাইন্সের একটি বিমানে কওে জেদ্দায় পৌঁছলেন তা খতিয়ে দেখার নির্দেশ দিয়েছেন ধর্ম মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. আব্দুল জলিল। স্থানীয় সময় শুক্রবার এ নির্দেশ দেন ধর্ম মন্ত্রণালয়ের সচিব।
বাংলাদেশ হজ মিশন জেদ্দা বিমানবন্দরে কর্মরত আনোয়ার হোসেন জানান, গত ২৭ জুলাই ‘শাবান এয়ার ইন্টারন্যাশনাল (লাইসেন্স নম্বর ১৪৫৭)’-এর হজযাত্রী নাসিমা আক্তার, পিআইডি নম্বর-১৪৫৭০৭২, একটি ফ্লাইটে জেদ্দার হজ টার্মিনালে অবতরণ করেন।
তিনি আরও জানান, ‘আমিন ট্যুরস এন্ড ট্রাভেলস ইন্টারন্যাশনাল (লাইসেন্স নম্বর ০১৮৪)’-এর মালিক আমিনুল হকও হজ ভিসা ছাড়া সৌদি এয়ারলাইন্স (এসভি ৮০৪)-এর একটি ফ্লাইটে সৌদি আরবে আসেন। সৌদি ইমিগ্রেশন পুলিশ দেখতে পায় যে, তারা ভিসা ছাড়াই সৌদি আরবে হজের জন্য এসেছেন।
এ বিষয়ে আনোয়ার হোসেন ধর্ম মন্ত্রণালয়ে একটি চিঠি পাঠান। চিঠিতে উল্লেখ করেন, ‘ভিসা ছাড়া আগত ওই দুই বাংলাদেশিকে প্রায় ১৬ ঘণ্টা হজ টার্মিনালে অপেক্ষা করতে হয়। শেষ পর্যন্ত সৌদি কর্তৃপক্ষের উদ্যোগে ভিসা পেয়ে টার্মিনাল থেকে ছাড়া পায় তারা।’
ধর্ম মন্ত্রণালয়ে পাঠানো চিঠিতে আনোয়ার হোসেন আরও উল্লেখ করেন, ‘ভিসা ছাড়া দুইজন হজযাত্রী কীভাবে বিমানে অরোহণ করতে পারলেন, এ বিষয়ে জেদ্দা হজ টার্মিনালের ইমিগ্রেশন কর্তৃপক্ষ বাংলাদেশের সমালোচনা করে। বিষয়টি হজ অফিস জেদ্দার জন্য বিব্রতকর এবং বাংলাদেশের সুষ্ঠু হজ ব্যবস্থাপনার পরিপন্থী।’