Subscribe:

এক ডিমের দাম ২০৮৪ টাকা!দেখে নিন কি ছিল এই ডিমের ভিতর।


অবাক কাণ্ড! এক ডিমের দাম নাকি ২০৮৪ টাকা! কিন্তু সেই ডিম উপহার পেয়ে সমস্যা প্রকট যে হতে পারে তা স্বপ্নেও ভাবেননি শার্লট হ্যারিসন।
সম্প্রতি অনলাইন সংস্থা ‘ই-বে’ থেকে একটি ডিম কিনে শার্লটকে উপহার দেন তার বাবা। ডিমটির দাম নিয়েছিল ২৫ পাউন্ড।
ডিমটি ছিল আসলে একটু অন্যরকম। প্রথমে শার্লট বুঝতে পারছিলেন না যে, ডিমটিকে নিয়ে কী করবেন তিনি।
এরপর সেই ডিমটিকে নিজের বাড়িতেই নির্দিষ্ট তাপমাত্রায় রেখে দিয়েছিলেন শার্লট। এর ঠিক ৪৭ দিন পর ঘটে সেই অদ্ভুত ঘটনা। ডিম ফুটে বের হয়ে আসে এমু পাখির বাচ্চা।
বাচ্চা এমু পাখিটিকে সযত্নে লালন পালন করতে থাকেন শার্লট। আদর করে তিনি পাখিটির নাম দেন কেভিন।
ধীরে ধীরে বাড়ির বাকি সদস্যদের সঙ্গেও বেশ ভালোভাবে মিশে যায় কেভিন। কিন্তু বাদ সাধে অন্য জায়গায়।
১ মাস পর কেভিনকে নিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় একটি ছবি ভিডিও পোস্ট করেন শার্লট।
ব্যাস, সেই ভিডিওটি দেখেই শার্লটের বাড়িতে নোটিস পাঠায় রয়্যাল সোসাইটি ফর দ্য প্রিভেনশন অব ক্রুয়েলটি টু অ্যানিম্যালস। পাখিটিকে তাদের অফিসারদের হাতে তুলে দিতে বলা হয়।
এখন সেই এমুটি একটি স্পেশালিস্ট ফার্মে রয়েছে। কিন্তু কেন এমনটা করলেন আরএসপিসিএ-এর আধিকারিকরা?
তাদের তরফে জানানো হয়েছে, কেভিন এখন ছোট। কিন্তু একদিন সে বড় হবে। ছোট্ট পাখিটি এক সময় ৬ ফুট লম্বা হয়ে যাবে। তখন শার্লটের তিন বেডরুমের বাড়ি কেভিনের জন্য যথেষ্ট হবে না।
এমুর নিবাস অস্ট্রেলিয়া। উটপাখির পর পাখির সংসারে এরাই দ্বিতীয় বৃহত্তম। প্রায় ২০ বছর পর্যন্ত বাঁচে এরা।
তবে বড় হয়ে গেলে এরা হিংস্র হয়ে ওঠে। সেই কারণেই এমুটিকে নিয়ে যাওয়া হয়েছে।

বাংলায় নামের প্রথম অক্ষর কী বলে আপনার চরিত্র সম্পর্কে, জেনে নিন!!


অ: এঁরা প্রচণ্ড পরিশ্রমী৷ প্রেমে আস্থা রাখেন৷ তবে সংসারের একঘেয়ে বাঁধন পছন্দ করেন না। এঁরা খেতে ভালবাসেন।
আ: এঁরা অত্যন্ত অহংকারী৷ প্রেমিক হিসেবে একেবারেই বিশ্বস্ত নন৷ কাজের ক্ষেত্রেও এঁরা খুব চ্যালেঞ্জ নিতে পারেন।
ই: এঁরা দ্বিমুখী স্বভাবের৷ যেমন দেখান, এঁরা আদতে সেই রকম হন না। নিজের আবেগ প্রকাশ করতে খুব একটা স্বচ্ছন্দ্যবোধ করেন না৷
ঈ: প্রিয়জনের থেকে উপহার পেতে ভালেবাসেন৷ কখনও বা একটু আদুরে গোছের৷ সকলকে নিয়ে চলতে ভালবাসেন।
উ: খুব বেশি কথা বলতে ভালেবাসেন৷ অসততা অপছন্দ৷ এঁদের মধ্যে শিল্প-প্রতিভা দেখা যায়। কাজের ক্ষেত্রে মনযোগী।
ঊ: এঁরা সাধারণত রোমান্টিকতায় নেই৷ সঙ্গীর শারীরিক আকর্ষণ এঁদের কাছে খুব গুরুত্বপূর্ণ৷ ধৈর্য্য কম।
ঋ: এঁদের কাছে নিজের সঙ্গী সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ৷ সঙ্গী পছন্দের ব্যাপারে এঁরা খুবই খুঁতখুতে।
এ: শারীরিক আকর্ষণ খুব একটা জরুরি মনে করেন না। নিজেকে সবসময় সেরা প্রমাণ করার তাগিদ রয়েছে। সম্পর্ক নিয়ে সচেতন।
ঐ: সামাজিকতা সম্পর্কে এঁরা খুব সচেতন৷ সবার সঙ্গে মিশলেও এঁরা সঙ্গী নির্বাচন নিয়ে খুব খুঁতখুতে। অর্থকেই জীবনের সবকিছু মনে করেন না।
ও: কথা দিয়ে কথা রাখতে পছন্দ করেন। রুচিশীল হন। আদর্শবাদী, রোমান্টিক এবং একইসঙ্গে সংবেদনশীল৷
ঔ: সাধারণত এই বর্ণ দিয়ে কোনও নামের শুরু হয় না।
ক: মিষ্টি স্বভাবের। এক সঙ্গে দুটো সম্পর্ক বজায় রাখতে পারেন। কর্মক্ষেত্রেও এঁদের মধ্যে এই গুন দেখা যায়।
খ: এঁরা অত্যন্ত স্বাধীনচেতা৷ সম্পর্কের মধ্যে কোনও স্পেস পছন্দ করেন৷ মাঝে মাঝেই এঁরা খুব ছটফটে৷
গ: অত্যন্ত রোমান্টিক৷ প্রেমিকাকে আগলে রাখাই আপনার জীবনের লক্ষ্য৷ কাজের ক্ষেত্রে খুব খুঁতখুতে।
ঘ: এঁরা সাধারণত রোমান্টিকতায় নেই৷ তবে যৌনতায় আছেন। সঙ্গীর শারীরিক আকর্ষণ এঁদের কাছে খুব গুরুত্বপূর্ণ৷ ধৈর্য্য কম।
ঙ: বাংলায় এই বর্ণ দিয়ে কোনও নাম শুরু হয়।
চ: রোমান্টিক৷ প্রিয়জনের থেকে উপহার পেতে ভালেবাসেন৷ কখনও বা একটু আদুরে গোছের৷ সকলকে নিয়ে চলতে ভালবাসেন।
ছ: সম্পর্কের মূল্য দেন৷ আন্তরিকতা পছন্দ করেন৷ খুব সংবেদনশীল হন৷ হইচই করে সময় কাটাতে ভালবাসেন।
জ: যেটা মনে মনে চান সেটা আদায় করেই ছাড়েন৷ স্বভাবগত দিক থেকে খুব কেয়ারিং৷ উচ্চাকাঙ্খী হওয়ার পাশাপাশি পরশ্রীকাতর৷
ঝ: আনন্দ, বিলাস ভালবাসেন৷ সম্পর্কের ব্যাপারে খুব একটা বিশ্বস্ত নন৷ তবে অত্যন্ত পরিশ্রমী।
ঞ: বাংলায় এই বর্ণ দিয়ে কোনও নাম শুরু হয় না।
ট: খুব বেশি কথা বলতে ভালেবাসেন৷ অসততা অপছন্দ৷ এঁদের মধ্যে শিল্প-প্রতিভা দেখা যায়। কাজের ক্ষেত্রে মনযোগী।
ঠ: এই অক্ষর দিয়ে যাঁদের নাম শুরু হয় তাঁরা আদর্শবাদী ও রোমান্টিক। তবে এঁদের মন খুব স্পর্শকাতর। জীবনে সাফল্য পান।
ড: ভীষণ খুঁতখুঁতে প্রকৃতির৷ খুব পরিশ্রমীও হন এরা৷ লক্ষ্যে পৌঁছতে প্রচণ্ড খাটতে পারেন৷ জীবনে কোনও কিছুকেই অসম্ভব মনে করেন না।
ঢ: এঁদের মধ্যে স্নেহ, মমতা রয়েছে৷ সাধারণত মানসিকভাবে খুব দৃঢ় হন। এদের সহজে সন্তুষ্ট করা যায় না৷
ণ: বাংলায় এই বর্ণ দিয়ে কোনও নামের শুরু হয় না।
ত: এঁরা প্রচণ্ড পরিশ্রমী৷ প্রেমে আস্থা রাখেন৷ তবে সংসারের বাঁধন পছন্দ করেন না। এঁরা খেতে ভালবাসেন।
থ: এই অক্ষর দিয়ে যাঁদের নাম শুরু তাঁরা লাজুক প্রকৃতির৷ তবে খুব বেশি ছক করে, প্ল্যান করে চলতে ভালবাসেন৷
দ: এঁরা খুব রোমান্টিক৷ এঁদের কাছে নিজের সঙ্গী সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ৷ সঙ্গী পছন্দের ব্যাপারে এঁরা খুবই খুঁতখুতে।
ধ: এঁরা দ্বিমুখী স্বভাবের৷ যেমন দেখান, এঁরা আদতে সেই রকম হন না। নিজের আবেগ প্রকাশ করতে খুব একটা স্বচ্ছন্দ্যবোধ করেন না৷
ন: এঁরা আবেগপ্রবণ৷ সম্পর্কের গভীরতা বোঝেন৷ সবকিছুতেই হাত পাকাতে পছন্দ করেন৷ আপনার মধ্যে দয়া-মায়া রয়েছে৷
প: স্বভাবের দিক থেকে হাসিখুশি। এঁরা বন্ধুবান্ধবদের সঙ্গে মজাদার আচরণ করলেও মনের বেদনা প্রকাশ করেন না।
ফ: সামাজিকতা সম্পর্কে এঁরা খুব সচেতন৷ সবার সঙ্গে মিশলেও এঁরা সঙ্গী নির্বাচন নিয়ে খুব খুঁতখুতে। অর্থকেই জীবনের সবকিছু মনে করেন না।
ব: সবসময় কাজের মধ্যে থাকতে ভালবাসেন৷ অন্যের আকর্ষণের কেন্দ্রে থাকা খুব পছন্দের৷ বিশেষ করে বিপরিত লিঙ্গের প্রতি।
ভ: শারীরিক আকর্ষণ খুব একটা জরুরি মনে করেন না। নিজেকে সবসময় সেরা প্রমাণ করার তাগিদ রয়েছে। সম্পর্ক নিয়ে সচেতন।
ম: আদর্শবাদী, রোমান্টিক এবং একইসঙ্গে সংবেদনশীল৷ কথা দিয়ে কথা রাখতে পছন্দ করেন।
য: খুব সংবেদনশীল৷ ব্যক্তিগত স্পেসে কাউকে ঢুকতে দেন না৷ প্রেমে পড়লেও খুব একটা অনুভূতি প্রকাশ পছন্দ নয়৷
র: প্রেমকে চ্যালেঞ্জ হিসেবে দেখেন৷ প্রেমহীন জীবনের কল্পনাও করতে পারেন না৷ কাজের ক্ষেত্রেও এঁরা খুব চ্যালেঞ্জ নিতে পারেন।
ল: এঁরা অত্যন্ত স্বাধীনচেতা৷ সম্পর্কের মধ্যে কোনও স্পেস পছন্দ করেন৷ মাঝে মাঝেই এঁরা খুব ছটফটে৷
শ: এঁরা অত্যন্ত অহংকারী৷ প্রেমিক হিসেবে একেবারেই বিশ্বস্ত নন৷ কাজের ক্ষেত্রেও এঁরা খুব চ্যালেঞ্জ নিতে পারেন।
ষ: একসঙ্গে দুটো সম্পর্ক বজায় রাখতে পারেন। কর্মক্ষেত্রেও এঁদের মধ্যে এই গুন দেখা যায়।
স: কোনও কিছু মনের মতো না হলে তা ছেড়ে দেন৷ প্রতিযোগিতার দৌড়ে সামিল হওয়া খুব পছন্দের৷
হ: অত্যন্ত রোমান্টিক৷ প্রেমিকাকে আগলে রাখাই আপনার জীবনের লক্ষ্য৷ কাজের ক্ষেত্রে খুব খুঁতখুতে।

ওমর সানী শাকিব খানের দুলাভাই?


দেশের জনপ্রিয় অভিনেতা ওমর সানি। নব্বই দশকের জনপ্রিয় এই চিত্রনায়ক মাঝখানে অভিনয়ে নিয়মিত না হলেও দীর্ঘ বিরতির পর ফিরেছেন খল চরিত্র বেশে। তার সাথে দেশের সুপারস্টার অভিনেতা শাকিব খানের সম্পর্কটা বেশ দারুনই! বয়সের তারতম্য থাকলেও শাকিব-সানির সম্পর্কটা বন্ধুর মতো। কিন্তু এখন শোনা যাচ্ছে, চিত্রঅভিনেতা ওমর সানি নাকি শাকিবের দুলাভাই! তাহলে কি চিত্রনায়িকা মৌসুমী কোনোভাবে শাকিবের বোন হন? আসলে ঘটনাটা বাস্তবের সম্পর্কের উপর নয়!
নব্বই দশকের জনপ্রিয় জুটি মৌসুমী-ওমর সানি। পর্দার বাইরেও তাদের দাম্পত্য জীবনের কুড়ি বছর পেড়িয়ে গেছে। পর্দায় বহুবার স্বামী-স্ত্রী হিসেবে অভিনয় করেছেন এই তারকা জুটি। বহুদিন জুটি বেধে বড়পর্দায় তাদের দেখা না গেলেও সম্প্রতি নতুন ছবি ‘আমি নেতা হবো’তে তারা অভিনয় করছেন স্বামী-স্ত্রী হিসেবেই। আর এই ছবিতেই মৌসুমীর ভাইয়ের চরিত্রে অভিনয় করছেন দেশের জনপ্রিয় তারকা অভিনেতা শাকিব খান। আর এই হিসেবে ওমর সানি এখন শাকিবের দুলাইভাই!
দু’দফা পরিচালক সমিতি ও চলচ্চিত্র পরিবারের ‘বয়কট’-এর ধকল কাটিয়ে এখন দেশীয় সিনেমায় ফিরছেন শাকিব খান। লোকাল প্রোডাকশনের চলচ্চিত্রে যাতে তাকে নিয়ে কেউ অভিনয় না করেন এমন আহ্বানও জানিয়েছিলেন চলচ্চিত্র পরিবার নামের সংগঠনটি। কিন্তু সব অনিশ্চয়তা পাশ কাটিয়ে ঈদের পর প্রথমবার ক্যামেরার সামনে দাঁড়ালেন শাকিব খান। গেল ১ আগস্ট উত্তম আকাশের পরিচালনায় ‘আমি নেতা হবো’ ছবির জনন্য ক্যামেরার সামনে দাঁড়ালেন শাকিব।
ছবিটি ‍দ্রুত শেষ করতে এরইমধ্যে টানা শ্যুটিং করছেন নির্মাতা। কেনোনা এরপরে শাকিব খানকে নিয়ে আরো অন্তত তিনটি ছবি নির্মাণের কথা ভাবছেন উত্তম আকাশ। ছবিগুলো প্রযোজনা করবে শাপলা মিডিয়া। ৩১ জুলাই রাজধানীর আফতাব নগরে ‘আমি নেতা হবো’-এর শ্যুটিং শুরু করেন নির্মাতা উত্তম আকাশ। প্রথম দিন শাকিব খান অংশ না নিলেও শ্যুটিং স্পটে দেখা মেলে ওমর সানি ও মৌসুমীকে। ১ তারিখ কলকাতা থেকে সোজা এই ছবির শ্যুটিং সেটে এসে যোগ দেন শাকিব। এরমধ্যে ওমর সানি ও মৌসুমীর সঙ্গে বেশকিছু ইনডোরের দৃশ্য সোশাল সাইটে দেখা যাচ্ছে।
শাকিব, ওমর সানি ও মৌসুমী ছাড়াও এই ছবিতে অভিনয় করছেন প্রখ্যাত নির্মাতা কাজী হায়াতও। ছবিতে শাকিবের বিপরীতে দ্বিতীয়বারের মতো অভিনয় করতে যাচ্ছেন চিত্রনায়িকা বিদ্যা সিনহা মিম।