Subscribe:

বিশ্বের সবচেয়ে বেশি ধনী আর গরিব দেশের তালিকা প্রকাশ। দেখুন বাংলাদেশের অবস্থান কততম!


বিশ্বের সবচেয়ে বেশি ধনী আর গরিব দেশের তালিকা প্রকাশ – ক্রেডিট সুইস গ্লোবাল ওয়েলথ রিপোর্ট ২০১৬-এ এই চিত্র উঠে এসেছে। সম্প্রতি এ প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে আন্তর্জাতিক গবেষণা প্রতিষ্ঠান ক্রেডিট সুইস। সেই প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বিশ্বের মোট দরিদ্র মানুষের ২০ শতাংশই থাকে মোট ছয়টি দেশে। দেশগুলোর শীর্ষে আছে ভারত। অন্য দেশগুলো হলো চীন, নাইজেরিয়া, বাংলাদেশ, ইন্দোনেশিয়া ও যুক্তরাষ্ট্র। বিশ্বের ২৫ শতাংশের বেশি গরিব মানুষ ভারতীয়। আর বিশ্বের ৩ দশমিক ৪ শতাংশ গরিব মানুষ বাস করে বাংলাদেশে। এ তালিকায় বাংলাদেশের অবস্থান চতুর্থ। এ ছাড়া গরিবদের সাড়ে ৭ শতাংশ চীনে ও ৩ দশমিক ৬ শতাংশ নাইজেরিয়ায় বাস করে।
ক্রেডিট সুইসের প্রতিবেদন অনুযায়ী, ১ শতাংশ ধনী মানুষের কাছে বিশ্বের প্রায় ৫১ শতাংশ সম্পদ রয়েছে। এ ধরনের ধনী মানুষকে বনেদি হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে প্রতিবেদনে। যে ১ শতাংশ বনেদি ধনী বিশ্বের অর্ধেকের বেশি সম্পদের মালিক, তাঁদের অর্ধেকই তিনটি দেশের নাগরিক। দেশগুলো হলো যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য ও জাপান। বনেদি ধনীদের প্রতি তিনজনের একজনই যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিক। প্রায় ৩৮ শতাংশ বনেদি ধনী যুক্তরাষ্ট্রের। বনেদি ধনীদের মধ্যে জাপানি আছেন ৯ দশমিক ৭ শতাংশ। সবচেয়ে গরিবদের দেশ ভারতেও বনেদি ধনী আছেন। বিশ্বের প্রতি ২০০ জন বনেদি ধনীর মধ্যে ১ জন ভারতীয়।
বিশ্বের এক-তৃতীয়াংশ সম্পদের মালিক যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকেরা। অথচ বিশ্বের ৫ দশমিক ১ শতাংশ কর্মক্ষম জনগোষ্ঠী আছে যুক্তরাষ্ট্রে। অন্যদিকে বিশ্বের ১৬ দশমিক ৭ শতাংশ কর্মক্ষম জনগোষ্ঠী ভারতে থাকার পরও দেশটি বিশ্বের মাত্র ১ দশমিক ২ শতাংশ সম্পদের মালিক।
প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, বিশ্ব মন্দার পর থেকে যুক্তরাষ্ট্রের সম্পদ বৃদ্ধির প্রবণতা অব্যাহত আছে। আবার জাপানের সম্পদ বেড়েই চলেছে। তবে ইউরোপীয় ইউনিয়ন থেকে বের হয়ে যাওয়ার পক্ষে ভোট দেওয়ার পর যুক্তরাজ্য দেড় ট্রিলিয়ন ডলারের সম্পদ লোকসান করেছে।
২০১৬ সালে বিশ্বের মোট সম্পদের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ২ কোটি ৫৫ লাখ ৭০ হাজার ৮০০ কোটি ডলার। অঞ্চলভিত্তিক হিসাবে সবচেয়ে সম্পদশালী হলো উত্তর আমেরিকা। সবচেয়ে দরিদ্র আফ্রিকা। বিশ্বের অন্যতম বড় অর্থনীতির দেশ চীনের সম্পদের পরিমাণ ২৩ লাখ ৩৯ হাজার ৩০০ কোটি ডলার। বিশ্ব অর্থনীতিতে আরেক প্রভাবশীল দেশ ভারতের ৩ লাখ ৯ হাজার ৯০০ কোটি ডলারের সম্পদ আছে। তবে ২০১৫ সালের তুলনায় চলতি বছরে এ দুটি দেশের সম্পদের পরিমাণ কমেছে। একজন ভারতীয় গড়ে ৩ হাজার ৮৩৫ ডলারের সম্পদের মালিক। আর চীনে এর পরিমাণ গড়ে ২২ হাজার ৮৬৪ ডলার।
এদিকে যুক্তরাষ্ট্র, কানাডাসহ উত্তর আমেরিকার একজন নাগরিক গড়ে ৩ লাখ ৩৭ হাজার ৭৮ ডলারের সম্পদের মালিক। ইউরোপের একজন নাগরিক গড়ে সোয়া লাখ ডলারের সম্পদের মালিক। একমাত্র উত্তর আমেরিকার ছাড়া আগের বছরের তুলনায় এ বছর বিশ্বের সব অঞ্চলের নাগরিকের গড় সম্পদের পরিমাণ কমেছে।
অন্যদিকে নিচের দিকে থাকা ৫০ শতাংশ মানুষের সম্পদের পরিমাণ দিন দিন কমছে। এ বিশাল জনগোষ্ঠীর মোট সম্পদের পরিমাণ বিশ্ব সম্পদের মাত্র দশমিক ২ শতাংশ। ২০১০ সালেও এর পরিমাণ ছিল ১ দশমিক ৬ শতাংশ।
গরিব মানুষের শীর্ষ পাঁচদেশ
অবস্থান – দেশ – বিশ্বের কত শতাংশ গরিবেরবাস
১- ভারত – ২৫.৪%
২ – চীন -৭.৫%
৩- নাইজেরিয়া -৩.৬%
৪ – বাংলাদেশ -৩.৪%
৫ – ইন্দোনেশিয়া -৩.১%

শরীরের যেখানে তিল থাকলে যৌন জীবন সুখের হয়!


তিল। একটা ছোট্ট কালো বা লাল রঙের স্পট। এক-একজনের শরীরে এক-এক জায়গায় থাকে। সেই তিলের সঙ্গেই নাকি যোগ রয়েছে বিবাহিত জীবনের? কীরকম? চলুন দেখে নেওয়া যাক,
১) নাকের পাশে- বিয়ের পর বিলাসবহুল জীবন। সব স্বপ্ন সফল হবে।
২) নাকের ডগায়- যৌনজীবনে সমস্যা দাম্পত্য সম্পর্কে প্রভাব ফেলতে পারে।
৩) ডান গালে- বিয়ের পর ভাগ্য পরিবর্তন একপ্রকার নিশ্চিত।
৪) জোড়া ভুরুর মাঝে- বিয়ের পর এরা জীবনে অনেক বেশি সফল হয়।
৫) হাতের ম্যারেজ লাইনে- ম্যারেজ লাইনে কালো বা লাল, দুরকম তিলই থাকতে পারে। লাল তিল বোঝায় গভীর দাম্পত্য সম্পর্ক। আর কালো তিল ঠিক উল্টোটা।
৬) পায়ের তলায়- বিয়ের পর দেশে-বিদেশে প্রচুর ঘুরবেন।
৭) বুকে- বুকের ডানদিকে থাকলে বিয়ের আগে অনেক লড়াই করতে হবে। কিন্তু বিয়ের পর জীবনে স্থিতাবস্থা আসবে।
৮) ভুরুর নীচে- সম্পর্ক মসৃণ হবে না। পরিবারে ঝগড়াঝাঁটি-অশান্তি লেগেই থাকবে।
৯) ঠোঁটের নীচে- আপনি রোম্যান্স ভালোবাসেন। আপনার জীবনে বহু সঙ্গী হবে। অনেকের সঙ্গে যৌন সম্পর্ক হবে আপনার। এই কারণে জীবনে অনেক সমস্যাও তৈরি হবে।
১০) কলারবোন- স্বামী বা স্ত্রী-এর কাছ থেকে ভালোবাসা ও সমর্থন পাবেন সবকিছুতে।
১১) কোমরে- আপনার স্ত্রী বা স্বামীভাগ্য খুবই রূপবতী বা রূপবান।
১২) চোখের কোণায়- এই পুরুষ কথায় কথায় ছোটখাট ইস্যুতে স্ত্রীর সঙ্গে ঝগড়া করতে ওস্তাদ। আর কোনও মহিলার চোখের কোণায় তিল থাকলে? চোখের ইশারায় ফ্লার্টিং তাঁর বায়ে হাত কা খেল।
১৩) কানের পিছনে- ভীষণ পারিবারিক একজন মানুষ।
সূত্র: জিনিউজ বাংলা

কিছু লক্ষণ বলে দিবে মেয়েটি আপনার প্রেমে পড়েছে!


ছেলে বা মেয়ে যেই হোক প্রেমে সবাই পড়ে। কিন্তু ছেলেরা সেই প্রেমের কথা সহজে প্রকাশ করলেও মেয়েরা তা প্রকাশ করে না।
ছেলেদের আচরণ দেখলেই বোঝা যায় সে প্রেমে হাবুডুবু খাচ্ছে। অথচ মেয়েরা যদি ভালোবাসি কথাটা নিজের মুখ থেকে বলেও দেয় তারপরেও আপনি তার আচরণ দেখে মাঝে মাঝে দ্বিধায় ভুগবেন আপনার প্রতি তার ভালোবাসা নিয়ে। তবে ছোট ছোট কিছু লক্ষণ আছে, যা দেখে বুঝতে পারবেন মেয়েটিও আপনার প্রেমে পড়েছে।
জেনে নিন সেই লক্ষণগুলো কি কি-
১. আপনার শত্রু মানে তারও শত্রু। যখন কোনো কারণ ছাড়াই আপনার শত্রুকে মেয়েটিও অপছন্দ করতে শুরু করে, যখন দেখবেন, শুধু আপনি তাকে পছন্দ করেন না বলে সেও তাকে ঘৃণা করতে শুরু করেছে, তখন বুঝবেন ঠিক সে আপনার প্রেমে পড়েছে।
২. আপনি খুব সাধারণ কিছু একটা করলেও মেয়েটি আবেগ আপ্লুত হয়ে পড়ে। এমনকি ইচ্ছে করেই সে তার আবেগ আপনার প্রতি প্রকাশ করে, যাতে আপনি বুঝতে পারেন আপনার প্রতি সে কতটা দুর্বল।
৩. প্রথম কবে দেখা হয়েছে, প্রথম দুজনে কী কথা বলেছেন সবগুলোই তার মনে আছে। আর এগুলো সে বারবারই আপনার সঙ্গে বলতে থাকে। এমনকি আপনার দেওয়া প্রথম কোনো উপহার সে এখনো যত্ন করে রেখেছে। এগুলো থেকেই বোঝা যায় মেয়েটি আপনাকে কতটা ভালোবাসে।
৪. আপনার সঙ্গে দেখা হওয়ার কোনো সুযোগই মেয়েটি হাতছাড়া করতে চায় না। যত ঝামেলাই থাকুক না কেন ঠিক সে কোনো না কোনো উপায় খুঁজে বের করে। আর মেয়েটিও চায় আপনি ঠিক এমনটাই করেন।
৫. যত সমস্যাই হোক না কেন সবার আগে মেয়েটি আপনাকে বলার চেষ্টা করে। হয়তো আপনি কোনো সমাধানই দিতে পারেন না, তবুও সে আপনাকে বলে শান্তি পায়।
৬. আপনি ফোন ধরতে দেরি করলে কিংবা ম্যাসেজ করতে দেরি করলে মেয়েটি যদি অস্থির হয়ে নিজেই ফোন করে বসে কিংবা একের পর এক ম্যাসেজ দিয়েই যায় তাহলে বুঝে নিবেন সে আপনার প্রেমে হাবুডুবু খাচ্ছে।
৭. মেয়েটি কেমন জীবনসঙ্গী চায় সেই বিষয়গুলো যদি বারবারই আপনাকে বলে এবং আপনার কাছ থেকে কোনো উত্তর সে আশা করে তাহলে বুঝবেন সে আপনাকে বোঝাতে চাচ্ছে যে, তার আপনার মতোই সঙ্গী প্রয়োজন।
৮. অন্য কোনো মেয়ের সঙ্গে কথা বললে কিংবা কোনো মেয়ের বিষয়ে তার সঙ্গে আলোচনা করলে মেয়েটি খুবই বিরক্ত হয়। আর সে চায় আপনি যেন বুঝতে পারেন সে এগুলো পছন্দ করে না।
৯. আপনি অনেক আনন্দে থাকলেও মেয়েটি বুঝতে পারে আবার খুব কষ্টে থাকলেও সে বুঝতে পারে। আপনার সব আচরণ মেয়েটি যখন আয়ত্ব করে ফেলছে, আর আপনিও তার কাছে কিছু লুকিয়ে রাখতে পারছেন না, বুঝবেন সে প্রেমে পড়েছে।
১০. মেয়েটি আপনার সম্বন্ধে সবই জানে। আপনার কী ভালো লাগে, কী অপছন্দ, কোন খাবার পছন্দ, কিসে বিরক্ত হন সবই সে জানে। এটাই তার প্রেমে পড়ার অনেক বড় একটা লক্ষণ।