Subscribe:

আপনার জীবন বদলে দিতে পারে মনিষী জালাল উদ্দিন রুমির এই ১০টি জ্ঞানগর্ভ উক্তি


এখানে ১০টি জনপ্রিয় উক্তি তুলে ধরা হলো। এগুলো ১৩ শতকের জনপ্রিয় পার্সি কবি জালাল উদ্দিন মুহাম্মদ রুমির উক্তি। এগুলো হতে পারে আপনার জীবনের অনেক বড় শিক্ষা।
১. তুমি সাগরে এক বিন্দু পানি নও। তুমি এক বিন্দু পানিতে গোটা এক সাগর।
শিক্ষাটা হলো- নিজের মূল্য বুঝতে হবে।
২. আমাদের মধ্যে এক অদৃশ্য শক্তি লুকিয়ে আছে। এটা যখন দুটো বিপরীতমুখী বাসনার উপলব্ধি প্রকাশ করে, তখন তা শক্তিশালী হতে থাকে।
শিক্ষাটা হলো- নিজের প্রতি চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে দিতে থাকুন।
৩. গতকাল আমি চতুর ছিলাম। তাই আমি পৃথিবীটাকে বদলে দিতে চেয়েছিলাম। কিন্তু আজ আমি জ্ঞানী, তাই নিজেকে বদলে ফেলতে চাই।
শিক্ষাটা
হলো- পরিবর্তনটা আপনি আনুন।
৪. শোক করো না। তুমি যাই হারাও না কেন তা অন্য কোনো রূপে ফিরে আসবে।
শিক্ষাটা হলো- ইতিবাচক থাকুন।
৫. প্রত্যেককে বানানো হয়েছে নির্দিষ্ট কাজের জন্য এবং প্রত্যেক হৃদয়ে সেই কাজটি করার আকাঙ্ক্ষাও দিয়ে দেওয়া হয়েছে।
শিক্ষাটা হলো- নিজের আবেগ নিয়ে বেঁচে থাকুন।
৬. কেউ যখন কম্বলকে পেটাতে থাকে তখন সেটা কম্বলের বিরুদ্ধে নয়, ধুলোর বিরুদ্ধে।
শিক্ষাটা হলো- মনোযোগী থাকুন।
৭. আমাদের চারদিকে সৌন্দর্য ছড়িয়ে রয়েছে। সাধারণত একে বুঝতে একটি বাগানে হাঁটার প্রয়োজন অনুভব করি আমরা।
শিক্ষাটা হলো- নিজের পথ নিজেই সৃষ্টি করুন।
৮. যখন নিজের মূল্য নির্ধারণের দিনটি আসবে তখন আপনার পরিচয় ফুটিয়ে তোলাটাই বিজ্ঞানের নির্যাস।
শিক্ষাটা হলো- আপনি যেমন তেমনই থাকুন।
৯. শোক প্রকাশ হতে পারে সমবেদনার বাগান। যদি সবকিছুতে নিজের হৃদয়টাকে উদার রাখতে পারেন, বেদনা আপনার শ্রেষ্ঠ বন্ধু হতে পারে।
শিক্ষাটা হলো- ভালোবাসা ও জ্ঞানের জন্য নিজের যাত্রাটাকে নিরবচ্ছিন্ন রাখুন।
১০. আমার প্রথম প্রেমের গল্প শোনামাত্র তোমাকে খুঁজতে থাকি, কিন্তু জানি না ওটা কতটা অন্ধ ছিল। প্রেম আসলে কোথাও মিলিত হয় না। সারাজীবন এটা সবকিছুতে বিরাজ করে।

ফেসবুকে প্রতারণার ফাঁদ, সাবধান!


ফেসবুক। শহর-গ্রাম সবখানেই সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম হিসেবে সাধারণ মানুষের কাছে ব্যাপক জনপ্রিয়। আর বিপুল মানুষের পছন্দের মাধ্যমটিকে ব্যবহার করে মানুষের সঙ্গে প্রতারণা করতে রাজধানীসহ সারাদেশে বেশ কয়েকটি চক্র সক্রিয় আছে জানিয়েছে পুলিশ।
ফেসবুক আইডি হ্যাক করে অর্থ আদায় করা প্রতারক চক্রের সদস্য আজাদ হোসেন। গেল ১৫ আগস্ট রাজধানীর খিলক্ষেত এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেফতার করে ঢাকা মহানগর পুলিশের কাউন্টার টেরোরিজম ইউনিটের সাইবার নিরাপত্তা ও অপরাধ দমন বিভাগ।
গোয়েন্দাসূত্র জানায়, ফ্রেন্ড রিকোয়েস্ট পাঠিয়ে ও বেশকিছু ডোমেইন ব্যবহার করে এসব প্রতারক চক্র অপকর্ম করে আসছে। তারা এসব ডোমেইনে ফ্রি ওয়েব ফিশিং সাইট খুলে লাইক বাড়ানো এবং চটকদার ভিডিও দেখানোর কথা বলে প্রতারণা করে বিভিন্ন ব্যক্তিকে ইনবক্সে মেসেজ পাঠায়। তাদের পাতানো ফাঁদে পা দিয়ে আইডি ও পাসওয়ার্ড খোয়াচ্ছেন অনেকেই। পরবর্তীতে আইডি ও পাসওয়ার্ড দিয়ে প্রতারক চক্র অ্যাকাউন্টগুলো তাদের নিজেদের নিয়ন্ত্রণে নিয়ে নেয়।
ঢাকা মহানগর পুলিশের কাউন্টার টেরোরিজম ইউনিটের সাইবার নিরাপত্তা ও অপরাধ দমন বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার (ডিসি) মোঃ আলীমুজ্জামান আরটিভি অনলাইনকে বলেন, ‘এই প্রতারক চক্রের সদস্যরা সাধারণত তাদেরই ফেসবুক আইডি হ্যাক করার চেষ্টা করেন, যাদের আইডির তথ্যে সহজে পাওয়া যায়। অর্থাৎ যেটির প্রাইভেসি পাবলিক করা। এরা সাধারণত এই প্রাইভেসি পাবলিক করে রাখা ফেসবুক আইডির মালিকদের খুঁজে বের করে তাদের র‌্যানডমলি ফ্রেন্ড রিকোয়েস্ট পাঠান। যারা তাদের এই ফ্রেন্ড রিকোয়েস্ট অ্যাকসেপ্ট করেন তারাই মূলত এই চক্রের শিকারে পরিণত হন।’
গোয়েন্দা তথ্যমতে, পরে ওই প্রতারক চক্রের সদস্যরা বিকাশ নম্বরে টাকা দেয়ার বিনিময়ে অ্যাকাউন্ট ফেরত দেবে বলে ফেসবুক অ্যাকাউন্টের আসল মালিকদের ব্ল্যাকমেইল করে। কিংবা আসল ফেসবুক মালিকের অ্যাকাউন্টের বিভিন্ন বন্ধুকে তিনি বিপদে পড়েছেন বলে সহানুভূতি চেয়ে টাকা বিকাশ করে দিতে বলে।
মূলত মানসিক চাপ প্রয়োগ করে ফেসবুকের প্রতারক চক্রের সদস্যরা সাধারণ মানুষের কাছ থেকে বিকাশ বা অন্যান্য আরো টাকা লেনদেনের মাধ্যম ব্যবহার করে টাকা হাতিয়ে নেবার চেষ্টা চালায়। আর্থিকভাবে লাভবান হওয়াই এদের মূল লক্ষ্য।
ফেসবুক প্রতারণায় জড়িতদের বিষয়ে জানতে চাইলে ঢাকা মহানগর পুলিশের অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার (মিডিয়া) মোহাম্মদ ইউসুফ আলী বলেন, ফেসবুকে প্রতারণায় বেশকিছু চক্র জড়িত। এদের ব্যাপারে আমরা অনেক অভিযোগও পেয়েছি। সেই সঙ্গে সাম্প্রতিক সময়ে এরকম একটি সক্রিয় চক্রের এক সদস্যকে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী গ্রেফতারও করেছে।
তিনি আরো বলেন, আমাদের প্রত্যেককে এই প্রতারণার বিষয়ে আরো সচেতন ও সাবধানী হতে হবে। কেননা যেকোনো দুর্ঘটনা বা বিপদ এড়াতে সবার আগে প্রয়োজন ব্যক্তি সচেতনতা। সেই সঙ্গে ফেসবুক ব্যবহারেও সচেতন হোন। অপরিচিত কারো কাছ থেকে ফ্রেন্ড রিকোয়েস্ট পেলে আগে যাচাই করে পরে তাকে আপনার বন্ধু তালিকায় যোগ করুন। অপরিচিত কোনো ব্যক্তির কাছ থেকে ফেসবুকে মেসেজ পেলে তা পড়ার আগে সতর্ক থাকবেন। এ ধরনের যে কোনো প্রতারক চক্রের সন্ধান পেলে নিকটস্থ থানায় অভিযোগ করুন। – rtvonline

ঢাকায় নামবে ৪ হাজার চীনা ইলেকট্রিক বাস


ফিটনেসবিহীন বাস সরিয়ে ঢাকায় আধুনিক সুবিধা সংবলিত চার হাজার ইলেকট্রিক বাস সরবরাহের প্রস্তাব দিয়েছে চায়না সাংহাই টেকনোলজি।
বৃহস্পতিবার (২৭ এপ্রিল) রাজধানীর মতিঝিলে দ্য ফেডারেশন অব বাংলাদেশ চেম্বার্স অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির (এফবিসিসিআই) ভবনের সভাকক্ষে এফবিসিসিআই ও চীনের অল-চায়না ফেডারেশন অব ইন্ডাস্ট্রি অ্যান্ড কমার্সের (এসিএফআইসি) যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত ব্যবসায়িক বৈঠকে এ প্রস্তাব উঠে আসে।
প্রতিষ্ঠানটির কর্মকর্তা মি. হুয়া লি বলেন, আমরা পরীক্ষামূলকভাবে কয়েকটি বাস দেবো। এতে ঢাকার সড়কে সুবিধা হলে চার হাজার বাস প্যাকেজ আকারে বাংলাদেশকে দেওয়া হবে।
এফবিসিসিআইয়ের সভাপতি আবদুল মাতলুব আহমাদ বলেন, চায়না প্রতিষ্ঠানটি যে বাসের কথা বলছে সেটি আধুনিক সুবিধা সংযুক্ত। তারা বাংলাদেশের সঙ্গে যৌথভাবে বাস সার্ভিস চালুর আগ্রহ প্রকাশ করেছে।
প্রথমবারের মতো কোনো চীনা মন্ত্রী বিনিয়োগের স্থান খুঁজতে বাংলাদেশ সফর করেছেন জানিয়ে মাতলুব আহমাদ বলেন, চায়না কোম্পানিগুলো বাংলাদেশে পাওয়ার জেনারেশন, ডিস্ট্রিবিউশন, এগ্রো, ফুড প্রসেসিংয়ে বিনিয়োগে আগ্রহ দেখিয়েছে। বিশেষ করে ডেইরি ফার্মে বড় ধরনের সম্ভাবনা দেখিয়েছে তারা। এসব বিষয়ে আমরা তাদের দূতাবাসকে জানিয়েছি এবং তারা রাজি যেকোনো সহায়তায়।
এছাড়া চীনের সঙ্গে কাজের অগ্রগতি নিয়ে কমিটি করা হবে এবং এই কমিটি সামগ্রিক বিষয় নিয়ে প্রতি মাসে জানাবে।
চায়না চেম্বারের এক্সিকিউটিভ ভাইস চেয়ারম্যান মি. চ্যুয়ান ঝেঝু’র নেতৃত্বে চীনের একটি বাণিজ্যিক প্রতিনিধিদল এ ব্যবসায়িক আলোচনায় অংশ নেয়।
এসময় বাংলাদেশে অবস্থিত চীনের রাষ্ট্রদূত মি. মা মিং চিয়াং এবং এফবিসিসিআই মহাসচিব মীর শাহাবুদ্দিন মোহাম্মদসহ উভয় দেশের ব্যবসায়িক প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।
গত বছর চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং-এর বাংলাদেশ সফরে চট্টগ্রাম এবং খুলনায় দুটি বড় তাপ বিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মাণের চুক্তি হয়েছে। এ দুটি প্রকল্প, যার একেকটির ক্ষমতাই এক হাজার ৩২০ মেগাওয়াট।
চট্টগ্রামে কর্ণফুলী নদীর তলদেশ দিয়ে একটি টানেল তৈরির প্রকল্পেও অর্থ সহায়তা দিচ্ছে চীন। এছাড়া একটি সার কারখানা, ন্যাশনাল ডাটা সেন্টার এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ‘কনফুসিয়াস ইনস্টিটিউট’ নামে একটি গবেষণা কেন্দ্র স্থাপিত হচ্ছে চীনা অর্থ সাহায্যে।
সফরে দুদেশের মধ্যে ২৬টি নানা ধরনের চুক্তি এবং সমঝোতা হয়। যার মধ্যে এফবিসিসিআইয়ের সঙ্গে চীনের ব্যবসায়ী প্রতিনিধিদের ১৩টা চুক্তি হয়েছে। এই ১৩টি চুক্তিতে প্রায় এক হাজার তিনশো ষাট কোটি ডলার ব্যবসা এবং বিনিয়োগের সম্ভাবনা