Subscribe:

হঠাৎ ফেসবুকে স্ট্যাটাস দিয়ে একি বললেন তারিন ! যা নিয়ে এত আলোড়ন!!


আজকাল ছোট পর্দার তারকারাও ফেসবুকে স্ট্যাটাস দিয়ে আলোচনায় আসছেন। ছোট পর্দার জনপ্রিয় তারকা তারিন সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যম ফেসবুকে গতকাল শনিবার রাতে একটি স্ট্যাটাস দিয়েছেন। তিনি লিখেছেন—
’একদিন আমিও পৃথিবী ছেড়ে চলে যাব, ফিরব না আর। তুমি কাঁদবে। যখন একা থাকবে, আমার কথা মনে হবে। আমার হাসি আর কণ্ঠ শুনতে পাবে না আর। আমি আর থাকব না তোমাকে জ্বালাতন করতে, খোঁচাতে,
হাসাতে কিংবা বোকার মত ’স্যরি’ বলার জন্য। হয়তো চোখের জলের ভেসে যাবে। কিন্তু আমি তো চলে যাব, বহুদূরে এবং চিরতরে।

সস্তা হয়ে গেল আই-ফোন? এত কম দামে পাওয়া যাবে অবিশ্বাস্য!!


একটা আই-ফোন পকেটে থাকলে যেন হাতে চাঁদ পাওয়ার মতো অনুভূতি। এই একটা আই-ফোনের জন্য হা-হুতাশের শেষ নেই। এবার হয়তো সেই হতাশা কাটানোর সুযোগটা এসেই গেল।
অবশেষে ভারতে মোবাইল ফোনের বাজার ধরতে কাজটা করেই ফেলল আই-ফোন। আর এর ফলে যেন হাতে স্বর্গ পাওয়ার উপক্রম হল মোবাইল ব্যবহারকারীদের। কারণ, আই-ফোনের দামে বিপুল ছাড় দেওয়া শুরু করেছে অ্যাপেল। সর্বভারতীয় এক নিউজ পোর্টালে প্রকাশিত হওয়া প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, আই-ফোনের দাম এতটাই সস্তা করে দেওয়া হয়েছে যে, বিপাকে পড়ে গিয়েছে অন্য মোবাইল সংস্থাগুলি।
প্রকাশিত এই রিপোর্টে দাবি করা হয়েছে, ভারত ছাড়া এই মুহূর্তে বিশ্বের অন্য কোনও বাজারে আই-ফোন-এর বিক্রিতে বৃদ্ধি হওয়ার সম্ভাবনা কম। কিন্তু, ভারতে বাজার ধরতে হলে যে কম দামে হ্যান্ডসেট বিক্রি করতে হবে, তা বুঝে গিয়েছে অ্যাপেল। তাই হ্যান্ডসেটের দামে বিপুল ছাড়ের সিদ্ধান্ত নিয়েছে তারা। দোকান থেকে আই-ফোন কিনলে এই ছাড় পাওয়া যাবে এবং সেইসঙ্গে মিলবে ৫ হাজার টাকার ক্যাশ-ব্যাক অফার। ৯০ দিনের মধ্যে এই ৫ হাজার টাকা ক্রেডিট কার্ড অ্যাকাউন্টে ফেরত আসবে বলে ওই রিপোর্টে দাবি করা হয়েছে।
আই-ফোনের এই বিপুল ছাড়ে যেমন ‘আই-ফোন এসই’-এর ১৬ জিবির দাম পড়ছে ১৯,৯৯৯ টাকা। এর আসল দাম ৩৯,০০০ টাকা। ‘আই ফোন এসই’-এর ৬৪ জিবির দাম পড়ছে ২৫,৯৯৯ টাকা। এর আসল দাম ৪৪,০০০ টাকা। তবে খেয়াল রাখতে হবে, এই অফারে কোনও ইএমআই নেই। ক্রেডিট কার্ড দিয়ে একবারে দাম মেটাতে হবে। আর এই ক্রেডিটকার্ডেই ফেরত আসবে ৫ হাজার টাকা।

শুধু ১টি দুই টাকার কয়েন থেকেই চাইলে আয় করতে পারেন ৪ লাখ টাকা। জেনে নিন কিভাবে??


শুধু ১টি দুই টাকার কয়েন থেকেই চাইলে আয় করতে পারেন ৪ লাখ টাকা। জেনে নিন কিভাবে. এযুগে একটি দুটাকার কয়েনের কতটুকুই বা দাম?
আজকাল এক জন ভিখারিকেও দুটাকার কয়েন ভিক্ষা দিতে গেলে তিনি বোধহয় মুখ ফিরিয়ে চলে যাবেন। কিন্তু কখনও ভেবে দেখেছেন কি, একটি দু’টাকার কয়েনও আপনার সামনে খুলে দিতে পারে তিন লক্ষ টাকা উপার্জনের সুযোগ! শুনে যতই অবাক লাগুক না কেন, অন্ধ্রপ্রদেশের মানুষ বি চন্দ্রশেখর এমনই এক অদ্ভুত কাণ্ড ঘটিয়ে ফেলেছেন।
বি চন্দ্রশেখরের একটি ভিন্টেজ কয়েনের দোকান চালান। হায়দ্রাবাদে ওয়ার্ল্ড তেলুগু কনফারেন্সের অফিসের সামনে রাস্তার ধারে ছোট্ট দোকান চন্দ্রশেখরের। পুরনো কয়েন বিক্রি হয় সেই দোকান থেকে। তেলুগু কনফারেন্সের অফিসে সারা দিনই লোকজনের যাতায়াত লেগেই থাকে। তাঁদের মধ্যেই উৎসাহী লোকজনেরা উঁকিঝুঁকি মারেন চন্দ্রশেখরের দোকানে। যাঁরা পুরনো কয়েন সংগ্রহ করতে আগ্রহী, তাঁরা পছন্দমতো কয়েন কিনে নিয়ে যান চন্দ্রশেখরের কাছ থেকে। যা রোজগার হয়, তাতেই সংসার চলে যায় চন্দ্রশেখরের।
কিন্তু নিছক সংসার চালানো নয়, পুরনো কয়েন বেচে লাখপতি হয়ে গিয়েছেন চন্দ্রশেখর। এবং যেটা আরও আশ্চর্যের তা হল এই তথ্য যে, কেবল একটি দুটাকার কয়েন তাঁকে তিন লক্ষ টাকা উপার্জনের সুযোগ করে দিয়েছে। দিন কয়েক আগে একটি দু’টাকার কয়েন তাঁর কাছ থেকে এক জন কিনে নিয়ে গিয়েছেন তিন লক্ষ টাকার বিনিময়ে।
কিন্তু কেন একটি কয়েনের দাম তিন লক্ষ টাকা? কী এমন বিশেষত্ব সেই কয়েনের? আসলে এই বিশেষ দু’ টাকার কয়েনটি তৈরি হয় ১৯৭৩ সালে মুম্বই মিন্টে। মুম্বই মিন্ট ভারতের প্রাচীনতম টাঁকশালগুলির মধ্যে একটি। মুম্বই মিন্টে তৈরি করা মুদ্রায় একটি ডটের আকারে হিরের ছবি খোদাই করা থাকে। ফলে সংগ্রাহকদের কাছে এই ধরনের কয়েনের বিশেষ মূল্য রয়েছে। সেই রকমই কোনও এক উৎসাহী কয়েন সংগ্রাহক এসেছিলেন চন্দ্রশেখরের দোকানে। নিজের সংগ্রহে থেকে যাওয়া এই প্রাচীন কয়েনের দাম যে যথেষ্ট বেশি, তা জানতেন চন্দ্রশেখরও। তিনিও তাই সুযোগ বুঝে চড়া দাম হাঁকেন। দরাদরিতে তিন লক্ষ টাকায় বিক্রি হয়ে যায় সেই কয়েন। অতএব, কয়েন জমানোর শখ যদি আপনার থাকে, এবং ভাগ্য যদি অনুকূল হয়, তাহলে দু’টাকার কয়েন থেকে লাখপতি হতে পারেন আপনিও।
সৌজন্যেঃ এবেলা